| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) দুই শিক্ষককে যেভাবে তড়িঘড়ি করে অপসারণ করা হয়েছে, তা আমাদের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার এক গভীর সংকটকে সামনে এনেছে। সহকারী অধ্যাপক লায়েকা বশীর এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. এ এস এম মোহসীনকে কোনো সুষ্ঠু তদন্ত বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একটি বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে যুক্তি এবং ন্যায়ের কেন্দ্র হওয়ার কথা, সেখানে স্রেফ 'মব' বা উন্মত্ত জনরোষের কাছে প্রশাসনের এই আত্মসমর্পণ প্রতিষ্ঠানটির সার্বভৌমত্বকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। এটি কেবল দুইজন ব্যক্তির চাকরি হারানো নয়, বরং একটি স্বাধীন শিক্ষা কাঠামোর পরাজয়।
ঘটনার মূলে ছিল লায়েকা বশীরের একটি ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্ট। মোহাম্মদপুরের একটি জোড়া খুনের ঘটনায় অপরাধী মুখ ঢেকে পালিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি নিরাপত্তার খাতিরে মুখ চেনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নাগরিক উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছিলেন যে, এটি তার ব্যক্তিগত মত এবং এর সাথে কর্মস্থলের কোনো সম্পর্ক নেই। এমনকি তার কথায় কেউ যদি ভুল বোঝেন বা আহত হন, তার জন্য তিনি পরবর্তীতে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমাও চেয়েছিলেন। কিন্তু তার এই মানবিক ও যৌক্তিক অবস্থানকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে 'ধর্ম অবমাননা'র মোড়ক দেওয়া হয়েছে।
এই স্পর্শকাতর পরিস্থিতিতে লায়েকা বশীরের মতো একজন শিক্ষককে বহিষ্কার করার আগে বিষয়টি আসলেই 'ধর্ম অবমাননা'র পর্যায়ে পড়ে কি না, তা নিয়ে দেশের প্রথিতযশা ইসলামিক স্কলারদের সাথে কথা বলা জরুরি ছিল। কোনো একাডেমিক আলোচনা বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তামূলক পরামর্শ ধর্মদ্রোহিতা কি না, তা নির্ধারণের যোগ্যতা কোনো উন্মত্ত জনতার নেই। আলেমদের সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করে বক্তব্যের প্রকৃত ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা গেলেই কেবল ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হতো। হিজাব বা নেকাব নিয়ে তোলা একটি যৌক্তিক প্রশ্নকে ব্লাসফেমি বলে চালিয়ে দেওয়া মূলত ধর্মকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারেরই নামান্তর।
প্রাথমিক ভাবে যতটুকু বোঝা যায় সেটা হলো : লায়েকা বশীরের বিরুদ্ধে এই ক্ষোভের আসল কারণ ধর্মীয় নয়, বরং পেশাগত সততা। কয়েক মাস আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির কনভেনার হিসেবে একটি স্পর্শকাতর ঘটনার তদন্ত করে শাস্তির সুপারিশ করেছিলেন। সেই প্রভাবশালী চক্রটিই তাকে কোণঠাসা করার সুযোগ খুঁজছিল। ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তোলা হয়েছে কেবল মব বা জনতাকে উত্তেজিত করার অস্ত্র হিসেবে। এমনকি যে মানুষটি জুলাই অভ্যুত্থানে সামনের সারিতে থেকে ভূমিকা রেখেছেন, তাকেই এখন 'আওয়ামী দোসর' ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে—যা চরম উপহাস ছাড়া আর কিছুই নয়।
অন্যদিকে ড. এ এস এম মোহসীনের ক্ষেত্রেও ‘সফট দোসর’ নামক একটি অসংজ্ঞায়িত অভিযোগে তাকে সরানো হয়েছে। কিন্তু একজন শিক্ষক ঠিক কোন কাজের মাধ্যমে 'দোসর' হয়ে উঠলেন, তার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা ব্যাখ্যা ছাড়াই তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। স্রেফ রাজনৈতিক তকমা ব্যবহার করে একজন বিভাগীয় প্রধানকে সরিয়ে দেওয়া প্রমাণ করে যে, বর্তমানে যে কাউকে যেকোনো সময় সামাজিকভাবে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া যাচ্ছে। যখন একটি একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত রাজপথের মব জাস্টিস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, তখন সেখানে শিক্ষার গুণগত মান বা শিক্ষকদের নিরাপত্তা বলে আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না।
ক্যাম্পাসে মুখমণ্ডল ঢাকা থাকার ফলে যে বাস্তব প্রশাসনিক সমস্যাগুলো তৈরি হয়, তা এড়িয়ে যাওয়া অসম্ভব। পরীক্ষায় একজনের পরিবর্তে অন্যজন অংশগ্রহণ করা বা জালিয়াতির ঘটনা ঠেকানো শিক্ষকদের জন্য এক দুঃসাধ্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত করার এই যৌক্তিক দাবিকে যখন 'পর্দার ওপর আঘাত' হিসেবে প্রচার করা হয়, তখন বুঝতে হবে আমরা যুক্তিবর্জিত এক অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছি। এতে ডিগ্রির গ্রহণযোগ্যতা এবং প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খল : উভয়ই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষকরা যখন ভয়ের সংষ্কৃতিতে নিমজ্জিত হন, তখন তারা সত্য বা বিজ্ঞান পড়াতেও দশবার ভাবেন।
এই সংকটের একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান খোঁজা এখন সময়ের দাবি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল তড়িঘড়ি করে শিক্ষকদের সরিয়ে না দিয়ে দেশের প্রথিতযশা পুরুষ ও নারী ইসলামিক স্কলারদের নিয়ে একটি প্যানেল গঠন করা। কারণ হিজাব বা নেকাবে অভ্যস্ত নারী শিক্ষার্থীদের সাথে সরাসরি আলোচনার জন্য নারী স্কলারদের সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত জরুরি। ধর্মীয় অধিকার রক্ষা এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তা—এই দুটির মধ্যে কোনো সংঘাত নেই যদি আমরা আলোচনার টেবিলে বসতে রাজি থাকি। নারী নিরাপত্তা কর্মীদের মাধ্যমে আলাদা কক্ষে পরিচয় যাচাইয়ের ব্যবস্থা করলেই এই সংকটের সমাধান সম্ভব ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়কে যদি আমরা মুক্তচিন্তার ধারক হিসেবে টিকিয়ে রাখতে চাই, তবে মব জাস্টিসের এই বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই শিক্ষকদের অব্যাহতি দেওয়ার এই নজির ভবিষ্যতে অন্য শিক্ষকদেরও বিপদে ফেলবে। শিক্ষকদের নিরাপত্তা ও মান রক্ষায় এখন রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায় এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কঠোর ভূমিকা প্রয়োজন। অন্যথায়, আমরা কেবল মেধাবী শিক্ষকদেরই হারাব না, বরং আমাদের গোটা শিক্ষাব্যবস্থা এক অসহিষ্ণু ও পশ্চাৎপদ সমাজে পরিণত হবে।
২|
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:১৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: https://www.banglatribune.com/930607
https://www.facebook.com/share/v/1CbYUtfiZ2/
৩|
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৫২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মব সর্মথিত দেশে
ন্যায় বিচার আশা করা অত্যন্ত দু:খজনক ।
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ন্যায়বিচার পাওয়া সবসময়ই কঠিন।
৪|
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:১৮
ক্লোন রাফা বলেছেন: Good Job, we don't need any education/ after few year's do another Revelation . auto promotion is confirm . and chief advisor is ready to provide loan Make You Enter pruner . This is What his another 0 agenda ✅
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সব দোষ শেখ হাসিনার।
৫|
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:০২
শ্রাবণধারা বলেছেন: এই খবরটা বিভিন্ন জায়গায় পড়লাম। বিশ্ববিদ্যালয় নেটওয়ার্ক প্রতিবাদ করেছে দেখলাম।
এই শিক্ষিকা যেহেতু সমাজ-বিজ্ঞান পড়ায় তাকে তো এই জাতীয় বিষয় পড়াতে হবে, তাই নয় কী?
মনে হচ্ছে জামাতের লোকেরা সব জায়গা দখল করে ফেলেছে। হাসিনার ফ্যাসিস্ট হতে ৮/১০ বছর সময় লেগেছিল, এদের ফ্যাসিস্ট হতে ক্ষমতায় যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়নি।
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দৌড়ানিও শেখ হাসিনার চেয়ে আগে খাবে তারা।
৬|
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩১
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
এমন সুশাসন এর নহর, মুক্তচিন্তা আর বাক স্বাধীনতার দেশবাসী আগে কখনো প্রত্যক্ষ করেনি।
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সুশাসন বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছে ।
৭|
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪১
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
দেশের এই দূরাঅবস্থার জন্য আসলে কে বা কারা দায়ী ?
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমরা নিজেরাই দায়ী ।
৮|
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩
কিরকুট বলেছেন: লেখক বলেছেন: সব দোষ শেখ হাসিনার।
আমি আপনার এই কথার সাথে সম্পুর্ন একমত । এই সব মুর্খ শয়তানদের মাথায় শেখ হাসিনাই তুলেছে।
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি বুঝদার মানুষ তাই সহজেই যে কোনো বিষয় বুঝে যান ।
৯|
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮
রাজীব নুর বলেছেন: ১৭ বছর পর জামাত শিবিরের হাতে সুযোগ এসেছে।
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: গণভোটে হা দিবেন ।
১০|
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০
অগ্নিবাবা বলেছেন: কুরআন থেকে:
সূরা আহযাব (৩৩:৫৭):
إِنَّ الَّذِينَ يُؤْذُونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ لَعَنَهُمُ اللَّهُ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَأَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا مُهِينًا
"যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে লা'নত করেন এবং তাদের জন্য অপমানজনক শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন।"
সূরা আহযাব (৩৩:৬১):
مَلْعُونِينَ ۖ أَيْنَمَا ثُقِفُوا أُخِذُوا وَقُتِّلُوا تَقْتِيلًا
"অভিশপ্ত অবস্থায় যেখানেই তাদের পাওয়া যাবে, ধরা হবে এবং প্রাণে বধ করা হবে।"
(এ আয়াত মুনাফিক ও ফিতনা সৃষ্টিকারীদের সম্পর্কে, কিন্তু অনেক আলিম এটাকে রাসূল (সা.)-এর অপমানের সাথে যুক্ত করেন।)
হাদিস থেকে:
হাদিসে রাসূল (সা.)-এর জীবদ্দশায় কয়েকটি ঘটনায় অপমানকারীদের শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) দেয়া হয়েছে, যা অনেক আলিমের মতে ইজমা (সর্বসম্মত মত) গড়ে তুলেছে।
সহীহ বুখারী ও মুসলিমে: রাসূল (সা.) বলেন: "যে ব্যক্তি তার ধর্ম পরিবর্তন করে (মুরতাদ হয়), তাকে হত্যা করো।" (বুখারী ৩০১৭)
রাসূল (সা.)-কে অপমান/গালি দেয়া মুসলিমের জন্য কুফর ও ইরতিদাদ (ধর্মত্যাগ) বলে গণ্য হয়। তাই অনেক হাদিসে এর শাস্তি মৃত্যু।
আবু দাউদ (৪৩৬২): একজন ইহুদি মহিলা রাসূল (সা.)-কে গালি দিতেন। একজন তাকে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলেন। রাসূল (সা.) বলেন: তার জন্য কোনো দিয়ত (রক্তপণ) নেই।
অন্য হাদিস: কাব ইবনে আশরাফ (যিনি রাসূল (সা.)-কে কবিতায় অপমান করেছিলেন) কে হত্যার নির্দেশ দেয়া হয়।
সুন্নি আলিমদের ইজমা (সর্বসম্মত মত):
চার মাজহাব (হানাফী, মালিকী, শাফেয়ী, হাম্বলী) সহ অধিকাংশ সুন্নি আলিমের মতে:
মুসলিম যদি রাসূল (সা.)-কে অপমান করে → সে মুরতাদ হয়ে যায় → শাস্তি মৃত্যুদণ্ড (তওবা করলেও কিছু মতে শাস্তি বহাল থাকে, কিছু মতে তওবা গ্রহণ করে ছেড়ে দেয়া যায়)।
অমুসলিম (ধিম্মী/অ-মুসলিম) যদি করে → অধিকাংশ মতে মৃত্যুদণ্ড, হানাফী মতে কঠোর শাস্তি (কিন্তু মৃত্যু না)।
এটা ইবনে তাইমিয়া, কাদী ইয়াদ প্রমুখের মতামত।
ভয় নয়, প্রতিবাদ করুন। না হলে আপনাদের ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারেই ডুবে যাবে।
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: উপরের ঘটনার সাথে আপনার কমেনটসের কোনো মিল নাই ।
১১|
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:২৭
কাঁউটাল বলেছেন: 
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:১২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মোদিকে উহারা নবী মানে ।
১২|
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫০
লুধুয়া বলেছেন: সবে শুরু। জুলাই এর জামাতিদের হাতে পরে দেশ এখন সংকটে। সামনে আরো দুঃখ আছে।
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:১৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এসব কিছুর পিছনে শেখ হাসিনার ভুল পলিসি ছিলো। দেশকে ভিতর থেকে পুরাই ফোকলা করে দিয়ে গেছে ।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:১৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: https://www.facebook.com/share/v/1CbYUtfiZ2/