নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায় আর বেঁচে থাকলে বদলায়

সৈয়দ কুতুব

নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!

সৈয়দ কুতুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

হাসিনোমিক্স : আজ ভোগ করো, কাল দেখা যাবে

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৩৯


বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে কথা বলতে গেলে একটা শব্দ বারবার মাথায় আসে - হাসিনোমিকস। শব্দটা শুনতে বেশ আধুনিক, অনেকটা জাপানের অ্যাবেনোমিকস বা আমেরিকার রিগ্যানোমিকসের মতো। কিন্তু সমস্যা হলো, অন্যান্য দেশে এই ধরনের টার্মগুলো যদি অর্থনৈতিক নীতির প্রতীক হয়, তাহলে হাসিনোমিকস হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সমার্থক। গত পনেরো বছরে আমরা দেখেছি কীভাবে কাগজে-কলমে জিডিপি বাড়ছে, মাথাপিছু আয় বাড়ছে, রপ্তানি বাড়ছে - কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবনে সেই উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। রাস্তায় নেমে যে কাউকে জিজ্ঞেস করুন, সে বলবে জীবনযাত্রার খরচ আকাশছোঁয়া, চাকরি নেই, ব্যবসা চলছে না। তাহলে এই উন্নয়ন গেল কোথায়?

হাসিনোমিকসের প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো পরিসংখ্যানের জাদু। সরকারি হিসাবে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে মানুষ পিছিয়ে পড়ছে। এই যে ব্যবধান, এটা তৈরি হয়েছে ডেটা ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে। যখন আপনি মূল্যস্ফীতির হিসাব কম দেখান, তখন জিডিপি বেশি দেখায়। যখন আপনি রপ্তানির পরিসংখ্যানে ওভার-ইনভয়েসিং ধরেন না, তখন বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বেশি মনে হয়। আর যখন আপনি দারিদ্র্যের সংজ্ঞা এমনভাবে তৈরি করেন যে মাসে তিন হাজার টাকায় বেঁচে থাকা মানুষও দরিদ্র নয়, তখন দারিদ্র্যের হার কমে যায় কাগজে। এই হলো পরিসংখ্যানের খেলা। সমস্যা হলো, এই খেলায় জিতে যাওয়া যায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে, কিন্তু হারে দেশের মানুষ।

দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হলো কৃত্রিম সুদের হার। দীর্ঘদিন ধরে সুদের হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম রাখা হয়েছিল। এর মানে হলো, আপনি যদি ব্যাংকে টাকা রাখেন, তাহলে প্রতি বছর আপনার সঞ্চয়ের মূল্য কমছে। আর যদি আপনি ঋণ নেন, তাহলে আপনি মূলত বিনামূল্যে টাকা পাচ্ছেন কারণ মূল্যস্ফীতি আপনার ঋণের মূল্য কমিয়ে দিচ্ছে। এই নীতির ফলে কী হলো? বড় ব্যবসায়ীরা সস্তায় ঋণ নিয়ে অতিবিনিয়োগ করলেন এমন সব প্রকল্পে যেগুলোর দরকার ছিল না। ফলাফল? ওভারক্যাপাসিটি। কারখানা আছে কিন্তু উৎপাদন হচ্ছে না কারণ বাজারে ক্রেতা নেই। আর সাধারণ মানুষ যারা সঞ্চয় করেন, তারা প্রতিদিন গরিব হচ্ছেন। ব্যাংকে রাখা তাদের টাকা মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ে ছাই হচ্ছে।

তৃতীয় বৈশিষ্ট্য হলো রেন্ট-সিকিং ইকোনমি। এই শব্দটা একটু জটিল শোনায়, কিন্তু বাস্তবে খুবই সহজ। রেন্ট-সিকিং মানে হলো উৎপাদন না করে, নতুন কিছু সৃষ্টি না করে, শুধু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে আয় করা। ধরুন, আপনি একজন আমলা। আপনার হাতে আছে লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষমতা। একজন ব্যবসায়ী আসলেন লাইসেন্সের জন্য। আপনি ফাইল আটকে রাখলেন, নানা সমস্যা দেখালেন, শেষে ঘুষ নিয়ে লাইসেন্স দিলেন। এখানে আপনি কোনো মূল্য সৃষ্টি করলেন না, কোনো উৎপাদন বাড়ালেন না, শুধু আপনার ক্ষমতা ব্যবহার করে টাকা নিলেন। এটাই রেন্ট-সিকিং। সমস্যা হলো, এই পুরো সিস্টেমটাই এভাবে চলছে। শুল্ক-কর আদায়ে ঘুষ, প্রকল্প বাস্তবায়নে কমিশন, টেন্ডারে দুর্নীতি - সবখানে রেন্ট-সিকিং। ফলে উৎপাদন খরচ বাড়ছে, প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না বাংলাদেশি পণ্য।

চতুর্থ বৈশিষ্ট্য হলো অবকাঠামো উন্নয়নের নামে লুটপাট। মেগা প্রকল্পের কথা আমরা সবাই শুনেছি। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে - এসব প্রকল্পের কথা বলে বলে আমাদের কান ঝালাপালা হয়ে গেছে। কিন্তু কেউ জিজ্ঞেস করে না যে ত্রিশ কোটি টাকার একটা কাজ কেন একশ কোটি টাকায় করা হলো। কেউ জিজ্ঞেস করে না যে যে সেতু দশ বছরে হওয়ার কথা, সেটা কেন বিশ বছরে হলো। কেউ হিসাব করে না যে মেগা প্রকল্পে কত টাকা কমিশন হিসাবে গেছে। আর এই কমিশন যায় কোথায়? বিদেশে পাচার হয়, সেকেন্ড হোম কেনা হয় কানাডায়, বেগমপাড়া হয় মালয়েশিয়ায়। দেশের টাকা দেশেই থাকে না, তাহলে উন্নয়ন হবে কীভাবে?

পঞ্চম বৈশিষ্ট্য হলো ব্যাংকিং সেক্টরের ধ্বংসসাধন। বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টর আজ মৃত্যুশয্যায়। খেলাপি ঋণের পরিমাণ লাখ লাখ কোটি টাকা। কিন্তু কারা এই খেলাপি? ছোট ব্যবসায়ী যারা পাঁচ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত দিতে পারেনি? না। খেলাপি হলো সেই সব বড় ব্যবসায়ী যারা হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত দেয়নি, দেবেও না কারণ তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা আছে। ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া, সেই টাকা বিদেশে পাচার করা, তারপর ব্যবসা লস দেখিয়ে ঋণ মওকুফ করানো - এটাই হয়েছে সাধারণ চিত্র। আর এই ঋণের টাকা আসে কোথা থেকে? সাধারণ মানুষের জমানো টাকা থেকে। সুতরাং যে ব্যাংকে আপনি টাকা রেখেছেন, সেই টাকা চলে গেছে কোনো অলিগার্কের পকেটে।

ষষ্ঠ বৈশিষ্ট্য হলো কর ব্যবস্থার বিকৃতি। বাংলাদেশের কর ব্যবস্থা মূলত নির্ভর করে পরোক্ষ করের ওপর। মানে ভ্যাট, শুল্ক, আমদানি কর - এসবের ওপর। প্রত্যক্ষ কর, মানে আয়কর বা সম্পদ কর, সেটা খুবই কম। এর মানে কী? যে গরিব মানুষ মাসে দশ হাজার টাকা আয় করে এবং যে ধনী ব্যক্তি মাসে দশ লাখ টাকা আয় করে, তারা দুজনেই যখন এক কেজি চাল কেনে, একই পরিমাণ ভ্যাট দেয়। এটা কি ন্যায্য? গরিবের আয়ের শতকরা হার হিসাবে সে অনেক বেশি কর দিচ্ছে। অন্যদিকে বড় ব্যবসায়ীরা নানা ফাঁকফোকর দিয়ে আয়কর ফাঁকি দিচ্ছেন। ফলে যে সিস্টেমে ধনীদের বেশি কর দেওয়ার কথা, সেখানে গরিবরাই বেশি কর দিচ্ছে। আর এই টাকা দিয়ে কী হচ্ছে? মন্ত্রীদের জন্য নয় হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট বানানো হচ্ছে, সুইমিংপুল বানানো হচ্ছে।

সপ্তম বৈশিষ্ট্য হলো রপ্তানি খাতের একমুখীনতা। বাংলাদেশের রপ্তানির শতকরা আশি ভাগ আসে গার্মেন্টস থেকে। এটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। যদি কোনো কারণে গার্মেন্টস খাত মন্দায় পড়ে, পুরো অর্থনীতি ভেঙে পড়বে। আর এই গার্মেন্টস খাতেও সমস্যা আছে। প্রথমত, এই খাতে মজুরি অত্যন্ত কম। একজন গার্মেন্টস শ্রমিক দিনে বারো ঘণ্টা কাজ করে যে টাকা পায়, তা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন। দ্বিতীয়ত, এই খাতে কমপ্লায়েন্স খরচ অনেক বেশি কারণ পশ্চিমা ক্রেতারা নানা শর্ত দেয়। তৃতীয়ত, প্রতিযোগিতা বাড়ছে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া থেকে। কিন্তু সরকার কি নতুন রপ্তানি খাত তৈরি করেছে? করেনি। শুধু গার্মেন্টসের ওপর নির্ভর করেই চলছে, যেন এটাই চিরকাল থাকবে।

৮ম বৈশিষ্ট্য হলো মানবসম্পদ উন্নয়নে ব্যর্থতা। বাংলাদেশের জনসংখ্যা আঠারো কোটির কাছাকাছি। এর মধ্যে তরুণের সংখ্যা প্রচুর। এটা একটা সুযোগ হতে পারত, যাকে বলে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড। কিন্তু এই সুযোগ কাজে লাগানো যায়নি। শিক্ষাব্যবস্থা এমন যে শিক্ষার্থীরা কিছু শিখছে না, শুধু সার্টিফিকেট পাচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা এত খারাপ যে সামান্য অসুখেও মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে যাচ্ছে। কারিগরি শিক্ষা নেই বললেই চলে। ফলে লাখ লাখ তরুণ বেকার বসে আছে। যারা দক্ষ, তারা দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। ব্রেইন ড্রেইন হচ্ছে ভয়াবহ হারে। আর যারা থেকে যাচ্ছে, তারা হতাশ, ক্ষুব্ধ, ভবিষ্যৎহীন।

৯ম বৈশিষ্ট্য হলো পরিবেশ ধ্বংস। উন্নয়নের নামে নদী ভরাট করা হয়েছে, জলাভূমি দখল করা হয়েছে, বন কেটে ফেলা হয়েছে। ঢাকা শহর এখন বিশ্বের অন্যতম দূষিত শহর। বায়ুদূষণ এত ভয়াবহ যে মানুষ শ্বাস নিতে পারছে না। পানিদূষণের কারণে পানিবাহিত রোগ ছড়াচ্ছে। শব্দদূষণে মানুষ বধির হয়ে যাচ্ছে। আর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তো আছেই। উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বাড়ছে, কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে। কিন্তু পরিবেশ রক্ষায় কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই। কারণ পরিবেশ রক্ষা করতে গেলে শিল্পপতিদের খরচ বাড়বে, আর তারা তো সরকারের পৃষ্ঠপোষক।

১০ম বৈশিষ্ট্য হলো সামাজিক নিরাপত্তার অভাব। একটা দেশের উন্নয়ন শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দিয়ে মাপা হয় না, মাপা হয় মানুষের জীবনমান দিয়ে। বাংলাদেশে সামাজিক নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। বৃদ্ধ ভাতা আছে, কিন্তু তা এত কম যে দিয়ে কিছুই হয় না। বিধবা ভাতা আছে, কিন্তু পাওয়ার জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে হয়। প্রতিবন্ধীদের জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই। বেকারদের জন্য ভাতা নেই। স্বাস্থ্যবীমা নেই। ফলে একটা পরিবারে যদি কেউ অসুস্থ হয়, পুরো পরিবার দারিদ্র্যের মধ্যে পড়ে যায়। এই যে সামাজিক নিরাপত্তার অভাব, এটা মানুষকে ঝুঁকির মধ্যে রাখে সবসময়। কোনো কাজ করতে সাহস পায় না কারণ জানে যে ব্যর্থ হলে কেউ রক্ষা করবে না।

১১তম বৈশিষ্ট্য হলো আয়বৈষম্য। বাংলাদেশে আয়বৈষম্য ক্রমাগত বাড়ছে। শীর্ষ দশ শতাংশ মানুষের হাতে জাতীয় সম্পদের শতকরা পঞ্চাশ ভাগের বেশি। আর নিচের পঞ্চাশ শতাংশের হাتে আছে মাত্র পাঁচ শতাংশ। এই বৈষম্য শুধু অর্থনৈতিক নয়, এটা সামাজিক ও রাজনৈতিক। ধনীরা সব সুবিধা পায় - ভালো শিক্ষা, ভালো স্বাস্থ্যসেবা, ভালো বাসস্থান। গরিবরা কিছুই পায় না। ধনীদের সন্তানরা বিদেশে পড়তে যায়, গরিবের সন্তান স্কুলেই যেতে পারে না। ধনীরা বেআইনি কাজ করলে পার পেয়ে যায়, গরিব সামান্য ভুলে জেলে যায়। এই বৈষম্য যত বাড়বে, সমাজ তত অস্থির হবে। আর এই বৈষম্যই জুলাই অভ্যুত্থানের একটা বড় কারণ ছিল।

১২তম বৈশিষ্ট্য হলো দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাব। হাসিনোমিকসে সবকিছু ছিল স্বল্পমেয়াদী, জনপ্রিয়তাবাদী। মেগা প্রকল্প করা হয়েছে ভোট পাওয়ার জন্য, দেশের প্রয়োজনে নয়। ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে জনপ্রিয় থাকার জন্য, অর্থনীতি সুস্থ রাখার জন্য নয়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে কী হবে, সেটা নিয়ে কেউ ভাবেনি। যেমন ঋণ। বিপুল পরিমাণ বিদেশি ঋণ নেওয়া হয়েছে। এই ঋণ শোধ করবে কে? আগামী প্রজন্ম। মানে আজকের সিদ্ধান্তের মূল্য দিতে হবে আগামীকালের তরুণদের। এটা কি ন্যায্য? আর পরিবেশ ধ্বংসের প্রভাব? সেটাও ভোগ করবে পরবর্তী প্রজন্ম। হাসিনোমিকস ছিল একটা "আজ ভোগ করো, কাল দেখা যাবে" ধরনের অর্থনীতি।

এই সবকিছু মিলিয়ে হাসিনোমিকস ছিল একটা ব্যর্থ অর্থনৈতিক মডেল। কাগজে-কলমে উন্নয়ন দেখানো হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে মানুষের জীবনমান খারাপ হয়েছে। গুটিকয়েক অলিগার্ক ও আমলা ধনী হয়েছে, কিন্তু কোটি কোটি মানুষ গরিব হয়েছে। ব্যাংক খালি হয়েছে, বিদেশে অর্থ পাচার হয়েছে। পরিবেশ ধ্বংস হয়েছে, ভবিষ্যৎ বন্ধক হয়েছে। আর সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে মানুষের আস্থার। মানুষ বিশ্বাস হারিয়েছে যে রাষ্ট্র তাদের জন্য কাজ করবে। তারা বুঝে গেছে যে রাষ্ট্র আসলে একটা দল বা গোষ্ঠীর হাতিয়ার, সাধারণ মানুষের জন্য নয়। এই আস্থার সংকটই সবচেয়ে বড় সংকট। কারণ আস্থা ফিরতে সময় লাগে, অনেক সময়। হাসিনোমিকসের পতন হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এর প্রভাব থেকে বের হতে বাংলাদেশকে অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। প্রশ্ন হলো, নতুন যারা আসবে, তারা কি ভিন্ন কিছু করবে, নাকি একই ফর্মুলা নতুন নামে চালু করবে? সময়ই বলবে।


মুল লেখা : Click This Link

মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:১৪

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: উন্নয়ন

এই জাতি বেইমান। :p
delete the first one.

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এই লেখা শেয়ারের কারণ কিনতু শেখ হাসিনার বদনাম করা নয় । উহা ধারাবাহিক ভাবে বদনাম হতেই থাকিবেন ।

আগের হাল যেমন গিয়েছে পিছের হাল যেন সেই ভাবে না যায় তাই ।

২| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:১৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: অবকাঠামো উন্নয়নের নামে লুটপাট।
....................................................................
দেশের স্বার্থে অবকাঠামো উন্নয়ন করতেই হবে
তবে এক শ্রেণীর লোক চেচাঁবে কারন তারা ভাগ পায়নি ।
বাস্তবে টেন্ডার, পদ্ধতির মাঝে বিষয়টি সুরাহা হয়
এবং এর মধ্যে যে সুবিধাটুকু থাকে তা সকল সময়ে থাকে
এবং থাকবে ।
যাকে আমরা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বলি ।
কিন্ত গত ১৫ মাসে মব সন্ত্রাস করে যে সকল কাজ বিতরন হয়েছে
তাকে কি বলব ???

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কিন্ত গত ১৫ মাসে মব সন্ত্রাস করে যে সকল কাজ বিতরন হয়েছে তাকে কি বলব ?

ইডিয়টিমিক্স বলতে পারেন । আবার হাসিনোমিক্সের এক্সটেনডেট ভারশন বলতে পারেন।

৩| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১৪

শ্রাবণধারা বলেছেন: হাসিনা সরকার ভয়াবহ লুটপাট, ব্যাংক ডাকাতি, অর্থ পাচার, মেগা প্রজেক্টের নামে দুর্নীতির মহোৎসব করলেও দেশের অর্থনীতি মোটের উপর ভালো চলছিল। রিজার্ভ কমে গিয়ে তলানিতে নামার ফলে তেল, গ্যাস, এলএনজির দেনা পরিশোধে ভয়াবহ সংকট তৈরি হয়েছিল, কিন্তু মানুষের হাতে টাকা ছিল এবং কর্মসংস্থান ছিল। এখন রিজার্ভ বেড়েছে, কিন্তু সার্বিক অর্থনীতি হাসিনা আমলের তুলনায় বহুগুন খারাপ অবস্থায় পৌঁছেছে।

আমার এই কথাটা সত্যি না মিথ্যা, সেটা আপনিই বলুন।

আপনার উল্লেখিত পয়েন্টগুলো সবই যৌক্তিক এবং প্রত্যেকটি আলোচনার দাবি রাখে, কিন্তু এর কোনোটাই অর্থনীতির বিষয় নয় (দ্বিতীয় বৈশিষ্ট ছাড়া)। এগুলো প্রশাসন, দুর্নীতিদমন ও সুশাসনের বিষয়। মেগা প্রজেক্টে লুটপাট, হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে পাচার, মানবসম্পদ উন্নয়নে ব্যর্থতার জন্য অবশ্যই হাসিনা সরকার দায়ী। কিন্তু "হাসিনোমিক্স" হবার জন্য হলে হাসিনার অর্থনৈতিক পলিসিগুলোকে খুবই জঘন্য প্রমাণ করতে হয়। উদাহরণ হিসেবে রেগানের খুব বড় সিদ্ধান্ত ছিল কর্পোরেট ট্যাক্স ৭০-৭৫% থেকে কমিয়ে ৪০% নামিয়ে আনা, যেটা আমেরিকায় আয় বৈষম্য বৃদ্ধির খুব বড় একটি বড় টার্নিং পয়েন্ট ছিল।

আমার জানা মতে, জিয়া হাসান আর্মিতে চাকরি করতেন। তিনি জার্মানিতে গিয়ে তিন-চার মাসের অর্থনীতির উপর কোর্স করে যদি বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ হয়ে যান, তাহলে সেটা দেশের জন্য বড় অশনি সংকেত। সেটা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য খুব লজ্জার।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি যারা লেখাটি পড়তে আসবেন সবার ভালোভাবে পড়া উচিত। তবে শেখ হাসিনার সময় ভালো ছিলো এখন খারাপ আছে সেটা নিয়ে আমার আলাদা ব্যাখ্যা আছে। কখনো লিখলে আশা করি পড়বেন।

৪| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



গতকাল প্রথম আলো অন লাইন ভার্সনে হাসিনোমিকসের ভ্রান্তির পে কমিশন আর্থিক সংকটকে ঘনীভূত করবে
শির্ষক একটি লেখা পাঠ করেছি যার লিংক এই পোস্টের নীচেও তুলে ধরা হয়েছে । সেখানে তাদের নিয়ম মেনে
কোন কমেন্ট করতে পারছিলাম না । এখানে এসে হাসিনোমিকস মুলক এই লেখাটি দেখতে পাই । এই
লেখাটিও পাঠ করলাম । তাই এখানে দুটিকে মিলিয়ে মন্তব্যের ঘরে দুচারটি কথা বলা প্রাসঙ্গিক মনে করছি ।

প্রথমত প্রথম আলোতে থাকা লেখাটি আপাতদৃষ্টিতে একটি গভীর অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ বলে মনে হলেও,
সূক্ষ্মভাবে পাঠ করলে এটি মূলত রাজনৈতিক অবস্থানকে অর্থনৈতিক ভাষার আড়ালে প্রতিষ্ঠা করার একটি প্রচেষ্টা
বলেই প্রতীয়মান হয়। লেখাটির সবচেয়ে বড় বুদ্ধিবৃত্তিক সমস্যা শুরু হয় ‘হাসিনোমিকস’ বা ‘হাসিনাকোনোমিকস’
নামক একটি অস্পষ্ট, একাডেমিকভাবে অস্বীকৃত টার্ম ব্যবহারের মাধ্যমে।

‘হাসিনোমিকস’ শব্দটি মুলত ব্যবহৃত হয়েছে একটি রাজনৈতিক দায় চাপানোর টুল হিসেবে যেখানে গত দেড়
দশকের বৈশ্বিক সংকট, কোভিড পরবর্তী বিশ্ব অর্থনীতি, ইউক্রেন যুদ্ধজনিত জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি কিংবা ডলার সংকট
এসব জটিল বাস্তবতাকে উপেক্ষিত করে।

সেই লেখাটিতে ‘কাঠামোগত সংকোচন’ ও ‘চক্রাকার মন্দা’র মধ্যে একটি কৃত্রিম দ্বন্দ্ব তৈরি করেছে। বাস্তবতা
হলো, অধিকাংশ উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশেএই দুই প্রক্রিয়া একসঙ্গে,
পরস্পরকে প্রভাবিত করেই কাজ করে।

রাজস্ব বৃদ্ধিকে প্রায় সরাসরি ‘লুটপাট’, ‘চাপা দিয়ে আদায়’ এবং ‘রেন্ট-সিকিং’এর ফল হিসেবে চিত্রিত করা
হয়েছে কথাগুলির মধ্যে যথেস্ট সততা রয়েছে। তবে কর কাঠামোর সম্প্রসারণ, কর নেট বৃদ্ধি, ভ্যাট সংস্কার
কিংবা ডিজিটাল ট্যাক্স অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতো বিষয়গুলো একেবারেই আলোচনার বাইরে।

ট্যাক্স টু জিডিপি অনুপাত নিয়ে যে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, তা পরিসংখ্যানগতভাবে বিভ্রান্তিকর। অনুপাত কম
হওয়ার অর্থ এই নয় যে বাস্তবে করের চাপ অস্বাভাবিক।এটি মূলত অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতির আকার ও কর
কাঠামোর সীমাবদ্ধতার প্রতিফলন। এই সূক্ষ্ম পার্থক্যটি আমলে নেয়া হয়নি ।

পে কমিশন প্রসঙ্গে অনেকের লেখার মতই সেখানেও একটি অদ্ভুত দ্বৈততা পরিলক্ষিত হয়। একদিকে বলা হচ্ছে
সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। অন্যদিকে একই সঙ্গে তাদের বেতন বৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য প্রায়
সর্বনাশা বলে চিত্রিত করা হচ্ছে।
এখানে ফিসক্যাল ট্রান্সমিশন জাতীয় ধারনা ব্যবহার করা হলেও, বাস্তবে মাল্টিপ্লায়ার এফেক্ট, কনজাম্পশন প্যাটার্ন
কিংবা অভ্যন্তরীণ চাহিদা প্রভৃতি মৌলিক ধারণাগুলো এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে । সরকারি কর্মচারীর বেতন বৃদ্ধি যে
সরাসরি স্থানীয় বাজারে চাহিদা সৃষ্টি করে ,এই বাস্তবতাকে সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করা হয়েছে ।

ফিসক্যাল পলিসি’র সংকোচন মূলত ১৯৮০-এর দশকের নব্য উদারবাদী অর্থনীতির পুনরাবৃত্তি। কর ছাড়,
শুল্ক হ্রাস ও ব্যয় সংকোচন এই প্রেসক্রিপশনগুলো বহু দেশে বৈষম্য বৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা দুর্বল করার
মাধ্যম হিসেবেই পরিচিত।

সবশেষে প্রথম আলোতে প্রকাশিত বিষয়টিকে একটি স্থায়ী, প্রায় অপরিবর্তনীয় সংকট হিসেবে উপস্থাপন
করা হয়েছে যা অর্থনীতির মৌলিক গতিশীলতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এবার আসা যাক আপনার পোস্টের লেখার বিষয়ে । লেখাটি সমকালীন বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে
একটি বিস্তৃত, ধারাবাহিক ও সুসংগঠিত সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেছে। এর সবচেয়ে ভাল দিক
হলো জটিল অর্থনৈতিক বিষয়গুলোকে সাধারণ পাঠকের বোধগম্য ভাষায় ব্যাখ্যা করার দক্ষতা। হাসিনোমিকস
শব্দটি ব্যবহার করে আপনি এখানে একটি প্রতীকী কাঠামো তৈরি করেছেন, যার মাধ্যমে গত দেড় দশকের
নীতিগত প্রবণতাগুলোকে এক সুতোয় গেঁথে দেখানো সম্ভব হয়েছে। এতে করে আলোচনাটি স্মরণযোগ্য ও
চিন্তাপ্রবণ হয়েছে।

লেখার আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো বিষয়বস্তুর বিস্তার ও কাঠামোগত শৃঙ্খলা। অর্থনীতি, ব্যাংকিং,
করব্যবস্থা, রপ্তানি, মানবসম্পদ, পরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তা এতগুলো ক্ষেত্রকে আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য
হিসেবে সাজানো হয়েছে, যা একটি সামগ্রিক চিত্র বুঝতে সাহায্য করে। প্রতিটি অংশে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও
পরিচিত উদাহরণ ব্যবহার করায় লেখাটি বিমূর্ত তত্ত্বের( হাসিনোমিক্স) মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি।

লেখাটিতে পরিসংখ্যানের ব্যবহার ও নীতিগত সিদ্ধান্তের বাস্তব প্রভাবের মধ্যকার ফাঁকটি সে সময়কার আন্তর্জাতিক
সংস্থা যথা , আইএম এফ, বিশ্ব বব্যাংক প্রভৃতি সংস্থায় প্রকাশিত পরিসংখানের চিত্র তুলে ধরলে তা যেকোন
সচেতন নাগরিকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি তৈরি করতে পারতো। বিশেষ করে আয় বৈষম্য, রেন্ট-সিকিং
ইকোনমি এবং ব্যাংকিং খাতের দুরবস্থার আলোচনায় রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভেতরের দুর্বলতাগুলো নিয়ে
আরো গভীর চিন্তার খোরাক জোগাত ।

যাহোক, লেখাটির একটি ভাল দিক হলো ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গি। লেখাটি শুধু অতীত বা বর্তমানের সমালোচনায়
থেমে থাকেনি।বরং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাব, প্রজন্মগত দায় এবং আস্থার সংকটের কথা তুলে ধরে
ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। এতে লেখাটি প্রতিবাদমূলক হলেও একমাত্রিক
আবেগনির্ভর হয়ে ওঠেনি, বরং একটি নাগরিকসুলভ সতর্কবার্তায় পরিণত হয়েছে।

সব মিলিয়ে, এই লেখাটি সকলকে প্রশ্ন করতে শেখায় উন্নয়ন কী, কার জন্য উন্নয়ন, এবং কোন মূল্য দিয়ে
তা অর্জিত হচ্ছে। তথ্য ও বিশ্লেষণের সমন্বয়ে এটি একটি গঠনমুলক মতামতধর্মী লেখা, যা অর্থনীতি নিয়ে
জনপরিসরের আলোচনাকে সমৃদ্ধ করার সক্ষমতা রাখে বলে মনে করি তবে উপরে বলা শ্রাবণধারার কথা
মালা গুলিও বেশ প্রনিধান যোগ্য ।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ব্লগার শ্রাবণধারার পর আপনার মন্তব্যটিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে !

৫| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৮

কিরকুট বলেছেন: এমনভাবে বললেন পুর্ববর্তি খালেদা সরকার দুধে ধোয়া আলকাতরা ছিলো ।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জনাব কিরকুট ভবিষ্যত সরকার ও একই পথে হাটে কিনা সেটা দেখাতে চেয়েছি। হাসিনোমিক্স একটা ফানি টারম ! কে বেশি উন্নত করেছে এটা বিচার করার দায়িত্ব জনগণের।

৬| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১১

শ্রাবণধারা বলেছেন: লেখক বলেছেন: তবে শেখ হাসিনার সময় ভালো ছিলো এখন খারাপ আছে সেটা নিয়ে আমার আলাদা ব্যাখ্যা আছে। কখনো লিখলে আশা করি পড়বেন।

তো আপনার ব্যাখ্যাটা সংক্ষেপে কী জনাব? আপনাকে চ্যালেজ্ঞ করে প্রশ্নটি করিনি কিন্তু। খোলামনে আপনার কাছ থেকে জানার জন্য করেছি। এ প্রশ্নের উত্তর আমার চেয়ে যে আপনি ভালো জানেন সেটা আমি অনেকটা নিশ্চিত।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি খোলা মনের মানুষ সেটা আমি জানি। কমেন্টে সংক্ষেপে লেখা যাবে না। কিন্তু আপনার কমেন্ট টি চাদগাজির পড়া ছিলো। তিনি ধারণা করে আপনি ভালোমন্দের পার্থক্য করতে জানেন না। আমি উহার সাথে আপনার পক্ষ নিয়ে ফাইট করি এবং আমি সঠিক! :-B

৭| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৬

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি মানুষ ভালা না।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি দাবি করছি না আমি ভালো মানুষ তবে ইকোনমি নিয়ে লিখলে সেখানে রিলিভেনট কমেনটস করতে হয় । আপনার মাথায় কিছু না ঢুকলেও ইকোনমিক টারম সাধারন ভাবে ভাববেন ।

৮| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৮

শ্রাবণধারা বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টটি চাদগাজির পড়া ছিলো। আমি উহার সাথে আপনার পক্ষ নিয়ে ফাইট করি এবং আমি সঠিক! :-

হা হা :) :) এই কাণ্ড, কোথায় কখন? আমার জানা ছিল না! যাক, আমার পক্ষ নিয়ে তার সাথে আপনার ফাইট না করলেও চলবে। এটার জন্য আপনাকে অতিরিক্ত কোন পয়েন্ট দেয়া যাচ্ছে না বলে দুঃখিত। :) :)

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঠিক আছে ।

৯| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪

কিরকুট বলেছেন: লেখক বলেছেন: জনাব কিরকুট ভবিষ্যত সরকার ও একই পথে হাটে কিনা সেটা দেখাতে চেয়েছি। হাসিনোমিক্স একটা ফানি টারম ! কে বেশি উন্নত করেছে এটা বিচার করার দায়িত্ব জনগণের।

জনাব কুতুব @ এই প্রক্রিয়া চিরকালের।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার কথা একেবারে ফেলায় দেয়ার মতো না। ষাড়ের সরকার ও একই পথে হাটছে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.