| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
মাঝে মাঝে আমি ইউটিউবে বা মাহফিলে গিয়ে হুজুরদের ওয়াজ শুনি। শোনার কারণটা ধর্মীয় যতটা না, তার চেয়ে বেশি হলো আমাদের সমাজের হুজুররা দেশীয় অর্থনীতি বা সামাজিক ইস্যুগুলো নিয়ে সাধারণ মানুষের মগজে আসলে কী ঢোকাচ্ছেন, সেটা বোঝা। বহু বছর আগে আমাদের দেশের আলোচিত বক্তা তারেক মনোয়ার সাহেবের সাথে আমার সরাসরি দেখা হয়েছিল এক আত্মীয়র বিয়েতে, তিনি সেখানে কাজী হয়ে এসেছিলেন। তখন থেকেই আমি এই ঘরানার মানুষদের চিন্তাধারা পর্যবেক্ষণ করছি।
ডক্টর ইউনূস সাহেবকে নিয়ে আমার আগ্রহ দীর্ঘদিনের। তিনি নোবেল পেয়েছিলেন : এটা একজন বাঙালি হিসেবে আমার কাছে গর্বের ছিল। যদিও আমার ছোটো মামা বলতেন: তিনি ডোনেশন দিয়ে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন, অর্থনীতিতে তো পাননি। তবুও পাঠ্যবইয়ে উনার গল্প পড়া আর ছোটবেলায় মিরপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের সদর দপ্তর দেখতে যাওয়া , সব মিলিয়ে উনার প্রতি একটা ইতিবাচক ধারণা আমার মনে ছোটবেলা থেকেই ছিল।
কিন্তু তারেক মনোয়ার সাহেবদের ওয়াজে চিত্রটা ছিল সম্পূর্ণ উল্টো। তাদের বয়ানে ইউনূস সাহেব ছিলেন এমন এক ব্যক্তি যিনি গ্রামীণ ব্যাংক খুলে গ্রামের গৃহবধূদের ঘর থেকে বের করে তাদের ‘চরিত্র নষ্ট’ করছেন। উনাকে ‘সুদখোর প্রো ম্যাক্স’, ‘বেয়াদব’ আর ‘আমেরিকান দালাল’ বলে গালিগালাজ করা হতো অহরহ। দেশের একমাত্র নোবেলজয়ীকে এভাবে মাহফিলের মঞ্চে তুলোধুনা করতে দেখে সত্যিই মনটা খারাপ হয়ে যেত।
আমি ইউনূস সাহেবের ‘সোশ্যাল বিজনেস’ কোর্স করেছি এবং সরাসরি উনার হাত থেকে সার্টিফিকেট নিয়েছি। খুব অল্প খরচে উনার বক্তব্য শোনার সুযোগ পেয়েছিলাম, যা শুনতে বিদেশিরা ডলার খরচ করে। সেই অনুষ্ঠানেই আমার মনে হয়েছিল মালয়েশিয়ার সাথে উনার চমৎকার একটি যোগসূত্র আছে। পরে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হওয়ার পর যখন আনোয়ার ইব্রাহিম আকস্মিক ঢাকা সফরে এলেন, তখন সেই ধারণা আরও স্পষ্ট হলো।
২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর যখন ছাত্ররা ইউনূস সাহেবকে ফ্রান্স থেকে উড়িয়ে এনে দেশের দায়িত্ব দিল, তখন দেখলাম আমাদের তারেক মনোয়ার হুজুররা একদম ৩৬০ ডিগ্রি ইউ-টার্ন নিলেন। যে মানুষটাকে সারাজীবন গালি দিলেন, হঠাৎ তাকে বলতে শুরু করলেন ‘জাতির ত্রাণকর্তা’। এমনকি করোনা ইব্রাহিম হুজুরের মতো লোকরাও বলতে শুরু করলেন যে, ইউনূস সাহেবের মনোনয়ন নাকি ‘ঐশ্বরিক’! একদল হুজুর তো তাকে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা হিসেবে প্রচার শুরু করে দিলেন।
হুজুরদের এই ভোলবদল দেখে অবাক হলেও আসল নাটক শুরু হলো ২০২৬-এর ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন শেষ হওয়ার পর। ইউনূস সাহেব ক্ষমতা ছাড়ার পর সেই তারেক মনোয়াররাই আবার পুরনো চেহারায় ফিরলেন। এখন তারা আবার বলছেন যে শয়তানও নাকি এত সুদ খায় না, যতটা ইউনূস সাহেব খান! তিনি নাকি দেশের বারোটা বাজিয়ে দিয়ে গেছেন। যুগ যুগ ধরে এই হুজুররাই সাধারণ মানুষের মনে গেঁথে দিয়েছেন যে ‘ইউনূস’ মানেই ‘সুদ’। তাদের এই ‘শর্ট টার্ম মেমোরি লস’ আসলে একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক কৌশল।
ইউনূস সাহেব যে রাজনীতি করতে চাননি, তা নয়। ২০০৮ সালেও পর্দার আড়ালে আন্তর্জাতিক শক্তির ইশারা ছিল, কিন্তু তিনি স্বল্প মেয়াদে ক্ষমতা নিতে আগ্রহী ছিলেন না। ‘নাগরিক শক্তি’ নামে দল গড়তে গিয়েও তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ আমলে শেখ হাসিনা উনাকে সবসময় চাপের মুখে রাখতেন। দাবি করা হতো যে ইউনূস সাহেব নাকি আমেরিকার কানে ‘পড়া’ দেন, এমনকি তাকে পদ্মা সেতু থেকে চুবিয়ে মারার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, যখন ইউনূস সাহেবকে এভাবে হয়রানি করা হচ্ছিল, তখন বিদেশের ২০০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি উনার পক্ষে খোলা চিঠি লিখলেও আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো বড় প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। বিএনপি-জামাতও তখন সেভাবে উনার পক্ষে উচ্চবাচ্য করেনি। সিভিল সোসাইটি বা বুদ্ধিজীবীরা প্রতিবাদ করলেও সাধারণ জনগণ তাকে কোনোদিন নিজেদের সুখ-দুঃখের অংশ মনে করেনি। তিনি তৃণমূলের কাছে কখনো আপনজন হয়ে উঠতে পারেননি।
এর জন্য অনেকাংশেই দায়ী তারেক মনোয়ারদের মতো বক্তারা, যারা বছরের পর বছর গ্রামীণ মানুষের কানে ‘সুদখোর’ তকমা দিয়ে বিষ ঢেলেছেন। সাঈদী সাহেব বেঁচে থাকলে আজ ইউনূস সাহেবকে নিয়ে কী ওয়াজ করতেন, সেটা শোনার খুব ইচ্ছা ছিল। আসলে জুলাই আন্দোলনের পর আমরা ইউনূস সাহেবের যে বিশাল ফ্যানবেস দেখলাম, তাদের বড় একটা অংশই ছিল ‘সুসময়ের মাছি’। বিশেষ করে ডানপন্থী ঘরানার রাজনীতি যারা করেন, তারা ইউনূস সাহেবের ইমেজকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেছেন।
আজ এনসিপির মতো দল যে পার্লামেন্টে বসে আছে, সেটার পথ আসলে ইউনূস সাহেবই প্রশস্ত করে দিয়েছিলেন। কিন্তু কাজ শেষে এখন আর সারজিস বা হাসনাতদের মুখে উনার গুণগান শোনা যায় না। স্বার্থ ফুরিয়ে গেলেই মানুষটা আবার তাদের কাছে সেই পুরনো ‘সুদখোর’ হয়ে গেছেন। ডক্টর ইউনূস একজন সফল ব্যক্তিত্ব হতে পারেন, কিন্তু তিনি কোনোদিন সফল রাজনীতিবিদ হতে পারতেন না। আর এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারিগর হলেন তারেক মনোয়ারদের মতো হুজুররা। তারা গ্রামগঞ্জে উনাকে ‘সুদখোর’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে উনার রাজনীতির বারোটা বাজিয়ে দিয়েছেন।
বাংলাদেশের মানুষ দুই পরিবারের বাইরে কাউকে চেনে না-এটা যেমন সত্যি, তার চেয়ে বড় সত্যি হলো ইউনূস সাহেব কোনোদিন সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো সেই মেঠো পথের নেতা হয়ে উঠতে পারেননি। তিনি ছিলেন ড্রয়িংরুমের বা হাই-প্রোফাইল মিটিংয়ের নেতা। তৃণমূলের মানুষ হুজুরদের ওয়াজ শুনে বিশ্বাস করে বসে আছে যে ‘ইউনূস’ আর ‘সুদ’ সমার্থক শব্দ। এই মনস্তাত্ত্বিক দেয়াল তিনি কোনোদিন ভাঙতে পারেননি। ফলে স্বার্থের রাজনীতি শেষে আজ তিনি আবারও সেই নিঃসঙ্গ একলা মানুষেই পরিণত হয়েছেন।
-
০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:৩৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: রাজনীতিতে ভালো করার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান ছিলেন ইউনূস সাহেব। কিন্তু তিনি রাজনীতির মাঠে নামার আগেই তাঁর বিরুদ্ধে ক্রমাগত প্রচার চালিয়ে সাধারণ জনগণের চোখে তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে।
২|
০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১০:০৩
কিরকুট বলেছেন: ইউনুস বরাবরই একজন লোভী শঠ ও প্রতারক গোত্রের প্রানী। তার যে একটা সাজানো গ্রাম আছে এটা তো জানেন। বিদেশ থেকে ডোনারদের এনে সেই গ্রামে ঢুকিয়ে বোঝায় বাংলাদেশের মানুষদের তিনি অনেক শান্তিতে রাখছেন। ব্যাস ডলারের স্রোত বয়ে যায়। সেই ডলার ভাংগে তার জীবন চলে। যে ব্যাক্তি নিজের আন্ডারওয়্যার ধোয় ট্রাস্টের পয়সায় সে কিভাবে রাজনৈতিক দল গঠন করবে? রাজনৈতিক দল গঠন করতে যে আত্মত্যাগ লাগে এই শব্দের সাথে ইউনুসের দূর দূর পর্যন্ত কোন সম্পর্ক নাই।
০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:৩৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বাংলাদেশে যারা রাজনীতি করেন বেশিরভাগ গম চোর , কয়লা চোর , ভুমিখেকো । এরা জিতে সংসদে যায় । ইউনুস সাহেব কেন পারবেন না ? আসলে তিনি গ্রামীণের বাইরের মানুষের সাথে মিশতেন না ।
৩|
০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:১৩
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা "ফজলে হাসান আবেদ" ও এনজিও চালিয়েছেন। আড়ং, ব্যাংক, ইউনিভার্সিটি সহ সব সরকারের সাথে তার সুসম্পর্ক ছিলো। তাকে তো কখনো এতো সমালোচনার মধ্যে পড়তে হয়নি তাহলে সুদি ইউনুসকে নিয়ে কেন এতো কথা কেন? সে আগে থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গুটি চালাচালি করতো।
০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:৩৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ব্র্যাক নিয়েও নানা রকম কথা হয়েছে । আপনি যে বারবার সুদি বলেন এটাও কারো না কারো মুখের থেকে শুনেছেন । টেক্সট বইয়ের কো্থাও উনাকে সুদি ইউনুস বলা হয় না ।
৪|
০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:১৪
বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আমাদের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে আমাদের নেতাদেরও ধার্মিক হিসেবে দেখতে পছন্দ করি। আর ইসলামেও নেতা বা সরকারপ্রধান হিসেবে ধার্মিককে বেছে নেয়ার কথা বলা হয়েছে। যে কারণে, আমাদের দেশে বামপন্থী অনেক সৎ নেতা কখনোই সংসদে যেতে পারে না, সরকার গঠন তো দূরের কথা। তাই, আমেরিকাতে অভিনেতা রিগ্যান, ব্যবসায়ী ট্রাম্প ক্ষমতায় গেলেও, ভারতে সিনেমার নায়িকা জয় ললিতা কিংবা নায়ক থালাপতি ক্ষমতায় গেলেও, নেপালে rapper বালেন্দ্র ক্ষমতায় গেলেও আমাদের দেশে শাকিব/চাকিব, মাশরাফিরা কোন পাত্তা পাবে না...
০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নেপালের র্যাপার বালেন্দ্র শাহ ২০১০ সালে আমেরিকা থেকে ফিরে আসেন। এরপর বিভিন্ন রিয়ালিটি শো-তে তিনি তুখোড় বুদ্ধিমত্তার সাথে রাজনীতিবিদদের ভুল-ত্রুটি ও কূটচালগুলো ধরিয়ে দিতেন। তিনি যখন মেয়র নির্বাচনে দাঁড়ালেন, মানুষ তাঁকে আগে থেকেই চিনত। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে তিনি অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে নিজের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে গিয়েছেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সাকিব বা তামিমদের মতো তারকারা খেলার মাঠে জনপ্রিয় হলেও, তাঁরা মূলত বিসিবি সভাপতি পাপন সাহেবের তোষামোদিতে ব্যস্ত ছিলেন; এমনকি তাঁদের একসাথে ক্যাসিনোতে যাওয়ার খবরও শোনা গেছে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ 'বাম রাজনীতি' খুব একটা পছন্দ করে না। এক সময়ের তুমুল জনপ্রিয় ছাত্রনেতা মাহমুদুর রহমান মান্না দুইবার ডাকসুর ভিপি হওয়া সত্ত্বেও কখনো নির্বাচনে জিতে সংসদে যেতে পারেননি। আসলে জনপ্রিয়তাকে কীভাবে টেকসই ও গঠনমূলক কাজে লাগাতে হয়, সেই দূরদর্শিতা আমাদের দেশের ছাত্রনেতা কিংবা সাকিব-তামিমদের ছিল বলে মনে হয় না। তাঁরা কেবল নিজেদের নাম ভাঙিয়ে অর্থ উপার্জনেই বেশি দক্ষ ছিলেন।
৫|
০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫
শ্রাবণধারা বলেছেন: লেখাটা শেষ দিকে এসে খেই হারিয়ে ফেললো, শুরুটা দুর্দান্ত ছিল। রাজনৈতিক দল গঠনের জনপ্রিয়তা ইউনূসের ছিল না, এটা পুরোনো কথা। নতুন কথাটা কী?
ইউনূসের যে লেকচারগুলো আমি শুনেছি, সেগুলো মোটামুটি ভালো। জোর করে হলেও শান্তিতে একটা নোবেল দিলেও দেওয়া যেতে পারে! কিন্তু মজার বিষয় কী জানেন? ইউনূসের লেকচারগুলো মোটামুটি হলেও, লেকচারের পরে যে প্রশ্নোত্তর পর্ব থাকে (যেটা আসলে খুব, খুব, খুব ইম্পরট্যান্ট), সেখানে আমি দেখতাম ইউনূসের উত্তরগুলো খুব বাজে ধরনের। তখনও আমি এটার মর্ম বুঝিনি। ইউনূস যে চাপাবাজ, প্রো-এলিট, এবং গরিব লোকদের শোষণ করাই যে তার উদ্দেশ্য - এটা আমি অল্পদিন হলো বুঝেছি।
আবার আওয়ামী লীগের যে গাধাগুলো মনে করে তারা এটা আগেই বুঝেছিল, এটাও মিথ্যা কথা। এই গাধাগুলো কিছুই বোঝেনি; কেবল শত্রুপক্ষের দুর্নাম করেছে আর আন্দাজে গুলি ছুড়েছে।
০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আবার আওয়ামী লীগের যে গাধাগুলো মনে করে তারা এটা আগেই বুঝেছিল, এটাও মিথ্যা কথা। এই গাধাগুলো কিছুই বোঝেনি; কেবল শত্রুপক্ষের দুর্নাম করেছে আর আন্দাজে গুলি ছুড়েছে।[
শেখ হাসিনা একবার বলেছিলেন ঘুষখোর এবং সুদখোর দুইটাই খারাপ। এরপর থেকে আওয়ামী লীগের লোকজন এটা নিয়ে সবখানে কথা বলতে শুরু করে । এর আগে তারাও ইউনুস সাহেব কে ভালোচোখেই দেখতেন । উনার বেশি মানহানি করেছে ওয়াজিরা । একেবারে শুরু থেকে উনাকে সুদের রাজা বলে বলে মানুষের মাথা খারাপ করে দেয়া হয় । ইউনুস সাহেব যখন মসনদে বসলেন তখন এসব ওয়াজিরাই ফায়দা নিয়েছেন ।
৬|
০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭
বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আপনার প্রতিমন্তব্যের শেষ কথাটাই সুন্দর - জনপ্রিয়তাকে কীভাবে টেকসই ও গঠনমূলক কাজে লাগাতে হয়, সেই দূরদর্শিতা আমাদের দেশের ছাত্রনেতা কিংবা সাকিব-তামিমদের ছিল বলে মনে হয় না
আগের এক পোস্টেও আমি বলেছিলাম, বিকল্প হিসেবে ড. ইউনুসের সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু তিনি কাজে লাগাতে পারেন নি। একই ভাবে কাজে লাগাতে না পেরে আজকে মাহী বি চৌধুরী হারিয়ে গিয়েছেন। আন্দালিব রহমান এখন চামচামি করে চলেছেন।
০৮ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আন্দালিব রহমান যা করছেন এখন আমি হতবাক । ইউনুস সাহেব গ্রামীণ ও এনজিও কোরামের বাহিরে কারো সাথে মিশতেন বলে মনে হয় না । সম্ভাবনা ছিলো এটা সঠিক বলেছেন ।
৭|
০৮ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ব্র্যাক নিয়েও নানা রকম কথা হয়েছে । কথা হবে না কেন? তিনি নাইটহুড উপাধি পাওয়ার ইহা নাইট টেম্পলার ক্রুসেড ইত্যাদি নানা রকম কানাঘুষা ওয়াজ মাহফিল থেকে এসেছে। তারপরও দেশে কোন রাজনৈতিক দল কিংবা মানুষের এতোটা ঘৃনার পাত্র তিনি হননি।
আপনি যে বারবার সুদি বলেন এটাও কারো না কারো মুখের থেকে শুনেছেন । টেক্সট বইয়ের কো্থাও উনাকে সুদি ইউনুস বলা হয় না । "ইউনুস ওয়ান ম্যান আর্মি" নামে আমি এই ব্লগে পোষ্ট করেছিলাম ইন্টেরিমের দায়িত্ব নেওয়ার পর। এখন সুদি বলছি উনার ২ বছরের অনৈতিক, দেশবিরোধী কর্মকান্ড, অব্যবস্থাপনা মধ্যে ফেলে চম্পট হয়ে যাওয়ার ক্ষোভে। এখানে ওয়াজীদের কোন প্রভাব নেই। এদেশের মানুষ সারারাত ওয়াজ শুনে আবার মাহফিল শেষে পীরের হাতে তওবা পড়ে প্যান্ডেলের এক কোনায় যেয়ে বিড়ি টানে। ওয়াজীরা যা বলে সবকিছু যদি মানুষ বিশ্বাস করতো তবে চরমোনাই, হাটহাজারী, তারেক মনোয়ার সবাই সতন্ত্র ভোটে পাস করতো।
০৮ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:২৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি বলেছেন : ওয়াজীরা যা বলে সবকিছু যদি মানুষ বিশ্বাস করতো তবে চরমোনাই, হাটহাজারী, তারেক মনোয়ার সবাই সতন্ত্র ভোটে পাস করতো
সুদের বিষয়টা বাংলাদেশে খুব সেনসেটিভ একটা বিষয় যদিও মানুষ দেদারসে সুদের কারবার করছে । ইউনুস সাহেবের নামে ২০/৩০ বছর ধরে ক্রমাগত প্রচার চালিয়েছে যে তিনি সুদি । আর আমাদের দেশের একদম শিক্ষিত পুরুষ মানুষটারও মনে মাঝে মাঝে আসে যে নারীরা ঘরের বাহিরে কাজ করতে যাওয়ার পর থেকে সমাজের পতন ঘটছে । ইউনুস সাহেব ইনটেরিম চিফ হওয়ার পর সবচেয়ে বেশি ফায়দা নিয়েছেন কারা ? তারেক মনোয়ার গং ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ৯:৩০
কামাল১৮ বলেছেন: ইউনুসের সেই প্রজ্ঞা ছিলো না।