| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি চাইতেই অগ্নিশর্মা, ভারতকে ‘শিক্ষা’ দিতে ১২৭% বেশি খরচে চিনা বিদ্যুৎ কিনছে ‘বুদ্ধিমান’ বাংলাদেশ!” খবরটি আনন্দবাজারের। ভেবে কোনো কুল কিনারা পেলাম না ; বাংলাদেশ আবার কবে চীন থেকে বিদ্যুৎ কিনল?
এত বড় ঘটনা অথচ আমরা কিছুই জানি না! বাংলাদেশ কি গোপনে চীনের সঙ্গে কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ করে তৈরি করে ফেলেছে? বঙ্গোপসাগরের নিচ দিয়ে কোনো তার চলে এসেছে? নাকি হিমালয়ের ওপর দিয়ে বিদ্যুৎ আসছে? এতদিন জানতাম বাংলাদেশ ভারত থেকে বিদ্যুৎ কেনে, এখন দেখছি আনন্দবাজারের ভাষায় চীন থেকেও বিদ্যুৎ কেনা শুরু হয়ে গেছে।
যাই হোক, পুরো খবরটা পড়লাম। আসল ঘটনা হলো সাভারের আমিনবাজারে একটা বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে, যেখানে ঢাকার আবর্জনা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ বানানো হবে। শুধু প্লান্টটা বানাচ্ছে একটা চীনা কোম্পানি, যন্ত্রপাতিও তাদেরই। ব্যস, এটুকুই। বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে বাংলাদেশের মাটিতে, বাংলাদেশের ময়লা দিয়ে, বিক্রি হবে বাংলাদেশের মানুষের কাছে। অথচ শিরোনামে লেখা হলো চীন থেকে কেনা বিদ্যুৎ। কী করে যে এরকম একটা জাদু সম্ভব হলো, সেটা বোধহয় আনন্দবাজারের সম্পাদকই ভালো বলতে পারবেন।
আরও লিখেছে, নয়াদিল্লিকে বাদ দিয়ে চিনা বিদ্যুৎ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা। এইটা পড়ে সত্যি থমকে গেলাম। একটা ময়লা পোড়ানোর প্লান্ট বসাতে নয়াদিল্লিকে বাদ দেওয়ার প্রশ্ন কোথা থেকে এলো বুঝলাম না। এখন কি প্রতিটা ভাগাড়ের নকশা দিল্লিতে পাঠিয়ে অনুমতি নিতে হবে নাকি? ভারত থেকে বিদ্যুৎ কিনলে সুসম্পর্ক, ভারতীয় কোম্পানি বিক্রি করলে বিনিয়োগ, আর নিজের দেশের আবর্জনা নিজের দেশেই পোড়ালে সেটা হয়ে যায় ভারতবিরোধী ষড়যন্ত্র। এই হিসাবটা মাথায় ঢুকল না আমার। বাংলাদেশের একটা বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকানা বাংলাদেশের, তাহলে সেখানে কোন দেশের কোম্পানি কাজ করবে সেটাও তো বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা।
মজার ঘটনা হলো, প্রকল্পের চুক্তি হয়েছিল ২০২১ সালে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে। জমি নেওয়া হয়েছে, খরচ হয়ে গেছে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। সবই তখনকার কাজ। এখন নতুন সরকার শুধু বাকি অংশটা এগিয়ে নিতে চাইছে, আর তখনই খবর এলো, এইটা নাকি ভারতকে শিক্ষা দেওয়ার নতুন প্ল্যান। গাছ লাগানো হয়েছিল একদলের হাতে, এখন সেই গাছে ফল ধরলে সেই একই দল বলছে, এই ফল খাওয়া যাবে না, বিষ আছে। নিজেদের সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত এখন অন্য কেউ বাস্তবায়ন করতে গেলেই সেটার নাম হয়ে যাচ্ছে চীনপ্রীতি। রাজনীতির সুবিধা সত্যিই অসাধারণ।
দাম নিয়েও একই রকম নাটক। বলা হচ্ছে, আগে ইউনিটপ্রতি ১৮ টাকা ছিল, এখন ২৬ টাকা হলো কেন? নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেই বুঝি বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। অথচ চুক্তিটা হয়েছিল ডলারে, প্রতি ইউনিট ২১.৭৮ সেন্ট। ২০২১ সালে ডলারের দাম ছিল প্রায় ৮৫ টাকা, তাই তখনকার হিসাবে প্রতি ইউনিটের দাম দাঁড়াত প্রায় সাড়ে ১৮ টাকা। এখন ডলারের দাম প্রায় ১২৩ টাকা, ফলে সেই একই ২১.৭৮ সেন্ট টাকায় হিসাব করলে দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২৬.৮ টাকা। অর্থাৎ ডলারে নির্ধারিত দামটা বদলায়নি, টাকার হিসাবে পার্থক্যটা মূলত এসেছে বিনিময় হার থেকে। কিন্তু টাকা কেন এত দুর্বল হলো, ডলারের দাম নিয়ে গত কয়েক বছরে কী নীতি নেওয়া হয়েছিল, সেই প্রশ্নে গেলেই আলোচনা আরো জটিল হয়ে যাবে ।
অবশ্যই প্রকল্পটির সমালোচনা করা যাবে। প্রায় ৪৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য মোট খরচ কেন এত বেড়েছে, প্রকল্পের ব্যয় যৌক্তিক কি না, চুক্তির শর্ত বাংলাদেশের জন্য কতটা সুবিধাজনক, এসব প্রশ্ন তোলা দরকার। চীনা কোম্পানি বলে প্রকল্প ভালো হয়ে যাবে, এমনও কোনো কথা নেই। কিন্তু সমালোচনা আর রাজনৈতিক গল্প এক জিনিস নয়। প্রকল্পটি ব্যয়বহুল হলে সেটা বলা হোক, চুক্তিতে সমস্যা থাকলে সেটা বলা হোক, জনগণের সামনে হিসাব দেওয়া হোক। কিন্তু বাংলাদেশের মাটিতে বাংলাদেশের আবর্জনা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্পকে “ভারতকে শিক্ষা দিতে চীনা বিদ্যুৎ কেনা” বানিয়ে ফেললে সেটা আর বিশ্লেষণ থাকে না।
সবচেয়ে অদ্ভুত লাগে আওয়ামী লীগের অবস্থানটা দেখে। নিজেদের সময়ে সই করা চুক্তি, নিজেদের সময়ে নেওয়া জমি, নিজেদের সময়ে খরচ হওয়া টাকা, অথচ এখন এই প্রকল্প এগোলেই সেটা প্রতিপক্ষের চীনপ্রীতি হয়ে যাচ্ছে। অথচ যদি প্রকল্পটি বাতিল হতো, তখন নিশ্চিত অন্য কথা শোনা যেত। বলা হতো, উন্নয়ন বন্ধ করে দিচ্ছে সরকার। তার মানে সরকার যেটাই করুক না কেন, দোষ একটাই থাকবে। শুধু সেই পুরোনো সিদ্ধান্তটা কখনোই দোষের হবে না, যেটা তারা নিজেরাই নিয়েছিল। ক্ষমতার বাইরে গেলে নিজের পুরোনো সিদ্ধান্তেরও যে নতুন নাম দেওয়া যায়, এই প্রকল্প তার চমৎকার উদাহরণ।
সবচেয়ে মজার মিলটা হলো, দেশের ভেতরে একটা দলের বয়ান আর সীমান্তের ওপারে একটা পত্রিকার বয়ান একদম একই সুরে বাজছে। একজন এপার থেকে গান ধরেছে, আরেকজন ওপার থেকে তাল দিচ্ছে। এতদিন জানতাম আনন্দবাজার একটা ভারতীয় পত্রিকা, এখন মনে হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সরাসরি ওখানে ছাপা হয়েছে। ভারত নিজের দেশে কোন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করছে, কোন দেশ থেকে যন্ত্রপাতি আনছে, এসব নিয়ে বাংলাদেশের কোনো পত্রিকা প্রতিদিন লেখে যে ভারত অমুক দেশকে শিক্ষা দিতে তমুক দেশের সাহায্য নিচ্ছে? লেখে না। কারণ এটা স্বাভাবিক কাণ্ডজ্ঞানের বিষয়। একটা দেশ নিজের প্রকল্প নিজের মতো করে সাজাবে, এটা নিয়ে প্রতিবেশীর মন খারাপ করার কিছু নেই।
শুধু বাংলাদেশের বেলাতেই এই সাধারণ কথাটা বারবার ভুলে যাওয়া হয়। বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে কাজ করলে সেটা স্বাভাবিক, চীনের সঙ্গে কাজ করলে প্রশ্ন, জাপানের সঙ্গে কাজ করলে ভালো, আর আমেরিকার সঙ্গে কাজ করলে আবার অন্য ব্যাখ্যা। তাহলে বাংলাদেশ নিজের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেবে কখন? বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে কাজ করবে কি না, সেটা বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত। ভারত থেকে বিদ্যুৎ কিনবে কি না, সেটাও বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত। কোন প্রকল্পে কোন দেশের কোম্পানি কাজ করবে, সেটাও বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত। প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ভালো সম্পর্কের অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশের প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য দিল্লির অনুমোদন লাগবে।
আমিনবাজারের একটা ছোট্ট ময়লা পোড়ানোর প্লান্টকে দিল্লি বনাম বেইজিংয়ের লড়াই বানিয়ে ফেলার মধ্যে দিয়ে আসল শর্টসার্কিটটা বিদ্যুৎকেন্দ্রে হয়নি, হয়েছে অন্য কোথাও। প্রকল্পটা ভালো না মন্দ, খরচ যৌক্তিক না অতিরিক্ত, এসব নিয়ে আলোচনা হোক, প্রশ্ন হোক। কিন্তু নিজেদের ফেলে দেওয়া ময়লা দিয়ে নিজেদের ঘরে বিদ্যুৎ বানানোর মতো একটা সাদামাটা প্রকল্পকেও যদি প্রতিবেশী শত্রুতার গল্পে বদলে ফেলা যায়, তাহলে বুঝে নিতে হবে সমস্যাটা লাইনে না, মাথায়।
আধ পয়সা বেশি চাইতেই অগ্নিশর্মা, ভারতকে ‘শিক্ষা’ দিতে ১২৭% বেশি খরচে চিনা বিদ্যুৎ কিনছে ‘বুদ্ধিমান’ বাংলাদেশ-আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক । Click This Link
ইউনিটপ্রতি ২৫ টাকা দরে চীনা প্রতিষ্ঠান থেকে বিদ্যুৎ কিনবে সরকার- যুগান্তর প্রতিবেদন
Country to get power from waste in 2024-TBS Report , 01 December, 2021
Waste-to-energy plant being built in Aminbazar at a cost of $300 million-TBS Report , 15 June, 2023,
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইউনুস সাহেবের আমলে জ্বালানী উপদেষ্টা ছিলো কুইক রেন্টালের মাস্টারমাইন্ড ফাওজুল কবির খান । উহা লীগের আমলে সচিব ছিলো ।
২|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০২
মাথা পাগলা বলেছেন: এই বিষয় নিয়ে আমি জানতাম না। আমি জানতাম চিন থেকে আসবে। আমিনাবাজারের কথা শুনে এখন সংবাদ ভালো করে পড়লাম।
বাংলাদেশের মাটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে - সিটি করপোরেশনকে ফি দিতে হবে না, বর্জ্য নিবে , পরিবেশ দূষণ হবে। ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ২৫ টাকা ইউনিট হবে। লাভ আর লাভ।
দিল্লিকে না জানিয়ে চিনের সাথে চুক্তি - দীর্ঘ বছর যাদের সঙ্গে ব্যবসা করছেন, তাদের কোন কিছু না জানিয়ে হঠাৎ ব্যবসা সরিয়ে নিলে - এ ধরনের কথা বলায় অবাক হবার কিছু নাই।
লেখক বলেছেন: ফাওজুল কবির খান । উহা লীগের আমলে সচিব ছিলো।
কোন বছর ছিলো? লীগ মানেই খারাপ, লীগের আমলা নিলো কেন?
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:১১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার মন্তব্য আর আনন্দবাজারের লেখা প্রায় একই । এই বিষয়ে যা বলার তা বলে ফেলেছি। ফাওজুল কবীর লীগের শুরুর দিকে অবসরে গিয়েছিলেন । পরে বিদ্যুত বোর্ডের ডিরেক্টর হন । তার নির্দেশে অনেক প্রজেক্ট বাতিল হয় । ইউনুস আমল মুলত সংকর সরকার ছিলো।
৩|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩১
মাথা পাগলা বলেছেন: ফাওজুল কবীর ২০০৯~২৪ এর ভিতর উনার কোন অ্যাক্টিভিটি খুঁজে পাই নাই।
https://bpdb.gov.bd/pages/static-pages/6922dee6933eb65569e1e3c8
ইউনুস আমল মুলত সংকর সরকার ছিলো না - ইহা আম্রিকা-পাকিস্তান শক্তি ছিলো।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ফাওজুল কবীর ১/১১ সরকারের সময় জ্বালানি সচিব ছিলেন , এর আগে ১৯৯৮ সালে ইডকল চালু হলে সেটার সিইও ছিলেন । জ্বালানী সচিব থাকাকালীন তিনি কুইক রেন্টালের প্রকল্পের সাথে জড়িতে ছিলো। লীগের ২০০৯ সালের শুরুর দিকে অবসরে গেলেও উনার আইডিয়া কে মডিফাই করা হয়েছিলো। কানেকশান পুরোপুরি সরকারি পদ-পদবী দিয়ে যাচাই করলে হবে না । বাংলাদেশে কুইক রেন্টালের লিডিং পজিশনে ছিলো ইউনাইটেড গ্রুপ । ইহার স্বতন্ত্র পরিচালক ছিলেন ফাওজুল কবীর খান । নসরুল হামিদ বিপুর সাথে ইউনাইটেড গ্রুপের ভালো যোগাঅগ ছিলো। ফাওজুল কবীর কে আমি জানতাম জামাতি । পরে একজন লীগার তার অতীত জানাইলো । রেলের ডিজি নিয়োগে এই লোক কারসাজি করেছে । এটা জানতাম শুধু ।
৪|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৪৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে কাজ করলে সেটা স্বাভাবিক, চীনের সঙ্গে কাজ করলে প্রশ্ন, জাপানের সঙ্গে কাজ করলে ভালো,
আর আমেরিকার সঙ্গে কাজ করলে আবার অন্য ব্যাখ্যা। তাহলে বাংলাদেশ নিজের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেবে কখন?
বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে কাজ করবে কি না, সেটা বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত। ভারত থেকে বিদ্যুৎ কিনবে কি না,
সেটাও বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত। কোন প্রকল্পে কোন দেশের কোম্পানি কাজ করবে, সেটাও বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত।
..............................................................................................................................................................
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কথা । কিন্ত ভারতের প্রসঙ্গ আসলে অতীত সরকার বা চলমান সরকার অথবা ইন্ট্রীম সরকার
সবার গায়ে বিভিন্ন ফোস্কা পরে কেন ? কারন প্রতিবেশী রাষ্ট্রর সহিত দহরম মহরম সবার আছে ।
কেউ প্রকাশ্যে, কেউ গুপ্ত ভাবে ।
ব্যাপারটা এইরকম , পড়শীর সাথে ঝগড়া বাঁধায়ে কফি খেতে হবে নর্থ এন্ডে ।
আবার, বড় দাদার সাথে গোলামী চুক্তি (ভাসুর নাকি ) সংসদে লজ্জায় ঘোমটা খুলা যাবে না ।
=================================================================
সবার আগে দরকার আমাদে র চরিত্র ঠিক করা, পরকীয়া না করে দেশকে সৎ ভাবে বুকে ধারণ করা ।
৫|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:১৪
মাথা পাগলা বলেছেন: লেখক বলেছেন: লীগের ২০০৯ সালের শুরুর দিকে অবসরে গেলেও উনার আইডিয়া কে মডিফাই করা হয়েছিলো।
ক্ষমতায় এসে শেখ হাসিনা সরকার তার আইডিয়াকে মডিফাই করে ৫ বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্বিগুণ করতে পারলে সমস্যাটা কোথায়?
দেশের সম্পদ-জায়গা ব্যবহার করে ২৫ টাকা ইউনিটে বিদ্যুৎ কেনার ব্যবস্থার জবাবদিহিতা চাইলে সমস্যাটা কোথায়? নাকি শুধু ভারত সমস্যা?
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৩৩
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
মজার বিষয় হলো কয়েক সপ্তাহ আগে ভিয়েতনাম গিয়েছিলাম। সেখানে কারেন্ট যায় তবে খুবই অল্প সময়ের জন্য ছিলো।
যাক বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানলাম। কুতুব সাহেব মানে অনুসন্ধানী পোষ্ট।