| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হয়তো ২ ঘণ্টা সময় নিয়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে বসেছেন।
ল্যাপটপে রিপোর্ট লিখছেন।
হঠাৎ Messenger-এ একটা মেসেজ এলো।
ভাবলেন,
“একটু দেখে আসি। মাত্র এক মিনিট।”
মেসেজের উত্তর দিলেন। তারপর Facebook খুলে দুই মিনিট স্ক্রল করলেন। এরপর আবার রিপোর্টে ফিরে এলেন।
আপনার মনে হবে—মাত্র ৩–৪ মিনিটই তো গেল।
কিন্তু আসলে শুধু ৩–৪ মিনিট যায়নি।
আপনার মনোযোগের একটা অংশও সেখানে রেখে এসেছেন।
মনোবিজ্ঞানে এটাকে বলা হয় Attention Residue।
অর্থাৎ, আপনি যখন একটা কাজ ছেড়ে অন্য একটা কাজে যান, আগের কাজের কিছুটা মনোযোগ আপনার মাথায় রয়ে যায়।
ধরুন—
রিপোর্ট লিখছেন → Messenger
Messenger → Facebook
Facebook → YouTube
YouTube → আবার রিপোর্ট
শরীরটা হয়তো রিপোর্টের সামনে ফিরে এসেছে, কিন্তু মস্তিষ্ক পুরোপুরি ফিরে আসেনি।
এ কারণেই সারাদিন ব্যস্ত থাকার পরও অনেক সময় মনে হয়—
“আজকে আসলে গুরুত্বপূর্ণ কাজটা কতটুকু করলাম?”
সমস্যাটা সবসময় সময়ের অভাব নয়।
অনেক সময় সমস্যা হলো বারবার মনোযোগের জায়গা পরিবর্তন করা।
আমরা ভাবি Multitasking আমাদের বেশি কাজ করতে সাহায্য করছে।
আসলে অনেক ক্ষেত্রে আমরা একই সময়ে অনেক কাজ করছি না; বরং খুব দ্রুত এক কাজ থেকে আরেক কাজে লাফালাফি করছি।
আর প্রতিবার লাফ দেওয়ার সময় কিছুটা Attention Residue থেকে যাচ্ছে।
তাই কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার সময় একটা সহজ নিয়ম মেনে চলা যায়—
এক সময়ে এক কাজ।
রিপোর্ট লিখলে, শুধু রিপোর্ট।
বই পড়লে, শুধু বই।
কোনো Skill শিখলে, শুধু সেটাই।
Notification বন্ধ
ফোনটা একটু দূরে রাখা
Messenger-এর উত্তর কিছুক্ষণ পরে।
কারণ সময়ের চেয়ে মনোযোগ মূল্যবান।
সময় চলে গেলে কিছুটা ক্ষতি হয়।
কিন্তু ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মনোযোগ দিয়ে একই সময়ের কাজের মানও নষ্ট হয়ে যায়।
Deep Work-এর জন্য তাই শুধু সময় বের করলেই হবে না; সেই সময়টায় নিজের মনোযোগটাকেও আটকে রাখতে হবে।
বেটার কাজের জন্য, ফোকাস এক জায়গায় দিতে হবে, এক কাজের মধ্যে অন্য কাজে সুইচ করা যাবে না।
২|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪
ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: আচ্ছা, যদি কেউ এমনেই মাল্টিটাস্কিং করে, তখন কি হয়?
৩|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঠিক আছে ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: রিপোর্ট লিখলে, শুধু রিপোর্ট।
বই পড়লে, শুধু বই।
কোনো Skill শিখলে, শুধু সেটাই।
.......................................................................
আমাদের জীবনটা এত সুন্দর ভাবে গোছানো নেই যে
নিয়ম মেনে জীবনটা সাজাবো ।
কোন একটা কাজ করতে গেলে , পরিবারের কোন এক সদস্য
এসে অবশ্যই কাজের বায়না ধরে ।
একমাত্র সম্ভব কর্পোরেট হাউজে, যারা শ্রমের মূল্য দিতে জানে ।