| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সামুতে নেই আর সেই আগের দিনের ঈদগুলো। ঈদের পোস্ট, গল্প লেখা,কবিতা, স্মৃতিচারণ কিছুই আর আজ নেই। সব কোলাহল ছাপিয়ে সামু আজ দাঁড়িয়ে আছে প্রায় অনেকটাই নিশ্চুপ। কেউ কেউ এখনও উঁকিঝুকি দেয় তবে সবাই যেন আজ বড়ই ক্লান্ত, লিখতে, কথা বলতে, কমেন্ট করতে বড়ই আলস্য।
তবুও যখন ঈদ আসে আমি জানি আমাদের কোনো না কোনো ঈদের দিনের স্মৃতি বিশেষ করে ছেলেবেলার ঈদ সবারই কিছু না কিছু মনে পড়ে যায়। আমাদের ছেলেবেলার ঈদে সব যেন ছিলো একই রুটিন, সব বাড়িতেই একই মেন্যু, প্রায় সবারই একই টাইপ জামা কাপড় জুতো। এখনকার মত একটাই একজন ফ্যাশন তখনও আসেনি।
আমার আজ মনে পড়ছে একটা ঈদের দিনের স্মৃতি। তখন আমি ক্লাস সিক্স বা সেভেনে। লেমন কালারের একটা ভীষন সুন্দর তুলতুলে রেশম সাটিন কাপড়ের উপরে টান টান দেওয়া সিলভার জরির কাজ। এত পছন্দের জামাটা ঈদের দিন পরতেই সন্ধ্যা বেলা দেখা গেলো ফেসে গেছে একটু। মা তো তখনই দোকানদারকে এই মারে কি সেই মারে। ভাগ্যিস ঈদের দিন দোকান বন্ধ ছিলো। যাইহোক মা বললেন, দোকান খুললেই এই জামা ফেরৎ দেওয়া হবে। আমার সেই জামাটা এতই প্রিয় হয়ে গেছিলো যে সেই ফেসে যাওয়া জামাটাই আমার কিছুতেই দিতে ইচ্ছা করছিলো না।
তখন আমি খুব ছোট। মনে হয় স্কুলে যাওয়াও শুরু করিনি। আমরা আমাদের ছেলেবেলায় সবাই পাড়া প্রতিবেশীদের বাড়িতে ঢু মারা ছিলো অবশ্য কর্তব্য। বড়রা বলত ঈদের দিনে নাকি সবার দূয়ার খোলা। সবার বাড়িতেই সবাই যেতে পারে। সে কথা কেউ মানুক না মানুক আমরা ছোটরা ঠিকই মানতাম। ঈদের দিন সকাল সকাল গোসল করে সেজে গুজে বড়রা নামাজ পড়ে বাসায় ফিরতেই শুরু হত আমাদের অভিযান।তেমনই কোনো এক ঈদে কোনো এক প্রতিবেশী খালাম্মর বাসায় খেয়েছিলাম অদ্ভুৎ এক মজাদার কমলা রঙের পুডিং বা হালুয়া। ঈদের সুন্দর স্মৃতিগুলির মাঝে এই স্মৃতিটাও আমার মনে হানা দেয় প্রায়ই। আমরা তখনও আন্টি বলতাম না, খালাম্মা বা চাচীআম্মাই বলতাম পাড়া প্রতিবেশীদেরকে।
ঈদের মেহেদী সে ছিলো আরেক আনন্দের নাম। পাটার উল্টো পিঠে বাঁটা হত মেহেদী পাতা। সেই বাটা মেহেদীর গোবর গোবর গন্ধ তবুও বড়ই অদ্ভূৎ যেন ঈদের ঘ্রান মিশে থাকতো সেখানে। কাঁঠি দিয়ে ডট ডট ফুল পাতা এঁকে দিত বড় আপুরা বা চাচী মামীরা। তখনও আমি সর্বগুনে পণ্ডিত হয়ে উঠিনি। কাজেই আমার টার্নের জন্য মলিন মুখে ওয়েট করে থাকতাম। পণ্ডিত বানানটা লিখতে গেলেই মনে পড়ে যায় একজন হারিয়ে যাওয়া মানুষের কথা।
সে যাইহোক সব কিছুই একদিন হারিয়ে যায়, মানুষ হারায়, ভালোবাসা হারায় বেদনারাও হারায়, শুধু জেগে থাকে স্মৃতি। কখনও আনন্দের , কখনও বেদনার। ঈদ যদিও শুধুই আনন্দ আনে তবুও কোনো কোনো ঈদ হয় ভয়ংকর বিষাদের। এমনই এক ঈদে আমার এক ছোটমামার মৃত্যু সংবাদ এসেছিলো। যারা ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার টানে ছুটে যায় তাদেরও কখনও কখনও মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় বাড়ি ফেরা হয় না। বেঁচে থাকেন যারা পরিজন সেই ভয়াবহ দুঃখের স্মৃতি তাদেরও কাতর করে কোনো কোনো ঈদে।
এমনই নানান স্মৃতি ঘিরে থাকে আমাদের ঈদকে। এই মুহুর্তে অনলাইনে আছেন ১২ জন ব্লগার আমাকে নিয়ে। অনলাইনে আছেন
১২ জন ব্লগার, ৭০৫ জন ভিজিটর,৫০৯ জন মোবাইল থেকে ,অপ্সরা, ঘোর অমানিশায় একলা.....আমি নিশাচর, রানার ব্লগ, শেহজাদ আমান, ডঃ এম এ আলী, প্রবাসীকালো, নজসু, মহাজাগতিক চিন্তা, সৈয়দ কুতুব, এইচ এন নার্গিস,সুলাইমান হোসেন, ওমর খাইয়াম
সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। আর সবার কাছে ঈদের স্মৃতি জানতে চাই। হোক না দু এক লাইনের। সে সব স্মৃতি নিয়ে জুড়ে দেবো আমার এই স্মৃতিকাতর ঈদ আনন্দ লেখায় ...
গল্প হলো শুরু
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ঈদ মোবারক আপু।
সকল ব্লগারের প্রতি ঈদের শুভেচ্ছা। জানা আপার প্রতি বিশেষ দোয়া ও ভালোবাসা, আল্লাহ তাকে দীর্ঘায়ু দান করুন।
খুবই ছোটোবেলার ঈদের কথা মনে পড়ে। ঈদের আগের দিন বাজার থেকে কাগজের রঙিন টুপি আর পটকা কিনে দিতেন বাবা। চাঁদ দেখার সাথে সাথে সেই পটকা ফোটানোর ধুম পড়ে যেত। রঙিন টুপিটা খুব যত্ন করে রাখতাম, ঈদের দিন সকালে কড়ার শীতের মধ্যে নামাজের আগে পুকুরে গোসল করতাম দল বেঁধে। তারপর ঈদের নামাজে যেতাম। তবে প্রথম প্রথম নামাজে না দাঁড়িয়ে বাইরে অন্য পোলাপানের সাথে একত্রে দাঁড়িয়ে দেখতাম কীভাবে নামাজ পরা হয়।
আমাদের বয়সী মানুষদের ছোটোবেলাকার ঈদ প্রায় একইরকমই হওয়ার কথা। অধুনার মতো মানুষের এত সচ্ছলতা ছিল না, এত রান্নাবান্নাও ছিল না। ঈদের আগের রাতে মা-চাচিদের দেখতাম হাতে-কাটা শেমাই বানাতো, ঈদের দিন সকালে রাঁধতো। সাথে খির, বাজার থেকে আনা কলের শেমাই তখনো এত সুলভ এবং জনপ্রিয় হয় নাই, এবং সেগুলো তত মজাও লাগতো না।
নীল-দর্পণ বলেছেন: ঈদের স্মৃতি বললেই মনে পড়ে পায়ের সাইজের চেয়ে একসাইজ বড় সু কিনে দিতেন আম্মা বাটা থেকে, সেই জুতোর ভেতর কাপড় গুঁজে পুরো এলাকা ঘুরে বেড়াতাম। পায়ে ফোস্কা পড়লেও জুতো হাতে নিয়ে হাঁটলে প্রেস্টিজ যাবে তাই খুলে হাতে নিতাম না অন্যদের মত।
অন্যের বাড়ীর রংয়ের সেমাই, সিরিঞ্জের ফুল পিঠা বা সাবু দানার পিঠার দিকে ছিল লোভ বেশি।
এখন ঈদ হচ্ছে কন্যাদের। গত বছর পার্স গলায় ঝুলিয়ে ঘুরেছে আর একটু পর পর সালামী এনে আমার কাছে এসে বলেছে ''মা দেকো আবার টাকা এনেচি"।
আমার খুবই মজা লাগে ওর দাদা বাড়ীর দিকের বাচ্চাদের দেখে। সকালে এসে সালাম দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে চুপচাপ। কী খাবে জিজ্ঞেস করলে বলবে, "আঁই কিছু নঁ হাইয়ুমদে, গরোত হাই আইসসি, ফ্যাড বরা" । খাবে না যাবেও না, মানে হল সালামী দাও। সালামী দিলে খুশি মনে অন্য বাড়ীতে যাবে সালাম করতে।
সৈয়দ কুতুবভাইয়ার স্মৃতির অপেক্ষায় আছি।
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৭
অপ্সরা বলেছেন: ভাইয়া
পটকা তো আজও ফোটায় বাচ্চারা। বিশেষ করে পুরান ঢাকায়।
তবে কাগজের রঙ্গীন টুপি পরে নামাজ পড়তে নাকি!!!
২|
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দারুণ স্মৃতিচারণ করেছেন ; এখনও কি বাটা মেহেদি দেন ?
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৯
অপ্সরা বলেছেন: না এখন আর বাটা মেহেদী দেই না। তবে মেহেদী গাছ আছে বাসায়। এখন কোন মেহেদী অরগানিক দিচ্ছি। কয়েক বছর ধরে দিতাম কাভেরী মেহেদী।
তবে এইটুকু বললে চলিবেক লাই ভাইয়া। তোমার ঈদের আনন্দ বা বেদনার স্মৃতি লিখে দাও ...
৩|
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৮
নীল-দর্পণ বলেছেন: ঈদের স্মৃতি বললেই মনে পড়ে পায়ের সাইজের চেয়ে একসাইজ বড় সু কিনে দিতেন আম্মা বাটা থেকে, সেই জুতোর ভেতর কাপড় গুঁজে পুরো এলাকা ঘুরে বেড়াতাম। পায়ে ফোস্কা পড়লেও জুতো হাতে নিয়ে হাঁটলে প্রেস্টিজ যাবে তাই খুলে হাতে নিতাম না অন্যদের মত।
অন্যের বাড়ীর রংয়ের সেমাই, সিরিঞ্জের ফুল পিঠা বা সাবু দানার পিঠার দিকে ছিল লোভ বেশি।
এখন ঈদ হচ্ছে কন্যাদের। গত বছর পার্স গলায় ঝুলিয়ে ঘুরেছে আর একটু পর পর সালামী এনে আমার কাছে এসে বলেছে ''মা দেকো আবার টাকা এনেচি"।
আমার খুবই মজা লাগে ওর দাদা বাড়ীর দিকের বাচ্চাদের দেখে। সকালে এসে সালাম দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে চুপচাপ। কী খাবে জিজ্ঞেস করলে বলবে, "আঁই কিছু নঁ হাইয়ুমদে, গরোত হাই আইসসি, ফ্যাড বরা" । খাবে না যাবেও না, মানে হল সালামী দাও। সালামী দিলে খুশি মনে অন্য বাড়ীতে যাবে সালাম করতে। ![]()
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৪১
অপ্সরা বলেছেন: গুড গুড মনে পড়ে গেলো পায়ে ফোস্কার স্মৃতি। বাপরে কি ভয়ানক কষ্টের পানি ভরা ফোসকা!!
হা হা ছেলেবেলার স্মৃতির সাথে কি শুনালে!!! গরোত ফ্যাড...... তোমার বাচ্চাদের দাদাবাড়ি কোথায়??? সিলহট নাকি?
৪|
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৫৫
নীল-দর্পণ বলেছেন: নয় নয়, সিলেট নয়। ইতারার বাড়ী হাইস্ সোবাজার (কক্সবাজার)। ![]()
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:০৬
অপ্সরা বলেছেন: হাইস সোবাজার!!!!!!!!!!! হা হা হা
আমাদের সুফিয়া বলেছিলো হেবাইজ লাগবে হেবাইজ!
আমি যত বলি হেবাইজ কি মা জান?
সে তত বলে হেবাইজ চিনন না হেবাইজ!! এই যে গুল গুল ছুড ছুড!!!
আমি না চিনতে পেরে ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গেছিলাম। তবুও চিনতে পারিনি..... ![]()
৫|
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৫৬
নজসু বলেছেন:
বোন, আপনার লেখাটা পড়তে পড়তে সত্যি বলতে একটা অন্যরকম নস্টালজিয়ায় ভেসে গেলাম। বিশেষ করে জামার গল্পটায়। ছোটোবেলার ঈদ সবারই মনে হয় একই রকমের থাকে। কত ছোট্ট ছোট্ট ঘটনা, কিন্তু এক সাগর মায়া লেগে আছে তাতে। এই লেখাটি পড়তে পড়তে মনে হলো আমি যেন নিজেরই কোনো হারিয়ে যাওয়া ঈদের দিনের কথা পড়ছি।
ছোটোবেলাকার ঈদের পোশাকটা ছিলো যেন সাত রাজার ধন। সেসময় তো ফ্যাশনের এতো ছড়াছড়ি ছিলো না। আমি ছিলাম মফস্বলের। দেখা যেতো ঈদে আমি যে পোশাকটা পড়েছি, সেই একই রকম পোশাক, আরেকজন সেও কিনেছে। কোনো মাথা ব্যথা ছিলো না। আমাদের সময়ের ঈদ ছিলো সহজ, সরল আর সুন্দর।
এখন তো বাসায় ঈদের আগের দিন আগে থেকে বিভিন্ন রান্না বান্নার আয়োজন শুরু হয়। সেসব দেখি আর ভাবি, আমি যখন ছোটো ছিলাম তখন আমাদের মফস্বলের প্রায় ঘরে বেশিরভাগ সময় দুই পদের সেমাই রান্না হতো। একটা ছিলো লাচ্ছা সেমাই, আরেকটা ছিলো সাদা সেমাই। অবস্থপন্নরা সাদাটায় নারকেল মেশাতেন। এই দুইটা পদের সেমাই ছিলো যেন অমৃত!
বোন, আসলেই আগের ঈদগুলোর মধ্যে যে সরলতা আর আন্তরিকতা ছিল, সেটা এখন খুব কমই চোখে পড়ে। পাড়া প্রতিবেশীর বাড়িতে নির্দ্বিধায় ঢুকে পড়তাম। খালা চাচীদের সেই আন্তরিক ডাক কতোই না সুন্দর ছিলো। আমরা সবার বাড়ি যেতাম। সেমাই খেতে দিতেন যখন, তখন বলতাম অল্প করে দিয়েন পেটে আর জায়গা নাই। বলতাম ঠিকই, কিন্তু খাওয়া কমতো না। এসব যেন এখন গল্পের মতোই লাগে।
আপনার আজকের লেখায় আনন্দের সাথে বিষাদের এই ছোঁয়াটা খুবই বাস্তব। আসলে ঈদ শুধু আনন্দ নয়। অনেক সময় কিছু না বলা কষ্টও সাথে করে নিয়ে আসে। আপনি খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন বোন।
ধন্যবাদ আপনাকে স্মৃতিজাগানিয়া, অনুভূতিময় লেখাটি শেয়ার করার জন্য। পড়তে পড়তে নিজের ছোটবেলার ঈদগুলোকেও আবার নতুন করে মনে পড়ে গেল। ঈদের শুভেচ্ছা রইলো। সবার ঈদ হোক আনন্দময়। ঈদ মোবারক।
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:০৮
অপ্সরা বলেছেন: আরেকটা সেমাইও ছিলো জর্দা সেমাই বা শুকনা সেমাই।
আমাদের সেই সহজ সুন্দর ঈদ আজ কোথায় হারালো!!! সব কিছু কঠিনের সাথে সাথে কঠিনতর হয়ে গেছে যেন ....... ![]()
৬|
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১০
নীল-দর্পণ বলেছেন: হেবাইজ কী পেঁয়াজ নাকি?
তোমাদের সুফিয়ার বাড়ী কোথায়?
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১২
অপ্সরা বলেছেন: হা হা বুঝলাম তুমি ময়মনসিঙ্গা!!!!!!!!! নেত্রকোনা!!!!!!! হা হা হা
৭|
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৪১
নীল-দর্পণ বলেছেন: না না আমিতো দক্ষিনবঙ্গের। মাদারীপুর
তবে যেকোন আঞ্চলিক ভাষা আমার খুব ভালো লাগে। এই কারনেই কিনা জানি না কক্সবাজারের ভাষা কঠিন হওয়া সত্বেও অনেক কিছু বুঝতে পারি!
৮|
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৫৪
আজব লিংকন বলেছেন: অনেকদিন পর তোমার লেখা পড়লাম প্রিয় শায়মা আপা। আশাকরি ভালো আছো। হ্যাঁ আমিও প্রায় ব্লগে হাল্কা ঢু মেরে চলে যাই। তবে (ব্লগে/ব্লগার) কিছু মানুষের কথা মনে হয় প্রায়। খুব অল্প সামান্য পরিচয় তবুও মনে হয়। যাদের মধ্যে ইমন জুবায়ের ভাই, জানা আপা, গাজী সাহেব, মিরোর আপা, শেরজা তপন দাদা, জাজির দাদা, সন্ধ্যা রাতের ঝিঁঝি, রাজিব ভাই, জুনভার্ন ভাই, কুতুব ভাই এবং সবার মাঝে অনন্য তুমিও একজন প্রিয় শায়মা আপা (সবচেয়ে বেশি)।।
শৈশবের ইদের আনন্দ স্মৃতি কথা যেমন আনন্দের তেমনি বর্তমানে তা মনে করলে চরম বেদনাদায়ক। কত পুরনো অমলিন স্মৃতি... উফ!!
সেই একান্নবর্তী পরিবারে সবাই মিলে ঈদ উদযাপন। শহরের বুকে একটা ছয় রুমের ছোট টিনের বাসায় আমার বেড়ে ওঠার গল্প। যার ছোট একটা আঙ্গিনা। রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে সেই আঙিনায় বসতো এক আকাশ তারার মেলা। সে কতরাত বসে বসে রাতের আকাশের রকেট খুঁজেছি। হ্যাঁ ছবির মতো টিনের বাসা।
আমার বাবার ছয় ভাই এবং দুই বোন। আমার জন্মের আগে ফুপুদের বিয়ে হয়ে যায়। আমি জন্মের পর ছয় চাচার সংসার চোখের সামনে দেখার সুযোগ পাই। যৌথ পরিবারের হাসি, কান্না, সুখ, দুঃখ এবং ভয়ংকর ঝগড়াঝাটি দেখার সৌভাগ্য কিংবা দুর্ভাগ্য বলা যায় আমার হয়েছে বটে।।
শৈশবের একদল চাচাতো ভাই বোনের সাথে বেড়ে ওঠা এবং তাদের সাথে ইদের আনন্দ ভাগাভাগি করা। চোখ বন্ধ করলে এখনো চোখের সামনে ভেসে ওঠে। নতুন জামা পড়ে একসাথে ঈদগাহ মাঠে জামাতে যাওয়া। ওহ হ্যাঁ, ইদগাহের স্মৃতি আসলে একটা কথা মনে পড়লো, তখন আমাদের রংপুরের ইদগাহে প্রতি ইদের জামাতে উপস্থিত থাকতেন মরহুম হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ সাহেব। আমাদের জন্য সেসময় তিনি সেলিব্রেটি ছিলেন। ইদের জামাত শেষে দল বেঁধে লাইনে দাঁড়িয়ে তার সাথে কোলাকুলির একটু সুযোগ, তার আনন্দই ছিল অন্যরকম।
ইদের নামাজ শেষে বাসা ফেরার সময় বাবা আমাদেরকে গ্যাস বেলুন কিনে দিতেন। কি সুন্দর রং-বেরঙের সেই গ্যাস বেলুনগুলো শূন্যে ভেসে থাকতো, আমরা অবাক হয়ে দেখতাম। আমরা ভাই-বোনরা মিলে প্রত্যেক ইদে প্রায় একটা কাজ করতাম। সেটা হচ্ছে বাসায় এসে চিঠি লিখে গ্যাস বেলুনের মধ্যে বেঁধে দিয়ে হাওয়ায় উড়িয়ে দিতাম। হা হা হা, কে জানে সেই চিঠি কেউ পেত কিনা!!! তারপর দল বেঁধে সবাই মিলে সারাদিন আত্মীয়দের বাসায় যাওয়া। চকচকের নতুন পাঁচ টাকা, দশ টাকার সালামী পেয়ে সে কি মহাআনন্দ আমাদের।
আচ্ছা তুমি তো ছোট্ট করে লিখতে বলেছো, এত কথা কেন লিখছি জানিনা। এত কথা পড়ার এনার্জিও হবে কিনা তোমার জানা নেই। আর এইসব তো এখন আমি গুছিয়ে গুছিয়ে লিখতেও পারছি না। যা মনে আসছে তাই লিখছি। তাই পড়তে হয়তো ইন্টারেস্টিং নাও লাগতে পারে। আসলেই শৈশবের স্মৃতি বলে শেষ করা যাবে না।
বড় হয়ে যাওয়ার পর ঈদ আনন্দ কর্পোরেটিভ ওয়ার্ল্ড এর মত জটিল হয়ে গেছে শায়মা আপা। যার কোনো স্বাদ নেই। ঈদ মানে খুশি, বিষাদের গল্প নয়। তবুও... কিছু গল্প চলে আসে। আমার একমাত্র ছোট বোন আজ পৃথিবীতে নেই, প্রায় ১৩ বছর হতে চললো তার না থাকা। প্রতি ইদে তাকে খুব মিস করি। তার উপর এই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে আমার বাবাও পালাতক। তিনি কোনো বড় নেতা কিংবা দূর্নীতিবাজ ছিলেননা। আফসোস!!! এলাকায় লীগের একটা ছোট পদে নাম মাত্র ছিলেন তিনি। সেটাই তার জন্য কাল হলো। সরকার পতনের পর তার নাম দেওয়া হলো গণ মিথ্যা মামলায়। সেই থেকে সে পালাতক। কত দিন বাবাকে দেখিনা। এখন বাসায় শুধু আমরা দুইজন মানুষ, আমি এবং আমার মা। অনেক কষ্টে থাকলেও যতটুকু পারার যায় আমরা হাসি মুখে থাকার চেষ্টা করি। যাইহোক, এইসব কথায় আর না যাই।
তোমার সাথে গল্প করতে বসলে অনেক কথাই ভেসে ওঠে শায়মা আপা। সেদিন এক দাওয়াতে গিয়ে হঠাৎ তোমার সেই মরার বাড়ির বুড়ির কথা মনে পড়লো। আমার হাসি প্রায় থামেই না। আর আমার সাথের জন কিছুই বোঝে না, আমি কেন হাসি।। এমনি অবশ্য মনে পড়ে নাই, সামনে এক বৃদ্ধা ছিলেন এবং তার কান্ড কারখানা প্রায় মিলে গিয়েছিল।।
আর কিছু লিখতে ইচ্ছা করছে না। লেখায় কোন ভুল ত্রুটি হলে পড়ার সময় নিজে ঠিক করে পড়ে নিও। আমি আজ আসি। ভালো থেকো আল্লাহাফেজ। ল্যাভিউ...
৯|
২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০৪
খায়রুল আহসান বলেছেন: চমৎকার একটি উদ্যোগ নিয়েছেন; এজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
১২ জনের পর ১৩ নম্বর ব্লগার হিসেবে আমি আপনার এ পোস্টে যোগ দিলাম। এখন অবশ্য সংখ্যাটা ১৪ জন হয়ে গেছে।
আমি ছোটবেলা থেকেই যেহেতু একটু অন্তর্মুখি ছিলাম, সেহেতু ঈদের আনন্দ তেমন একটা উপভোগ করতাম না, শুধু খাওয়া দাওয়া ছাড়া। ঈদে নতুন জামাকাপড় পেতাম, তবে সেটা পাওয়ার জন্য আব্বাকে যে আর্থিক চাপ সামলাতে হতো, সেটা ভেবে নতুন জামা কাপড়ের প্রতিও তেমন আগ্রহ জন্মাতো না। ঈদের পরের দুদিনে অন্ততঃ দুটো আত্মীয় পরিবারের সাথে অবশ্যই দেখা করতে যেতে হতো। তারাও আমাদের বাসায় হয় সকালে নাহয় সন্ধ্যায় বেড়াতে আসতেন এবং একবেলা খেয়ে যেতেন। তাদের একজন ছিলেন আব্বার আপন মামা, অপরজন ছিলেন সেই মামার আপন শ্যালক। তাদের উভয়ের স্ত্রী ছিলেন কোলকাতার মহিলা; তাদের ভাষা এবং ভাব একটু অন্য রকমের ছিল বিধায় আমি তাদের উপস্থিতি উপভোগ করতাম না। দাদী হিসেবে তারা নাতির (আমার) সাথে একটু ঠাট্টা মশকরা করতে চাইতেন, তবে আমার সেটা ভালো লাগতো না। তাদের সন্তানদের, অর্থাৎ চাচা-ফুফুদেরকে অবশ্য আমার ভালোই লাগতো। আব্বার মামা ছিলেন তখনকার দিনে হাইকোর্টের একজন আইনজীবি, আর তার শ্যালক ছিলেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঠিকাদার। এ কারণে তারা আমাদের তুলনায় ছিলেন অনেক উচ্চবিত্ত। এটাও আমার অস্বস্তিবোধের একটা বড় কারণ ছিল।
ঈদের স্মৃতির সাথে আমারও একটা বিষাদময় স্মৃতি জড়িয়ে আছে। সেটা সম্ভবতঃ ১৯৯৫/৯৬ সালের কথা। আমার একজন অধঃস্তন কর্মচারী রোযার ঈদের আগের রাতে নাইটকোচে রওনা দিয়ে তার বাড়ি খুলনায় যাচ্ছিল। কিন্তু বাড়ির প্রায় কাছাকাছি জায়গায় তার বাসটি মারাত্মক দুর্ঘটনায় পতিত হয় এবং সে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। পরিবারের সদস্যদের জন্য সে অনেক কেনাকাটা করেছিল। সেগুলো দূুর্বৃত্তরা নিয়ে যায়। ঈদের দিন শুধু তার লাশটি পরিবারের নিকট পৌঁছে। এই হৃদয়িদারক সংবাদটি আমি পাই ঈদের পরেরদিন। তারপর থেকে বেশ কিছুদিন তার মুখটি ক্রমাগতভাবে আমার মনে ভেসে উঠতো। এখনও প্রতি রমজানে তাকে স্মরণ করি।
১০|
২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৩৮
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
তোমার আহ্নবানে শুধু গল্প নয় সাথে ঈদের গানও লিখলাম একটা এই খানে ।
ঈদ শুরু হতে না হতেই ঈদ বিষযাদি নিয়ে সুন্দর পোষ্ট ,সুন্দর সুন্দর মধুর স্মৃতি কথায় ভরপুর । এবার ঈদপুর্ব
আয়োজন এত পানসে কেন? খানা দানা প্রস্তুতির ছবি নেই কেন ?, সাজুগুজু পরের কথা, তবে শনিবার ঈদের দিন
সন্ধায় পোস্ট এডিট করে খানা দানা সাজু গুজু আর যত মনে চায় সব দিয়ে পোস্ট আপডেট করে দিলে হবে ।
যাহোক এখনকার তোমার বলা কথামালায় আমারো মনে পরে যায় সেই আদ্যিকালের ছেলে বেলাকার ঈদের
স্মৃতিময় কত কথা ।
বাল্যকালটা কেটেছে গ্রাম বাংলায় । সে সময় ঈদ শুধু আমাদের কাছে ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং ছিল সামাজিক
সম্প্রীতি ও পারিবারিক বন্ধনের এক আনন্দঘন মিলনমেলা। গ্রামকেন্দ্রিক সহজ জীবনে ঈদ উপলক্ষে আন্তরিকতার
বিশেষ প্রকাশ দেখা যেত। চাঁদ দেখার মধ্য দিয়ে উৎসবের শুরু হতো, আর চাঁদ রাত ছিল প্রস্তুতি ও আনন্দের
সময়। আহা এই সামু জীবনে এমনটি হলে কতই না হতো ভাল ।
ঈদের সকালে সবাই পরিচ্ছন্ন পোশাক পরে ঈদগাহে নামাজ আদায় করতে যেতাম এবং পরস্পরকে আলিঙ্গন
করে শুভেচ্ছা বিনিময় করতাম , যা ভ্রাতৃত্ব ও সমতার প্রতীক ছিল। পরিবারে বিশেষ খাবার তৈরি হতো, আর
আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের মধ্যে যাতায়াত ও শুভেচ্ছা বিনিময় চলত সারা দিন । আমরা ছোটরা বড়দের
সালাম করতাম , বড়রা দোয়া ও উপহার দিতেন সে যে কি খুশি লাগত ।
দান-সদকার মাধ্যমে ধনী-গরিবের মধ্যে সহমর্মিতা গড়ে উঠত, যাতে সবাই ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারে।
আমাদের ঈদগা মাঠের পাশেই বসত গ্রামীণ মেলা, সেখান হতে কিনতাম ছোট ছোট খেলনা , বাশের বাশি
আর বেলুন। বাশীর মুখে বেলুন লাগিয়ে ফু দিয়ে সেই বেলুন ফুলিয়ে ছেড়ে দিলে বাশী হতে বের হতো পে পো
আওয়াজ , যা ঈদের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করত। বিকালে পাল তোলা কেয়া নৌকায় বড়দের সাথে আমরা
মাইক লাগিয়ে গান গাইতে গাইতে গ্রামের এ প্রান্ত হতে অপর প্রান্তে ঘুরে বেড়াতাম , যে যার মত গান গাইতাম
হেরে গলায় , তবে ছেলে বুড়ো সকলের ভাই, ময়না ভাইয়ের গলা ছিল গানের দরাজ কন্ঠ ।তিনি যখন মাইকে
গানে দিতেন টান তখন ছোট্ট নদীটির দুপারের বউ ঝি, ছেলে মেয়ে, বুড়া বুড়ি সকলেই সেই মধুর কন্ঠের গান
শুনত মুগ্ধ হয়ে ।
কই গেল সেই দিন আর সেই সেই গান । এই ব্লগের স্বনাম ধন্য গীতিকার , সুরকার আর গায়ক সোনাবীজ;
অথবা ধুলোবালি ছাই ভাইকে দেখলাম প্রথমেই মন্তব্যের ঘরে, তাই তোমার বাড়ীতে তারই জন্য লিখে রেখে
গেলাম একটি ঈদের গান , অপেক্ষায় থাকলাম সামুর এই নিরস ঈদের দিনে একটি মনোমুগ্ধকর ঈদের গান
শুনার জন্য। তুমিও ভাল আবৃতি কর ও গান গাও, ঈদ নিয়ে তোমার কন্ঠগীতও শুনার অপেক্ষায় রইলাম ।
ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা রইল
@ সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
চাঁদের কোলে নরম আলো, আকাশ ভরা হাসি
গ্রাম গঞ্জের পথে পথে ঈদের সুখের বাঁশি
খেজুর পাতার ঘরে ঘরে আলো জ্বেলে রাত
চাঁদ রাতের স্বপ্ন গাঁথে ছোট্ট শিশু হাত।
ঈদ এলো, ঈদ এলো, হৃদয় ভরা গান
ভাই-বোনে, বন্ধু সবে সুখের আয়োজন
হাসির রঙে রাঙা হলো পাড়া প্রতিবেশ
ভালোবাসায় ভরে ওঠে প্রতিটি পরিবেশ।
ভোর বেলায় কুয়াশা ভেজা মাঠের সবুজ ঘাস
ঈদগাহে সারি বেঁধে দাঁড়ায় মানুষ হাসিমুখে পাশ
নামাজ শেষে কোলাকুলি, মুছে যায় সব দুঃখ
ধনী গরিব এক হয়ে পায় আনন্দের সুখ।
ঈদ এলো, ঈদ এলো, মনের মাঝে ঢেউ,
পিতা-মাতা দোয়া দেন, সুখের নেই তো শেষ
বন্ধু ডাকে, চলো ভাই, বাড়ি বাড়ি যাই,
সেমাই-পিঠার মিষ্টি ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে ঠাঁই।
মায়ের হাতে সেমাই রান্না, দুধে মাখা সুখ
বাবার চোখে স্নেহ ঝরে, ভুলে যায় সব দুঃখ
ছোটরা পায় ঈদের খুশি, মুঠো ভরা দান
বৃদ্ধরা বসে গল্প করে, স্মৃতিরই গান।
মেলায় বাজে বাশির সুর, রঙিন খেলার মেলা
গ্রাম গঞ্জের প্রাণের মাঝে সুখের ঢেউ খেলা
সরল জীবনে গভীর টান, হৃদয় ভরা নূর
ঐতিহ্যের সেই ঈদ আজও করে মন ভরপুর।
ঈদ এলো, ঈদ এলো, মিলনেরই দিন
ভালোবাসায় বাঁধা থাকে চিরন্তন রঙিন
ছোটকালের সেই গল্প আজও বেঁচে রয়
মানুষে মানুষে বন্ধনে ঈদের সত্য জয়।

©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৪
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ঈদ মোবারক আপু।
সকল ব্লগারের প্রতি ঈদের শুভেচ্ছা। জানা আপার প্রতি বিশেষ দোয়া ও ভালোবাসা, আল্লাহ তাকে দীর্ঘায়ু দান করুন।
খুবই ছোটোবেলার ঈদের কথা মনে পড়ে। ঈদের আগের দিন বাজার থেকে কাগজের রঙিন টুপি আর পটকা কিনে দিতেন বাবা। চাঁদ দেখার সাথে সাথে সেই পটকা ফোটানোর ধুম পড়ে যেত। রঙিন টুপিটা খুব যত্ন করে রাখতাম, ঈদের দিন সকালে কড়ার শীতের মধ্যে নামাজের আগে পুকুরে গোসল করতাম দল বেঁধে। তারপর ঈদের নামাজে যেতাম। তবে প্রথম প্রথম নামাজে না দাঁড়িয়ে বাইরে অন্য পোলাপানের সাথে একত্রে দাঁড়িয়ে দেখতাম কীভাবে নামাজ পরা হয়।
আমাদের বয়সী মানুষদের ছোটোবেলাকার ঈদ প্রায় একইরকমই হওয়ার কথা। অধুনার মতো মানুষের এত সচ্ছলতা ছিল না, এত রান্নাবান্নাও ছিল না। ঈদের আগের রাতে মা-চাচিদের দেখতাম হাতে-কাটা শেমাই বানাতো, ঈদের দিন সকালে রাঁধতো। সাথে খির, বাজার থেকে আনা কলের শেমাই তখনো এত সুলভ এবং জনপ্রিয় হয় নাই, এবং সেগুলো তত মজাও লাগতো না।
আপাতত এটুকুই।
সুন্দর পোস্ট। এ পোস্টে এবারের ঈদ জমজমাট হয়ে উঠুক।