| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অপলক
তত্ত্ব, তথ্য ও অনুভূতি ভাগাভাগি করা আমার অভিপ্রায়। কারও যদি ইচ্ছে হয় তবে যে কেউ আমার এই ব্লগের যে কোন কিছু নিজের সংগ্রহে রাখতে পারে।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আমি যাকি বলি God Gifted Surprise Prime minister আজ (২০এপ্রিল২০২৬) বগুড়া সফরে এসেছিল। অপ্রয়োজনীয় এজেন্ডা বেশি যা তার অদূরদর্শীতার পরিচয় দেয়।
বগুড়াতে খাল খননের কিছু নেই। এখানে ডিগ্রি কলেজ কে সরকারী কলেজ করার কিছু নেই। প্রেসকেলাব কে নতুন করে সাজানোর কিছু নেই। এগুলো বগুড়াকে অর্থনৈতিকভাবে সচল করবে না। নগর বাসীর জীবন মান উন্নয়ন করবে না। সিটি করপোরেশনের কারনে এখন সবকিছুর কর বাড়বে কিন্তু সেবা বাড়বে না। এটা আমার অভীঙ্গতা থেকে বললাম। এমনকি আমি চ্যালেন্জ করতেও প্রস্তুত।
তারেক সাহেবের উচিত ছিল:
১. সিটি করোপরেশন না করে নগরের রাস্তা চওড়া করা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন যেটা শুরু হয়েছে, তা দ্রুত শেষ করা।
২. এয়ারপোর্টকে আন্ত-বানিজ্যিক এয়ারপোর্টে দ্রুত চালু করা।
৩. জিয়া শিশু ফাউন্ডেশন কে দ্রুত আধুনিক শিশু হাসপাতালে রুপান্তর করা।
৪. শহরে অটোরিক্সা, পা চালিত রিক্সা, ব্যাটারী রিক্সা বন্ধ করে টাউন সার্ভিস বাস চালু করা।
৫. দূর পাল্লার বিআরটিসি বাস সার্ভিস বাড়ানো।
৬. বিসিক এবং অন্যান্য ভারি শ্লিপের উপর নজর দেয়া।
৭. মোহাম্মদ আলী হসপিটালের মত জিয়া মেডিকেলকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা করা এবং একই সঙ্গে জিয়া মেডিকেলকে আধুনিক মেডিকেলে রুপান্তর করা।
নিচে আমি কিছু বর্তমান চিত্র তুলে ধরছি, যা দেখলেই বুঝবেন কতটা নিম্ন চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। তার আগে এটা বলছি, এখানে শুক্র-শনিবার ইর্ন্টানি ডাক্তার ছাড়া এবং গুটি কয়েক নার্স ছাড়া কেউ দায়িত্ব পালন করেননা। সপ্তাহের বাকি ৫ দিন ডিউটি ডাক্তাররা কোন কোন দিন রাউন্ড দেন, আউটডোরে রুগি দেখা বাদ দিয়ে। আউটডোরে যারা রুগি দেখেন, তারা ৯-২ টা পর্যন্ত রুগি দেখার কথা থাকলেও, আসেন দেরিতে, অফ যান আগে ভাগে। এর ভেতরে থাকে মেডিকেল রিপ্রিজেনটিভদের এপয়েন্টমেন্ট, কলিগদের সাথে গল্প আড্ডা এবং নাস্তার ব্যাপার। ডাক্তার এবং নার্সদের ডিজিটাল এন্ট্রি সিস্টেম থাকা দরকার এবং একই সাথে সিসি ক্যামেরায় মনিটরিঙের ব্যবস্থা থাকা এখন সময়ের দাবি। চিকিৎসা সেবা না পেলে রুগিরা ঢাকামুখী হবেই, প্রতারনার শীকার হবেই।
আমি নিজেই জরুরি বিভাগে রাত ১১টায় গিয়ে কোন ডাক্তার পাইনি। ১ ঘন্টা পর এসেছিল ইন্টারনী ডাক্তার। তাও প্লাস্টার গজ ছিল না, নার্সদের হাতে ছিল না কোন গ্লভস।
প্রায় প্রতিটা ওয়ার্ডের পাশে এই অবস্থা:
বাথরুমের টয়লেটে ঢোকা যায় না, তাই কেউ কেউ বেসিনের পাশে মল ত্যাগ করে ফেলেছে। টয়লেটের ভেতরে পা ফেলার জায়গা নেই।
পান প্রিয় বাঙ্গালী রক্ত বর্ণের পিক ফেলে দেয়ালের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। তারচেয়েও বড় কথা ফায়ার সিলিন্ডার গুলো ওয়ার্ড বা কেবিন থেকে বহু দূরে এমন চিপায় ফেলে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে কাজে আসবে না শতভাগ নিশ্চিত।

৪ তলা থেকে নিচের সুয়ারেজ লিকেজের ছবি। যে মাছি এই গুয়ের উপর বসে, সেটা রুগির অপারেশনের জায়গা বা ঘায়ের উপরেও বসে।
যেদিকে চোখ যায়, ময়লার স্তুপ। সেটা সানসেট হোক আর গ্রাউন্ড ফ্লোর হোক বা দুই ব্লিডিঙের মাঝের খালি জায়গা হোক।

হরেক রঙের বিড়াল। কখনও রুগির খাবারে মুখ দেয় তো কখনও রুগির বিছানায় ঘুমায়।
এভাবেই ওয়ার্ড বা কেবিনে ভর্তিকৃত রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত সেলাইন, ইনজেকশন বা অন্যান্য ওষুধ ফেলে রাখা হয়। নার্সরা এসে এসে সিট অনুযায়ী সেলাইন/ওষূধ নিয়ে যায়।
দিনের কোন এক সময় আসা বরাদ্দকৃত ওষূধ এভাবেই খোলা জায়গায় পড়ে ছিল ২ দিন। কেউ দেখার নেই। মাথায় করে কেউ এক প্যাকেট নিয়ে গেলেও বুঝবে না। তা না হয় হলো, কিন্তু আউটডোরে ডাক্তার ৩ দিনের ওষুধ দিলে কাউন্টার থেকে দেয় ১ দিনের। এমনও শুনতে হয়েছে, প্রতিদিনেরটা নাকি প্রতিদিন নিতে হবে। মানে একটা রুগিকে গাড়িভারা করে অসুস্থ অবস্থায় ১০ টাকার ওষুধ নিতে আসতে হবে ৩ দিন। তারউপর বেশির ভাগ সময় বলেন, এই এই ওষুধের সাপলায় নেই। টোকেন নিয়ে নেয়। তাই রুগিরা পরের দিন এসে আর ওষুধ পায় না। অর্থাৎ সরকারের খাতায় ৩ দিনের ফুল কোর্সের ওষুধ লেখা হয় কিন্তু রুগি পায় ১ দিনের যদিও বা ভাগ্যক্রমে ওষূধ থাকে...

২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:৩১
অপলক বলেছেন: কুতুব সাহেব ! ছোট বেলায় অনেক কুৎ কুৎ খেলতেন তাই না?
বাংলাদেশ এমন একটা দেশ যেখানে পড়াশুনা করবেন এক বিষয়ে চাকরী করবেন অন্য বিষয়ের, ঠিক তেমনি যাদের দায়িত্ব পালন করার কথা, তারা করে না। তারা টাকা কামায়।
হসপিটালে যান, দেখবেন ওয়ার্ডবয় অপারেশন করছে, ভাঙ্গা হাড় প্লাস্টার করছে। ক্লিনার আয়া রুগির ড্রেসিং করে দিচ্ছে, নার্স নাই তাই...
২|
২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫৭
কাঁউটাল বলেছেন: তারেক রহমান কি করবে সেটা নিয়ে ব্লগে এসে বাল ফালানোর কিছু নাই।
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:৩৮
অপলক বলেছেন: তারেক রহমান? ঐ বাল কি আর করবে? আগে ছিল খাম্বা তারেক আর হইছে খাল তারেক। মাঝ খান থেকে হাসিনা যে কাজ গুলো বাকি রেখে গেছে, ভারত সেগুলো তারেক কে দিয়ে সম্পূর্ন করবে।
ব্লগে এসে সময় আর পরিস্থিতিকে ধরে রাখলাম। _ _টালদের কাছে এটা বাল মনে হতেই পারে। সেটা তার যোগ্যতা...
৩|
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৩২
নিমো বলেছেন: কাঁউটাল বলেছেন: তারেক রহমান কি করবে সেটা নিয়ে ব্লগে এসে বাল ফালানোর কিছু নাই
কেন নেই। সে কি জবাবদিহিতাতার উর্ধ্বে?
৪|
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৩২
নিমো বলেছেন: কাঁউটাল বলেছেন: তারেক রহমান কি করবে সেটা নিয়ে ব্লগে এসে বাল ফালানোর কিছু নাই
কেন নেই। সে কি জবাবদিহিতাতার উর্ধ্বে?
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:৪৬
অপলক বলেছেন: খাম্বা-খাল তারেক বর্তমানে জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে। যেমন, তার বৃটিশ নাগরিকত্ব এখনও বহাল যা বাংলাদেশ সংবিধান পরিপন্থী। তিনি ভোটার আইডি বানিয়েছিলেন শনিবার, সরকারী নিয়ম ভঙ্গ করে। তিনি নির্বাচনী হলফনামায় বগুড়ায় তার নামে থাকা ১২০ একর জমির কথা গোপন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের গভর্নর কে বিনা কারনে হটিয়ে দিয়েছেন এবং ২১ মাসে জমানো ৩৪ বিলিয়ন রিজার্ভ ডের মাসে শেষ করে ফেলেছেন।
দেশের মানুষদের মাঝে বিভাজন সৃষ্টি করতে ফেমেলি কার্ড, কৃষি কার্ড ইত্যাদি দিয়ে ঝামেলা তৈরী করছেন। শেখ হাসিনাও এরকম কার্ড চালু করেছিল। তারেকের মাথায় নতুন কিছু নেই। যতদিন জবাবদিহিতা থাকবে না, সে আবোল তাবোল কাজ করেই যাবে।
৫|
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:৪৩
রাসেল বলেছেন: আমরা তো একেবারেই নিষ্পাপ—দেশকে ভালোবাসি, দুর্নীতি কী জিনিস তাও কোনোদিন শুনিনি, দেখিনি।
আমরা আবার মহা মহা দক্ষ তড়িৎকর্মা—চোখের পলকে সব কাজ সেরে ফেলি, শুধু ফলটা কোথায় যায় সেটা আর দেখা হয় না।
দেশের জন্য দরদ এতটাই উপচে পড়ে যে, সুযোগ পেলেই আগে নিজের স্বার্থটাকেই জাতীয় দায়িত্ব মনে করি।
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:৪৮
অপলক বলেছেন: হুম ! নিজে বাঁচলে বাপের নাম।
৬|
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: চুনারুঘাট সরকারী হাসপাতালেরও এমন বেহাল অবস্থা
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২৭
অপলক বলেছেন: শুনে খারাপ লাগলো।
দেখার কেউ নেই আসলে... আমরা খুব অভাগা জাতি।
৭|
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২৫
নতুন বলেছেন: জনগনের ভালো করতে হলে অবশ্যই হাসপাতালের চিকিতসা ব্যবস্থা ভালো করতে হবে।
নেতাদের দেশের বাইরে যাওয়া বন্ধ করা উচিত।
আর এমপিদের সরকারী হাসপাতালে চিকিতসা বাধ্যতামুলক করা উচিত।
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৩১
অপলক বলেছেন: মন্ত্রী - সচীবরা এখন যাচ্ছে সিএমসি তে নয়ত এভারকেয়ার হাসপাতালে যেখানে আবার কোটি টাকার খরচাপাতি। মধ্যবিত্ত্ বা উচ্চ মধ্যবিত্তরা যাবার সাহস রাখে না এসব জায়গায়।
৮|
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:০৮
নতুন বলেছেন: আমাদের দেশের সরকারী হাসপাতালগুলি ঠিক মতন পরিচালনা করলে ক্লিনিক ব্যবসা মারা যাবে, তাই এটা চলছে।
সরকারী হাসপাতালের আসেপাশের সুবিধা ভোগীরাই সরকারী হাসপাতাল কে জনকল্যান কর ভাবে পরিচালনা করতে দেয় না।
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:০০
অপলক বলেছেন: ১০০% সঠিক কথা বলেছেন। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
৯|
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৩০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ছোট বেলায় অনেক কুৎ কুৎ খেলতেন তাই না ?
আপনাদের ছায়া প্রধানমন্ত্রী ঠিকমতো ‘কুৎ কুৎ’ খেলতেও পারেন না। তিনি নিজের পেজ থেকে গুজব ছড়ান। গাজীপুরে ইমামের মেয়ে প্রেমের টানে পালিয়ে গেল, অথচ দোষ হলো ছাত্রদলের । মানুষ বিএনপিকে ভোট দিয়েছে কারণ আপনাদের দল এতটাই নিম্নমানের যে, এই দলকে ভোট দিলে দিনে ৫০টা করে ‘মব’ দেখতে হতো। পলিসি নিয়ে সমালোচনা করেন সেটা ভালো কথা, কিন্তু ‘খাম্বা’-এসব কী ধরনের ভাষা ? এই খাম্বার কাছেই লন্ডনে আপনাদের নেতা কী করতে গিয়েছিলেন?
শেখ হাসিনার সাথে ভারতের দেশবিরোধী কী চুক্তি ছিল, সেটা আপনাদের দল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে থাকতেও বের করতে পারল না। এখন গুজব ছড়িয়ে বিএনপিকেও কোণঠাসা করতে চাইছেন। এদিকে আপনাদের দলের প্রধান নেতা গোপনে ইন্ডিয়ান হাই কমিশনের সাথে দেখা করেন। এটা খুব ভালো কাজ ছিল! ![]()
২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩
অপলক বলেছেন: আপনার কমেন্ট পড়ে সত্যি হাসলাম। উপহাস করেছেন সে জন্য না।
খাম্বা তারেক নাম করন কেন হয়েছিল বহু আগে, আপনি হয়ত সে ইতিহাস জানেন না, তাই খারাপ লেগেছে।
যে দেশে আইনের শাসন থাকে না, সে দেশে মব তৈরী হবেই। মানুষ আইন হাতে তুলে নেবেই। আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হলেও হবে। প্রধানমন্ত্রী হলেও হবে। চুল চেড়া ব্যাখ্যা করতে যাচ্ছি না।
হাসিনার ত্রুটিযুক্ত চুক্তি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বের করতে হবে কেন? আপনি আমি জানি না? দেশের বেশির ভাগ মানুষ জানে। জেনে বুঝেও না জানার ভান করে, কারন তাতেই ফায়দা।
আপনি নিশ্চয় জানেন, এদেশে ভাল/সৎ লোক ভোট পায় না। কারন ভাল লোক উঠলে দুষ্ট লোক ফায়দা পায় না। দুষ্ট লোকের ভয়ে ভাল লোকের মার্কায় ভোট পরে না। দুষ্ট লোকের কেরামতিতে ভোটের রেজাল্ট পাল্টে ফেলে নির্বাচন কমিশন।
আমাদের দেশে কোন সরকার কখনই ভাল ছিল না ১৯৯৬ সালের পর। তাই আমার মন্তব্য বা ব্লগ গুলো হল মন্দের ভাল'র পক্ষে। গত ১৫ বছরের আমার রাজনৈতিক লেখাগুলাে ঘাটলেই বুঝবেন।
ধন্যবাদ ।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:৩৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হাসপাতাল পরিদর্শন করা স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাজ, আর খাল খনন হলো Bangladesh Water Development Board, Local Government Engineering Department কিংবা সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব।