| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অপলক
তত্ত্ব, তথ্য ও অনুভূতি ভাগাভাগি করা আমার অভিপ্রায়। কারও যদি ইচ্ছে হয় তবে যে কেউ আমার এই ব্লগের যে কোন কিছু নিজের সংগ্রহে রাখতে পারে।
আমরা সবাই জানি ইসলাম ধর্মে, আত্মহত্যাকারীর পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। সহীহ বুখারীতে এসেছে, আল্লাহ তা'আলা বলেন, "আমার বান্দা নিজের জীবনের ব্যাপারে আমার আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, তাই আমি তার ওপর জান্নাত হারাম করে দিলাম।"
জন্ম মৃত্যু আল্লাহর হাতে। যদি আত্মহননের মাধ্যমে কারও মৃত্যু হয়, সেটা মহা অপরাধ, কারন আল্লাহর সিদ্ধান্তের আগেই বান্দা নিজের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ীত করে। আমার প্রশ্ন হল, যদি সিজারের মাধ্যমে বাচ্চা ভূমিষ্ট করানো হয়, সেটাও তো আল্লাহর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। তাহলে সেটাও কি মহা অপরাধ নয়?
এখানে ঐ সকল সিজারের কথা বলছি, যেখানে সিজার না করলে মা বা বাচ্চার, জীবন নাশের কোন সম্ভাবনা নেই। ইসলামিক বিজ্ঞদের যুক্তিসংগত মন্তব্য আশা করছি।
২১ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:২৪
অপলক বলেছেন: হাদিস কুরআন নিয়ে আমার গভীর জ্ঞান নেই। যেটুকু জানি, আমি এখনও পরস্পর বিরোধী কিছু পাইনি।
একমত যে সিজার একটি কৌশল- বাচ্চা জন্মদানের। আত্মহননের সময়ও প্রত্যেক ব্যক্তি কোন না কোন কৌশল ব্যবহার করে। কিন্তু উভয় ক্রীয়া গুলো আল্লাহর সিদ্ধান্তের পূর্বেই ঘটনাে হচ্ছে।
তাই আমার প্রশ্ন: আত্মহত্যা যদি ঘুনাহ হয়, সিজার করা নয় কেন, যেখানে সিজার না করালে মা বা বাচ্চা মৃত্যুর কোন সম্ভাবনা নেই। অন্য কোন বড় ক্ষতিও নেই। তাহলে কেন সিজারিয়ান ডেলিভেরী অপরাধ হবে না?
২|
২০ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৮
নূর আলম হিরণ বলেছেন: ব্লগার নতুন নকিব হয়তো একটা ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে পারবেন।
৩|
২০ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৪৪
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: WHO এবং The American College of Obstetricians and Gynecologists (ACOG) এরা প্রয়োজনীয় কারণ ছাড়া সিজার কে ডিসকারেজ করে। Indication না থাকলে guideline vaginal delivery-কে prefer করে।
কিন্তু fully informed maternal request থাকলে elective cesarean সম্পূর্ণ নিষিদ্ধও না—বিশেষ করে proper counselling ও documentation থাকলে। এই জায়গাটাতেই সমস্যা। যখন ইন্ডিকেশন নেই সেখানে ইসলাম সিজারকে অনুমোদন করে না। তবে যাদের টোকোফোবিয়া বা প্রসব ভীতি আছে তাদের বেলা সিজার অনুমোদন করা যায়।
২১ শে মে, ২০২৬ সকাল ৯:৪২
অপলক বলেছেন: টোকোফোবিয়া থাকলেও অনুমোদন দেয়া উচিত না। শুধু মাত্র জীবন নাশের পরিস্থিতি্তেই অনুমোদন থাকা উচিত। যেমন হতে পারে টোকোফোবিয়ার কারনে হার্ট এ্যাটাক হবার মত অবস্থা অথবা রুগির সময় পেরিয়ে গেলেও লেবার পেইন উঠছে না বা পূস করছে না ইত্যাদি।
৪|
২১ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:১২
ঢাকার লোক বলেছেন: আল্লাহ রোগ দেন, ডাক্তার চিকিৎসা করেন, রোগী ভাল হন। এর অর্থ এই নয় যে আল্লাহ কাউকে মেরে ফেলতে চেয়েছিলেন এবং ডাক্তার আল্লাহর ইচ্ছার বিপরীতে গিয়ে তাকে ভাল করে ফেলেন!এ জন্যই ইসলামে ডাক্তার দেখানো শুধু অনুমোদিতই নয় বরং strongly recommended. সিজারের বেলায়ও একই কথা প্রজোয্য। ডাক্তার প্রয়োজন মনে করলেই সিজার করা হয়, সখ করে কেউ সিজার করে না। কাজেই এটি আল্লাহর ইচ্ছার বিরোধিতা কেন হবে, বা এতে গুনাহ হবে কেন?
২১ শে মে, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪
অপলক বলেছেন: বলতেই হচ্ছে, আপনার অভিঞ্জতার স্বল্পতা আছে। বাংলাদেশে, অপ্রয়োজনীয় সিজার হয় খুব তুচ্ছ কারনে। যেমন, বাব মা ভাবে আমার মেয়ের নারমাল ডেলিভেরিতে খুব কষ্ট হবে, এত কষ্ট মেয়েটা সহ্য করতে পারবে না। ৫০হাজার টাকা কোন ব্যাপার না সিজার করাবো। নারীরা ভাবে, আমার ভেজেইনার সৌন্দর্য নষ্ট হবে, সিজারি ভাল অথবা ৩-১৫ ঘন্টার লেবার পেইন সহ্য করার কি দরকার, সিজারে ৩০ মিনিট লাগে। অনেকে ভাবে, আগে ভাবে সিজার করালে বাচ্চা মারা যাবে না, ক্ষতি হয় না বা ২ সপ্তাহ বেশি পেটের মধ্যে রাখার দরকার কি... অথবা আমার নিজের/ স্বামীর ছুটি মিলছে না বা আমার কনসালটেন্ট হজ্বে যাবে, ঐ সময় থাকবে না। অথবা আগের বেবি নরমালে করতে গিয়ে মারা গেছে, এবার যদি আবার তেমন হয়?
এসব তুচ্ছ কারনে সিজার হচ্ছে। আল্লাহ একটা সিস্টেম করে দিয়েছে। সেই প্রাকৃতিক নিয়মটাকে অপ্রয়োজনে ভঙ্গ করে শিশু ডেলিভেরী দেয়া অপরাধ হবে না কেন?
৫|
২১ শে মে, ২০২৬ ভোর ৫:৪০
আলামিন১০৪ বলেছেন: আপনার বিবৃত হাদিসটি কেবল আত্মহত্যাকারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
আপনি যদি আল্লাহর অত্যাধিক নিকটবর্তী হবার লোভে সব কিছু আল্লাহর উপর ছেড়ে দেন- যেমন রিজক আল্লাহ দিবে বলে- রিজকের সন্ধান বন্ধ করে দেন- তা হবে ইসলাম পরিপন্থী- কারণ ইসলাম স্বাভাাবক ফিতরাতের উপর প্রতিষ্ঠিত-
দিন শেষে সব কিছু আল্লাহর সিদ্ধান্তেই ঘটে- যে আত্মহত্যা করে সেও আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত করে না।
২১ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:৫৬
অপলক বলেছেন: আপনি হয়ত মানসিকভাবে অনেক হোচট খেয়েছেন। আল্লাহ অতীত, বর্তমান এবং ভবীষ্যৎ সম্বন্ধে জানেন। তিনি বান্দার ভবীষ্যৎ ফলাফল জানেন। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, তাঁর হুকুমে এই রেজাল্ট এসেছে।
ব্যাপারটা অনেকটা ভিডিও গেমের মত। গেমটা কি করে খেলবেন সেটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু আপনার গেম খেলার পারদর্শিতার উপর ধারনা করা যায় সর্বোচ্চ কোন লেভেল পর্যন্ত যাবেন। কোথায় গিয়ে আপনি সবগুলো লাইফ পয়েন্ট শেষ করবেন বা চিডকোড হারিয়ে খেলা শেষ করবেন। কিংবা গেমের মিশনটা কি করে শেষ করবেন সেটা আপনার উপর। আল্লাহর তেমনটাই বুঝিয়েছেন।
ফেরেশতা আর মানুষের মধ্যে অনেক পার্থক্যের মধ্যে একটা হল, ফেরেশতার কাজের স্বাধীনতা নেই, মানুষের আছে। আল্লাহর হুকুমের বাইরে ফেরেস্তার কিছু করার সামর্থ নেই। মানুষের আছে।
৬|
২১ শে মে, ২০২৬ ভোর ৬:৪৮
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: সিজারিয়ান অপারেশন আমার মতে একটি অপছন্দনীয় কাজ,কোনো পশুদের তো সিজার করতে হয়না,মানুষের কেন সিজার করা লাগে?
২১ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:০১
অপলক বলেছেন: প্রয়োজনে পশুরও সিজার করতে হয় । নেট ঘেটে দেখুন একটু। কিন্তু তার আগে অনুরোধ করি, পশুর সাথে মানুষের তুলনা করবে না।
তুচ্ছ কারনে সিজার হচ্ছে। আল্লাহ একটা সিস্টেম করে দিয়েছেন। সেই প্রাকৃতিক নিয়মটাকে অপ্রয়োজনে ভঙ্গ করে শিশু ডেলিভেরী দেয়া অপরাধ হবে না কেন?
৭|
২১ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৩৪
এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো বলেছেন: ছাগু দিয়া ব্লগ ভইরা গেছে। এইসব ল্যাদানো বন্ধ করেন বাল।
৮|
২১ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: সুলাইমান হোসেন, গরু ছাগল কখনই দাঁত ব্রাস করে না! সুতরাং আপনিও দাঁত ব্রাস করা ছেড়ে দিন।
২১ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:০২
অপলক বলেছেন: ![]()
৯|
২১ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮
নতুন বলেছেন: ধর্মীয় কোন কিছুতেই যুক্তি খাটে না।
২১ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:১৫
অপলক বলেছেন: ইসলামে সব কিছু যুক্তি নির্ভর। কুরআনের সকল নির্দেশনার পেছনে মানুষের দুনিয়া এবং আখেরাতের কল্যানের যুক্তি দাঁড় করানো আছে।
ভাল মন্দ অবশ্যই আপেক্ষিক ব্যাপার। কিন্তু যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন, তার তরফ থেকে দেয়া গাইডলাইন অবশ্যই বিগ পিকচারে ভাল। হয়ত আমরা তাৎক্ষনিক ভাবে বুঝিনা। কিন্তু পরিস্থিতির শীকার হয়ে কষ্ট পাই।
আপনাকে বলে রাখি, মায়েদের শরীরে লেবার পেইনের সময় একটি বিশেষ হরমোন তৈরী হয়, যা তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং দীর্ঘায়ু লাভ করতে সহায়তা করে। আমাদের দাদী নানীদের যাদের ১০-১২ টা বাচ্চা হতো, তারা ৮০-৯০ বছর বাঁচত। এর মূল রহস্য ঐ হরমোন। যত বেশি বেবি, তত বার লেবার পেইনে সেই হরমোন তৈরী হয়। লেবার পেইন ছাড়া অগ্রীম সিজারে সেই হরমোন শরীর তৈরী করে না। তাই এখনকার মহিলারা দ্রুতই আয়ু হারায়।
আল্লাহ কষ্টের মধ্যে মঙ্গল রেখেছেন, আমরা বুঝি না।
১০|
২১ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১
নিমো বলেছেন: ইসলামের যুক্তির নমুনা আদম ও হাওয়ার ছেলে মেয়ে তারপর অজাচার তারপর আপনি ও মন্তব্যের ঘরের আরও কিছু আবাল। এবার বুঝুন।
১১|
২১ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩
আলামিন১০৪ বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি হয়ত মানসিকভাবে অনেক হোচট খেয়েছেন। আল্লাহ অতীত, বর্তমান এবং ভবীষ্যৎ সম্বন্ধে জানেন। তিনি বান্দার ভবীষ্যৎ ফলাফল জানেন। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, তাঁর হুকুমে এই রেজাল্ট এসেছে
আপনি যেভাবে ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছেন, সে ব্যাখ্যা অনেক সহজ সবাই বুঝবে এবং অনেকে এভাবেই নিজেকে বুঝায়। বাস্তবতা ভিন্ন-
আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কিছুই ঘটে না। আপনাকে স্বাধীনতা দিলেও আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত কিছুই করতে পারবেন না।
আল্লাহ বলেন,
সূরা আত-তাকভীর 81:29
"তোমরা ইচ্ছা করবে না, যতক্ষণ না আল্লাহ ইচ্ছা করেন, যিনি জগতসমূহের রব।"
সূরা আল-ইনসান 76:30
"আর তোমরা ইচ্ছা কর না আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।"
সূরা ইবরাহীম 14:4
"অতঃপর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সৎপথ দেখান।"
সূরা আল-মুদ্দাসসির 74:31
"এভাবেই আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা হেদায়াত দেন।"
সূরা আল-বাকারা 2:26
"এর দ্বারা তিনি অনেককে পথভ্রষ্ট করেন এবং অনেককে হেদায়াত দেন। আর তিনি এর দ্বারা ফাসেকদের ছাড়া আর কাউকে পথভ্রষ্ট করেন না।"
২. সূরা আন-নিসা 4:88
"তোমরা কি তাকে হেদায়াত দিতে চাও যাকে আল্লাহ পথভ্রষ্ট করেছেন? আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন তুমি তার জন্য কোনো পথ পাবে না।"
[১০:১০০] সূরা ইউনুস, আয়াত নং ১০০
আর আল্লাহ্র অনুমতি ছাড়া ঈমান আনা কারো সাধ্য নয় এবং যারা বোঝে না আল্লাহ্ তাদেরকেই কলুষলিপ্ত করেন।
আর আপনি মনে করবেন না যে, এর দ্বারা আল্লাহ যুলুম করেনম বরং আল্লাহ বরং আমাদের ইহসান করেন, যাঁকে তিনি ঈমানের সামান্য উপযুক্তও মনে করেন তাঁকে তিনি তার চেয়ে বেশিই দেন
২১ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:২৫
অপলক বলেছেন: সুন্দর নমুনা আয়াত রেফারেন্স সহকারে দিয়েছেন। ধন্যবাদ।
আপনি হয়ত জানেন, কুরআনের আয়াত গুলো বিচ্ছিন্ন ভাবে পড়া ও প্রয়োগ নিষেধ। এমনকি নামাযেও সুরার ক্রম রক্ষা করতে বলা হয়েছে। বস্তুত: কোন পরিস্থিতিতে, কোন ঘটনার আলোকে, কেন আল্লাহ আয়াতগুলো নাযিল করেছেন, সেটা জানা জরুরী। আশা করি, আল্লাহ আপনাকে- আমাকে সঠিক ভাবে কুরআন বোঝার জন্য হেদায়েত দান করবেন।
আপনার মন্তব্য থেকে আমার অনুমিত সারাংশ হল: আল্লাহর নির্দেশেই সময়ের পূর্বেই সিজারিয়ান বেবি জন্ম নেয়, আবার মানুষেরও আত্মহনন ঘটে। সুতরাং এসবের জন্যে আল্লাহ দায়ী। সেই সূত্রে বান্দা অপরাধী নয়।
১২|
২১ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৪৮
আলামিন১০৪ বলেছেন: লেখক বলেছেন:
আপনি হয়ত জানেন, কুরআনের আয়াত গুলো বিচ্ছিন্ন ভাবে পড়া ও প্রয়োগ নিষেধ। এমনকি নামাযেও সুরার ক্রম রক্ষা করতে বলা হয়েছে। বস্তুত: কোন পরিস্থিতিতে, কোন ঘটনার আলোকে, কেন আল্লাহ আয়াতগুলো নাযিল করেছেন, সেটা জানা জরুরী। আশা করি, আল্লাহ আপনাকে- আমাকে সঠিক ভাবে কুরআন বোঝার জন্য হেদায়েত দান করবেন।[/si
আপনি আমার লিখা পুরোটা পড়েন নি। সুরাহ তাকবির পুরোটা পড়ে দেখুন, আপনার ব্যাখ্যার সাথে মিলে না আমার ব্যাখ্যা-
ফ্রী উইল নিয়ে পরিক্ষা দেখুন- ওরা বলে আমরা সিদ্ধান্ত নেয়ার আগেই ব্রেইনে একটিভিটি দেখা দেয় অর্থাৎ, সিদ্ধান্ত আপনার নয়- অন্য কারো-
ফ্রি উইল- আছে?
বিবিসি কী বলে?
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জন্ম মৃত্যু আল্লাহর হাতে। যদি আত্মহননের মাধ্যমে
কারও মৃত্যু হয়, সেটা মহা অপরাধ,
.....................................................................
যিনি জন্ম দিয়েছেন,
তিনিই মৃত্যু লিখেছেন ।এখানে ব্যত্যয় চলে না ।
সিজার করাটা বিজ্ঞানের কৌশল, প্রসূতি সঠিক ভাবে
জীবন যাপন করতে না পারায়, মা বা বাচ্চার সুবিধার্থে সিজার ।
একজন বিধর্মী যদি সৎ কাজের কারনে আল্লাহর সন্তষ্টি লাভ করে জান্নাত পেতে পারে
অন্যদের বা মুসলিমদের অবশ্যই অনেক সুযোগ থাকে ।
বর্তমান যামানার হাদীস পরস্পর বিরোধী কথা বলে ।