| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ঝিরিঝিরি বৃষ্টি, সেই সাথে গুমোট আকাশ। মেঘাচ্ছন্ন আবহ । একটানা টুপটাপ আওয়াজ ছাড়া চারদিক সুনসান।বৃষ্টি তার ক্লান্তি কাটাতে যেই একটু থমকে দাঁড়িয়েছে অমনি বুনো শালিকেরা নেমে এলো খাবারের খোঁজে। ভাঙা পাঁচিলটার কাছে একটা শ্যামা পাখি। সজনে গাছের ভাঙা ডালে বসে আছে সে। কি এক অজানা অভিমানে ঘাড়টা পিঠের খাঁজে গুঁজে । এ বুঝি এক নীরব বিষাদ!
হঠাৎই কয়েকটা হিংসুটে কাক উড়ে এলো কোথা থেকে, খাবারে ভাগ বসালো। শালিকেরা অপ্রস্তুত।আর তখনই বেরসিক বৃষ্টি আবার জোরেশোরে নেমে এলো প্রকৃতিতে। এ যেন প্রকৃতির সাথে বাদল ধারার এক আদিম দুষ্টুমি।
পাখিরা একে একে উড়ে গেল নিরাপদ আশ্রয়ে, ততক্ষণে ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে। কেবল একটা শালিক একমনে খুঁটে খুঁটে খেয়েই চলেছে— যেন আজন্মের তীব্র খিদে তার পেটের ভিতরে।
© রফিকুল ইসলাম ইসিয়াক
১২ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২
ইসিয়াক বলেছেন:
লিখুন।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
২|
১২ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩০
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: খুবই সুন্দর লেখা।
একদিন গরুর জন্য ঘাস কাটছিলাম অথবা কোনো কাজ করছিলাম মাঠে।ঘাস ফড়িংগুলো আমার চারপাশে উড়ছিলো।এক ক্ষুদার্থ ফিঙ্গে খুব নিকটে চলে এল ফড়িং খাওয়ার জন্য।আমি কৌতুহল বশত ফিঙ্গেটার দিকে কাঁচি নিক্ষেপ করলাম,ভেবেছিলাম লাগবেনা,কিন্তু কাঁচিটা তার গলায় গিয়ে লাগল।ছটপট করতে করতে পাখীটা মারা গেলো।কেন জানি পাখীটার প্রতি আমার খুব মায়া লাগল।
ছোটবেলা থেকেই পাখীরা আমার খুবই প্রিয় ছিলো।
১২ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬
ইসিয়াক বলেছেন:
আহারে!
অনেক সময় অনিচ্ছাতে অনেক ঘটনা ঘটে যায়। যার উপর কারোও হাত থাকে না। ঘটনাটা সত্যি হৃদয়বিদারক।
৩|
১২ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২২
শাহিন-৯৯ বলেছেন:
গদ্য সাহিত্যের রস কিছু্টা হলেও উপভোগ করলাম, চমৎকার লেখনী।
লিখতে থাকুন, সুস্থ থাকুন এই প্রার্থনা।
৪|
১২ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পড়লাম ।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:১৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এখানে কাক নেই বিদেশে
তাহলে খাবার খাবেকে ?
কবিতাটা লিখব কি নূতন করে ???