| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
https://www.youtube.com/shorts/mkTvNx9AcF
তথাকথিত ৯২% মুসলিম দেশের মানুষের চরিত্র দেখুন । পাশে নামায চলছে মসজিদে । মাগরিবের জামাতে এক কাতারও লোক হয়নাই । অথচ ২ দিন আগেও তারাবী নফলে আহারে কি ভিড় !!!
যে মুসলিম জাতি তাদের ফরজ নামাযে গাফেল এবং অধিকাংশ মুসলমান আদৌ ফরজ নামাই পড়ে না, তাদের রামাদানের আবেগ, শবেবরাতের বিদআ’তী আবেগ, ঈদের নামাযের আবেগ কি কাজে আসবে ?
এই জাতি লাঞ্চিত হবে না তো আর কে হবে ?? আল্লাহ এই বেকুব জাতিকে বোঝার তৌফিক দিন ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:৩৯
গহীনে রক্তক্ষরণ বলেছেন: আমার এক প্রগিতশীল আত্মীয় আমার এখানে সরাসরি মন্তব্য না করে আমাকে ইনব্ক্স করেছে এভাবে । " মুসলমাদের আনন্দ কেবলতো দুইটা ঈদ-ই তাই না ?"
তিনি খুব স্বল্পভাষী । নিজেকে প্রগতিশীল সু-চিন্তার মানুষ দাবী করেন । তাই খুব অল্প কথায় অনেক বড় একটা বিষয় বুঝিয়ে দিলেন যে, " তোমার এতটা একিস্ট্রিম চিন্তার সাথে আমি এক মত নই ।" সরাসরি বলতে না পারলেও তার একটা বাক্য কিন্তু সেকথাই ইংগিত করেছে । আমার সেই সাদামেনর সহজ সরল আত্মীয়কে বিনয়ের সাথে বলছি,
"ভাইরে, মুসলমান এর সংগা জানলে এসব কথা বলতে না । যে মুসলমান তার পাশে ফরজ স’লাত আদায় হচ্ছে, এটা দেখে-শুনেও ঈদের আনন্দ করবে এভাবে- তাকে কি মুসলমান বলার অবকাশ আছে ? শুনলে মনে হবে মুসলমানদের বুঝি তাই বলে আনন্দ নেই ? ঈদের খুশীতে রাসুল (সঃ) বাচ্চাদের নিয়ে খেলার আয়োজন করে দেখিয়েছেন নিজে । রাসুল(সঃ) সেটা করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছেন । রাসুলের কথা কি ছিল ? তোমরা আমাকে যেমন করে ইবাদাত করতে দেখ, অবিকল তাই করবে, আমাকে যেমন করে আনন্দ করতে দেখ, অবিকল তাই করবে । রাসুল (সঃ) তার বিবি বাচ্চাদের নিয়ে আনন্দ করতেন। যেভাবে আনন্দ করার সেভাবেই । পরিবারের সবার হক্ব আদায় করে সেইভাবে আনন্দ করতেন । মুসলমান আনন্দ, ফুর্তি, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা, শিল্প, সাহিত্য কোন দিকে উচ্চমার্গে ছিল না ? মুসলমানদের ইতিহাস নিয়ে লেখা পড়া করে জেনেছি কি আমরা ? কিন্তু আমরা যা করছি, এটাকে কি ঈদের আনন্দ বলে ? এটাকেতো পূজার মেলানন্দ বলে । হিসাব ক্লিয়ার ? শোন, আমি থ্যাইল্যান্ডে ২ বার গিয়েছি । তারাতো বৌদ্ধ । তাদের দেশে তুমি সন্ধা ৭.৫০ এর পর কোন খাবার হোটেলে প্রবেশ করতে পারবা না । রাত ৮ টার পর সেই দেশে কোথাও কোন খাবারের দোকান খোলা পাবে না । তারা ৮ টার পরে আর রাত জাগে না । তবে তাদের দেশে যারা শিফটিং ডিউটি করে, তারা তাদের মত কাজ করে । যারা নাইট ক্লাবের অভ্যাস গড়ে তুলেছে, তারা তাদের মত অসংখ্য মেসেজ পার্লার সহ বার রয়েছে, সেখানে ফুর্তিবাজী করে । কিন্তু আমাদের যিনি গাইডার ছিলেন, তিনি আমাদের তাদের দেশের ইতিহাস বলেছেন । যারা রাতের ফুর্তিবাজী করে, সেই মানুষদের সংখ্যা থাইল্যান্ডবাসীদের মধ্যে শতকরা দশমিক ০০১ ভাগও নেই । তাদের সেবসব ক্লাবগুলোতে সবচেয়ে বেশী কাষ্টমার বাংলাদেশের বাংগালী তথাকথিত মুসলমানরা ( কোন হিন্দু নেই বলতে গেলে চলে ) । এ ছাড়া অন্যান্য দেশের বুড়ো বুড়ো ট্যুরিস্টরাও আছে, যারা তাদের জীবনাচার নিজেরা নষ্ট করে ফেলেছে , সেটা তাদের নিজস্ব তৈরী আনন্দ মেলা । থাইল্যান্ডের ৯৯.৯৯% মানুষ আমাদের মত রাত জেগে ক্রিকেট খেলা দেখে না, টিভি টকশো শোনে না, নাটক-সিনেমা দেখে না । এক কথায় পৃথিবীর কোন দেশে আজাইরা টাইম নষ্ট করে, এমন কোন সুস্থ্য মানুষ তুমি খুঁজে পাবে না । সামান্য কিছু সংখ্যক নষ্ট মানুষের সংস্কৃতি দেখা যাবে, তাও প্রকাশ্যে নয়, তাদের নির্দিষ্ট হাউজগুলোতে, যার কোন কোলাহল, কেওয়াজ বাইরের কেউই শুনতে পায় না, তারা ছাড়া । এবার বল, ঈদের আনন্দ বলতে আমরা কি বুঝিলাম ? আমাদের ফরজ কাজ উপেক্ষা করে যে আনন্দ করছি, এটাকে কি কোন আনন্দের সংগায় ফেলা যায় ? নাকি জাতি-পরিচয়হীন বা বলা চলে আইডেনটিটি ক্রাইসিসে আক্রান্ত অসুস্থ্যতা ? শিক্ষিত-সচেতন মুসলমানদের চিন্তা করা উচিৎ । ঘুম নিয়ে বিজ্ঞানীরা এখন যেসব গবেষণা করে, তা দেড় হাজার বছর আগে আল্লাহ কুরআনে বলেছেন । রাতের ঘুম নষ্টকারিরা কি কি রোগে আত্রান্ত হবে, কিভাবে তারা মানসিক ভারসাম্য হারাবে-সব কথা কুরআন এবং হাদীসে পরিস্কার করে আমাদের মত পোড়াকপালী মুসলমানদের আল্লাহ বড় সুযোগ করে দিয়েছেন । কিন্তু আমরা কি সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছি ? ইউরোপ-আমেরিকা সহ সকল সভ্য দেশের লোকরা ( যারা সুস্থ্য মানুষ, কর্মে করে খাওয়া মানুষ ) তারা কুরআনের সব নির্দেশ মেনে চলে । কেবল তাদের ঈমান নেই । ইসলামের যা কিছু নির্দেশনা উন্নত মানুষ তৈরী করে, তার সব কিছুই তারা মেনে চলে । আমরা কি মুসলমান ? বলত ? কিসের মুসলমান দাবী করি আমরা ? আল্লাহ আমাদের বোঝার তৌফিক দিন ।