নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি বাংলাদেশী ,বাংগালী নই। ভালবাসি এই দেশকে। কামনা সব সময় এই দেশের সমৃদ্ধি।

অ িনর্বাি চত

অ িনর্বাি চত › বিস্তারিত পোস্টঃ

স্বাধীনতা বিরোধী কুখ্যাত গোলাম আযমের জানাজায় এত মানুষ কেন?

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১০:২০

অবাক হয়ে দেখলাম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিরোধীতাকারী গোলাম আযমের জানাযায় কয়েক লক্ষ মানুষের অংশগ্রহন। কিন্তু কেন এমন হল? এমনতো হওয়ার কথা ছিল না। কারন গোলাম আযমকে এদেশের সবাই চিনে। মানুষ জেনে শুনে কেন এমন একজন ব্যক্তির জানাযায় অংশগ্রহন করল। গনজাগরন মঞ্চ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রায় ২৫/২৬ টি টিভি চ্যানেল,শতাধিক পত্রিকাসহ দেশী -বিদেশী প্রায় সকল যোগাযোগ ম্ধ্যাম,পথ নাটক, বছরের পর বছর শথ শত সাংস্কৃতিক সংগঠন এই গোলাম আযমের বিরুদ্ধে যা যা প্রচার করার তা করা হয়েছে। কোন একটি মিডিয়াই তার পক্ষে পজিটিভ কিছু প্রচার না করা সত্বেও মাত্র কয়েক ঘন্টার নোটিশে কেন এত লোক তার জানাজায় অংশগ্রহন করল।
এর কারন একটাই। তা হল একটি দল কর্তৃত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা ,দলীয়করন করা। একাওরের মুক্তিযুদ্ধ কোন একক দলের অবদান না হলেও এটাকে আওয়ামী লীগ তাদের স্বার্থ হাসিলের উপাদান হিসেবে ব্যাবহার করছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে তারা তাদের অপকর্মকে ঢাকার চেষ্টা করছেন। এমন এমন অপকর্মকে ঢাকার চেষ্টা করছেন যেগুলো বুঝতে মানুষের বেশী কষ্ট হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের টেন্ডারবাজি,চাঁদাবাজি,খুনা-খুনি এসবই তাদের মুক্তিযৃদ্ধের চেতনা। দেশের সচেতন কোন মানুষ এসবের বিরুদ্ধে এগিয়ে আসলেই বলা হয় আমরা দেশ স্বাধীন করেছি, আমরা যা ইচ্ছা তা করব। ঐ সচেতন নাগরিককে তখনই ঐ গোষ্ঠার তরফ থেকে বলা হয় সে স্বাধীনতা বিরোধী। এইতো গেল ছাত্রলীগের কথা। রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও একই অবস্থা । ভাবতে অবাক লাগে আওয়ামী কিভাবে দীর্ঘ একটি বছর কোন ভোট ছাড়াই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে আছে। ৫ই জানুয়ারীর ঐ ইলেকশনের বিরুদ্ধে কেই কোন কথা বললেই বলা হয়- তুই বেটা রাজাকার,কথা কম বল, আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। আমরা যা ইচ্ছা তা করবো। ভোট ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়া এটাও নাকি তাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
আর এভাবেই মুক্তিযুদ্ধকে, এর চেতনাকে হাস্যকর এক উপাদানে পরিনত করছেন,দিন দিন এটাকে মূল্যহীন করছেন। অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন ঐ মুক্তিযুদ্ধকে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ডুগডুগি তখনই বাজানো হয় যখন ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে এটাকে ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। মরহুম শাহবাগের গনজাগরনকে দিয়ে তেমনিভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য চেতনার ডুগডুগি বাজানো হয়েছিল। যথনই ক্ষমতায় যাওয়া শেষ তখন সেই ডুগডুগি বাজানোও থেমে গেল। আজকে পিয়াস করিম,আসিফ নজরুল, সাংবাদিক নুরুল হক, মতিউর রহমানের মত লোকদের যখন এই সরকার স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার বলে আখ্যায়িত করছেন, তখন রাজাকার শব্দটা অনেক সস্তা শব্দে পরিনত হয়ে যায়। সরকারের অপকর্মের বিরোধীতা করলে যদি রাজাকার অপবাদ শুনতে হয় তখন বাংলাদেশের অনেক মানুষকে বলতে শুনা যায়, এমন রাজাকারের প্রয়োজর আছে।
তেমনি ভাবে বাংলাদেশের অনেক মানুষকে এমনও বলতে শুনা যায়, ৫ই জানুয়ারীর মত ইলেকশনের মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকা যদি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হয় তাহলে আমরা সেই চেতনার পক্ষে নাই। এমন চলতে থাকলে ভবিষ্যতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বললে মানুষ হাসবে। আপনাদের কথা জনগন শুনবে না।
সুতারং এমন যদি অবস্থা হয় তাহলে যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের জানাযায় লক্ষ কেন, কোটি মানুষ হলেও আশ্চর্ষ কিছু নাই। বিষয়টি অবশ্যই সরকারের বুঝা উচিত। আপনারা মুক্তিযু্েধর ধারক বলে দাবী করেন। আপনাদের অবশ্যই উচিত জনগনের ভোট নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়া।

মন্তব্য ১৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১০:৫৯

ইউরো-বাংলা বলেছেন: আজকে মরহুম পিয়াস করিম, আসিফ নজরুল, সাংবাদিক নুরুল কবির, মতিউর রহমানের মত লোকদের যখন এই সরকার স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার বলে আখ্যায়িত করছেন, তখন রাজাকার শব্দটা অনেক সস্তা শব্দে পরিনত হয়ে যায়। সরকারের অপকর্মের বিরোধীতা করলে যদি রাজাকার অপবাদ শুনতে হয় তখন বাংলাদেশের অনেক মানুষকে বলতে শুনা যায়, এমন রাজাকারের প্রয়োজন আছে।

একমত

২| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১১:০৯

অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: আমাদের এলাকার মাতুব্বর টাইপের এক কুখ্যাত লোক ছিল , যার ডাক নাম ছিল হিমু । কিন্তু তাকে বিশেষণ ব্যাতিত ডাকা হত না । যেমন হিমু হারামজাদা , ইবলিশ হিমু , খবিশ হিমু ইত্যাদি । সে লোক মরার পরে আশেপাশের ৪/৫ গ্রামের মানুষ এক হয়ে চরের মধ্যে জানাজা পড়ানো হয় । তাকে হাজার গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে মাটি চাপা দেওয়া হয় আর এরপরে তিন তিনটা গরু কেটে গ্রামবাসীকে খাওয়ানো হয় ও আল্লাহর কাছে শোকর আদায় করা হয় ।

৩| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১১:১৩

এনিগমা বলেছেন: এমন একটি সুন্দর রচনা অনেক কিছু জানলাম

৪| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১১:১৬

এরশাদ বাদশা বলেছেন: একেবারে মুগ্ধ হয়ে গেলুম.....

৫| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১১:১৭

মামুন রশিদ বলেছেন: এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই । এই শোডাউনের জন্য জামাত দুই দিন সময় পেয়েছিল । পয়সা খরচ করে সারাদেশ থেকে লোক আনিয়েছে ।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১১:৫৩

অ িনর্বাি চত বলেছেন: আপনার মন্তব্য রাজনীতিক নেতাদের মতই অর্থ্যাৎ এডভোকেট কামরুল বা নাসিম বা মাবুবুল হানিফের রাজপথের রাজনীতিক বক্তব্য। রাজনীকির খাতিরে এমন কথা বলা যায়। তবে বাস্তবতা মেনে নেওয়া কঠিন। জাময়াত ২ দিন সময় পেলেও বায়তুল মোকারমে জামাযা হবে এমন ঘোষনা দেওয়া হয়েছে জানাযা অনুষ্ঠানের মাত্র কয়েক ঘন্টা আগে। পয়সা দিয়ে জামায়াত যদি লোক আনত তাহলে আমাদের ২৪/২৫ টিভি মিডিয়া কেন এমন খবর পেল না। আপনার কাছে-ই বা এমন কি তথা আছে তা বলবেন।

৬| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৪:১৩

কিবর বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য রাজনীতিক নেতাদের মতই অর্থ্যাৎ এডভোকেট কামরুল বা নাসিম বা মাবুবুল হানিফের রাজপথের রাজনীতিক বক্তব্য। রাজনীকির খাতিরে এমন কথা বলা যায়। তবে বাস্তবতা মেনে নেওয়া কঠিন। জাময়াত ২ দিন সময় পেলেও বায়তুল মোকারমে জামাযা হবে এমন ঘোষনা দেওয়া হয়েছে জানাযা অনুষ্ঠানের মাত্র কয়েক ঘন্টা আগে। পয়সা দিয়ে জামায়াত যদি লোক আনত তাহলে আমাদের ২৪/২৫ টিভি মিডিয়া কেন এমন খবর পেল না। আপনার কাছে-ই বা এমন কি তথা আছে তা বলবেন।

৭| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৪:২৭

মামুন রশিদ বলেছেন: জামাত জানে একটা শোডাউন দেখাতে পারলে তাদের প্রচারে সুবিধা হবে এবং একই সাথে কিছু আহাম্মক এই লোকসমাগম দেখে বিভ্রান্ত হবে ।

তাদের পূর্বপরিকল্পনা অনুসারে প্রচার ঠিকমতই চলিতেছে এবং বিভ্রান্ত হওয়ার মত কিছু আহাম্মকও পাওয়া গেছে ।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১১

অ িনর্বাি চত বলেছেন: পয়সা দিয়ে জামায়াত যদি লোক আনত তাহলে আমাদের ২৪/২৫ টিভি মিডিয়া কেন এমন খবর পেল না। আপনার কাছে-ই বা এমন কি তথা আছে তা বলবেন।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১৭

অ িনর্বাি চত বলেছেন: তাদের পূর্বপরিকল্পনা অনুসারে প্রচার ঠিকমতই চলিতেছ আপনার কাছে-ই বা এমন কি তথা আছে তা বলবেন।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:২৪

অ িনর্বাি চত বলেছেন: মরহুম শাহবাগের গনজাগরনকে দিয়ে তেমনিভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য চেতনার ডুগডুগি বাজানো হয়েছিল। যথনই ক্ষমতায় যাওয়া শেষ তখন সেই ডুগডুগি বাজানোও থেমে গেল।

৮| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৫০

শাহ আজিজ বলেছেন: গত কবছর ধরে কোর্ট দৃশ্য নিয়মিত প্রচার যাতে সিঁড়ি দিয়ে নামা আর ওঠা এমনভাবে মানুষের মনে গেথে দিয়েছে সকল মিডিয়া যে জামাতের আর কষ্ঠ কোরতে হয়নি, পাবলিক এমনিই হাজির হয়েছে তার জানাজায়। জামাত নিজেও আশা করেনি এই অস্বাভাবিক লোকের সমাবেশ। গোলাম আযম পুত্র হাসিমুখে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ কেন দিল বোঝেন ?

আমাদের মাথাও নেই তাই ব্যাথাও নেই ।

ভেঙ্গে যাওয়া শাহবাগে গেলাম না বলে আমরা ১০ লাখ লোক রাজাকার হয়ে গেলাম? নিরব দর্শক হয়ে দেখাই ভালো , একটু না হয় স্বার্থপর হলাম ।

৯| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ভাবতে অবাক লাগে আওয়ামী কিভাবে দীর্ঘ একটি বছর কোন ভোট ছাড়াই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে আছে। ৫ই জানুয়ারীর ঐ ইলেকশনের বিরুদ্ধে কেই কোন কথা বললেই বলা হয়- তুই বেটা রাজাকার,কথা কম বল, আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। আমরা যা ইচ্ছা তা করবো। ভোট ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়া এটাও নাকি তাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
আর এভাবেই মুক্তিযুদ্ধকে, এর চেতনাকে হাস্যকর এক উপাদানে পরিনত করছেন,দিন দিন এটাকে মূল্যহীন করছেন। অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন ঐ মুক্তিযুদ্ধকে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ডুগডুগি তখনই বাজানো হয় যখন ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে এটাকে ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। ...

গোলাম আজকে যেমন ঘৃণা... তেমনি ঘৃনা যদি বেয়াইর প্রতি থাকত তবে আর এ দৃশ্য দেখতে হতো না। আওয়ামী ঘরানায় বিয়ে শাদীর খোজ নিলে চমকে উঠতে হয়। তারা যেন রাজাকারদের পুত্র কন্যা ছাড়া কোন যোগ্য মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পায়নি পুত্র কন্যাদের বিয়ে দিতে!!!!!!

এইভাবে একদিকে বিয়ে শাদী করে যারা আত্মীয় হয়ে রাজাকারী করেও নাম খারিজ করালো.. আর বিরোধীতা করলেই রাজাকারী ট্যাগিং বিষয়টাকে খেলো করেছে- যা হবার কথা ছিল না।

সকল রাজাকারের প্রতি ঘৃনা। এবং সকলের বিচার করা হোক। কেউ যেন বিয়াই, সুমুন্ধি বা আওয়ামী আত্মীয়তার সূত্র ধরে ক্ষমা না পায়।


আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.