| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গতকাল অ্যামনেস্টি বলেছে, বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় এটা নিশ্চিত করতে হবে যে, বিচার বিভাগের ওপর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না।
অ্যামনেষ্টির এই কথা কতটুকু সত্যি তা আমরা সকলেই জানি। জনগন ভাল করেই জানে বিচার বিভাগের দলীয়করন অতীতের সব রেকর্ড ভংগ করেছে। যে বিচারককে গডের পর দ্বিতীয় সন্মানিত ব্যাক্তি বলে ধরে নেওয়া হয়, যাদের বিরুদ্ধে সামান্য ুিকছু বললেই আদালত অবমাননা হয়, সেই বিচারপতির যোগ্যতা তাহলে কেমন হওয়া উচিত? পাঠক আপনারই বলেন।
জনগন মনে করেন,সেই বিচারপতি অবশ্যই শিক্ষা জীবনে একাধিক তৃতীয় শ্রেনী প্রাপ্ত হওয়া উচিত নয়। সেই বিচারপতি অবশ্যই খুনর মামলার আসামী হওয়া উচিত নয়। জনগন জানতে চায়, মির্জা ফখরুলের মত নেতার বিরুদ্ধে যখন ৬৭ টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়,তখন আমাদের মাননীয় কোর্ট একটা মামলাকে ভ’লেও মিথ্যা মামলা বলেন না কেন ? উনি নাকি সিটি কর্পেরেসনের ময়লার গাড়ি পুড়িয়েছেন। তার আবার চার্জসিটও বের হয়। অথচ সরকারি দলের কোন নেতার বিরুদ্ধে একটি মানহানি মামলাও ওনারা আমলে নেন না। জনগনের মনে এসব প্রশ্ন অবশ্যই আসে ।
এসব কারনে বিচারক নিয়োগে অবশ্যই নীতিমালা থাকা উচিত। সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রধান বিষয় হওয়া উচিত। সুপ্রীম কোর্টে উকিল হিসেবে ১০ বছর ওকালতি এবং-------------------- করলেই বিচারক হওয়ার জন্য জন্য যোগ্য, এই নিয়ম সংবিধান থেকে রিপিল করে সংশোধনী আনা এখন সময়ের দাবী বলে জনগন মনে করে কারন এই বিচার বিভাগ-ই অসহায় মানুষের একমাত্র ভরসা।
©somewhere in net ltd.