| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জনগনের অংশ গ্রহন ছাড়া নির্বাচনকেই আওয়ামী লীগ প্রছন্দ করছে। অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনে এত ভয় কেন তাদের ? কারন অবাধ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জিততে পারবে না। তাই এত ভেলকি বাজি। প্রথমে বললেন আমি বিশ্বস্ত । আমার অধীনেই ইলেকশন করতে হবে। ওনার অধীনে ইলেকশন করলে ওনি যে কি মজেজা দেখাতেন তা এই জাতি সামান্য উপজেলা নির্বাচন দিয়েই প্রত্যেক্ষ করেছেন। ঐ উপজেলা নির্বচনের মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তনের কোন ব্যপার ছিল না। তারপরও সেটাতে ভোট চুরি কিভাবে করছে তা এই জাতি প্রত্যেক্ষ করেছে। বিএনপির অংশগ্রহনের মাধ্যমে ভোট চুরি মিশন ব্যর্থ হবার পর তারা কি করলেন? যে দলের সাথে ওনাদের মূল প্রতিদন্ধিতা হতো সেই দলকে মাইনাস করে ওনারা নির্বচনের নামে এই জাতির সাথে ইতহাসের জগন্যতম তামামা করলেন। ৫% ভোটও না নিয়ে এই ইলেকশন কিভাবে বৈধতা পাবে তা এই জাতিকে কিভাবে তারা বুঝাবেন? প্রতিদিনই বৈধতার নতুন নতুন কারন তারা এই জাতির সামনে তারা উপস্থাপন করছে। এখন বলছেন সাবের হোসেন এই পদ জিতেছে ,শিরিন বেগম অমুক পদ জিতেছে, অমুক দেশ হাসিনাকে দশ বার সালাম দিয়েছে। এই হল তাদের তথাকথিত নির্বচনের বৈধতার ম্পাকাটি। সাবেরের মত ঐ রকম এক লক্ষ উপাধি নিলেও অবৈধ এই ইলেকশন বৈধতা পাবে না। কারন এই দেশ জনগনের। জনগন টেক্য্র দেয়, সেই টেক্য্র দিয়েই এই দেশ চলে। সুতারং জনগনের ইচ্ছা অনুযায়ী এই দেশ চলবে। জনগনের রক্তের বিনিময়ে এই দেশ স ¦াধীন হয়েছে। আয়ুব খানও অনেক উন্নয়ন এই দেশের করেছিল। কিন্তু গনতন্ত্র বিহীন সেই উন্নয়ন এই দেশের জনগন প্রছন্দ করেননি। তাই গনতন্ত্র কে বাদ দিয়ে তথাকথিত উন্নয়নের কোন মূল্য নাই। আগামীতে বিএনপি এমন ইলেকশন করলে আওয়ামী লীগ মেনে নিবে? মোটেও না। সামান্য কেয়ারটেকার সরকারের জন্য তারা ১৮৩ দিন হরতাল করেছিল। এখন আওয়ামী লীগ তো কেয়ারটেকার এর প্রয়োজনীতাকে আরো অধিকতর প্রয়োজনীয় করে তুলল। কারন যে আওয়ামী লীগ ভোটার বিহীন ইলেকশনকে বৈধ বলতে পারে, সেই আওয়ামী লীগ তত্বাবধায়ক সরকার না থাকলে কি করবে তা মানুষের বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না। কেয়াটেকার সরকার ছাড়া বিএনপি ইলেকশনে গেলে আওয়ামী লীগ আরো বেশি ভোট চুরি করতো এবং সেই সরকার আরো বেশি বৈধতা পেত। ভোটার ছাড়া ইলেকশনকে যখন তারা বৈধ বলার চেষ্টা করছে তখন তারা ঐ ইলেকশনকেও বৈধ করেই ছাড়তো। কারন কোর্ট তাদের ম্যানেজ করা। তাই ইলেকশন না করে বিএনপি কোন ভ’ল করেন নি। বলা হচ্ছে বিএনপি আন্দোলন করতে পারে না। আমারা জনগনও ভবিষ্যতে দেখতে প্রস্তুত ঠিক এই ভাবে গুলি করলে আওয়ামী লীগ আন্দোলন করতে পারে কিনা?
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:৩৫
অ িনর্বাি চত বলেছেন: Absolutely Right
২|
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:২০
আমি আবুলের বাপ বলেছেন: আওয়ামী লীগ সুষ্ঠু নির্বাচনকে এবং জনগনকে ভয় পায় আর তাই দুই দিন পরপর একেকটা নাটক-সিনেমা বানায়।
http://www.somewhereinblog.net/blog/abulerbap/29995527
৩|
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:৪০
অ িনর্বাি চত বলেছেন: Drama has no reality. Such as that government have no any legality. Our Nation will be fake of the eye of otters Country ?
৪|
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:০৯
খেলাঘর বলেছেন:
বিএনপি ও আওয়ামী লীগ একইভাবে সরকার চালায়। কোনটা আপনি চান?
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:২৭
অ িনর্বাি চত বলেছেন: আপনার বাবা আপনাকে চুরি করে খাওয়ালে, তিনি কি চোর হবেন নাকি সাধু মানুষ হবেন? আমার এই প্রশ্নের উত্তর দেন? আপনার দেওয়া প্রকৃত সেই উত্তরই হবে আপনার প্রশ্নের উত্তর।
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:৩১
অ িনর্বাি চত বলেছেন: চোর সব সময় চোরই ,চুরির টাকা দিয়ে গরীবের সেবা আরো বড় প্রতারনা। বিএনপির বিরুদ্ধে সব অপ্রচার চালানো হচ্ছে। বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে যা যা বলা হচ্ছে সবই অপ্রচার। আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থেকে গেলে তাদের বিরুদ্ধে এমন হাজার হাজার অভিযোগ দাঁড় করানো যাবে।
৫|
২৮ শে নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:১৯
এ কে এম রেজাউল করিম বলেছেন:
খেলাঘর বলেছেন:
বিএনপি ও আওয়ামী লীগ একইভাবে সরকার চালায়। কোনটা আপনি চান?
এ কথাটা এভাবেও বলাযায়ঃ
বি-এন-পি ও আওয়ামী লীগ মূদ্রার এপিট/ ওপিট ।
দেশের জনগনের সচেতনা অতি আবশ্যক । তখন সরকার ভুল করে আর রেহাই পাবেনা ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:০৭
তিক্তভাষী বলেছেন: পদলেহী মিডিয়া ও বুদ্ধিবেনিয়া সহ আওয়ামীরা কার্যত বলে বেড়াচ্ছে বিএনপি তাদেরকে বাধ্য করতে না পারলে অবাধ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না। অথচ দেশের মালিক কিন্তু জনগন। জনগনের অভিপ্রায় ছাড়া ক্ষমতাগ্রহণ সবসময় অবৈধ।