নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি বাংলাদেশী ,বাংগালী নই। ভালবাসি এই দেশকে। কামনা সব সময় এই দেশের সমৃদ্ধি।

অ িনর্বাি চত

অ িনর্বাি চত › বিস্তারিত পোস্টঃ

আওয়ামী লীগও কি জামায়াতের ন্যায় মানবতাবিরোধী অপরাধী অপরাধে লিপ্ত নয় ?

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৫১

আওয়ামী লীগও কি জামায়াতের ন্যায় মানবতাবিরোধী অপরাধী অপরাধে লিপ্ত নয় ?
জামায়াতের দুএকজনকে ফাঁসি দিলেই হবে না। এই দল নিষিদ্ধ করতে হবে। প্রত্যেক এলাকার এই দলের যারা যারা আমীর আছে তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাদের সকল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে হবে। সকল বিশ্বাবিদ্যারয়ে এদেও রাজনীতি নিষিদ্দ করতে হবে।
এবার অসুন শিরোনামের বিষয়ে আলোচনায়:--------------------
মানবতাবিরোধী অপরাধটা কি? মানব শব্দ থেকেই এই মানবতা শব্দটির উদ্ভব। মানব মানে Human being . আর মানবতা হল Humanity. সে মোতাবেক মানবতা বিরোধী অপরাধ হল Crime against Humanity. ১৯৭১ এ জামায়াত সহ কতিপয় দলের পথভ্রষ্ট এদেশীয় কিছু মানুষ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানের সংখ্যাগরিষ্ট জনগনের বা মানবের চাওয়া পাওয়ার বিরুদ্ধে অর্থ্যাৎ স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তৎপরতা চালায়। যেহেতু পূর্ব পাকিস্থানের সংখ্যাগরিষ্ট মানুষ বা মানব পশ্চিম পাকিস্থানের তথাকথিত উন্নয়ন মার্কা হলেও স্বৈরাচারী শাষন পছন্দ করেননি,তাই এই দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ পশ্চিম পাকিস্থানের শোষনমুক্ত আলাদা একটি রাষ্ট্র দাবী করে সংগ্রাম শুরু করে। আর পূর্ব পাকিস্থানের সংখ্যাগরিষ্ট মানুষের সংখ্যাগরিষ্ট মানুষের চাওয়া পাওয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জামায়াতসহ কিছু দল মানবতাবিরোধী অপরাধে লিপ্ত হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইবুনালে বর্তমানে এর যে বিচার কার্য চলছে সেই সব মামলার ঈধঁংব ড়ভ অপঃরড়হ এর এটাই মূল প্রতিপাদ্য।
তৎকালীন জামায়াত,মুসলিম লীগ মানবতাবিরোধী তৎপরতা তৎকালীন রাষ্ট্রের বা পাকিস্থান সাকারের দৃষ্টিতে মানবতাবিরোধী অপরাধ তো ছিল-ই না বরং সেগুলো রাষ্ট্র বান্ধব কাজ ছিল । বরং তৎকালীন রাষ্ট্রের বা পাকিস্থান সরাকারের দৃষ্টিতে এদেশের সংখ্যাগরিষ্ট জনগনের বা মানবের চাওয়া পাওয়ার সংগ্রামটি ছিল রাষ্ট্রবিরোধী কাজ। অর্থ্যৎ আইনসংগতভাবে জামায়াত,মুসলিম লীগের মানবতাবিরোধী তৎপরতা বেআইনী ছিল না,েেযহেতু তখনও পাকিস্থান রাষ্ট্রটি কায়েম ছিল।
অর্থ্যাৎ গেজেট অনুসারে পশ্চিম পাকিস্থান পূর্ব পাকিস্থান শাষন করলেও এদেশের মানুষের মন তারা জয় করতে পারেনি। এদেশের জনগন তাদের শাষন কখনোও পছন্দ না করলেও এদেশের মানুষকে তারা শাষন করেছে। পশ্চিম পাকিস্থানকে এই দেশের জনগন কখনই এই দেশ শাষন করার ম্যান্ডেট দেয়নি। নানা কলা কৌশল করে,কখনোও গেজেট জারি করে,কখনোও জনগনের দেওয়া ফলাফল প্রত্যাখান করে এই দেশ পশ্চিম পাকিস্থান শাষন করেছিল। অর্থ্যাৎ এই দেশের জনগনকে উপেক্ষা করে এই দেশ তারা শাষন করেছিল । আর জনগনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এভাবে দেশ শাষন করার নামে যে অত্যাচার তারা এদেশের মানুষের উপর করেছিল সেটাই ছিল মানবতা বিরোধী অপরাধ। জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে যদি তারা অত্যাচারও করতো তাহলে সেটা মানবতা বিরোধী অপরাধ হতো না।
এবার আসুন বর্তমান পেক্ষাপটের দিকে দৃষ্টি দেওয়া যাক,বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৫ই জানুয়ায়ী একটা ভোটারবিহীন ইলেকশন দেখিয়ে গেজেট জারি করে এই দেশ শাষন করছে, ঠিক পশ্চিম পাকিস্থান গেজেট জারি করে যেভাবে পূর্ব পাকিস্থান শাষন করেছিল,সেদিন জনগন ছিল উপেক্ষিত । আজও জনগন উপেক্ষিত। পশ্চিম পাকিস্থানের মত এই সরকারকেও জনগন তাদেরকে শাষন করার নামে অত্যাচার করার ম্যান্ডেট দেয়নি। তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্থানও এই দেশের ৯৫ ভাগ মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে গেজেট জারি করে আইনসংগত ভাবে এই দেশ শাষন করেছিল। বর্তমান সরকারও গেজেট জারি করে ৯৫ ভাগ মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে এই দেশ শাষন করছে। তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্থানও উন্নয়ন করেছিল। আর সেই উন্নয়ন দেখিয়ে ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করার চেষ্ট করেছিল। বর্তমান সরকারও তা করছে। পশ্চিম পাকিস্থান সরকার ছিল তখন মূল মানবতাবিরোধী অপরাধী। আর জামায়াত ছিল সেই অপরাধের সহযোগি।
পাঠক আপনারাই বলুন, আওয়ামী লীগ এর বর্তমান অবস্থানটা কি ? আওয়ামী লীগ মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে কি, করছে না?

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.