| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য
মানুষ পথিক বেশে ঘুরছে দেশে দেশে একটু ছায়াতলে থমকে দাঁড়ায়, স্মৃতিটুকু রেখে শুধু একদিন তো চলে যায়।

রাজনীতিকে মোটামুটি ব্যবসার সাথে তুলনা করা যায়। নেতার পিছে ঘুরলে লাভ আছে, আর নিজে নেতা হয়ে গেলে তো লালে লাল শাহজালাল। জনগণের টাকায় বেতন হয়, আবার জনগণের ওপর মাতুব্বরি।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস গো হারা হেরেছে, জিতেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। তৃণমূল কংগ্রেস হারার পেছেনে অনেক কারণ রয়েছে। কংগ্রেসকে হারিয়ে বিজেপি যখন জাতীয় নির্বাচনে জিতেছিল, তার পেছনেও অনেক কারণ ছিল। সে অন্য আলাপ।
যাহোক, কংগ্রেসের জাতীয় সরকার গঠনের রাস্তা অনেক দূর। এখন যেভাবে তৃণমূল কংগ্রেস হারল, আবার কবে সরকারে আসবে তার ঠিক নেই। পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থীরা চার দশক সরকারে ছিল। ২০১১ সালে মমতার কাছে এমন হারা হারল যে, নাম-নিশানা মুছে যাওয়ার দশা। তৃণমূল কংগ্রেসের বোধহয় একই দশা হবে।
বিজেপি একদিন-দু’দিনে ক্ষমতায় আসেনি, বছরের পর বছর চেষ্টা চালিয়েছে। কংগ্রেস বা তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মুসলিম তোষণের অভিযোগ ছিল। ওদিকে বিজেপি শুরু থেকেই হিন্দু জাতীয়তাবাদ নিয়ে এগিয়েছে। আপনি যদি মার্কেটে অনেক আইটেম নিয়ে আসেন, শুরুতে সব চলবে না। একটা-দুটো আইটেম এনে মানুষের মন বুঝতে হয়। যেটা বেশি চলে, সেটা নিয়ে এগোতে হয়। গ্রামীণ ফোন বাংলাদেশে যে ব্যবসা করেছে, বাকিরা সারাজীবনেও পারবে না।
রাজনীতিতে তরুণদের আকৃষ্ট করতে পারলে লাভ আছে, বুড়ো্ হওয়া পর্যন্ত সমর্থন দেবে। বাংলাদেশে এমন অনেক আওয়ামী লীগপন্থী, বিএনপিপন্থি মানুষ আছে, যারা জীবন দিলেও দল ছাড়বে না। এই টেকনিকটা ভালো। এর বাইরে আরো টেকনিক আছে- যেমন ভারতবিরোধিতা। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে ভাসানীর ন্যাপ বা অন্যদল কিংবা তৎপরবর্তীতে জিয়াউর রহমান এই টেকনিক ফলো করে ফল পেয়েছেন। হালের ওসমান হাদি- যাকে কেউ চিনত না, সে ভারতবিরোধী স্ট্যান্ড নিয়ে রাতারাতি তারকা বনে গেছে। এই টেকনিকটার সমস্যা হলো- আউটপুট ঠিকমতো না এলে হিতে বিপরীত হয়। অন্যকে দোষ দিয়ে বাহবা পাওয়া যায়, পেট তো ভরে না।
উপমহাদেশে আরেকটা স্ট্যান্ড হলো ধর্ম নিয়ে লাড়াচাড়া। এটা না করলে ১৯৪৭ আসত না। ’৪৭ না এলে চতুর্থ সারির নেতারা প্রথম সারিতে আসতে পারত না। বাংলাদেশে ধর্ম নিয়ে লাড়াচাড়া করে এখনো সরকারে আসা সম্ভব হয়নি। ভারতে বিজেপি পেরেছে। আধুনিক যুগে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি ভণ্ডামি, আবার ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ভণ্ডামিও তো লোকে সহজে নিতে পারে না। তাই বোধহয় পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বিজয়ী হলেন। উনি ধর্ম কার্ডটা খেলেছেন।
যেই জিতুক, পারস্পরিক সহাবস্থান জরুরি। ধর্ম একটা পরিচয় বটে, কিন্তু আসল পরিচয় তো জাতীয়তা। ব্যবসা করে জিতলেন, জয়ের ভাগ সবার মধ্যে বণ্টন করলে ফল ভালো। নতুবা তৃণমূল কংগ্রেস বা সিপিআই (এম) এর দশা হয়ে যাবে।
০৬ ই মে, ২০২৬ রাত ২:১৩
অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: নিজে মাদক সেবন করবে কিন্তু অন্যকে করতে দেবে না।
২|
০৬ ই মে, ২০২৬ রাত ৩:১৯
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনি মোটামুটি ভালো লিখেছেন। যদিও ঝেড়ে কাশেন নি পুরোপুরি! ![]()
বাংলাদেশে এখন বোধ হয় মোটামুটি ৯৫% হিন্দু বিজেপির গোড়া ভক্ত। এটাকে কিভাবে ব্যাখ্যা করেন?
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই মে, ২০২৬ রাত ১:০৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এদিকে জামায়াত বলছে বিজেপি কেন এলো ।