| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আনন্দ বড়ুয়া
হে ঈশ্বর তুমি আমাদের পাঠালে আমরা তোমাকে ছোট ছোট খন্ড করলাম ! আমরা তোমার শাখাপ্রশাখার ভেতর আরও ছোট ছোট ঈশ্বর তৈরি করলাম। এখন তোমার অনেক নাম ,আমাদের দেওয়া নাম তোমার নামে আমরা ব্যবসা করি, তোমাকে প্রতিদিন বিক্রি করি এবং তোমার নামে ছদ্দবেশে জিকির করি। হে প্রভু ,আমি অনুতপ্ত এবং আমি এই ছোট ছোট ঈশ্বরদের দলে মিশে আছি । হে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ঈশ্বর তোমারা এক হও, হে ঈশ্বরদের ঈশ্বর তুমি জেগে ওঠো। _:_
তোমার আর তোমাদের পার্থক্য খুজতে আমার
আমার জনম বৃথাই গেলো
এই হাসি , হাসির এতো রুপ আর গন্ধ
আমাদের ভাবনার বেদনার বিরূপ ছন্দ ।
বিশাল ভালোবাসার সুমুদ্র
গভির ভালোবাসার সুমুদ্র
সিতল ভালোবাসার আমন্ত্রণে প্রাঙ্গনে
তুমি দেও...আমি ছাই বাক্রুদ্ধ
কেননা...আমি কবি...কেন না আমি অবহেলিত
কেন যে আমি মানুষ ই না ।
তুমি তুবুও ছায়া ,তুমি অধরা
চোর ই সাধু আর সাধু ......হা হা হা বিধবা।
আমি মহুয়া তুমি কাজরী
সম্য সময় বাজিছে পকেট মাদুলি...
স্বার্থপর অবজ্ঞা তোমার প্রতিদানে...
আমি জলছি বিভিশিখা তুমি রাধুনি...।
প্রতি মুহূর্তে তোমার রঙ কালচে নীল লাল হরেক আসা
সব ফুলের পাপরিতে মৌমাছি খুজও বাসা বুনে বাসা
আরে গাছও অবিনশ্বর নয় ঘুনে খায়
এমন কি আছে ভালো বাসা ছারা ধ্বংসে খরা।
প্রেম বুঝো শিখ পুরে ছাই
ও বোকা শেষ কিছু নাই...
অতো রতন মানিক উরে যদি পাও
আজিব এ নিশা...কর তিলে তাল দিলে, দিলে বুঝবাই।
কবি
ফরহাদ চৌধুরী আনন্দ
২|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৭:১৫
চাঁদগাজী বলেছেন:
কবি এখনো কোন কিছুতে শান্তি পাচ্ছেন না।
৩|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:৩৮
আনন্দ বড়ুয়া বলেছেন: জনাব
তানজির খান আপনাকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ রইলো দাদা ।
৪|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:৫০
দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন: আমি মহুয়া তুমি কাজরী
সম্য সময় বাজিছে পকেট মাদুলি...
স্বার্থপর অবজ্ঞা তোমার প্রতিদানে...
আমি জলছি বিভিশিখা তুমি রাধুনি...।
কবি ফরহাদ চৌধুরী আনন্দ,
একটু অর্থ বুঝান? সাদাসিধা শব্দে যে কবিতা লিখেছেন তার অর্থ মিলাতে সমস্যায় পড়ে গেলাম।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ২:৩৮
তানজির খান বলেছেন: ভাল লিখেছেন। শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল আগামী কবিতার জন্য।