| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্
যখনি এ পথে যাবে, বারেক দাঁড়ায়ো ফুলবনে, শুধু দু হাত ভরিয়া দেব ফুল।
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ কম—এটা সত্য, কিন্তু শুধু বাজেট বাড়ালেই সমস্যা পুরোপুরি সমাধান হবে না। বরং ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা—এই তিনটি জায়গায় শক্তিশালী সংস্কার সবচেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে। নিচে বাস্তবভিত্তিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের দিক তুলে ধরছি:
________________________________________
১. স্বচ্ছতা (Transparency) নিশ্চিত করা
• সব ক্রয় (ওষুধ, যন্ত্রপাতি) e-procurement এর মাধ্যমে করা
• হাসপাতালের খরচ, ওষুধ সরবরাহ, প্রকল্প ব্যয় অনলাইনে প্রকাশ করা
• এতে “overpricing” ও ghost purchase কমবে
________________________________________
২. ডিজিটাল মনিটরিং ও ডেটা সিস্টেম
• প্রতিটি হাসপাতালে real-time dashboard (ডাক্তার উপস্থিতি, বেড, ওষুধ স্টক)
• রোগীর জন্য ইলেকট্রনিক স্বাস্থ্য রেকর্ড (EHR)
• এতে অনুপস্থিতি, ওষুধ চুরি, ভুল রিপোর্ট কমে
________________________________________
৩. মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সংস্কার
• ডাক্তার/নার্স নিয়োগে merit-based, politically neutral system
• গ্রামে পোস্টিং এ incentive (extra salary, housing, promotion priority)
• “ghost doctor” বা অনুপস্থিতি রোধে biometric attendance
________________________________________
৪. স্বাধীন নজরদারি সংস্থা (Independent Oversight)
• স্বাস্থ্যখাতে একটি স্বাধীন অডিট ও মনিটরিং বডি
• দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দ্রুত ব্যবস্থা
• বড় প্রকল্পে third-party audit বাধ্যতামূলক
________________________________________
৫. হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় স্বায়ত্তশাসন
• সরকারি হাসপাতালগুলোকে কিছুটা autonomy দেওয়া
• হাসপাতাল পরিচালককে আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা
• কিন্তু সাথে performance-based accountability
________________________________________
৬. প্রাইমারি হেলথকেয়ার শক্তিশালী করা
• ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স উন্নত করা
• এতে বড় হাসপাতালে চাপ কমবে এবং খরচও কমবে
________________________________________
৭. ওষুধ সরবরাহে সংস্কার
• Centralized drug procurement + digital tracking
• জেনেরিক ওষুধ ব্যবহারে জোর
• সরকারি হাসপাতালের ওষুধ বাইরে বিক্রি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা
________________________________________
৮. স্বাস্থ্যবিমা (Health Insurance) চালু করা
• ধাপে ধাপে জাতীয় স্বাস্থ্যবিমা স্কিম
• গরিবদের জন্য সরকার ভর্তুকি
• এতে out-of-pocket খরচ কমবে (বাংলাদেশে এখন খুব বেশি)
________________________________________
৯. দুর্নীতির বিরুদ্ধে শাস্তি নিশ্চিত করা
• শুধু নিয়ম নয়—দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি জরুরি
• ছোটখাটো দুর্নীতিও সহ্য না করা (zero tolerance)
________________________________________
১০. জনসম্পৃক্ততা ও feedback system
• রোগীদের অভিযোগ জানানোর সহজ ব্যবস্থা (hotline/app)
• হাসপাতালের সেবার উপর public rating system.
০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৩৮
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: আপনি যথার্থ বলেছেন! এ পর্যন্ত স্বাস্থ্য খাতে উল্লেখযোগ্য কোন সংষ্কার হয় নি। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের জন্য ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ ৪১ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা; অর্থাৎ ৫ দশমিক ৩ শতাংশ। গত বছরের চেয়ে সামান্য বাড়ানো হয়েছে। ভূতের উতপাতে চুপ চাপ থাকলে লাভ হবে না। সব একবারে হবে না। গুরুত্ব অনু্যায়ী কিছু সংষ্কার এবং এর ধারাবাহিকতা এগিয়ে নিতে পারলে ভূতেরা কমজোর হতে থাকবে। নজরুলের ভাষায় বলা যায় "কে আছো জওয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যত।" যে ঐক্য প্রবল পরাক্রমশালী সরকার কে নামিয়ে ফেলতে পারে, সেরকম ঐক্য আবারো প্রয়োজন!
২|
০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৩৬
আলামিন১০৪ বলেছেন: রেফারেল সিস্টেম চালু করলে ডাক্তারদের অস্থিরতা অনেক কমে যাবে। এমবিবিএস ডাক্তাররা রোগী পাবে, বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা শুধু জটিল রোগীদের চিকিৎসা করবে। আর চিকিৎস শুরুর প্রাক্কালে রোগ নির্ণয়কে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দিতে হবে। কোন ডাক্তার নিশ্চিত না হলে অন্য ডাক্তারকে রেফার করবে, অহেতুক ট্রায়াল চিকিৎসা দিযে গিনিপিগ বানিয়ে সময় নস্ট করলে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। ফলে তাড়াতাড়ি রোগ ধরা পড়বে, ক্যান্সারের মতো রোগের চিকিৎসা আগে শুরু করা যাবে।
০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৪১
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: সহমত!
৩|
০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৩৫
আহা রুবন বলেছেন: আপনার উত্থাপিত পয়েন্টগুলোর সঙ্গে দ্বিমত করার সুযোগ নেই। তবে এটাও সত্য রোগির আত্মীয়রা হসপিটালে গিয়ে অনেক সময় পরিবেশ নষ্ট করে।
০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৪৫
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: ডাক্তার এবং স্বাস্থকর্মীদের নিরাপত্তা প্রয়োজন। আপনার সাথে শতভাগ সহমত।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৩৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মানলাম আপনার সব স্বাস্হ্যকথা
কি ন্ত সরি ষার মধ্যে যে ভূত থাকে
তা তাঁড়াবে কে ?
......................................................................
ইন্ট্রীম সরকার এলো জনগণের উপকার করার জন্য
অথচ নিজেরাই চেটে পুটে খেয়ে গেলো ???