| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজ আমি আপনাদের সামনে অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় আলোচনা করব। বিষয়টি অনেক অ-নে-ক সেনসিটিভ ইস্যু। আর সেই কারণেই আপনাদের সাথে বিষয়টি শেয়ার করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।
ঘটনা -১
বাইরে যেতে হবে, টাকা ভাঙিয়ে ডলারে রুপান্তর করা দরকার। একটি স্বনামধন্য ব্যাংক থেকে ২ লাখ টাকা তুলে সোজা চলে গেলাম মতিঝিলের পরিচিত একটি ট্রাভেলস এজেন্সিতে। ৫০০ টাকার নোটের চারটি বান্ডেল তুলে দিলাম এজেন্সির ভদ্রলোকের হাতে। ভদ্রলোক বল্লেন গুনে এনেছেন তো ভাই। আমি বল্লাম একদম ইনট্যাক্ট বান্ডিল ভাই! ব্যাঙ্কের সিল পেপারও ছেড়া হয়নি। ভদ্রলোক মুচকি হেসে বল্লো, এমন বান্ডিলেই আমরা টাকা কম পাই, এটা আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আপনি গুনে দেন .... আমি ওভার কন্ফিডেন্স নিয়ে গনতে বসলাম। চারটা বান্ডিলে ৯ টা নোট কম! আরে!! এটা কি ছেলে খেলা নাকি? ২ লাখ টাকার মধ্যে আড়াই হাজার টাকা কম? আবার দৌড়ালাম বুথে, আড়াই হাজার টাকা তুলে ২ লাখ টাকা পুরিয়ে দিলাম .....
২। পাঁচ লাখ টাকা খুব দরকার। এফডিআর ভাঙানো ছাড়া কোন উপায় নাই। গেলাম আরেক স্বনামধন্য ব্যাংকে। টাকা তোলার সময় কাউন্টারের ভদ্রমহিলা বল্লো- ভাই এই নিন আপনার ৫ লাখ টাকা। এই বান্ডিল গুলো গোনা আছে, আর বাকি দুইটা বান্ডিল গোনা নাই, আপনার সামনেই গুনে দিচ্ছি, বলে বাকি বান্ডিল গুলো মেশিনে গুনে দিলো। আমি তাকে শতভাগ বিশ্বাস করে নিয়ে এলাম। বাসায় এনে ভাবলাম একটু গেনে দেখি। ৫০০ টাকার দুটি বান্ডিলে ৭০০০ টাকা অর্থাৎ এক লাখ টাকায় ৭০০০ টাকা কম! এরা কি মানুষ না ডাকাত!!!
আমি জানি না আমার মতো ভুক্তভুগি এখানে কেউ আছেন কিনা, তবে উপরের ঘটনা দুটোর সাক্ষি আমি নিজেই। আরো কযেকজনের সাথে আলোচনা করেছি, তারাও এভাবে ঠকেছেন বলে জানিয়েছেন, এই কারণে তারা যত দেরী আর যত টাকাই হোক, কাউন্টারে দাড়িয়ে নিজ হাতে টাকা না গুনে ব্যাংক থেকে বের হননা। কারণ বান্ডিলে টাকা কম থাকার ঘটনা তারা তখন বেমালুম অস্বিকার করে।
আমি এমনও দেখেছি, তারা (ব্যাংক) ক্লায়েন্টকে টাকা রিসিভের ফয়েল পর্যন্ত প্রদান করার পরেও ক্লায়েন্টকে ফোন করে ডেকে এনে বলছে আপনি টাকা জমা দেননি, কারণ আমাদের ক্যাশ কাউন্টারে ঐ পরিমান টাকাই কম পাওয়া যাচ্ছে, যে পরিমান টাকা আপনি জমা দিয়েছেন। আরে! কি তাজ্জব কথা!! আমি টাকা জমা না দিলে আপনারা আমাকে টাকা রিসিভ এর এই সিল আর স্লিপ কেন এবং কিভাবে দিলেন???? এই নিয়ে তো বিস্তর ঝগড়াও সেদিন দেখেছি
আবার বেশী টাকা দাড়িয়ে দাড়িয়ে গুনবেন, কে আপনাকে টার্গেট করে ফেলবে, টেরও পাবেন না, ব্যাংক থেকে বের হবেন তো সুযোগ মতো সব খোয়াবেন ....এ যেনো জলে কুমীর ডাঙায় বাঘ এর মতো অবস্থা ......
২|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:১৪
রাজ হাসান বলেছেন: ভাই ৫০০০০ টাকার বান্ডিলে ৫০০ টাকার ১০০ টা নোট থাকার পরেও ৮০০০ টাকা নাই বুঝেন আলা তাও পূবালি ব্যাংক হতে টাকা তোলা।অবশ্য পরে টাকা দিয়ে দিছে।
৩|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:২০
জেকলেট বলেছেন: আমিও ঠকছি। আমার টা আবার অন্য কেস। জাল টাকা দিয়া বেমালুম অস্বীকার করে। পরে ব্যাংকের ময়না মি আইয়া কয় উনার কিছু করার নাই। আমি ময়না মিয়ার সামনে টাকা ছিড়ে ব্রাঞ্চে ফেললে উনি একটু রাগ আর অভিমান নিয়া আমারে জিগায় আপনি একি করছেন?? আমি কই আমি যা করবার করছি এখন তুমি এইটা ক্লিন করবা।
আমাগো ময়না মিয়ার এখখান চেহারা হইছিল। তয় আমার ৫০০ টাকা লসস্
৪|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:৩২
নতুন বলেছেন: ব্যাংকের ম্যানেজার কি করে?
এই রকমের হইছে ঐ ক্যাসিয়ারের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেয়না ?
৫|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১৩
ঢাকাবাসী বলেছেন: যেখানে সরকারী লোকেরা সোনালী ব্যাংক বেসিক ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা মেরে দিচ্ছে, সরকারের মন্ত্রী বলে ও কিছুনা সেখানে আমাদের মত ছাপোষাদের কাছ থেকে অন্য ব্যাংকগুলো কয়েক হাজার টাকা মারবে অবাক হবার কিছু নেই।
৬|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৫৭
খেলাঘর বলেছেন:
চুরি বাংগালী চরিত্রের অংশ
৭|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৪৫
ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: আমি ট্রাস্ট ব্যাংকে লেনদেন করি, এমন আমার কখনও ঘটে নাই, অন্য কারও অভিযোগও শুনি নাই. তবে, আমিতো বরাবর দেখি, আগে থেকে বান্ডিল করা টাকাও তারা মেশিনে না গুনে দেয় না. যাক, এই প্রতারণার বিষয়টা জানা থাকল, ভবিষ্যতে সাবধান থাকব.
দেশটা ক্রমেই ভাগাড়ে চলে যাচ্ছে, কোথাও আস্থার জায়গা থাকছে না.
৮|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:৩০
বলেছেন:
৯|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৩:৩৩
জনসাধারণের মধ্যে একটি মলিন পট্টবস্ত্র বলেছেন:
স্বয়ং ডাকাতি।
সকলের টাকা গুনে নেয়া উচিৎ। তবে বেশি টাকা যারা লেনদেন করে তাদেরকে ছিনতাইকারীরা টার্গেট করতে পারে। কোথায় যাবো? স্বাধীন দেশের পরাধীন আমরা।
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:২৩
নতুন বলেছেন: ব্যাংকে টাকা কম দেয় কিভাবে? লোভ কতটা নি`লজ্জ বানাইতেছে আমাদের...