নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্ম হচ্ছে মানুষের তৈরি করা সবচেয়ে বড় মিথ্যা

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩০



''ওশোকে একজন মৃত্যুর ভয় নিয়ে প্রশ্ন করলো।
ওশো বলেন, তোমরা তো মৃত, এজন্য মৃত্যুকে ভয় পাও।
যে জীবিত, যে জীবনের স্বাদ পেয়েছে সে জানে মৃত্যু একটি ভ্রান্তি।
জীবন'ই সত্য, জীবনই অনন্ত। তাই মৃত্যু নিয়ে অযথা ভীত না হয়ে বেঁচে ওঠার ট্রাই করো।
পরিপূর্ণ ভাবে বাঁচো, তাহলেই মৃত্যু নিয়ে কোন ভয় থাকবে না। মৃত্যুকে তো ভয় পায় যারা বাঁচতে জানে না তারা।''


ভারতের পুনেতে অবস্থিত ওশো আশ্রম।
একজন ভারতীয় ধর্মগুরু যার নাম রাজনীশ। তাকে সবাই চিনে 'ওশো' নামে। ওশো ধ্যানের উপর খুব গুরুত্ব দেন। ওশো বিশাল এক জনগোষ্ঠিকে তার দিকে টেনে নিতে পেরেছেন। ধর্ম গুরুদের কি অলৌকিক ক্ষমতা থাকে? ওশো ডাইনামিক মেডিটেশন নামে ধ্যান করার একটা পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তার অনুসারিরা এজন্য চুম্বকের মতো তার দিকে ছুটে আসে। ওশো'র মৃত্যু হয় ১৯৯০ সালে। জন্ম ১৯৩১ সালে। ওশো অর্থ্যাত রজনীশ মানে রজনীর ঈশ্বর। অর্থাৎ কলির অবতার। ওশো রজনীশ তাই একজন সফল জাদুকর। হ্যা তাকে যাদুকর বলা যেতে পারে। পৃথিবীর সেরা সেরা ধনীরা তাঁর শিষ্য-শিষ্যা। যখন তাঁকে প্রশ্ন করা হতো, তাঁর ভক্তরা ধনী কেন? তাঁর সপাট উত্তর, সব মহাপুরুষ গরীবদের উদ্ধারের জন্য এসেছেন, আমি না হয় ধনীদের উদ্ধারের জন্যই রইলাম। ওশো'র দর্শনের কেন্দ্রবিন্দু হলো- ধ্যান। শুধু ধ্যান। ধ্যান মানুষকে সব মন্দ থেকে দূরে রাখে।

ওশো ধর্মীয় গোড়ামি পছন্দ করেন না।
ওশো সারা ভারত ঘুরে বেড়িয়েছেন। দেখেছেন, সব জায়গায় ধর্মীয় গোড়ামি। এই ধর্মীয় গোড়ামির অবসান নেই। যুগ যুগ ধরে ধর্মীয় গোঁড়ামি অব্যহত আছে'ই। মহাত্মা গান্ধীর চিন্তা ভাবনা ওশো'র পছন্দ ছিলো না। ওশো তার অনুসারীদের নিজে দীক্ষা দিয়েছেন। ১৯৭৪ সালে ওশো'র নামে একটা আশ্রম প্রতিষ্ঠিত হয়। ওশো বেশ কিছু কবিতা লিখেছেন। ওশো'র নামে অনেক বদনাম আছে। মিউজিকের তালে তালে সবাই ধ্যান করতো। ধ্যান করার পর নর নারী চলে যেতো আবদ্ধ কক্ষে। তারপর চলতো সেক্স। অনেকেই ওশো'কে বলতেন- সেক্স গুরু। অনেক নারী ওশো'র জন্য পাগল ছিলো। শীলা নামের এক মেয়ের সাথে ওশোর গভীর সম্পর্ক ছিলো। গভীর প্রেম বলা যেতে পারে। যদিও ওশোকে খুব দুঃখ দেন শীলা। ওশো এবং শীলা কাহিনী অনেক দূর গড়ায়। শীলাকে কারাগারে যেতে হয়েছিলো। এই শীলা আমেরিকাতে লেখাপড়া করেন। ওশো আমেরিকা যায়। তারপর শীলা তার স্বামীকে ছেড়ে ওশো'র জন্য পাগল হয়ে যায়। ওশো আমেরিকাতে অনেক জনপ্রিয়তা পেয়ে যায়।

তথ্যচিত্র 'ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড কান্ট্রি' দেখলে অনেক কিছু জানা যাবে।
ভারতের করন জোহার তৈরি করেন, 'সার্চিং ফর শীলা'। ওশো বলেছেন, জীবন কোনো সমস্যা নয়, বরং এটি একটি রহস্য, যা উপভোগ করতে হয়। ওশো বলেছেন, মুসলীমরা বিশ্বাস করে যদি তুমি ধর্ম যুদ্ধে মৃত্যু বরণ কর তাহলে স্বর্গে যাবে। তাহলে তোমার সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। এবং কোটি কোটি মানুষ মারা যাচ্ছে এবং অপরকে হত্যা করছে আর তুমি ধরে নিচ্ছ তা সত্য। ''ধর্ম হচ্ছে মানুষের তৈরি করা সবচেয়ে বড় মিথ্যা।'' ধর্ম নিয়ে এই তির্যক মন্তব্য করার পর ওশো'র জনপ্রিয় অনেক বেড়ে যায়। ১৯৭০-১৯৯০ এই কুড়ি বছর বিশ্বের সকল ধর্মকে এবং আমেরিকাসহ বিশ্বের বড় বড় দেশের সরকারকে নাস্তানাবুদ করে দিয়েছিলেন ভারতের জব্বলপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের প্রাক্তন অধ্যাপক শ্রী চন্দ্রমোহন জৈন ওরফে রজনীশ। ওশো।

​"গৌতম বুদ্ধ মানুষের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম পুষ্প।
তাঁর চেয়ে বড় কোনো ফুল আর ফোটেনি।
বুদ্ধ কোনো বিশ্বাস দেন না, তিনি দেন অভিজ্ঞতা। তিনি বলেননি যে আমাকে বিশ্বাস করো,
তিনি বলেছেন- পরীক্ষা করো, অনুভব করো এবং যদি সত্য পাও তবেই গ্রহণ করো।"


মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার তাহলে ওশোর মত গোরু কে ভালো লাগে ? মেডিটেশন মানুষকে খারাপ কাজ থেকে দুরে রাখে কে বললো ? এটা মানুষের টেনশন কমাতে হেলপ করে । ওশো মেডিটেশন করতো যাতে বেশি সেক্সসুয়াল পারফরমেনস করতে পারে। =p~

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: ওশো'র কত গুন জানেন?
সে আর কিছু দিন বেঁচে থাকলে আমেরিকাতে সবচেয়ে জনপ্রিয় পুরুষ হতো।

২| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
"ওশো বাবার" বাংলাদেশে ফ্র্যাঞ্চাইজি দেওয়ানবাগী,‌ কুতুববাগী।

ওশো ধর্মীয় গোড়ামি পছন্দ করেন না। সামুতে একজন নিউইয়র্ক প্রবাসী ওশো বাবা আছেন। তিনি ও ধর্মীয় গোঁড়ামি পছন্দ করেন না। তার অন্ধ ভক্তকুল রয়েছে।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: ওশো এবং দেওয়ানবাগী, কুতুববাগীদের মধ্যে আকাশ পাতাল প্রার্থক্য।

নিউইয়র্ক প্রবাসী কার কথা বলছেন?

৩| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দফাদার@দেওয়ান বাগি হুজুর freedom fighter ছিলেন; এরকম আরো আছে যারা ৭১ সালের পর টাউট বিজনেসে ঢুকেছে ।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষের জীবন সমান তালে চলে না।
মানুষ বদলে বদলে যায়। আপনিও বদলে যাবেন।

৪| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:১০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ভারতীয় ধর্মগুরু যার নাম রাজনীশ
...................................................................
এটা একটি পুরানো গল্প ।
ওশোর হিপনোটিজম ছিল সেক্স কর্মে চরম প্রশান্তি আনা,
তাই অর্থ, প্রাচুর্যে যারা ভরপুর তাদের জন্য নিরাপদ
বিনোদন স্হান । একসময় আমার কাছে অনলাইনে ফরম
এসেছিল, বাৎসরিক এন্ট্রি ফি দুইলক্ষ টাকা !
আর ঐসব লোকের কথায় ধর্মর কিছু আসে যায়না ।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: মনে হচ্ছে আপনি সঠিক কথাই বলেছেন।

৫| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



ওশোকে আমি ঠিক বুঝি নাই।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: উনি একজন ধর্ম গুরু।
ভারতের চেয়ে আমেরিকাতে উনি বেশি জনপ্রিয়। আমেরিকান এক বিবাহিতা মেয়ে তো স্বামী ছেড়ে তার কাছে ভারতে চলে আসছে।
বলা হয়ে থাকে উনি সেক্সগুরু। আসলে সেক্স গুরু উনি নন। উনি অন্য জগতের মানুষ।

৬| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৭

আঁধারের যুবরাজ বলেছেন: লেখক বলেছেন: ওশো'র কত গুন জানেন? সে আর কিছু দিন বেঁচে থাকলে আমেরিকাতে সবচেয়ে জনপ্রিয় পুরুষ হতো।

- উনাকে উনার জীবদ্দশায় আমেরিকান কর্তৃপক্ষ আমেরিকা থেকে বের করে দিয়েছিল । উনার ভক্তরা রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মে জড়িয়ে পড়েছিল। উনার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছিল সম্ভবত।

তবে উনার কথা বলার ভঙ্গি ,কন্ঠস্বর এক কথায় ব্যতিক্রম। মানুষকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা ছিল উনার।

৭| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০২

আহমেদ রুহুল আমিন বলেছেন: ‘ধর্ম হচ্ছে মানুষের তৈরি করা সবচেয়ে বড় মিথ্যা’ -চন্দ্রমোহন জৈন ওরফে রজনীশ ওশো ।..... আপনার লেখার হেডলাইনটি এরকম হওয়া কী ঠিক ছিলনা... ? প্রকৃতপক্ষ্যে রজনীশ ওশো ছিলেন পৃথিবীর ল্যান্ড অব স্টুপিড ট্রাস ভারতীয় বংশোদ্ভুত আমেরিকান নাগরিক যিনি একজন সত্যিকারার্থে ‘দ্যা হিপোক্রাইট অব দ্যা এলিট বা একজন আপারক্লাস হিপোক্রাইট’।

৮| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১০

আহমেদ রুহুল আমিন বলেছেন: https://www.bbc.com/bengali/news-41943371

৯| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৪

ফক্সসেট বলেছেন: ভাইয়া আপনার ঠিকানা কোথায় একটু জানাবেন । আপনার কাছে অনেক কিছু শিক্ষবো । আপনার
ঠিকানা দিলে সময় সুযোগ করে কিছু গিফট পাঠাবো আপনার জন্য। :)

১০| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ফক্সসেট বলেছেন: ভাইয়া আপনার ঠিকানা কোথায় একটু জানাবেন ।
...................................................................................................
অত্যন্ত আপত্তি জনক ও ভয়ংকর ঘটনা,
গিফট কি বোমা পাঠাবেন ???
ব্লগে কোন লেখা নাই , কোন মন্তব্য দেখলাম না ???

১১| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৫

Akasher tara বলেছেন:
হৃদয় সমূহ,
আজ অন্ধকারে ছেয়ে গেছে,
আলোর জ্যাতি কমে গেছে।
যখন সূর্য উদিত হয়,
তখন অন্ধকার পালিয়ে যায়।
যখন সূর্য অস্ত যায়,
অন্ধকার তখন একাই রাজত্ব করে,
আর আলোকে পাঁচ পার্সেন্ট ভাগ দেয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.