নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এ রিয়েল লাইফ, এ রিয়েল ড্রামা ........

ঘূর্নী

ভ্রমণ পিপাসু আমি

ঘূর্নী › বিস্তারিত পোস্টঃ

কৃত ইবাদত নয়, ভরসা করতে হয় রাব্বুল ইজ্জত মহান আল্লাহ তায়ালার উপর ...

২৯ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১০:০৯



সহিহ বুখারীতে বর্ণিত আছে, আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসুলে পাক (সাঃ) বলেন, “কেবল মাত্র তোমাদের আমল, তোমাদের কাওকে রক্ষা করবে না।” তারা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! এমনকি আপনাকেও না?’ তিনি উত্তর করলেন, ‘আমাকেও না, যদি না তিনি আমাকে তাঁর দয়া দ্বারা আচ্ছাদিত করতেন। .......

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত হাকিমে উল্লেখ আছে, নবী কারিম (সাঃ) বলেন যে, জিবরাইল (আঃ) বলেন, এক ব্যক্তি পাঁচশত বছর আল্লাহর ইবাদত করেছিলো পাহাড়ের উপরে ও সমুদ্রের মধ্যে থেকে। এর পর সে আল্লাহ নিকট সেজদারত অবস্থায় মৃত্যু কামনা করলেন। প্রত্যেক বার উঠা নামার সময় আমরা তাকে অতিক্রম করতাম আর আমরা লিখিত পেতাম যে (প্রাক অনন্তর জ্ঞ্যান হতে) বিচার দিবসে সে পুনরুত্থিত হবে এবং মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর সামনে দাড়াবে। আল্লাহ বলবেন,‘ আমার ক্ষমার উৎকর্ষে আমার বান্দাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও।’ বান্দা বলবে, ‘হে আমার পালন কর্তা, বরং আমার কৃত কর্মের উৎকর্ষে।’ এই ঘটনা তিনবার ঘটবে। তারপর আল্লাহ তাঁর ফেরেশতাদেরকে বলবেন, ‘ তার কৃত কর্মের বিপরীতে আমার নিয়মত ওজন করো’, এবং তারা দেখবে যে, দৃষ্টি শক্তির নিয়মত একাই তার পাঁচশত বছরের ইবাদতকে নিয়ে নিয়েছে। শরীরের অন্যান্য নিয়ামত এখনো বাকি আছে। তিনি বলবেন ‘ আমার বান্দাকে আগুনে দাও’। তাকে টেনে হিচড়ে আগুনের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে আর সে আর্তনাদ করতে থাকবে, ‘আপনার ক্ষমার উৎকর্ষে আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করান।‘এর পর সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। হযরত জিরাইল (আঃ) এই বলে চলে গেলেন, ‘ হে মোহাম্মদ (সঃ), সব কিছু আল্লাহর ক্ষমার কারণে ঘটে’।

(ফেবু থেকে সংগৃহীত)

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১০:১৪

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: মহান আল্লাহ আমাদের সবার দিকে রহমতের দৃষ্টি দিন।আমিন।

২৯ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১০:২২

ঘূর্নী বলেছেন: আমিন!

২| ২৯ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১০:৫৬

মনসুর-উল-হাকিম বলেছেন: মাশাআল্লাহ, সুন্দর লিখেছেন। আলহামদুলিল্লাহ, জাজাকাল্লাহু খাইরান। শুভেচ্ছান্তে ধন্যবাদ।

আসলে, মানুষের নিজের ইচ্ছা বলে কিছু নেই, সব "ইচ্ছা" একমাত্র মহান আল্লাহর, এর যতটুকু তিঁনি মানুষকে জানিয়েছেন মানুষ ততটুকুই জানতে পারে পবিত্র কোরআন-হাদিসের মাধ্যমে। এই দুনিয়ায় এর পাশাপাশি আছে খবিছ ইবলিছের প্ররোচনা। এখানে মানুষের আছে অনুসরন করার স্বাধীনতা। মানুষ চাইলে অনুসরন করতে পারে খবিছ ইবলিছের প্ররোচনা, বা চাইলে অনুসরন করতে পারে পবিত্র কোরআন-হাদিসের শিক্ষা। শেষ কেয়ামতে বিচার হবে মানুষ কিভাবে এই দুনিয়ায় তার স্বাধীনতাকে ব্যবহার করেছে, . . . !! . . . পবিত্র কোরআন-হাদিস আমাদেরকে শিক্ষা দেয়, . . একমাত্র মহান আল্লাহ এবাদত কর, তাঁকে ভয় কর, তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চল . . . . তাঁর রাসুল (সাঃ)-কে অনুসরন-অনুকরণ কর, নিজেকে সৎ মুলমান না বানিয়ে কবরে যেও না, . . . !!

মহান আল্লাহ আমাদর সবাইকে হেদায়েত দিয়ে দুনিয়া ও আখেরাতে নেক কামিয়াবী দান করুন, আমীন

২৯ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:১০

ঘূর্নী বলেছেন: আমিন ...

৩| ২৯ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ২:০৬

কানিজ রিনা বলেছেন: একমাত্র মহান আল্লাহ্ জানেন কৃতকরমের
ফল আর ইবাদতের ফল কিভাবে নিরধারন
করবেন।

২৯ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ২:১৪

ঘূর্নী বলেছেন: ঠিক ... । ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.