| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।
* নিয়মিত ও নিরবচ্ছিন্নভাবে কোন এলাকার মসজিদ সমূহে অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা করে সেই এলাকার এক তৃতীয়াংশ নাগরিক ধৈর্যশীল ইসলামী অনুশাসন পালনকারী বানিয়ে যখন সেই এলাকার অন্য দুই তৃতীয়াংশ অন্য নাগরিক ইসলামী অনুশাসন পালনকারীগণের ইব্রাহীম (আ.) বংশীয় নেতার অবাধ্যতায় সন্ত্রস্ত থাকলে তখন সেই এলাকা শাসন করার জন্য একটা সনদ তৈরী করে সেই সনদে সেই এলাকায় বসবাসকারী পক্ষ সমূহের সম্মতি গ্রহণ করে সেই এলাকায় ইসলাম কায়েম করতে হবে। উপরোক্ত পরিস্থিতি ব্যতীত কোন পক্ষ কোন এলাকায় ইসলাম কায়েমের কথা বললে তাদেরকে মিথ্যাবাদী জেনে তাদের সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে।
ইব্রাহীম (আ.) বংশীয় মহানবি হযরত মোহাম্মদ (সা.) উপরোক্ত পদ্ধতিতে মদীনায় ইসলাম কায়েম করেছেন। তাঁর নাতি হযরত ইমাম হোসেন (রা.) ইয়াজিদী খেলাফতে উক্ত পদ্ধতি অনুসরন না করে ইসলাম কায়েম করতে গেলে ইয়াজিদের লোকেরা তাঁর মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। ইমাম হোসেন (রা.) বংশীয় ফাইজুল করীম শায়েখে চরমোনাই (র.) বরিশালে শেখ হাসিনার শাসনে নিজ শাসন কায়েম করতে গেলে শেখ হাসিনার পক্ষের লোকদের থেকে ঘুষি প্রাপ্ত হন। শেখ হাসিনা দেশছেড়ে চলেগেলে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে ইসলাম কায়েম করার কথা বলে কি প্রাপ্ত হন সেটা ভবিষ্যতে দেখা যাবে। তবে এ বিষয়ে এখনো ইতিবাচক কিছু প্রত্যাশা করা যায় না। তিনি সমগ্র বাংলাদেশের মসজিদ সমূহে নিয়মিত ও নিরবচ্ছিন্নভাবে অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা না করে বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ নাগরিক ধৈর্যশীল ইসলামী অনুশাসন পালনকারী না বানিয়ে ইসলাম কায়েম করার কথা বলায় তাঁকে মিথ্যাবাদী নয় মনে করার সংগত কোন কারণ নাই।
মক্কার এক তৃতীয়াংশ নাগরিক ধৈর্যশীল ইসলামী অনুশাসন পালনকারী না বানিয়ে রাসূলের (সা.) ভায়রাপুত্র হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রা.) মক্কায় ইসলাম কায়েম করলে আব্দুল মালেকের পক্ষের সেনাদল তাঁকে হত্যা করে মক্কার রাজপথে তাঁর লাশ ঝুলিয়ে রাখে। কিন্তু আবুল আব্বাস আসসাফফাহ তাঁর অনুগত ধৈর্যশীল বিরাট সেনাদল গঠন করে মারওয়ার বংশীয় বাদশাহকে হত্যা করে তাঁর শাসন কায়েম করে। যা সাড়ে সাতশত বছর স্থায়ী ছিল। তাদের শত্রুরা তাদের ভয়ে সন্ত্রস্ত না হওয়ায় তারা আব্বাসীয়দের থেকে শাসন ক্ষমতা কেড়ে নেয়। তাদের শত্রু অমুসলিম পক্ষ তাদের উপর ক্ষমতাশালী হওয়ায় মুসলিম পক্ষ তাদের তাবেদারে পরিণত হয়েছে। তাদের একপক্ষ স্বল্পকাল পূর্বে গাজা ধ্বংস করেছে।এখন তারা ইরান ধ্বংসের সুযোগ খুঁজছে।
২|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
পোস্টের প্রথম তথা সুরা আনআম এর ১৫৩ নং আয়াতটির প্রতিই এই মহুর্তে গুরুত্ব
দিলাম যেখানে আল্লাহ তায়ালা বলেন
وَ اَنَّ هٰذَا صِرَاطِیۡ مُسۡتَقِیۡمًا فَاتَّبِعُوۡهُ ۚ وَ لَا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِكُمۡ عَنۡ سَبِیۡلِهٖ ؕ ذٰلِكُمۡ وَصّٰكُمۡ بِهٖ لَعَلَّكُمۡ تَتَّقُوۡنَ
এর অর্থ হল;
আর এ পথই আমার সরল পথ কাজেই তোমরা এর অনুসরণ কর(১) এবং বিভিন্ন পথ অনুসরণ করবে না
করলে তা তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ্ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন
তোমরা তাকওয়ার অধিকারী হও।
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনিত শরীআতই হল াআল্লাহ নির্দেশিত
সরল পথ। অতএব, তিনি বলেন তোমরা এ পথে চল এবং অন্য কোন পথে চলো না। কেননা, সেসব পথ বান্দাকে
আল্লাহর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেবে। এখানে هذا শব্দ দ্বারা দ্বীনে ইসলাম অথবা কুরআনের প্রতি ইশারা করা
হয়েছে। অর্থাৎ ইসলামই যখন আল্লাহর পথ এবং এটাই যখন সরল পথ, তখন মনযিলে মকসূদের বা অভিষ্ট
লক্ষ্যের সোজা পথ হাতে এসে গেছে। তাই এ পথেই চলা উত্তম।
অর্থাৎ আল্লাহ পর্যন্ত পৌছা এবং তার সন্তুষ্টি অর্জনের আসল পথ তো একটিই, জগতে যদিও মানুষ নিজ নিজ
ধারণা অনুযায়ী অনেক পথ করে রেখেছে। আল্লাহ বলেছেন তোমরা সেসব পথে চলো না। কেননা, সেগুলো
বাস্তবে আল্লাহ পর্যন্ত পৌছে না। কাজেই যে এসব পথে চলবে সে আল্লাহ থেকে দূরেই সরে পড়বে।
কুরআনুল কারীম ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে প্রেরণ করার আসল উদ্দেশ্য এই যে, মানুষ
নিজ নিজ ধ্যান-ধারণা, ইচ্ছা ও পছন্দকে কুরআন ও সুন্নাহর ছাঁচে ঢেলে নিক এবং স্বীয় জীবনকে এরই অনুসারী
করে নিক। কিন্তু বাস্তব হচ্ছে এই যে, মানুষ কুরআন ও সুন্নাহকে নিজ নিজ ধ্যান-ধারণা ও পছন্দের ছাঁচে ঢেলে
নিতে চাচ্ছে। কোন আয়াত কিংবা হাদীসকে নিজের মতলব বা ধারণার বিপরীতে দেখলে তারা তার মনগড়া
ব্যাখ্যা করে স্বীয় প্রবৃত্তির পক্ষে নিয়ে যায়। এখান থেকেই অন্যান্য বিদ'আত ও পথভ্রষ্টতার জন্ম। আয়াতে এসব
পথ থেকে বেঁচে থাকতেই নির্দেশ দেয়া হয়েছে ।
শুভেচ্ছা রইল
৩|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর।
.....................................................................................
এই আয়াত যে সময় যে কারনে নাজিল হয়ে ছিলো,
তার সঙ্গে এখনকার অবস্হা কি এক ???
তখনকার নির্দেশনা এখন বাস্তবায়নের কি সুযোগ আছে ??
৪|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:২৮
এম ডি মুসা বলেছেন: আল্লাহ সঠিক পথে পরিচালিত করার তৌফিক দান করুন
৫|
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৫
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।
৬|
২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯
কাঁউটাল বলেছেন: রাজীব নুর নামক উক্ত ছাগলের জন্য আফসোস।
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫
রাজীব নুর বলেছেন: আমি শান্তি কায়েম করতে চাই।