নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আব্বাসীয় কুরাইশ এবং তাদের হানাফী অনুসারী আল্লাহর সবচেয়ে বেশী প্রিয়

১৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:১৭



সূরাঃ ১০৬ কুরায়শ, ১ নং ও ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যেহেতু কুরায়শের আসক্তি আছে
২। আসক্তি আছে তাদের শীত ও গ্রীষ্মে সফরের
৩। কাজেই তারা ইবাদত করুক এ ঘরের মালিকের।
৪। যিনি তাদেরকে ক্ষুধার্ত অবস্থায় খাদ্য দিয়েছেন এবং ভয়ভীতি থেকে তাদেরকে নিরাপদ রেখেছেন।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

* আব্বাসীয় কুরাইশ এবং তাদের হানাফী অনুসারীদেরকে আল্লাহ বারশত বছর মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব প্রদান করেছেন। তাদের পাকিস্তানের নিরাপত্তায় আছে আনবিক অস্ত্র। আর অমুসলিমদেরকে সামলাতে বিশ্বের একতৃতীয়াংশ জনশক্তি হওয়ার ক্ষেত্রে তারাই সবচেয়ে বেশী এগিয়ে। হযরত আব্বাসের মাধ্যমে হানাফীরা রাসূলের (সা.) সাথে যুক্ত। ইমাম হাসান বছরী (রা.) হয়ে হযরত আলী (রা.) হয়ে হানাফীদের আধ্যাত্মিক ধারা রাসূলের (সা.) সাথে যুক্ত। হযরত আলীর (রা.) যে ধারা শিয়াদের দিকে গেছে সে ধারা নিরাপদ নয়। ইদানিং সেধারার ইমাম খামেনী নিহত হয়েছেন। কিন্তু ইমাম হাসান বছরী (রা.)ধারার ওলীগণ যখেষ্ট নিরাপদ থাকেন। যেমন খাজা মঈনদ্দীন চিশতি সানজারী (র.) ও হযরত শাহজালাল ইয়েমেনী (র.)। সফরের সূত্রে কুরাইশের ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ওয়াসিদ্দিকী এখন বাংলাদেশের বাসিন্দা। তিনিও যথেষ্ট নিরাপদ আছেন বলেই মনে হয়। আমি আবার হযরত আব্বাসের (রা.) এ জৌনপুরী ধারার ভক্ত।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।

* খেলাফতের জন্য হযরত ইব্রাহীমের (রা.) কুরাইশ আহলে বাইত আল্লাহর বেশী পছন্দ। এ ক্ষেত্রে রাসূলের (সা.) আহলে বাইত আল্লাহর বেশী পছন্দ হলেও আল্লাহর সুন্নাতে মুসলিম নেতৃত্বের বয়স চল্লিশ। সেজন্য তেত্রিশ বছর বয়সে হযরত আলীর (রা.) খেলাফতের প্রস্তাব উত্থাপিত হলেও সে প্রস্তাব সহাবায়ে কেরাম (রা.) কর্তৃক গৃহিত হয়নি।আর তখন হযরত আব্বাস (রা.) বিষয়ে কোন প্রস্তাব উত্থাপিত হয়নি। তবে যুদ্ধের মাধ্যমে হযরত আব্বাসের (রা.) বংশধরগণ নিজ যোগ্যতায় যখন ক্ষমতা প্রাপ্ত হন আল্লাহ তখন তাদের ক্ষমতার স্থায়িত্ব দিয়ে দিলেন প্রায় আটশত বছর। ইতিহাসে এমন দীর্ঘ এবং বিশাল রাজত্ব আর নাই।তারপর তাদের হানাফী অনুসারী তুর্কীরা বিশাল সালতানাৎ পেল চারশত বছর। তুর্কী বখতিয়ার বাংলা জয় করলো মাত্র সতের জন নিয়ে। এখন আব্বাসীয়দের হানাফী অনুসারী মুসলিমদের সবচেয়ে বেশী অঞ্চল, দেশ ও জনসংখ্যার মালিক। এর থেকে এটা পরিস্কার যে আব্বাসীয় কুরাইশ এবং তাদের হানাফী অনুসারী আল্লাহর সবচেয়ে বেশী প্রিয়।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* আব্বাসীয় হানাফী অনুসারীরা আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন হানাফী ফিকাহ হানাফী মাযহাবের অনুসারী। যাতে যুক্ত ছিলেন মুসলিমদের প্রায় ছিয়াশিজন মুসলিম বিশ্ব আমির। হানাফীদের সাথে মতভেদে লিপ্ত মুসলিমদের অন্য বাহাত্তর দলে কোন মুসলিম বিশ্ব কুরাইশ আমির ছিল না। তাদের আমির অননুমোদীত মতভেদের কারণে তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।তাদের সে মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম। কারণ তারা অহেতুক মুসলিমদের মাঝে বিভেদ তৈরী করে।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হানাফি মাযহাবই ইসলাম আপনি কি এটাই বলতে চান ?

১৬ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ আল্লাহর বিধান। রাসূলের (সা) এর অভিন্ন ফিকাহ অসংকলিত ছিল। রাসূলের (সা) পর এটি আমির অনুমোদীত ও আমির অনুসারিত হওয়া আবশ্যক ছিল। আমির অনুমোদীত ও আমির অনুসারিত অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাব বিধায় এর বাইরে অন্য আর কিছুকে ইসলাম বলার আর কোন সুযুগ নাই। আজ এ পোষ্টটি ফেসবুকের ত্রিশটি গ্রুপে পোষ্ট করেছি। তাতে আমার কোন বিরোধীতা নাই। অবশ্য ২০১৬ সাল থেকেই আমার চার হাজারের বেশী পোষ্ট বিরোধীতা পরিলক্ষিত নয়। আল্লাহর দ্বীনে মতভেদ থাকলেও তিনি তাঁর সঠিক দ্বীনের প্রমাণ তাঁর কিতাবে রেখেছেন। আপনি হয়রত দেখেছেন আমি আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবে সঠিকতার অভিন্ন প্রমান উপস্থাপন করে চলছি। যাতে আমি হাদিসের কোন রেফারেন্স দিচ্ছি না। কারণ কোন কিছুর সঠিকতার প্রমাণ হিসাবে কোরআনই যথেষ্ট। হানাফী মাযহাব ছাড়া অন্যরা মুসলিমদেরকে যে সব পথ দেখাচ্ছে সেসব পথের কোনটি আমির অনুমোদীত ও অনুসারিত না হওয়ার পরেও লোকেরা সেসব পথের অনুসারী কি করে হয় সেটা এক বিস্ময়কর ব্যাপার।

২| ১৬ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৮

মায়াস্পর্শ বলেছেন: এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী যতটা জ্ঞানী তার কয়েকগুন অহংকারী।
তাকে পছন্দ করা এবং না করা এটা যার যার ব্যক্তি স্বাধীনতা। কিন্তু আপনি যেভাবে তাকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছেন এটা আপনার জ্ঞান গর্ভের বিষয়ে প্রশ্ন রেখে যায়। উনি যে কাউকে কাফের বলতে দ্বিধাবোধ করেন না।

১৬ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনি কোন মানুষকেই শতভাগ সঠিক পাবেন না। আমাদের দেশে পাস নম্বর ৩৩ । সেই নম্বর আব্বাসীকে দেওয়া যায়। আব্বাসী শ্রেণীর অন্য যারা আছে তাদেরকে পাসনম্বর দিতেও কষ্ট।

৩| ১৬ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: ইসলামে এত মতবাদ কেন? কেন এতো ক্যাচাল??

১৬ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ইসলামে বিভিন্ন মতবাদ, মতভেদ,ক্যাচাল সৃষ্টির জন্য মোনাফেক মহানবি (সা।) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা) নামে প্রচুর মিথ্যা কথা প্রচার করে যাতে লোকেরা বিভ্রান্ত হয়। আর তাতে উল্লেখিত সমস্যা সৃষ্টি হয়।

৪| ১৬ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মুসলিম সেজে ইহুদীর অনেকে হাদীস লিখবে
আর ফেতনা তৈরী করবে, একথাটা
আমি জানি ।
তাই কোন হাদীস না বুঝে বিশ্বাস করতে চাইনা ।
....................................................................................
কোরআন পাঠ ও সালাত আদায় এর বাহির আর কিছু নয় ।

১৭ ই মে, ২০২৬ ভোর ৬:১০

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



কোরআনের পরিবর্তে উপস্থাপিত হওয়ায় গাদির খুমের হাদিস আমলযোগ্য ছিল না

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরা: ৭৭ মুরসালাত, ৫০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫০। সুতরাং তারা কোরআনের পরিবর্তে আর কোন হাদিসে বিশ্বাস স্থাপন করবে?

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* আল্লাহর সুন্নাতে রাসূল (সা.) মাওলান দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন চল্লিশ বছর বয়সে। অথচ রাসূল (সা.) তেত্রিশ বছর বয়সি হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলায় তাঁর শিক্ষাথী সাহাবায়ে কেরাম (রা.) এর উপর আমল করেননি। কারণ কোরআনের পরিবের্তে উপস্থাপিত হাদিস আমলযোগ্য হয় না। আর ঐচ্ছিক বিষয়ে রাসূলের (সা.) ত্রুটি থাকার কথা আল্লাহ বলেছেন। সেজন্য রাসূলের (সা.) হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা সাহাবায়ে কেরাম (রা.) তাঁর ত্রুটি ধরে নিয়ে এর উপর আমল করা ছেড়েছেন।আল্লাহর পূর্ব বিধান সাহাবা (রা.) ক্ষমাপ্রাপ্ত। সুতরাং তাঁদের দোষ ধরা আল্লাহর ক্ষমার কুফুরী। সাহাবার (রা.) দোষ ধরে শিয়া বেকুব কাফের হয়। মানুষ থেকে হযরত আলীকে (রা.) রক্ষা না করে আল্লাহ প্রমাণ করেছেন হযরত আলী (রা.) মাওলা নন। তথাপি এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি করে শিয়া বেকুব সাহাবায়ে কেরামকে (রা.) লানত দিয়ে নিজেরা লানত প্রাপ্ত হয়।তারা বহু দলে বিভক্ত হয়েছে আল্লাহ তাদের হত্যার ব্যবস্থা করেছেন। অথচ হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও রাসূলের (সা.) প্রকৃত আহলে বাইত তাঁর চাচা হযরত আব্বাসকে (রা.) আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করেছেন। তাঁর বংশধর ও তাঁদের হানাফী অনুসারীদেরকে আল্লাহ একাধারে এগারশ বছর মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা প্রদান করেছেন। তাদের পাকিস্তানের সুরক্ষায় আছে আনবিক অস্ত্র এবং অমুসলিমদের এক তৃতীয়াংশ হওয়ার দৌড়ে মুসলিমদের মধ্যে তারাই সবচেয়ে এগিয়ে আছে। সুতরাং কোরআন দ্বারা সঠিক সাব্যস্ত হানাফী প্রতিপক্ষে যে কোন হাদিস বাতিল সাব্যস্ত হবে। সহিহ হলেও এমন হাদিস আমলযোগ্য নয়। কারণ আমলযোগ্য নয় এমন সহিহ হাদিসে আমল করা সাহাবায়ে কেরামও (রা.) পরিত্যাগ করেছেন। আমলযোগ্য নয় এমন সহিহ হাদিস দিয়ে যারা হানাফীদের সাথে মতভেদে লিপ্ত হয় তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। তাদের সে মহাশাস্তি হলো সুনিশ্চিত জাহান্নাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.