| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ২২ হাজ্জ, ৭৮ নং আয়াতের অনুবাদ
৭৮। আর জিহাদ কর আল্লাহর পথে যেভাবে জিহাদ করা উচিত। তিনি তোমাদেরকে (জিহাদের জন্য) মনোনীত করেছেন।তিনি দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের উপর কোন কঠোরতা আরোপ করেননি। এটা তোমাদের পিতা ইব্রাহীমের মিল্লাত বা জাতি।তিনি পূর্বে তোমাদের ‘মুসলিম’ নাম করণ করেছেন। আর এতে (এ কোরআনেও তোমাদের ‘মুসলিম’ নাম করণ করা হয়েছে) যেন রাসুল তোমাদের জন্য সাক্ষ্যি হন এবং তোমরা স্বাক্ষী হও মানব জাতির জন্য। অতএব তোমরা সালাত বা নামাজ কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহর সাথে যুক্ত থাক। তিনি তোমাদের মাওলা (অভিভাবক)। কত উত্তম মাওলা (অভিভাবক) এবং কত উত্তম সাহায্যকারী তিনি।
* মুসলিম হযরত ইব্রাহীমের (আ.) মিল্লাত। আল্লাহ তাদের মাওলা ও সাহায্যকারী।রাসূল (সা.) হলেন হযরত ইব্রাহীমের (আ.) আহলে বাইত। তাঁর ওহী বাহক আহলে বাইত তাঁর চাচা। কারণ ওহী বাহক হতে পুরুষ ও চল্লিশ বছর লাগে। এ দু’টি গুন রাসূলের (সা.) চাচা হযরত আব্বাসের (রা.) ছিল। তাঁর পুত্র হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) হযরত ইয়াহইয়ার (রা.) মত শৈশবে জ্ঞান প্রাপ্ত ছিলেন। সাহাবায়ে কেরামের (রা.) মধ্যে তিনি ছিলেন মোফাসসিরে কোরআন। মুসলিমদের মাওলা মহান আল্লাহর সাহায়্যে হযরত আব্বুল্লাহ ইবনে আব্বাসের (রা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় খলিফা ও তাঁদের হানাফী অনুসারী তুর্কী সুলতানেরা প্রায় বারশ বছর মুসলিম বিশ্বের শাসক ছিলেন। তুর্কী বখতিয়ার খেলজি মাত্র বার বছর বয়সে বাংলা জয় করেছেন। তারপর এখন আমরা হানাফী মুসলিম শাসনে আছি। ভারতের অমুসলিম শাসন দেখে আমরা স্পষ্ট বুঝতে পারছি আমরা কত উত্তম শাসনে আছি। অমুসলিম ইসরায়েল গাজার যে দশা করেছে ভারতের অমুসলিম শাসক শুবেন্দু আমাদেরকে সে অবস্থা করার হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু জিহাদের মাধ্যমে বাংলাদেশে মুসলিম শাসন বজায় রাখতে আমরা প্রস্তুত আছি। আমাদের দেশী সৈন্যরা আবার গেরিলা যুদ্ধে বিশ্ব বিখ্যাত। এখন পর্যন্ত মহান আল্লাহ আমাদের উত্তম মাওলা (অভিভাবক) এবং উত্তম সাহায্যকারী।আমাদের দেশ থেকে তাবলীগ জামায়াত সারা বিশ্বে মানুষদেরকে দ্বীনের দাওয়াত দিতে সফর করছে।
সূরাঃ ২২ হাজ্জ্ব, ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। মানুষের মধ্যে কতক অজ্ঞানতাবশত আল্লাহ সম্বন্ধে বিতন্ডা করে এবং অনুসরন করে বিদ্রোহী শয়তানের।
* মানুষের মধ্যে কতক অজ্ঞানতাবশত আল্লাহ সম্বন্ধে বিতন্ডা করে এবং অনুসরন করে বিদ্রোহী শয়তানের। তাদের একদল হযরত আলীর (রা.) মাওলা হওয়া নিয়ে ভীষণ উত্তেজিত। অথচ হযরত আলী (রা.) একজন মাওলা। তিনি একমাত্র মাওলা নন। তাঁর থেকে বড় মাওলা রাসূল (সা.) এবং তাঁর থেকেও বড় মাওলা মহান আল্লাহ। সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ছোট মাওলাকে না মানলেও বড় দুই মাওলাকে মানতেন। তথাপি অসভ্য শিয়াগুষ্ঠি রাসূলের (সা.) সাহায্যকারী সাহাবায়ে কেরাম (রা.) সম্পর্কে অশোভন কথা বলে। এমনকি যাঁরা রাসূলকে (রা.) খুশী রাখতেন সেই উম্মুল মুমিনিন হযরত আয়েশা (রা.) ও হযরত হাফসাকে (রা.) অসম্মান করে। তারা রাসূলের (রা.) তিন শ্বশুর, হযরত আবু বকর (রা.), হযরত ওমর (রা.) ও হযরত আবু সুফিয়ানকে (রা.) অসম্মান করে। অথচ তাঁরা ছিলেন রাসূলের (সা.) পিতৃতুল্য। মালের জিহাদের সবচেয়ে বড় সাহাবী রাসূলের (সা.) দুই কন্যার জামাতা হযরত ওসমানকেও (রা.) অসভ্য শিয়াগুষ্ঠি সম্মান করে না। রাসূলের (সা.) শালা হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) তারা সীমাহীন অপদস্ত করে। বিশেষ কারণ না থাকলে রাসূলের (সা.) সাহায্যকারীগণকে আল্লাহ হেদায়াত প্রদান করেন এবং তাঁরা ক্ষমাপ্রাপ্ত। তথাপি সাহাবা (রা.) বিষয়ে বিতন্ডা করে শিয়ারা বিদ্রোহী শয়তানের অনুসরন করে। মাওলা আল্লাহ শিয়া পক্ষে না গিয়ে হযরত ইব্রাহীম (রা.) ও রাসূলের (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় ও তাদের অনুসারী হানাফীদের রহমত ও বরকতে মুড়িয়ে দিলেন। তাদের পক্ষে প্রায় বারশত বছর মুসলিম বিশ্বের শাসক ছিলেন বিরানব্বই খলিফা ও সুলতান।আর শিয়াদের প্রিয় মাওলা আলী (রা.) ছাড়া তাদের পক্ষে আর কোন মুসলিম বিশ্ব শাসক নাই। আব্বাসীয় ও তাদের অনুসারী হানাফী ছাড়া মুসলিমদের অন্য কোন পক্ষে কান মুসলিম বিশ্ব শাসক নাই। হযরত আলীকেও (রা.) তাঁর শাসনের একাংশ হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) ছেড়ে দিতে হয়েছে। শিয়াদের অপ্রিয় এ সাহাবী বিশ বছর মুসলিম বিশ্ব শাসক ছিলেন। সাহাবায়ে কেরামের (রা.) আর কেউ এত লম্বা সময় মুসলিম বিশ্বের শাসক ছিলেন না। দোষ-গুন সবার থাকে। গুন বাদ দিয়ে দোষ নিয়ে শিয়াদের মত এত্তবাড়াবাড়ি বিশ্বে আর কোন পক্ষ করে না। এ বিষয়ে শিয়ারা অমুসলিমদের থেকেও বেশী ঘৃণিত।এমন আরেকটি দল আছে সালফী (আহলে হাদিস)। তারা অমুসলিম থেকেও মুসলিমদের পিছনে বেশী পড়ে থাকে। সেজন্য আল্লাহর পছন্দ হানাফী। তাদের পাকিস্তানের কাছে আছে পরমাণু অস্র এবং মানুষের মধ্যে এক তৃতয়িাংশ হওয়ার দৌড়ে হানাফী এগিয়ে। এ কোটা পূরণ হলে হানাফীদের বিশ্বজয় কার্যক্রম শুরু হবে। অতীতে আল্লাহ তাদেরকে দু’হাত ভরে দান করেছেন, ভবিষ্যতেও তিনি তাদেরকে দু’হাত ভরে দান করবেন -ইনশাআল্লাহ। তাদের বিরোধীরা বিদ্রোহী শয়তানের অনুসারী হয়ে জাহান্নামের যাত্রী হচ্ছে।
সূরাঃ ২২ হাজ্জ্ব, ৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৮। মানুষের মধ্যে কে্উ কেউ আল্লাহ সম্বন্ধে বিতন্ডা করে; তাদের না আছে জ্ঞান, না আছে পথ নির্দেশ, না আছে কোন দীপ্তিমান কিতাব।
* দীপ্তিমান কিতাব কোরআন হানাফী পক্ষে। এটি অহানাফী পক্ষে নয়। কোরআন পাঠ করে আমি বুঝলাম এর প্রতিটি সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ আছে এবং এ তালিকা খেকে কোন সূরা বাদ নাই। এ বিষয়ে আমি কয়েক রাউন্ড পোষ্ট দিয়েছি। কোন পক্ষকে আমি আমার বিরোধীতা করতে দেখিনি। তারা কিভাবে আমার বিরোধীতা করবে? দীপ্তিমান কিতাব কোরআন তো তাদের পক্ষে নাই। কোরআন দিয়ে হানাফী পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপনে আমি হাদিসের সাহায্যও নিচ্ছিনা। কোরআনের সাথে মানুষের জ্ঞাত ঘটনা মিলালেই হানাফী পক্ষে অকাট্য প্রমাণ চলে আসে। আল্লাহর বিধান হলো অভিন্ন ফিকাহ। কোরআন ও হাদিস হলো অভিন্ন ফিকাহের উৎস। তবে অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে কোরআন মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। এটুকু বুঝলে আর অভিন্ন ফিকাহ বুঝতে কোন সমস্যা হয় না। রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের নামে পাইকারী মিথ্যা প্রচারণার মাধ্যমে মোনাফেক অভিন্ন ফিকাহ নষ্ট করলে ইমাম আবু হানিফা এটি মেরামত করেন এবং আব্বাসীয় খলিফা হারুনুর রশিদ এটি পরিশোধন করে বিশুদ্ধ করেন। পরবর্তী মুসলিম বিশ্ব আমিরগণ এর অনুসারী হয়। অহানাফী পক্ষে কোন মুসলিম বিশ্ব আমির নাই। সংগত কারণে হানাফীদেরকে সঠিক না মেনে কোন উপায় নাই। কারণ দীপ্তিমান কিতাব কোরআন হানাফী পক্ষে।
সূরাঃ ২২ হাজ্জ্ব, ১৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৬। এভাবেই আমি সুস্পষ্ট নিদর্শনরূপে উহা অবতীর্ণ করেছি। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সৎপথ প্রদর্শন করেন।
* সুস্পষ্ট নিদর্শনের মাধ্যমে আল্লাহ সৎপথ প্রদর্শন করেন।সুস্পষ্ট নিদর্শনের মাধ্যমে হানাফী মাযহাবের সঠিকতা প্রমাণীত। মুসলিমদের পথভ্রষ্ট ৭২ দলের পক্ষে সুস্পষ্ট নিদর্শন নাই। এরা ছোট ছোট বিষয় নিয়ে তর্ক জুড়ে দিয়ে শয়তানের মত মুসলিমদের সময় নষ্ট করে। যে সময় কিছু সংখ্যক দুষ্ট অমুসলিম পক্ষ মুসলিম বিনাশে তৎপর হয় সে সময় হানাফী বিরোধীরা ছোট ছোট বিষয় নিয়ে তর্কে লিপ্ত থাকে। ইসলামে তর্ক হবে দলের শুদ্ধতা নিয়ে। মাসয়ালার শুদ্ধতা নিয়ে তর্ক হবে না। কারণ যে দল শুদ্ধ সে দলের মাসয়ালা সমূহ অবশ্যই শুদ্ধ। সুতরাং তর্কের বিষয় দল, মাসয়ালা তর্কের কোন বিষয় নয়। যে দল সঠিক সে দলের আকিদাও সঠিক। সুতরাং সঠিক দলের আকিদা ও মাসয়ালা নিয়ে প্রশ্ন তোলা শয়তানের কাজ ছাড়া কিছুই নয়।
সূরাঃ ২২ হাজ্জ্ব, ২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৪। তাদেরকে পবিত্র বাক্যের অনুগামী করা হয়েছিল এবং তারা পরিচালিত হয়েছিল পরম প্রশংসাভাজন আল্লাহর পথে।
* হানাফীরা পবিত্র বাক্য বলে। তারা শিয়া, সালাফী (আহলে হাদিস) ও ইবাদীদের (খারেজী) মত পিশাচী কথা বলে না। শিয়ারা হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) মোনাফেক বলে, ইবাদীরা হযরত আলীকে (রা.) কাফের বলে। সালাফীরা হযরত ওসমানকে (রা.) বিদাতী বলে। অথচ তাঁরা রাসূলের (সা.) সাহায়্যকারী হিসাবে ক্ষমাপ্রাপ্ত। তাঁদের হেদায়া্ত প্রাপ্ত না হওয়া কোরআনের বার্তা অনুযায়ী কিছুতেই সম্ভব নয়। পবিত্র কোরআন অনুযায়ী সেজন্য শিয়া, ইবাদী ও সালাফীদের বাক্য অপবিত্র। হানাফীদের বাক্য পবিত্র হওয়ার কারণ তারা রাসূলের (সা.) সকল সাহয্যকারী সহচরকে সম্মান করে কথা বলে।
সূরাঃ ২২ হাজ্জ্ব, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮। আল্লাহ রক্ষা করেন মু’মিনদিগকে, তিনি কোন বিশ্বাসঘাতক অকৃতজ্ঞকে পছন্দ করেন না।
* রাসূলের (সা.) সহায্যকারী সহচরগণের সঠিকতা বিষয়ে মুমিনের ঈমান রয়েছে। তাঁদের ত্রুটি আল্লাহ ক্ষমা করায় তাঁদেরকে দোষারোফ করা কুফুরী। আল্লাহ যাঁদেরকে ক্ষমা করেন তাঁদের দোষারোফ করার কেউ কে? আল্লাহ যাঁদেরকে ক্ষমা করেন তাঁদের দোষারোফ করা আল্লাহ বিশ্বাসের বিশ্বাস ঘাতকতা। এরা আল্লাহর নেয়ামতের অকৃতজ্ঞ লোক। কারণ রাসূলের (সা.) সহায্যকারী সহচরগণের অবদান আছে ইসলাম প্রতিষ্ঠায়। তারা যে ইসলাম মানার দাবীদার সেই ইসলাম প্রতিষ্ঠায় যাঁদের অবদান আছে অসভ্য লোকেরা কিভাবে তাঁদের অসম্মান করে? রাসূলের (সা.) ছাত্রদের থেকে তারা কিভাবে ইসলাম বেশী বুঝে? কে তাদের শিক্ষক? মূলত তাদের শিক্ষক হলো শয়তান। সেই শয়তানই তাদের মুখদিয়ে রাসূলের (সা.) সহচরগণের বিপক্ষে খবিশি ও পিচাশী কথা বের করে। কিন্তু হানাফীরা রাসূলের (সা.) সহচরগণের দোষের আলোচনা সতর্কতার সাথে এড়িয়ে চলে। কারণ তাঁদের দোষ মুসলিমদের আলোচ্য বিষয় নয়। মুসলিমদের আলোচ্য বিষয় হলো তাঁদের গুণ। সেইটার আলোচনার মাধ্যমে তারা ইসলামে উদ্বোদ্ধ হয় ও অন্যকে উদ্বোদ্ধ করে।আর সেই কারণেই একা হানাফী দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এবং অন্য বাহাত্তর দল মিলে এক তৃতয়িাংশ মুসলিম। দুই তৃতয়িাংশ হানাফী মুসলিম আবার বিশ্ব জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ হলে হানাপীদের বিশ্ব বিজয় কার্যক্রম শুরু হবে। আর হানাফী বিশ্ব মোড়ল হতে পারলে সব মানুষই শান্তিতে থাকতে পারবে- ইনশাআল্রাহ।
সূরাঃ ২২ হাজ্জ্ব, ৪১ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪১। আমরা তাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত করলে তারা সালাত কায়েম করবে, জাকাত দিবে এবং সৎ কাজের আদেশ দিবে ও অসৎ কাজে নিষেধ করবে। সব কাজের পরিণাম আল্লাহর বিবেচনায়।
* হানাফীরা যখন বিশ্ব মোড়ল ছিল তখন তারা আয়াতে উল্লেখিত কাজগুলো করেছে। আবার তারা বিশ্ব মোড়ল হলে উক্ত কাজগুলো তারা আবার করবে। বিশ্ব মোড়ল বৃটিশের প্রতি মানুষ সন্তুষ্ট ছিল না। বিশ্ব মোড়ল আমেরিকার প্রতিও মানুষ অনেক বিরক্ত। সুতরাং সামনে হানাপীদের বিশ্ব মোড়ল হওয়া দরকার।
সূরাঃ ২২ হাজ্জ্ব, ৪৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৬। তারা কি দেশ ভ্রমণ করেনি? তাহলে তারা জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন হৃদয় ও শ্রুতিশক্তিসম্পন্ন শ্রবণের অধিকারী হতে পারত।বস্তুত চক্ষু তো অন্ধ নয়, বরং অন্ধ হচ্ছে বক্ষস্থিত হৃদয়।
* হানাফী তাবলীগ জামায়াতের মত বিশ্ব ভ্রমণকারী আর কোন পক্ষ নাই। ভারতে এর কেন্দ্র না হয়ে বাংলাদেশে এর কেন্দ্র হওয়া বেশী দরকারী। যারা এটা বুঝেনা তাদের বক্ষস্থিত হৃদয় অন্ধ। বিশ্ব ইজতেমা হবে বাংলাদেশে আর এর পরিচালক থাকবে ভারতে এটি একটি অদ্ভুত নিয়ম। সুতরাং তাবলীগ জামায়াতকে কিছুটা সংস্কার করে এটাকে আরো শক্তিশালী করা হানাফী ও ইসলামের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
সূরাঃ ২২ হাজ্জ্ব, ৪৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৯। বল, হে মানুষ! আমি তো তোমাদের জন্য এক স্পষ্ট সতর্ককারী।
* সতর্ককারীর কথা সুস্পষ্ট হওয়া আবশ্যক। প্রচারিত হাদিসের শুদ্ধতায় সন্দেহের অবকাশ থাকায় হানাফীরা কোরআন মেনে এর সহায়ক হিসাবে হাদিস মানে। হাদিসে কোরআনের বিপরীত কিছু দেখাগেলে তারা সেই হাদিস পরিত্যাগ করে। তাতে কারা সে হাদিসকে সহিহ বলে হানাফীরা এর পরোয়া করে না। অনেক সময় দেখা যায় অনেকে সহিহ হাদিসের সহিহ অপব্যখ্যা দ্বারা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। সেজন্য হাদিস বিষয়ে হানাফীরা যথেষ্ট পরিমাণ সাবধানতা অবলম্বন করে। কারণ হাদিসের নামে কোন মিথ্যা প্রচারকের প্রচারণা মানা কোন বুদ্ধিমাণের কাজ নয়।
সূরাঃ ২২ হাজ্জ্ব, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য নির্ধারিত করে দিয়েছি ‘ইবাদত পদ্ধতি’-যা তারা অনুসরন করে। সুতরাং তারা যেন তোমার সাথে বিতর্ক না করে এ ব্যাপারে। তুমি তাদেরকে তোমার প্রতি পালকের দিকে আহবান কর, তুমি তো সরল পথেই প্রতিষ্ঠিত।
* আমাদের নির্ধারিত ‘ইবাদত পদ্ধতি’ হলো রাসূলের (সা.) পর আমির ও রাসূলের (সা.) ওয়ারিশ ওলামার অনুসরন হবে। এ বিষয়ে কঠোর থাকলে মিথ্যা হাদিস দ্বারা কেউ আর আমাদেরকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না। অনেক গুলো হাদিস ও ফিকাহের কিতাব ছাড়া হয়েছে যা কোন মুসলিম বিশ্ব আমির অনুমোদীত নয়। রাসূলের (সা.) পর আমিরের অনুসরনের বাধ্যবাধকতা থাকায় আমিরের অনুমোদন বিহীন হাদিস ও ফিকাহের কিতাব বিনাশর্তে মানা যায় না। এ ক্ষেত্রে শর্ত হলো আমির অনুমোদীত ফিকাহের সাথে এসব হাদিস ও ফিকাহের যতটুকু মিল পাওয়া যাবে ততটুকু মানা যাবে। আমির অনুমোদীত অভিন্ন ফিকাহ হলো হানাপী মাযহাব। সুতরাং এর গরমিল কোন হাদিস ও ফিকাহ মান্যতার যোগ্য নয়।
সূরাঃ ২২ হাজ্জ্ব, ৭০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭০। তুমি কি জাননা যে আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে আল্লাহ তা’ জানেন? এসব এক কিতাবে আছে। এটা আল্লাহর নিকট সহজ।
* কারা হানাফী আর কারা অহানাফী আল্লাহ তা’ জানেন। জেনে শুনেই আল্লাহ হানাফীদেরকে রহমত ও বরকতে মুড়িয়ে রেখেছেন। আর সাহাবায়ে কেরামকে লানতকারী শিয়াদেরকে আল্লাহ লানতে রেখেছেন। অন্যরা আছে টেনেটুনে। হানাফীরা একদা বিশ্ব মোড়ল ছিল। এখনো তারা ভালোভাবেই টিকে আছে। আবারো নিজেদেরকে গুছিয়ে নিতে পারলে হয়ত তারাই আবার বিশ্ব মোড়ল হবে। এখনকার বিশ্বমোড়ল আমেরিকা ন্যায় সঙ্গত আচরণ করছে না। ফিলিস্তিনিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমেরিকাকে ন্যায় সঙ্গত আচরণ করতে দেখা যায় না। তারা ইসরাইলের বেশী পক্ষপাতিত্ব করে।হানাফী বিশ্ব মোড়ল হলে ফিলিস্তিনীরা সুবিচার পাবে- ইনশাআল্লাহ। আমি হানাফীদেরকে কম কথা ও বেশী কাজ করার অনুরোধ জানাই। হানাফী বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও তুরস্ক মিলে বিশ্বের জন্য ভালো কিছু করতে পারে। অমুসলিমদের শান্তির কথা বিবেচনায় থাকবে না, এটাও কিন্তু ভালো কথা নয়। ইসলাম হলো সবার জন্য শান্তি।
২৬ শে মে, ২০২৬ ভোর ৫:১৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
আপনি সঠিক মুসলিম হয়ে থাকলে আপনার সনদ কি?
সূরাঃ ২৩ মুমিনূন ১১৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৭। যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে ডাকে অন্য ইলাহকে। এ বিষয়ে তার নিকট কোন সনদ নেই।তার হিসাব তার প্রতিপালকের নিকট আছে। নিশ্চয়ই কাফিরগণ সফলকাম হবে না।
* সঠিক মুসলিম দাবীর স্বপক্ষে সনদ থাকতে হবে।
সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।
* রাসূলের (সা.) সনদ ওহী।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
* সাহাবার (রা.) সনদ রাসূল (সা.) তাবেঈর সনদ সাহাবা (রা.)। আখারিনের সনদ কি?
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
* আখারিনের সনদ হলো ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আমির অনুমোদীত ওলামা সমর্থিত অভিন্ন ফিকাহ। আখারিন তাবে তাবেঈ। কারণ তাঁরা উম্মী তথা সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সাথে মিলিত হয়নি। তবে তাদের ইমাম তাবেঈ। এমন ইমাম আবু হানিফা (র.) অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করলে আখারিনের ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আমির হারুনুর রশিদ উহা পরিশোধন করে অনুমোদন প্রদান করেন যা ওলামা সমর্থিত অভিন্ন ফিকাহ। এর পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিলের বিধান রয়েছে। যারা এর সাথে মতভেদে লিপ্ত তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে এবং তাদের সে মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
* রাসূল (সা.) ও সাহাবার সনদে সমস্যা থাকলেও আল্লাহর পূর্ব বিধানে তাঁরা ক্ষমাপ্রাপ্ত। তাঁদের জন্য রয়েছে মহাপুরস্কার। তাঁদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা অসাহাবা কাফের। তারা ছাড়া যারা তাবেঈ তাদেরকে মান্যতার সনদ অভিন্ন ফিকাহ। এমন ফিকাহ ছিল ইমাম আবু হানিফা (র.) ও তাঁর শিক্ষক ইমাম জাফর আস সাদেকের। ইমাম আবু হানিফা (র.) অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করলে আখারিনের ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আমির হারুনুর রশিদ উহা পরিশোধন করে অনুমোদন প্রদান করেন যা ওলামা সমর্থিত অভিন্ন ফিকাহ। ইমাম জাফর আস সাদেক ইব্রাহীম বংশিয় হলেও তিনি মুসলিম বিশ্ব আমির নন এবং তাঁর ফিকাহ কোন মুসলিম বিশ্ব আমির অনুমোদীত নয় বিধায় এটি ইসলামে গৃহিত নয়। সুতরাং ইসলামে গৃহিত একমাত্র অভিন্ন ফিকাহ হানাপী ফিকাহ। এর মান্যতার ভিত্তিতে আল্লাহ তাবে তাবেঈ ও পরবর্তী লোকদের বিচার করবেন। তাবেঈ ক্ষেত্রে তিনি সাহাবার (রা.) মান্যতা দেখবেন। তবে তাদের যারা কোন না কোন সাহাবার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে তারা কাফের ও জাহান্নামী। এসব কাফের ও জাহান্নামীর সমর্থকেরাও জাহান্নামী।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪০। যদি তোমরা তাঁকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহতো তাঁকে সাহায্য করেছিলেন যখন কাফিরগণ তাঁকে ধাওয়া করেছিল (হত্যা করার জন্য), আর তিনি ছিলেন দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন। যখন তাঁরা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন, তিনি তখন তাঁর সঙ্গিকে বলেছিলেন, তুমি বিষণ্ন হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।অতঃপর তাঁর উপর আল্লাহ তাঁর প্রশান্তি নাজিল করেন এবং তাঁকে শক্তিশালী করেন এমন সৈন্যবাহিনী দ্বারা যা তোমরা দেখনি।আর তিনি কাফেরদের কথা তুচ্ছ করে দেন।আর আল্লাহর কথাই সুউচ্চ। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী সুবিজ্ঞ।
* যারা রাসূলের (সা.) সাহায্য করেছেন আল্লাহ তাঁদের সাথী। তাঁদের সমালোচকদের স্থান জাহা্ন্নাম। রাসূলের (সা.) সাহায্যকারী আল্লাহর সাথীদের দোষ গোপন করা ও তাঁদের গুন প্রকাশ করা ফরজ। তাঁদের দোষ প্রকাশ করে জান্নাতে যাওয়ার সম্ভাবনা নাই।
২|
২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:২১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জামাত কি হানাফি মাযহাব অনুসরন করে নাকি মওদুদি মতবাদ ?
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৪৮
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: জামায়াতে হানাফী ও সালাফী আছে।
৩|
২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:২৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: হানাফীরা পবিত্র বাক্য বলে। তারা শিয়া, সালাফী (আহলে হাদিস)
ও ইবাদীদের (খারেজী) মত পিশাচী কথা বলে না।
........................................................................................
কাতার, আবুধাবী ,সৌদিরা নিশ্চয়ই হানাফী
তাহলে তারা গাঁজার ফিলিস্তিনদের উদ্ধারে এগিয়ে আসে না কেন ?
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৪৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: তারা হানাফী নয় এবং গাজা ও ফিলিস্তিনীরাও হানাফী নয়।
৪|
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৮
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আপনি এখনো সেই আল-কুরআন নিয়ে গবেষণা করতেছেন?
তা গবেষণা করে কি পাওয়া গেলো?
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৪৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমার যা দরকার আমি তা’ পাচ্ছি।
৫|
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২১
রাজীব নুর বলেছেন: আপনি পেছনে পড়ে আছেন।
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৪৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সামনে বিপদ থাকলে পিছনে থাকাই ভালো।
৬|
২৬ শে মে, ২০২৬ ভোর ৫:১৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ওমর খাইয়াম কোরবানী নিয়ে যা বয়ান করছে তা
যথাযথ ভাবে উপস্হাপন করা হয় নাই ।
এই বিষয়ে আপনার বয়ান চাই, যাহা সকলকে
এই ঈদের মহুর্তে খুবই আবশ্যক ।
২৬ শে মে, ২০২৬ ভোর ৫:২৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমি তার পোষ্ট ও আপনার মন্তব্য পড়েছি। তার ইসলাম বিষয়ক জ্ঞানের সনদ নাই। ইসলাম বিষয়ে তার জ্ঞান বাতিল। সনদ বিষয়ে আমার প্রতি মন্তব্যটি পড়ুন।
৭|
২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-২৩)
সূরাঃ ২৩ মুমিনূন ১১৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৭। যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে ডাকে অন্য ইলাহকে। এ বিষয়ে তার নিকট কোন সনদ নেই।তার হিসাব তার প্রতিপালকের নিকট আছে। নিশ্চয়ই কাফিরগণ সফলকাম হবে না।
* ইসলামে সঠিকতার সনদ জরুরী। রাসূলের (সা.) সঠিকতার সনদ ওহী। সাহাবার (রা.) সঠিকতার সনদ রাসূল (সা.)। তাবেঈর সঠিকতার সনদ সাহাবা (রা.)। আখারিনের সঠিকতার সনদ আমির অনুমোদীত ও ওলামা অনুসারিত অভিন্ন ফিকাহ। এখানেই মুসলিম তিহাত্তর দলের বাহাত্তর দলের সাথে হানাফীদের পার্থক্য। কারণ হানাফী ফিকাহ আমির অনুমোদীত এবং আমির ও ওলামা অনুসারিত। অন্যদের হানাফী বিরোধীতা আমির অনুমোদীত ও আমির অনুসারিত নয়। তারা কোরআন ও হাদিস দিয়ে হানাফী বিরোধীতা করে, কিন্তু আমির অনুমোদীত ও আমির অনুসারিত ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। সংগত কারণে হানাফী ফিকাহের বিরোধীতার কোন সুযোগ নাই। সনদ ছাড়া যারা হানাফীদের সাথে মতভেদে লিপ্ত হয় তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। আর তাদের সে মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম।
সূরাঃ ২৩ মুমিনূন, ১ নং থেকে ১১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। অবশ্যই সফলকাম হয়েছে মু’মিনগণ।
২। যারা বিনয়-নম্র নিজেদের সালাতে।
৩। যারা অসার ক্রিয়াকলাপ হতে বিরত থাকে।
৪। যারা যাকাত দানে সক্রিয়।
৫। যারা নিজেদের যৌন অংগকে সংযত রাখে।
৬। নিজেদের পত্নী অথবা অধিকারভুক্ত দাগিগণ ব্যতীত, এতে তারা নিন্দনীয় হবে না।
৭। আর কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা হবে সীমালংঘনকারী।
৮। আর যারা নিজেদের আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে।
৯। আর যারা নিজেদের সালাতে যত্নবান থাকে।
১০। তারাই হবে অধিকারী
১১। অধিকারী হবে ফিরদাউসের। যাতে উহারা চিরস্থায়ী হবে।
* সালাতে তারা বিনয়-নম্র যারা অভিন্ন ফিকাহ মেনে সালাত আদায় করে। যারা বিভিন্ন ফিকাহ মেনে সালাত আদায় করে তারা মতভেদী। অভিন্ন হানাফী ফিকায় আছে আমিরের অনুমোদন ও অনুসরন। বিভিন্ন হাদিস ও ফিকায় আমিরের অনুমোদন ও অনুসরন নাই। অথচ রাসূলের (সা.) পর আমিরের অনুসরনের স্পষ্ট আদেশ দিয়েছেন আল্লাহ। অজ্ঞ লোকেরা বলে আমির আয়াত ও হাদিস না মানলে কিভাবে আমিরকে মানা যায়? কিন্তু অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিলের বিধান রয়েছে। তাহলে মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস না মানায় আমিরের অনুসরন পরিত্যাগ করা যায় কিভাবে? কিন্তু তারা যা মানে তাতে আমিরের অনুমোদন ও অনুসরন নাই। তাহলে তাদের সালাতের সনদ কি? তাদের সনদ বিহীন সালাত বাতিল হওয়ায় তাদের সালাতের মাধ্যমে তারা সফল হবে না। অসার ক্রিয়া হলো শিরক, কুফর, সাহাবা (রা.), আমির ও ওলামার বিরোধীতা। এসব বিষয়ে মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে তর্কে লিপ্ত হওয়া অজ্ঞতা।যারা যাকাত দানে সক্রিয় তারা তেমন রাষ্ট্রের জন্য কাজ করবে যারা যাকাতের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে। যাকাত বিধি প্রতিপালিত হয় কি হয় না এ বিষয়ে যাদের চেতনা নাই তাদের ঈমানে গন্ডোগোল আছে।অবৈধ যৌন সম্পর্ক থেকে দূরে থাকতে হবে এবং অন্যদেরকে অবৈধ যৌন সম্পর্ক থেকে দূরে রাখতে কাজ করতে হবে।ব্যাংকে থাকা গ্রাহকের আমানতের নিরাপত্তা বিধান না করে যারা ব্যাংককে দেওলিয়া করে তাদেরকে মুমিন মনে করার সংগত কোন কারণ নাই। আমির অনুমোদীত নিয়ম ছাড়া অন্য নিয়মে সালাত আদায় করলে সালাত হয় না। রাসূল (সা.) ও সাহাবার (রা.) নামে মোনাফেক প্রচুর হাদিস প্রচার করায় হাদিস দিয়ে আমিরের বিরোধীতা সঠিক নয়। রাসূলের (সা.) মান্যতা ছিল সাহাবার জন্য। পরে মোনাফেক ঠেঁকাতে আমির ও ওলামার মান্যতা সাব্যস্ত করেছেন আল্লাহ নিজেই। সুতরাং আমির ও ওলামার মান্যতা বাদ দিয়ে মোনাফিক প্রচারিত হাদিস মানা ফিতনা। এ ফিতনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আল্লাহ আদেশ করেছেন।
সূরাঃ ২৩ মুমিনূন, ৫২ নং ও ৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫২। আর তোমাদের এই যে জাতি ইহা তো একই জাতি এবং আমি তোমাদের রব, অতএব আমাকে ভয় কর।
৫৩। কিন্তু তারা নিজেদের মধ্যে তাদের দীনকে বহুভাগে বিভক্ত করেছে। প্রত্যেক দলই তাদের নিকট যা আছে তা নিয়ে আনন্দিত।
* এক জাতি এক রব ব্যবস্থার জন্য অভিন্ন ফিকাহের বিকল্প নাই। রাসূলের (সা.) অভিন্ন ফিকাহ অলিখিত ছিল। মিথ্যা হাদিস প্রচারে মোনাফেক এটা নষ্ট করেছে। এরপর আমির অনুমোদীত ও আমির অনুসারিত অভিন্ন ফিকাহ হিসাবে হানাফী মাযহাব চালু হয়। আমিরের অনুমোদন ও আমিরের অনুসরন ছাড়া লোকেরা হানাফী মাযহাবের বিরোধীতা কিভাবে করে? রাসূলের (সা.) পর আমিরের অনুসরনের বিষয়ে তো আল্লাহর স্পষ্ট আদেশ আছে। শিয়ারা আবার আমিরের সঠিকতার কুফুরী করে। কিন্তু আমির ওলামা কর্তৃক গৃহিত হলে সেই আমিরের বিরোধীতার সুযো্গ নাই। আমির+ওলামার অনুসরন আবশ্যক। আমির-ওলামার অনুসরন আবশ্যক নয়। হানাফী মাযহাবের ক্ষেত্রে আমির+ওলামার বিষয় বিদ্যমাণ। তাদের বিরোধীতায় আমির-ওলামার বিষয়টিও নাই। সুতরাং যারা হানাফী থেকে আলাদা হয় তারা এক জাতি ও এক রব থেকে আলাদা হয়ে শয়তানের অনুসারী হয়। শয়তানের অনুসারীরা আবার একদলে ঐক্যবদ্ধ থাকে না। তারা বহুভাগে বিভক্ত হয়। আর তাদের কোনভাগের সঠিকতার কোন সনদ নাই। এরা মাসয়ালা আর আকিদা নিয়ে টানাটানি করছে কেন? তারা আগে তাদের দলের সঠিকতার সনদ পেশ করুক। তারপর না হয় তাদের মাসয়ালা ও আকিদার বিষয় ভাবা যাবে।
সূরাঃ ২৩ মুমিনূন, ৬২ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬২। আমরা কাউকে তার সাধ্যাতীত দায়িত্ব প্রদান করি না এবং আমাদের নিকট আছে এক কিতাব।যা সত্য ব্যক্ত করে। আর উহাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
* আল্লাহর কিতাব যে সত্য ব্যক্ত করেছে সেটি হলো অভিন্ন ফিকাহের অনুসরন। রাসূলের (সা.) পর এটি আমির অনুমোদীত ও আমির অনুসারিত হওয়া বাধ্যতা মূলক। সেই আমির আবার আমির+আলামা, আমির। এটি আমির-ওলামা, আমির নয়। হানাফী মাযহাবের ক্ষেত্রে আমির+আলামা, আমির বিদ্যমান। তাদের বিরোধীতায় আমির-ওলামা, আমিরও বিদ্যমাণ নয়। সুতরাং হানাফী বিরোধীতা হলো জাহান্নাম যাত্রা। এদের কোন ইবাদত আল্লাহর দরবারে গৃহিত হয় না । কারণ এরা আল্লাহর বান্দাদের মাঝে বিভেদ তৈরীর গুরুতর অপরাধে লিপ্ত।
সূরাঃ ২৩ মুমিনূন, ৬৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৩। বরং এ বিষয়ে উহাদের অন্তর অজ্ঞানতায় আচ্ছন্ন। এ ছাড়াও তাদের আরো কাজ আছে যা তারা করে থাকে।
* হানাফী বিরোধীতা একটি ভয়ংকর অজ্ঞানতা। এদের কাজের সঠিকতার কোন সনদ নাই। এরা মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে লোকদেরকে বিভ্রান্ত করে জাহান্নামী করে। ইব্রাহীমের (আ.) মিল্লাতের তাঁর ও রাসূলের (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় আমিরগণের হানাফী ফিকাহের যারা বিরোধীতা করে তাদের এ বিরোধীতার কি যোগ্যতা আছে? এরা শুধু মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে লোকদেরকে ধোঁকা দিতে পারে। এরা বলে আমরা আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলকে (সা.) মানি। তবে তারা তাদের এ কাজ করে মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস মানার মাধ্যমে। অজ্ঞ লোকেরা যা বুঝতে না পেরে বিভ্রান্ত হয়। আল্লাহ যাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে ইচ্ছা করেন। তাদের জন্য তিনি এ বিভ্রান্ত হওয়ার ব্যবস্থা রেখেছেন। এরা মনে করে এরা সঠিক পথে আছে। অথচ এরা আছে সনদ বিহীন বিভ্রান্তির পথে।
সূরাঃ ২৩ মুমিনূন, ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৬। আমার আয়াত তো তোমাদের নিকট আবৃত্তি করা হত, কিন্তু তোমরা পিছন ফিরে সরে পড়তে।
* আল্লাহর আয়াতে আমির ও ওলামার কথা আছে। কিন্তু যারা বিভ্রান্ত হবার লোক তারা মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিসের পিছনে পড়ে থাকে। তারা আমির+ওলামার হানাফী মাযহাবের পথ ছেড়ে মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিসের অনুসারি হয়ে জাহান্নামে চলে যায়। সেজন্য তারা হানাফী মাযহাবের অনুসারী হতে পারে না। অজ্ঞ লোকেরা হানাফী বিরোধীতায় কি কথা বলে তা’ নিয়ে এরা বড় উত্তেজিত। কিন্তু অজ্ঞ লোকেরা যে হানাফী বিরোধতিার নামে তাদের সাথে তাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যায় সেদিকে এসব লোকের নজর নাই। এদের অন্ধত্ব সঠিক পথ দেখায় অপারগ।
৮|
২৬ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
২৭ শে মে, ২০২৬ ভোর ৬:৩৫
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ধন্যবাদ।
৯|
২৬ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৫৪
জ্যাক স্মিথ বলেছেন:
এ বিষয়ে আপনার কি অভিমত?
২৭ শে মে, ২০২৬ ভোর ৬:৩৮
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: হাদিস কোরআনের মত মুখাস্ত পদ্ধতিতে সংরক্ষিত নয়। ফলে অনেকে নিজের কথা হাদিস হিসাবে চালিয়ে দিয়েছে। কোন হাদিসই সঠিক নয় এমন বলা সঠিক নয়। কারণ কোন কোন হাদিস সঠিক এবং কোন কোন হাদিস সঠিক নয়।
১০|
২৭ শে মে, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-২৪)
সূরাঃ ২৪ নূর, ৪৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫২। যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করে, আল্লাহকে ভয় করে ও তাঁর অবাধ্যতা হতে সাবধান থাকে তারাই সফলকাম।
সূরাঃ ২৪ নূর, ৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৬। তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও এবং রাসুলের আনুগত্য কর, যাতে তোমরা রহমত পেতে পার।
* ইবাদতের মাধ্যমে সাফল্য ও রহমত লাভ ইবাদত গৃহিত হওয়ার কারণ।সাফল্য ও রহমত লাভের বড় উপাদান মুসলিম শাসন। কারণ অমুসলিম শাসনের অসুবিধার বড় নমুনা ভারত ও ফিলিস্তিন। আর মুসলিম শাসনের বড় নমুনা হযরত ইব্রাহীম (আ.) মহানবির (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় ও তাদের অনুসারী হানাফী তুর্কী শাসন। ছাপ্পান্ন জন খলিফা ও ছত্রিশ জন সুলতান মিলে এরা বিশাল সাম্রাজ্য শাসন করেছে প্রায় বারশত বছর। এমন বিশাল সাম্রাজ্য এমন বেশী সময় আর কোন পক্ষ শাসন করেনি। আর তাদের শাসনে নাগরিক অধিকার সবচেয়ে বেশী রক্ষিত হয়েছে। অথচ ভারত ও ফিলিস্তিনে মুসলিমদের নাগরিক অধিকার প্রচুর পরিমাণে লংঘিত হয়। এখানেই হানাফী শাসনের সাফল্য যে তাদের শাসনে সকল নাগরিকের নাগরিক অধিকার রক্ষিত হয়।বিশ্ব শাসকের আসনে আবার হানাফী আসলে আশাকরা যায় বেশী পরিমাণে বিশ্বশান্তি বিরাজমাণ থাকবে। এখনো মুসলিমদের বেশীরভাগ অঞ্চল, জনসংখ্যা ও দেশ হানাফীদের। তাদের তুর্কীরা বীর। আফগানরা অজেয়। পাকিস্তানীরা আনবিক শক্তির অধিকারী। আর বাংলাদেশীরা গেরিলাযোদ্ধা।অমুসলিম দেশ পরিবেষ্ঠিত হয়েও বাংলাদেশ তাদের অস্তিত্ব রক্ষা করে চলছে। এটা হানাফী বাংলাদেশের উপর আল্লাহর অনেক বড় রহমত।হানাফীরা ইবাদতের পরিমাণ বাড়ালে তাদের প্রতি আল্লাহর রহমত আরো বাড়বে বলে আশা করা যায়। বিশ্ব জনসংখ্যার একতৃতীয়াংশ হওয়ার দৌড়ে হানাফী এগিয়ে এটা হলে আশা করা যায় তারা আবার বিশ্ব চালকের আসনে ফিরে আসবে।
সূরাঃ ২৪ নূর, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। ইহা একটি সূরা, ইহা আমরা নাযিল করেছি এবং আমরা ইহার বিধানকে ফরজ করেছি। আর এতে আমরা সুস্পষ্ট আয়াত সমূহ নাযিল করেছি যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।
* মতভেদ নিরসন ফরজ বিধানের একটি।এর প্রধান উপাদান অভিন্ন ফিকাহ। মতভেদে জর্জরিত মুসলিম যখন আরেকটি ফরজ বিধান ঐক্যৈ হারিয়ে ফেলে তখন অভিন্ন হানাফী ফিকাহের প্রচলন ঘটে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারি হয় যা এখনো বিদ্যমাণ। খলিফা ও সুলতান মিলিয়ে সাতাশি মুসলিম বিশ্ব আমির হানাফী মাযহাবের অনুসারি ছিলেন। অহানাফী কোন মুসলিম দলের অনুসারি নয় কোন মুসলিম বিশ্ব আমির। তবে আর তারা সঠিক হয় কেমন করে? কারণ রাসূলের (সা.) পর মুসলিম বিশ্ব আমিরের অনুসরনও একটি ফরজ বিধান। আমির+ওলামা হলে সেই আমিরের অবাধ্য হওয়া যায় না। আমির-ওলামা হলে সেই আমিরের অবাধ্য হওয়া যায়।আমির+ওলামা আমিরও হানাফীতে চৌরাশি জন। অহানাফীতে আমির+ওলামা আমির তো নাই এমনকি আমির-ওলামাও তাদের নাই। তারা হলো নিজে নিজে সঠিক। কিন্তু তাদের সঠিকতার কোন প্রমাণ নাই। অহানাফীরা মাসয়ালার সঠিকতা নিয়ে বিশাল তর্ক জুড়ে দেয়। অথচ ইসলামে মাসয়ালা নয় বরং দলের সঠিকতার তর্কের নিয়ম। দল সঠিক হলে এর মাসয়ালাও সঠিক বিবেচিত হয়। মাসয়ালা সংক্রান্ত তর্কে অহানাফীরা বিশাল অস্বস্তি দায়ক। এরা হলো ফিতনার আখড়া। আমির+ওলামা আমির হযরত আবু বকর (রা.)। শিয়ারা তাঁর সাথে মতভেদের মাধ্যমে মুসলিমদের মাঝে বিভেদ শুরু করেছে। আমির+ওলামা আমির হযরত ওমর (রা.)। সালাফীরা তাঁর সাথে মতভেদের মাধ্যমে মুসলিমদের মাঝে বিভেদ শুরু করেছে।আমির-ওলামা আমির হযরত আলীর (রা.) সাথে মতভেদের মাধ্যমে ইবাদীরা মুসলিমদের মাঝে বিভেদ শুরু করেছে। দুই দল ওলামা হযরত আলীর (রা.) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করায় তাঁকে আমির-ওলামা না বলে উপায় নাই। তথাপি তাঁর হত্যাকারী ইবাদীদের (খারেজী) মাঝে কোন আমির-ওলামা আমিরও নাই। আর হযরত আলী (রা.) শিয়া মতের অনুসারী নন বিধায় শিয়াদের মাঝে কোন বিশ্ব মুসলিম আমির ছিল এমন বলার সুযোগ নাই।
সূরাঃ ২৪ নূর, ১৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৮। আল্লাহ তোমাদের জন্য আয়াত সমূহ সুস্পষ্টভাবে বিবৃত করেন এবং আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
* আল্লাহ তো আয়াতে আমির ও ওলামার কথা সুস্পষ্টই বলেছেন। তো আমির+ওলামা কোন বিশ্ব আমির মুসলিমদের বিভ্রান্ত কোন দলে ছিল? কোন কোন লোক বলে আমি মুসলিম। তাহলে সে ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় কোন মুসলিম বিশ্ব আমিরের অনুসারী? আমিরের অনুসারী হওয়ার কথাতো আল্লাহই বলেছেন। শিয়ারা হযরত আলীকে (রা.) মানার কথা বল্লেও তিনি শিয়ামতের অনুসারী ছিলেন না।
সূরাঃ ২৪ নূর, ২১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২১। হে মুমিনগণ! তোমরা শয়তানের পদাংক অনুসরন করিও না। কেউ শয়তানের পদাংক অনুসরন করলে শয়তানতো অশ্লীলতা ও মন্দ কার্যের নির্দেশ দেয়। আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকলে তোমাদের কেউই কখনও পবিত্র হতে পারতে না, তবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করে থাকেন এবং আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
* রাসূলের (সা.) পর যারা মুসলিম বিশ্ব আমির অনুসারিত অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী নয় তারা শয়তানের অনুসারী। রাসূল (সা.) অভিন্ন ফিকাহের প্রচলক ছিলেন। তাঁরপর যারা মুসলিম বিশ্ব আমির অনুসারিত অভিন্ন ফিকাহের অনুসারি তারা রাসূলের (সা.) অনুসারী। যারা মুসলিম বিশ্ব আমির অনুসারিত অভিন্ন ফিকাহের অনুসারি নয় তারা হলো শয়তানের অনুসারী। মুসলিম বিশ্ব আমির অনুসারিত অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাব। এর বাইরে রাসূলের (সা.) আনুগত্য না থেকে শয়তানের অনুসরন আছে। আর এসব করা হয় মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টির জন্য।
সূরাঃ ২৪ নূর, ৩৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৪। আমরা তোমাদের নিকট নাযিল করেছি সুস্পষ্ট আয়াত, তোমাদের পূর্ববর্তীদের দৃষ্টান্ত এবং মুত্তাকীদের জন্য উপদেশ।
* মুসলিম বিশ্ব আমির অনুসারিত অভিন্ন ফিকাহ বিষয়ে আয়াতে কোন অস্পষ্টতা নাই। কারো এ বিষয়ে সন্দেহ থাকলে তারা আমার সাথে বসুক।আমি তাদেরকে দেখিয়ে দেব আমার কথা কিভাবে সত্য- ইনশাআল্লাহ। মুসলিম বিশ্ব আমির অনুসারিত অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাব বিধায় মুত্তাকীরা অবশ্যই এর অনুসারি হয়। যারা শয়তানের অনুসারি তারা শুধুমাত্র হানাফী মাযহাবের বিরোধীতা করে মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করে।
সূরাঃ ২৪ নূর, ৩৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৫। আল্লাহ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর নূর। তাঁর নূরের দৃষ্টন্ত যেন একটি দীপদানি, যার মধ্যে আছে একটি প্রদীপ।প্রদীপটি একটি কাঁচের আবরণের মধ্যে স্থাপিত। কাঁচের আবরণ উজ্জ্বল নক্ষত্রের মত। এটা প্রজ্জ্বলিত হয পবিত্র যয়তুন বৃক্ষের তৈল দ্বারা।যা প্রাচ্যের নয় প্রতিচ্যেরও নয়। আগুন স্পর্শ না করলেও যেন এর তৈল আলো দেয়। নূরের উপর নূর।আল্লাহর যাকে ইচ্ছা তাঁর নূরের দিকে হেদায়াত প্রদান করেন। আল্লাহ মানুষের (বুঝার) জন্য দৃষ্টান্ত দিয়ে থাকেন। আর আল্লাহ সব কিছু জানেন।
* আল্লাহ প্রদীপের আলো। তিনি আরশ থেকে তাঁর আলোর মাধ্যমে সর্বত্র বিরাজমান। আলো টয়লেটেও থাকে তবে কোন অপবিত্র বস্তু আলোকে স্পর্শ করতে পারে না। টয়লেটের ছুতায় আল্লাহকে আরশে সীমাবদ্ধ করা কুফুরী। এতে বড় আল্লাহকে অনেক ছোট করা হয়। বড় আল্লাহ সর্বত্র থেকেও বড়। তিনি সর্বত্র বিরাজমাণ তো আছেনই, বরং তিনি সর্বত্রের পরেও বিরাজমাণ। কারণ তিনি সর্বত্র থেকেও বড়। এভাবে হানাফী আকিদা শতভাগ সঠিক। যারা হানাফী থেকে ছুটে যায় তারা ইসলাম থেকে ছুটে যায়।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৪
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: মুসলমানদেরকে জানতে হবে তাদের সঠিক দল কোনটি কোন দলের সাথে তারা ঐক্যবদ্ধ হবে।