| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
সূরাঃ ২ বাকারা, ৩০নং আয়াতের অনুবাদ-
৩০। আর যখন আপনার প্রতিপালক ফেরেশতাগণকে বললেন, নিশ্চয়ই আমি পৃথিবীতে খলিফা সৃষ্টি করব। তারা বলল, আপনি কি পৃথিবীতে এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন যে, তারা তাতে বিবাদে লিপ্ত হবে এবং রক্তপাত করবে।আর আমরাই তো আপনার তাসবিহ পাঠ করছি এবং আপনারই হামদ বা প্রশংসা করছি। আর আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি।তিনি বললেন-তোমরা যা জান না নিশ্চয়ই আমি তা’ ভালো করে জানি।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।
* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার মাধ্যমে এক তৃতীয়াংশ জনতাকে এমনভাবে তৈরী করা যেন তারা শত্রু মোকাবেলায় যুদ্ধের ময়দান ছেড়ে না পালায় এবং শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা খেলাফত টিকে থাকা ও প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি। এ পদ্ধতি মেনেই রাসূল (সা.) আল্লাহর খেলাফত প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সাহাবায়ে কেরাম (রা.) খেলাফত টিকিয়ে রাখার ব্যবস্থা না করায় তাঁরা ফেরেশতার কথা বাস্তব প্রমাণ করে নিজেদের মধ্যে বিবাদে লিপ্ত হন এবং রক্তপাত ঘটান। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) যখন দেখলেন খেলাফত আর সম্ভব নয় তখন তিনি রাজতন্ত্র চালু করলেন। খেলাফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি না মেনে হযরত ইমাম হোসেন (রা.) খেলাফত প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করলে প্রতিপক্ষ তাঁর মাথাকেটে বাদশা ইয়াজিদকে উপহার দেয়। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রা.) খেলাফত প্রতিষ্ঠিত করে খেলাফত টিকিয়ে রাখার ব্যবস্থা না করায় তাঁর সেনাদল বাদশাহের সেনাদলের মোকাবেলা না করে যুদ্ধের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যায়, তখন বাদশা আব্দুল মালেকের সেনাপতি হাজ্জাজ বিন ইউসুফের সেনা দল খলিফা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়েরকে (রা.) হত্যা করে তাঁর লাশ মক্কার রাজপথে ঝুলিয়ে রাখে। এরপর মুসলিম বিশ্বে রাজতন্ত্র চলে তেরশ বছর। এখনও সৌদি আরবে রাজতন্ত্র চালু আছে।একদা মাওলানা মওদূদীর মাথায় খেলাফত প্রতিষ্ঠার চিন্তা আসে। তাঁর দল খেলাফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি না মানায় তারা শত বছরের প্রচেষ্টার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে কোন সাফল্য ছাড়াই। অন্য যাদের মাথায় খেলাফত প্রতিষ্ঠার চিন্তা আসছে তারাও খেলাফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি না মেনেই চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং তাদেরও কোন সাফল্য নাই। আল্লাহর সার্থকতা হলো তিনি খেলাফতের কিছুটা নমুনা দেখেছেন এবং তিনি এর কিছুটা প্রচেষ্টা দেখেছেন। তিনি হয়ত বলবেন এর জন্যই আমি খলিফা সৃষ্ট করেছি যা তোমরা জানতে না।
৩১ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩০
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
সূরাঃ ২৮ কাসাস, ৪ নং থেকে ৭নং আয়াতের অনুবাদ-
৪। ফিরাউন দেশে পরাক্রমশালী হয়েছিল এবং তথাকার অধিবাসীবৃন্দকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করে উহাদের একটি শ্রেণীকে হীনবল করেছিল; উহাদের পুত্রগণকে সে হত্যা করতো এবং নারীগণকে জীবিত থাকতে দিত। সে তো ছিল বিপর্যয় সৃষ্টিকারী।
৫। আমরা ইচ্ছা করলাম, সে দেশে যাদেরকে হীনবল করা হয়েছিল তাদের প্রতি অনুগ্রহ করতে, তাদের ইমাম করতে ও তাদের উত্তরাধিকারী করতে।
৬। আর তাদেরকে দেশে ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করতে, আর ফিরাউন, হামান ও তাদের বাহিনীকে তা’ দেখিয়ে দিতে, যা তাদের নিকট হতে তরা আশংকা করতো।
* ফেরাউনের মত আমেরিকা, ইসরায়েল ও ভারত মুসলিমদের হীনবল করার তৎপরতায় লিপ্ত। পূর্বে রাসূলের (সা.) আব্বাসীয় আহলে বাইত ও তাদের হানাফী অনুসারি হীনবল হওয়ার হাত থেকে মুসলিম জাতিকে সুরক্ষা দেয় প্রায় বারশত বছর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তাদের সে পরাক্রম চলে যাওয়ায় আমেরিকা, ইসরায়েল ও ভারত মুসলিমদের উপর চড়াও হয়। হানাফী পরাক্রম ফিরে এলে হীনবল অবস্থা থেকে মুসলিম জাতি মুক্তি পেতে পারে। তারজন্য তাদের জনসংখ্যা বিশ্ব জনসংখ্যার একতৃতীয়াংশ এমন জনসংখ্যা হওয়া দরকার যারা যুদ্ধের ময়দান ছেড়ে চলে যাওয়ার মত হবে না। এমন পরীক্ষায় আফগান হানাফীরা উত্তীর্ণ হয়েছে। যুদ্ধে মাটি কামড়ে পড়ে থাকায় রাশিয়া, আমেরিকা, বৃটিশ ও নেটো তাদেরকে হারাতে পারেনি।ভারত পাকিস্তানী হানাফীকে মানচিত্র থেকে মুছে দিতে চেষ্টা করে এখনো সফল হয়নি।ইসরায়েলের পাশে ভালোভাবে টিকে আছে তুরস্ক।পনের বছরের মধ্যে বাংলাদেশ দখলের চিন্তা করছে ভারত। আমেরিকা-ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্য দখলের চেষ্টায় আছে। ইরান আপাতত আমেরিকা-ইসরায়েলকে ঠেঁকিয়ে রাখছে। রাসূলের (সা.) ঘোষণা হলো মুসলিমদের প্রথম জয় হবে হিন্দুস্থানে। তারপর এরাই মধ্যপ্রাচ্য উদ্ধার করবে। তো হিন্দুস্থানে হানাফী ছাড়া মুসলিমদের আর কোন পক্ষের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ এখানে হিন্দুদের সাথে যুদ্ধ হবে হানাফী পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের সাথে। তাদের সহায়তায় থাকবে চীন। ভারত ভাবছে আমেরিকা-ইসরায়েল যুদ্ধে তাদের সাথে থাকবে। কিন্তু সেটা হবে না। কারণ মধ্যপ্রাচ্য দখল করতেই তাদের সামরিক শক্তি ফুরিয়ে যাবে। সুতরাং পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও চীনের সাথে যুদ্ধ করতে গিয়ে ভারত হেরে যাবে। এ অঞ্চলের জয়ী শক্তির সাথে অবশেষে আমেরিকা-ইসরাইলও হেরে যাবে। আবার মুসলিম বিশ্ব হানাফী নিয়ন্ত্রণে গিয়ে তারা বিশ্বে প্রবল হবে এবং মুসলিম জাতি আবার হীনবল হওয়া থেকে রক্ষা পাবে- ইনশাআল্লাহ। মুসলিমদের অহানাফী বাহাত্তর দলের কোন দল হিন্দুস্থানে জয়ী হওয়ার অবস্থায় আছে কি? উত্তর ‘না’ হলে হানাফীদেরকে বাদ দিয়ে তাদের কোন দলকে মুসলিমদের সঠিক দল মনে করার সংগত কোন কারণ নাই।
- আমার একটা পোষ্টের একাংশ আপানর প্রতিমন্তব্যে উপস্থাপন করলাম। এখানে যে হানাফী শক্তি জয়ী হবে তারা কিছুকাল খেলাফত চালাবে। তখন অমুসলিম দেশ সমূহ তাদের সাথে সমঝোতা করে চলবে বিধায় বিশ্বের নিয়ন্ত্রন তাদের হাতে থাকবে।
২|
৩১ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৭
নতুন বলেছেন: খেলাফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি না মেনে হযরত ইমাম হোসেন (রা.) খেলাফত প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করলে প্রতিপক্ষ তাঁর মাথাকেটে বাদশা ইয়াজিদকে উপহার দেয়। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রা.) খেলাফত প্রতিষ্ঠিত করে খেলাফত টিকিয়ে রাখার ব্যবস্থা না করায় তাঁর সেনাদল বাদশাহের সেনাদলের মোকাবেলা না করে যুদ্ধের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যায়, তখন বাদশা আব্দুল মালেকের সেনাপতি হাজ্জাজ বিন ইউসুফের সেনা দল খলিফা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়েরকে (রা.) হত্যা করে তাঁর লাশ মক্কার রাজপথে ঝুলিয়ে রাখে।
ধর্ম মানুষের সৃস্টি। বোকা মানুষদের উপরে রাজত্য করার জন্য। রাজনিতিক, শাসকেরা সৃস্টিকর্তা মানেনা। মানার ভান করে মাত্র।
কোন মানুষের মাথা কেটে উপহার দেওয়া মানুুষ ধার্মিক না ![]()
৩১ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ইয়াজিদ পক্ষকে ধার্মিক মনে করা হয় না। ধর্মের চেয়ে তাদের নিকট বাদশাহী বড় ছিল। বাদশাহী টিকিয়ে রাখতে তারা তাদের নবির (সা) প্রিয় নাতিকে স্বপরিবারে হত্যা করেছে। বাদশাহি, রাজত্ব ইত্যাদীতে বিবেকের কোন দাম থাকে না। ফিলিস্তিনীদের সাথে ইসরাইল যা করছে সেটা অমানবিক।
৩|
৩১ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪
নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: ইয়াজিদ পক্ষকে ধার্মিক মনে করা হয় না। ধর্মের চেয়ে তাদের নিকট বাদশাহী বড় ছিল। বাদশাহী টিকিয়ে রাখতে তারা তাদের নবির (সা) প্রিয় নাতিকে স্বপরিবারে হত্যা করেছে। বাদশাহি, রাজত্ব ইত্যাদীতে বিবেকের কোন দাম থাকে না। ফিলিস্তিনীদের সাথে ইসরাইল যা করছে সেটা অমানবিক।
আপত দৃস্টিতে ধর্মের কাহিনি শুনে অনেক মহত মনে হবে।
কিন্তু ধর্মের কাহিনিগুলি ভালো করে বুঝতে পারলেই বুঝতে পারবেন ঘাপলাটা কোথায়। রাজনিতিকরা ধর্মকে মানুষ নিয়ন্ত্রনে ব্যবহার করেছে মাত্র।
ইসলামের ৩ খলিফাকে হত্যা করা হয়েছে। রাসুলের নাতীদের হত্যা করা হয়েছে, জামাই শাশুড়ী যুদ্ধ হয়েছে।
আপনিই বলছেন ইয়াজিদ ধর্মিক ছিলো না, তিনি রাসুলের নাতীর মাথা কেটে নিলো, সৃস্টিকর্তা দেখলেন! কিছুই করলেন না।
৩১ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:০৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: তাঁরা অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার দায়িত্ব পালন না করায় আল্লাহ তাঁদের প্রতি বিরক্ত ছিলেন।
৪|
৩১ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৩৬
নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: তাঁরা অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার দায়িত্ব পালন না করায় আল্লাহ তাঁদের প্রতি বিরক্ত ছিলেন।
আল্লাহ রাসুল সা: এর নাতীর মাথা কাটা উপহার দেওয়া এপ্রুভ করেছিলো।
যারা এই কাজ করেছিলো তাদের রাজত্ব করতে দিয়েছিলো। ??? ![]()
০১ লা জুন, ২০২৬ ভোর ৬:২৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: রাসূলের (সা) নাতি হলেও তিনি দক্ষ সংগঠক ছিলেন না। আল্লাহ আবার দক্ষ দেখে পক্ষ নেন। মুসলিমদের আল্লাহর সাহায্য পেতে তাদের সকল বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। নতুবা তারা শহীদ হয়েই সন্তুষ্ট থাকবে। জয়ী আর হতে পারবে না। যেমন হযরত ইমাম হোসেন (রা) দক্ষতার অভাবে জয়ী হতে সক্ষম হননি। তাঁর নানা কিন্তু দক্ষতা এবং আল্লাহর সাহায্যে বিজয়ী হয়েছেন। হযরত ইমাম হোসেনের দক্ষতা না থাকায় তাঁর পক্ষে আল্লাহর সাহায্য আর আসেনি।
৫|
০১ লা জুন, ২০২৬ ভোর ৬:২১
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-২৮)
সূরাঃ ২৮ কাসাস, ৪ নং থেকে ৭নং আয়াতের অনুবাদ-
৪। ফিরাউন দেশে পরাক্রমশালী হয়েছিল এবং তথাকার অধিবাসীবৃন্দকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করে উহাদের একটি শ্রেণীকে হীনবল করেছিল; উহাদের পুত্রগণকে সে হত্যা করতো এবং নারীগণকে জীবিত থাকতে দিত। সে তো ছিল বিপর্যয় সৃষ্টিকারী।
৫। আমরা ইচ্ছা করলাম, সে দেশে যাদেরকে হীনবল করা হয়েছিল তাদের প্রতি অনুগ্রহ করতে, তাদের ইমাম করতে ও তাদের উত্তরাধিকারী করতে।
৬। আর তাদেরকে দেশে ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করতে, আর ফিরাউন, হামান ও তাদের বাহিনীকে তা’ দেখিয়ে দিতে, যা তাদের নিকট হতে তরা আশংকা করতো।
* ফেরাউনের মত আরবের অমুসলিমরা মুসলিমদের হীনবল করার তৎপরতায় লিপ্ত ছিল। তাদের মোকাবেলায় আল্লাহ রাসূলকে (সা.) প্রবল করেছিলেন।রাসূলের (সা.) পর তাঁর আব্বাসীয় আহলে বাইত ও তাদের হানাফী অনুসারির মাধ্যমে আল্লাহ হীনবল হওয়ার হাত থেকে মুসলিম জাতিকে সুরক্ষা দেন প্রায় বারশত বছর। বিশ্বে তাদের মত এমন লম্বা সময় প্রবল আর কোন পক্ষ ছিল না। এখন আমেরিকা, ইসরায়েল ও ভারত মুসলিমদের হীনবল করার তৎপরতায় লিপ্ত।আমেরিকা-ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে মুসলিমদেরকে হীনবল করতে সক্ষম হলে হিন্দুস্থানে ভারত মুসলিমদের হীনবল করতে তৎপর হবে। এ যুদ্ধে তাদের প্রতিপক্ষ হবে হানাফী পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ। চীন তাদের সহায়ক হবে। এ যুদ্ধে ভারত হেরে যাওয়ার বিষয়ে রাসূলের (সা.) হাদিস আছে। আর বাস্তবতার প্রেক্ষাটে এটা অসম্ভব নয়। হিন্দুস্থানে জয়ী হওয়ার পর হানাফী শক্তি আমেরিকা-ইসরায়েলের হাত থেকে মধ্যপ্রাচ্য উদ্ধার করে মুসলিম বিশ্বে প্রবল হবে। অমুসলিম অন্য পক্ষ সমূহ তাদের সাথে সমঝোতায় তাদের নেতৃত্ব মেনে নিলে হানাফী মুসলিম সারা বিশ্বে প্রবল হবে এবং আল্লাহ তাদের মাধ্যমে মুসলিমদেরকে হীনবল হওয়া থেকে সুরক্ষা দিবেন। মুসলিমদের অহানাফী বাহাত্তর দলের কোন দল হিন্দুস্থানে জয়ী হওয়ার অবস্থায় আছে কি? এখানে তাদের কোন রাষ্ট্র নেই এবং ভারতের সাথে তারা যুদ্ধে জয়ী হওয়ার অবস্থায় নেই। সুতরাং রাসূলের (সা.) হাদিস অনুযায়ী হিন্দুস্থানে জয়ী পক্ষ মুসলিমদের হানাফী পক্ষ ছাড়া অহানাফী কোন পক্ষ নয়।এমতাবস্থায় মুসলিমদের হানাফী পক্ষ ছাড়া অহানাফী কোন পক্ষকে সঠিক মুসলিম বলার সংগত কোন কারণ নাই।
সূরাঃ ২৮ কাসাস, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। আমরা মুসার মায়ের নিকট অহি পাঠালাম তাকে দুধপান করাতে। যখন তুমি তার বিষয়ে কোন আশংকা করবে তখন তাকে দরিয়ায় নিক্ষেপ করবে। আর ভয় করবে না ও দুঃখ করবে না।আমি অবশ্যই তাকে তোমার নিকট ফিরিয়ে দেব।আর তাকে রাসুলদের একজন করব।
* আমার স্বপ্ন অনুযায়ী পাকিস্তানের লাদাখ থেকে হযরত মুসার (আ.) মত মুসলিমদের একজন উদ্ধারকারী ইমাম মাহদীর (আ.) উদ্ভব ঘটবে। ওহী এখন বন্ধ আছে। এখন আল্লাহ স্বপ্নের মাধ্যমে মুসলিমদেরকে কোন কোন সংবাদ দিয়ে থাকেন। লাদাখ ভারত ও চীনের সংশ্লিষ্ট। ভারতের মোকাবেলায় চীন ইমাম মাহদীর (আ.) সহায়ক হবে। তাঁর সাথে থাকবে আফগানিস্থান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ। মাহদী (আ.) পক্ষ জয়ী হলে তারা আমেরিকা-ইসরায়েলের হাত থেকে মধ্যপ্রাচ্য উদ্ধারে সক্ষম হবে। বিশ্বের অন্য সকল পক্ষ মাহদীর (আ.) সাথে সমঝোতায় সামিল হয়ে বিশ্বে ইমাম মাহদীর (আ.) নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে। শিয়া ইরান হিন্দুস্থানের যুদ্ধে জয়ী হওয়ার দাবী করতে পারে না। কারণ আমেরিকা-ইনরায়েল তাদেরকে হীনবল করেই মধ্যপ্রাচ্য দখলে নিবে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে ব্যস্ত থাকায় হিন্দুস্থানের যুদ্ধে শামিল হতে পারবে না আমেরিকা-ইনরায়েল। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে রাশিয়া ইরানের সাথে থেকে হীনবল হবে। তারাও হিন্দুস্থানের যুদ্ধে শামিল হবে না। আর হিন্দুস্থানে জয়ী হানাফী পক্ষের বিরোধীতা করবে না। অহানাফী কোন পক্ষ। কারণ তারা হানাফীদের মাধ্যমে আমেরিকা-ইসরায়েূলের হাত থেকে রক্ষা পেতে তৎপর থাকবে। কেউ কেউ হয়ত বলবে আমি কিসসা বলছি। যে সূরার আলোচনায় আমি কিসসা বলছি সেউ সূরার নাম কাসাস। আর আমি কিসসা বললেও তা’ বাস্তবতার আলোকেই বলছি। সুতরাং এটি নিচক কোন কিসসা নয়।
সূরাঃ ২৮ কাসাস, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। উহাদের একজন বলল, হে পিতা! আপনি তাকে মজুর নিযুক্ত করুন, কারণ আপনার মজুর হিসেবে উত্তম হবে সে ব্যক্তি যে শক্তিশালী, বিশ্বস্ত।
* হযরত মুসার (আ.) মতই রাসূলের (সা.) আব্বাসীয় আহলে বাইত ও তাদের হানাফী অনুসারি অমুসলিমদের মোকাবেলায় মুসলিমদের শক্তিশালী পক্ষ। প্রায় বারশত বছর তারা মুসলিম বিশ্বের শাসক ছিলেন। এখনো তাদের তুর্কীরা বীর, আফগানরা অজেয়, পাকিস্তানীরা পারমানবিক শক্তির অধিকারী এবং বাংলাদেশীরা গেরিলা যোদ্ধা। সুতরাং মুসলিমদের হীনবল অবস্থা থেকে প্রবল অবস্থায় ফিরতে এদের নেতৃত্বই সবচেয়ে বাস্তব সম্মত। কারণ ইরানকে হীনবল করেই আমেরিকা-ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্য দখলে নিয়ে মক্কা-,দীনা দখলের পূর্বে নিজেরাই হীনবল হয়ে পড়বে। সংগত কারণে তখন রাসূলের (সা.) আব্বাসীয় আহলে বাইতের অনুসারি হানাফী পক্ষ প্রবল হয়ে আমেরিকা-ইসরায়েলের দখল থেকে মধ্যপ্রাচ্য মুক্ত করার কথা।
সূরাঃ ২৮ কাসাস, ৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৬। তুমি যাকে ভালবাস, ইচ্ছা করলেই তুমি তাকে সৎপথে আনতে পারবে না। তবে আল্লাহই যাকে ইচ্ছা সৎপথে এনে থাকেন আর তিনিই সৎপথ অনুসারীদেরকে ভাল জানেন।
* রাসূলের (সা.) আব্বাসীয় আহলে বাইত ও তাদের হানাফী অনুসারিদেরকেই আল্লাহ সৎপথের বাহক করে অতীতে প্রবল করেছেন। ভবিষ্যতেও হানাফীরাই প্রবল হয়ে সৎপথের বাহক হবে-ইশাআল্লাহ। আল্লাহ তাদেরকে অমুসলিম মোকাবেলায়ূ মোটামুটি প্রস্তুত করেই রেখেছেন।
সূরাঃ ২৮ কাসাস, ৮৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৮৭। তোমার প্রতি আল্লাহর আয়াত নাযিল হওয়ার পর উহারা যেন কিছুতেই তোমাকে সেগুলো হতে বিমুখ না করে। তুমি তোমার প্রতিপালকের দিকে আহবান কর এবং কিছুতেই মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।
* হানাফীদের মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ নাই। কারণ তারা তাদের সাথে যুদ্ধ করতে মুখোমুখি অবস্থানে আছে। ইনশাআল্লাহ তারা মুশকিদেরকে হীনবল করে মুসলিমদেরকে প্রবল করতে সক্ষম হবে। পূর্বেও তারা বহুশত বছর মুশরিকদের ভারত শাসন করেছে।
সূরাঃ ২৮ কাসাস, ৮৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৮৮। তুমি আল্লাহর সাথে অন্যকে ইলাহ হিসাবে ডেক না, তিনি ছাড়া অন্য কোন ইলাহ নেই। আল্লাহর সত্তা ব্যতীত সব কিছু ধ্বংসশীল। বিধান তাঁরই এবং তাঁর নিকট তোমাদেরকে ফিরে যেতে হবে।
* বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুশরিক পক্ষ হীন্দুস্থানে ধ্বংশের অপেক্ষায় আছে। এখান থেকেই হানাফীদের মাধ্যমে আল্লাহর বিধান কার্যকর হওয়া শুরু হবে- ইনশাআল্লাহ।আল্লাহ ছাড়া অন্য ইলাহদের বিনাশ শুরু হবে হিন্দুস্থান থেকেই। ভবিষ্যৎ সেই ঘটনা দেখার অপেক্ষায় আছে।
০১ লা জুন, ২০২৬ ভোর ৬:২৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: যারা যুদ্ধের জন্য বাহিনী প্রস্তুত করতে জানে না জয় তাদের জন্য নয়। মুসলিমদের মধ্যে হানাফীদের যুদ্ধের দক্ষতা সবচেয়ে বেশী বিধায় প্রবল তহে তাদেরকেই লাগবে মুসলিমদের।
৬|
০১ লা জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৩১
রাজীব নুর বলেছেন: চাচাজ্বী ইদ শেষ।
আমি ইদ করে ব্লগে ফিরে এসেছি।
০১ লা জুন, ২০২৬ সকাল ১১:০২
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ঈদ মোবারক।
৭|
০১ লা জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৫১
নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: রাসূলের (সা) নাতি হলেও তিনি দক্ষ সংগঠক ছিলেন না। আল্লাহ আবার দক্ষ দেখে পক্ষ নেন। মুসলিমদের আল্লাহর সাহায্য পেতে তাদের সকল বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। নতুবা তারা শহীদ হয়েই সন্তুষ্ট থাকবে। জয়ী আর হতে পারবে না। যেমন হযরত ইমাম হোসেন (রা) দক্ষতার অভাবে জয়ী হতে সক্ষম হননি। তাঁর নানা কিন্তু দক্ষতা এবং আল্লাহর সাহায্যে বিজয়ী হয়েছেন। হযরত ইমাম হোসেনের দক্ষতা না থাকায় তাঁর পক্ষে আল্লাহর সাহায্য আর আসেনি।
এটা তো ঝড়ে বক পড়ে , ফকিরের কেরামতি বাড়ে তেমন হইয়া গেলো না?
যদি মানুষ শক্তিবান হয়, যুদ্ধে স্কিল্ড হয়, সে যুদ্ধে জয়ী হবে, পরে আপনি বলবেন আল্লাহ তাকে সাহাজ্য করছে। ![]()
০১ লা জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: অনাচারী পক্ষের এক তৃতীয়াংশ যোগ্যতা ও দক্ষতা ন্যায়ের পক্ষে থাকলে আল্লাহ অনাচারী পক্ষের বিপক্ষে থাকেন। এ সূত্রে পড়েননি বলে হযরত ইমাম হোসেন (রা) আল্লাহর সাহায্যের আওতায় আসেননি। আল্লাহ সাহায্য করেন, কিন্তু কোন ক্ষেত্রে তিনি কতটা সাহায্য করেন সেটা জেনে আপনাকে যুদ্ধ করতে হবে। নতুবা সন্ধি অথবা হিজরত করতে হবে।
৮|
০১ লা জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৫৯
নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: অনাচারী পক্ষের এক তৃতীয়াংশ যোগ্যতা ও দক্ষতা ন্যায়ের পক্ষে থাকলে আল্লাহ অনাচারী পক্ষের বিপক্ষে থাকেন। এ সূত্রে পড়েননি বলে হযরত ইমাম হোসেন (রা) আল্লাহর সাহায্যের আওতায় আসেননি। আল্লাহ সাহায্য করেন, কিন্তু কোন ক্ষেত্রে তিনি কতটা সাহায্য করেন সেটা জেনে আপনাকে যুদ্ধ করতে হবে। নতুবা সন্ধি অথবা হিজরত করতে হবে।
আগেই বলেছি। ঝড়ে বক পড়ে , ফকিরের কেরামতি বাড়ে
আপনি বিজয়ী পক্ষে থাকার জন্য যুক্তি খুজছেন মাত্র।
যেমন কোরানে ইসমাইল আ: কে কুরবানীর কথা নাই। আমাদের দেশে প্রচলিত কাহিনিতে ইসমাইলের মহিমায় ভরপুর। কারন কি??? এখানেও ইসমাইল আ: কে এনেছে কিছু গোজা মিল দেবার জন্য।
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আর কখনো ফিরবেও না।