| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ২৯ আনকাবুত, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। এ সকল দৃষ্টান্ত আমি মানুষের জন্য দেই। কিন্তু এটা আলেমরা ছাড়া কেউ বুঝে না।
* মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত দৃষ্টান্ত আলেমরা বুঝেন। তাঁরা রাসূলের (সা.) সম্পদ এলেমের ওয়ারিশ। ইন্তেকালের পর কেউ তাঁর সম্পদের মালিক থাকে না। তখন তাঁর সম্পদের মালিক হয় তাঁর ওয়ারিশ। সুতরাং এখন রাসূলের (সা.) এলেমের মালিক তাঁর ওয়ারিশ আলেমগণ।সংগত কারণে এখন রাসূলের (সা.) অনুসরন হবে তাঁর ওয়ারিশ আলেমের অনুসরনের মাধ্যমে। ইন্তেকালের পূর্বে রাসূলের (সা.) সরসরি অনুসরনের বিধান থাকলেও ইন্তেকালের পর রাসূলের (সা.) সরাসরি অনুসরনের বিধান বাতিল হয়ে গেছে। সেজন্য এখন আহলে হাদিস হলো শতভাগ বাতিল একটি দল। কারণ এরা রাসূলের (সা.) ওয়ারিশ আলেমগণের অনুসরনের মাধ্যমে রাসূলের (সা.) অনুসরন না করে বাতিল বিধি অনুযায়ী সরাসরি রাসূলের (সা.) অনুসরন করে নিজেরা বিভ্রান্ত হয় এবং অন্যদেরকে বিভ্রান্ত করে। মোনাফেক নিজের কথাকে রাসূলের (সা.) হাদিস বলে চালিয়ে দিয়েছে বহু সংখ্যায়। সেজন্য রাসূলের (সা.) ওয়ারিশ আলেমগণের অনুসরনের মাধ্যমে রাসূলের (সা.) অনুসরন না করলে রাসূলের (সা.) অনুসরনের নামে মোনাফেকের অনুসারি হয়ে তাদের সাথে জাহান্নামে যেতে হবে।
একজন আলেমের মত ইসলামে গৃহিত নয়। একজন আলেম হযরত আদমকে (আ.) শয়তান ধোকায় ফেলেছে। একাধীক আলেম একসঙ্গে থাকলে একজন আলেম অন্য আলেমের ভুল সংশোধন করেন। তাতে তাঁদেরকে ধোঁকায় ফেলতে শয়তান অক্ষম হয়। কোন দলে আলেম সংখ্যা যত বেশী হবে সে দলের শুদ্ধতা তত বেশী নিশ্চিত হবে। হযরত ওমর (রা.) প্রথম ওলামা পরিষদ গঠন করেন তাঁর পরবর্তী খলিফা নির্বাচনের জন্য। এরপর অভিন্ন ফিকাহ সংকলনে ইমাম আবু হানিফা (র.) ওলামা পরিষদ গঠন করেন। তাঁর পরিষদে সংকলিত অভিন্ন ফিকাহ হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবির (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় খলিফা হারুনুর রশিদের ওলামা পরিষদে পরিশোধীত এবং এটি হানাফী মাযহাব নামে আমির হারুনুর রশিদ কর্তৃক অনুমোদীত হয়। যা পরবর্তী ছিয়াশি মুসলিম বিশ্ব আমির কর্তৃক এবং দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম কর্তৃক অনুসারিত হয়। এ আব্বাসীয় ও তাঁদের অনুসারী তুর্কী হানাফীদেরকে আল্লাহ প্রা্য় বারশত বছর মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা প্রদান করেন। যে সব আলেম হানাফী বিরোধীতা করে তারা মূলত শয়তানের ধোকায় আক্রান্ত। মুসলিমদের মাঝে বিভেদ তৈরী করতে তারা এ ঘৃণিত কাজ করে। যা কোন মুসলিম বিশ্ব আমির অনুমোদীত নয়। অথচ রাসূলের (সা.) পর আল্লাহ মুসলিম বিশ্ব আমিরের অনুসরন বাধ্যতামূলক করেছেন। অহংকারী আলেম সর্ববৃহৎ ওলামা দল হানাফী ওলামা দলের সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়ে শয়তানের সঙ্গী হয়ে কুফুরিতে লিপ্ত হয়ে নিজেদের অনুসারী সহ জাহান্নামে চলে যায়।
সূরাঃ ২৯ আনকাবুত, ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
২। মানুষ কি মনে করে যে, ‘আমরা ঈমান এনেছি’ এ কথা বললেই তাদেরকে পরীক্ষা না করেই ছেড়ে দেওয়া হবে?
* ঈমানের পরীক্ষা হলো আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের মান্যতা। কারো অভিন্ন ফিকাহের মান্যতা ছিল কিনা এ পরীক্ষা না করে আল্লাহ কোন লোককে ছেড়ে দিবেন না। কারণ অভিন্ন ফিকাহের মান্যতা ছেড়েই মুসলিম বহু দলে বিভক্ত হয়। আমির অনুমোদীত ও অনুসারিত একমাত্র অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাব। এর বাইরে থেকে কারো জান্নাতে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই।
সূরাঃ ২৯ আনকাবুত, ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আমরাতো তাদের পূর্ববর্তীদিগকেও পরীক্ষা করেছিলাম। আল্লাহ অবশ্যই প্রকাশ করে দিবেন কারা সত্যবাদী এবং তিনি অবশ্যই প্রকাশ করে দিবেন কারা মিথ্যাবাদী।
* আল্লাহ তাঁর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের মান্যতার কথা বলেছেন। রাসূল (সা.) অভিন্ন ফিকাহের মান্যতার প্রচরলন করেছেন। মোনাফিক নিজের কথাকে হাদিস হিসাবে প্রচার করে রাসূলের (সা.) অভিন্ন ফিকাহ নষ্ট করেছে। হানাফী মাযহাব নামে সেই অভিন্ন ফিকাহ আবার ফিরে আসে। যারা এ বিশুদ্ধ অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী নয় তারা আল্লাহ ও রাসূলের (সা.) আনুগত্যের দাবীতে মিথ্যাবাদী। তারা ও তাদের অনুসারিদের জন্য জাহান্নাম প্রস্তুত আছে।
সূরাঃ ২৯ আনকাবুত, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আমরা নিশ্চয়ই তাদের থেকে তাদের মন্দকর্মগুলি মিটিয়ে দেব এবং আমরা অবশ্যই তাদেরকে প্রতিদান দেব, তারা যে উত্তম কর্ম করতো তার।
সূরাঃ ২৯ আনকাবুত, ৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৯। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আমরা অবশ্যই তাদেরকে সৎকর্মপরায়নদের অন্তর্ভূক্ত করব।
* সবচেয়ে বড় সৎকর্ম হলো আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ অনুযায়ী জীবন যাপন করা। যারা এভাবে জীবন যাপন করবে আল্লাহ অবশ্যই তাদেরকে প্রতিদান দিবেন। আল্লাহ তাদেরকে অবশ্যই সৎকর্মপরায়নদের অন্তর্ভূক্ত করবেন।
সূরাঃ ২৯ আনকাবুত, ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। যারা আমাদের উদ্দেশ্যে জিহাদ করে আমরা অবশ্যই তাদেরকে আমাদের পথে পরিচালিত করব। আল্লাহ অবশ্যই সৎকর্মপরায়নদের সঙ্গে থাকেন।
* রাসূলের (সা.) আব্বাসীয় আহলে বাইত ও তাদের হানাফী অনুসারি মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে ক্রমাগত বারশ বছর জিহাদ চালিয়ে গেছে তাদের জিহাদের সাফল্যে প্রতিয়মাণ হয় তারা আল্লাহর পথেই পরিচালিত ছিল। তাদের তুর্কীরা বীর, আফগানরা অজেয়, পাকিস্তানীরা আনবিক শক্তির মালিক এবং বাংলাদেশীরা গেরিলাযোদ্ধা। গযওয়ায়ে হিন্দে জয়ী হলে তারাই জয়ী হবে। কারণ মুসলিমদের অন্য বাহাত্তর দলের কোন রাষ্ট্র এ অঞ্চলে নেই। আর গযওয়ায়ে হিন্দে জয়ীদেরকে রাসূল (সা.) নাজাত প্রাপ্ত বলেছেন। সুতরাং তাদেরকে বাদ দিয়ে মুসলিমদের অন্য বাহাত্তর দলের কোন দলকে সঠিক বলার সুযোগ নাই।
০২ রা জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৩৮
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সবার সব কাজ পরিমাপ করা হবে। মন্দ থেকে ভালো বেশী হলে অবস্থান ভালো হবে। ভালোর পরিমাণ বেশী অনুযায়ী অবস্থান উন্নত হবে। মন্দের পরিমাণ বেশী অনুযায়ী অবস্থান বেশী অনুন্নত হবে। ভালো ও মন্দের সামান্যতমের হিসাবও করা হবে।
২|
০২ রা জুন, ২০২৬ ভোর ৬:২৭
অগ্নিবাবা বলেছেন: চাচা, আমি সৎকর্ম করার চেষ্টা করি কিন্তু ইমান তো দূর করি বাত, সন্দেহ পোষন করি, আমার কি হবে? আমাকে শাস্তি দেওয়া হলে কেনো দেওয়া হবে? আমি ইমান না আনলে আল্লাহর কি ক্ষতি হবে? ইমান বিহীন সৎকর্ম কি আসলে অসৎকর্ম? ধরেন একজন গরিব ভাইকে আমি একটা রিক্সা কিনে দিলাম, যেহেতু আমার ইমান নেই, আসলে কি আমি গরীবভাইকে উপকার করে ক্ষতি করে দিলাম? চাচায় কি কন?
০২ রা জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৪২
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ঈমানের পরে সৎকর্মের জন্য জান্নাত। ঈমান বিহীন অবস্থার জন্য জাহান্নাম। তবে সৎকর্মের কারণে সেখানে শাস্তি কম হবে। যারা বেশী অসৎ যেমন মোনাফেক। তাদের অবস্থান হবে জাহান্নামের নিম্নস্তরে।আপনি যেহেতু মোনাফেক নন আপনার অবস্থান হবে নিম্নস্তর থেকে ঊঁচু স্তরে।
৩|
০২ রা জুন, ২০২৬ সকাল ১০:১৫
অগ্নিবাবা বলেছেন: তাইলে চাচা, মাথা দিয়ে ভাবুন, আপনাদের বস সৎকর্মের চাইতে তাঁর পদলেহন বেশী পছন্দ করেন। এই রকম বসরে মন দিয়ে কেম্বায় শ্রদ্ধা করুম? আপনারা তাঁর পদলেহন করেন শাস্তির ভয়ে বা পুরস্কারের আশায়। আপনারা একই সাথে ভীতু এবং লোভী, তাই নয় কি?
০২ রা জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনি কি করবেন না করবেন সেটা আপনার বিষয়। ক্ষমতাসীনরা চায় সবাই তাদের অনুগত থাকুক। আমাদের বস সর্বশক্তিমান। সে হিসাবে তিনি আনুগত্য চাইতেই পারেন। আমরাও তাঁর আনুগত্য করি লাভের আশায় এবং তাঁর শাস্তির ভয় থেকে বাঁচতে। আপনার মত ইগো মেনে আমরা বিপদে পড়তে চাই না।
৪|
০২ রা জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৭
অগ্নিবাবা বলেছেন: যেমন বস তাঁর তেমন শাকরেদ, বস হইল বড় ডন তাঁর চারিপাশে ঘুর ঘুর করছে পা চাটা লোভী মব। সরি চাচা, এর চেয়ে ভালো কিছু কল্পনা করা গেলো না। এই ফিলসফি নিলে চললে সেই সমাজের ভালো হবে কেমনে? গোল্লায়ে যাবেন।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সবচেয়ে বড় সৎকর্ম হলো আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ অনুযায়ী জীবন যাপন করা।
.....................................................................................................................
কিন্ত সেখানে কি বলা আছে সৎ ভাবে বাচঁতে হলে ,আধুনিক বিশ্বে আর্থি ক
অর্জন কিভাবে হবে ? উপরন্ত আমরা দেখছি গতকাল যিনি সৎ ছিলো
হঠাৎ সুযোগ পেয়ে তিনি আঙ্গুলফুলে কলাগাছ হয়েছেন ।