নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-৩০)

০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১:০৩



সূরাঃ ৩০ রূম, ৩২ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। যারা নিজেদের দীনে মতভেদ সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে।প্রত্যেক দল নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে উৎফুল্ল।

সূরাঃ ৩০ রূম, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। বরং সীমালংঘনকারীগণ অজ্ঞানতাবশত তাদের খেয়াল খুশীর অনুসরন করে, সুতরাং আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, কে তাকে সৎপথে পরিচালিত করবে? আর তাদের কোন সাহায্যকারী নেই।

* প্রক্যেক দল নিজি নিজ মতবাদ নিয়ে উৎপুল্ল হওয়ার কারণে তারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত আছে। অজ্ঞানতাবশত আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ না মেনে খেয়াল খুশীর অনুসরনের কারণে তারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়। সাহাবায়ে কেরাম (রা.) আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ প্রচার না করে হাদিস প্রচার করায় তাঁরা মতভেদে আক্রান্ত হয়ে পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজরে নিহত হয়েছেন।সুযোগ বুঝে মোনাফেকরা নিজেদের কথাকে হাদিস হিসাবে প্রচার করে রাসূল (সা.) প্রচারিত অভিন্ন ফিকাহ নষ্ট করে। নষ্ট অভিন্ন ফিকাহের কারণে মুসলিমদের বিভ্রান্ত দলের সংখ্যা বেড়ে যায়।অবশেষে ইমাম আবু হানিফা (র.) নষ্ট অভিন্ন ফিকাহ মেরামত করেন। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবরি (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় মুসলিম বিশ্ব আমির খলিফা হারুনুর রশিদ ইমাম আবু হানিফার (র.) মেরামত কৃত অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদন করলে পরবর্তী মুসলিম ছিয়াশি বিশ্ব আমির এবং দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হয়। অজ্ঞানতাবশত খেয়াল খুশীর অনুসরনকারী একতৃতীয়াংশ মুসলিম হানাফী মাযহাবের বিরোধীতা করে। তাদের সৎপথে পরিচালিত হওয়া বিষয়ে আল্লাহর ইচ্ছা না থাকায় তারা মুসলিম বিশ্ব আমিরগণের বিরোধী হয়েছে। অথচ তাদের হানাফী বিরোধীতার অনুসরন করেনি কোন মুসলিম বিশ্ব আমির। আর রাসূলের (সা.) পর আল্লাহ আমিরের অনুসরন বাধ্যতা মূলক করার পরেও এরা আমিরের উল্টা পথে চলায় এদের সৎপথে চলার বিষয়টি আল্লাহ বাতিল করে দিয়েছেন। সেজন্য তারা হানাফীদের সাথে না থেকে উল্টা পথে জাহান্নামের যাত্রী হয়েছে।

সূরাঃ ৩০ রূম, ২ নং আয়াত থেকে ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
২। রোমানগণ পরাজিত হয়েছে
৩। নিকটবর্তী অঞ্চলে; কিন্তু তারা তাদের এ পরাজয়ের পর শীঘ্রই বিজয়ী হবে।
৪। কয়েক বছরের মধ্যেই। পূর্বের ও পরের সিদ্ধান্ত আল্লাহরই। আর সেদিন মুমিনগণ আনন্দীত হবে।
৫। আল্লাহর সাহায্যে। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন এবং তিনি পরাক্রমশালী পরম দয়ালু।

* মুসলিম বন্ধু অমুসলিমদেরকেও আল্লাহ সাহায্য করেন। সুতরাং অমুসলিমরা শত্রুতা না করলে তাদের সাথে বন্ধুত্বে সমস্যা নাই। তবে মুসলিমদের বিপক্ষে অমুসলিমদের বন্ধুত্ব সঠিক নয়। এ নীতি মেনে আব্বাসীয় ও তাদের হানাফী অনুসারি বারশত বছর মুসলিম বিশ্ব শাসন করেছে এবং তখন তারা ছিল বিশ্ব মোড়ল। বিশ্ব মোড়ল হিসাবে হানাফীদের থেকে আর কোন পক্ষ বেশী সফল নয়। বর্তমান বিশ্ব মোড়ল আমেরিকা হানাফীদের থেকে কম সফল। এখন গজওয়ায়ে হিন্দে (ভারতের যুদ্ধ) চীনের সহায়তায় হানাফী পক্ষ (পাকিস্তান, আপগানিস্তান ও বাংলাদেশ) জয়ী হলে তারা আবার বিশ্ব মোড়ল হওয়ার দিকে যাত্রা করবে। এহানাফী পক্ষ বিশ্ব মোড়ল হতে পারলে বিশ্ব আবার শান্তিতে থাকতে পারবে। হানাফীদের মত মুসলিমদের আর কোন পক্ষের বিশ্ব মোড়ল হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি?

সূরাঃ ৩০ রূম, ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫। আল্লাহর সাহায্যে। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন এবং তিনি পরাক্রমশালী পরম দয়ালু।

* খোলাফায়ে রাশেদা ত্রিশ বছর। উমাইয়া খেলাফত নব্বই বছর। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবরি (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় খেলাফত ও তাদের অনুসারী হানাফী তুর্কী সালতানাত প্রায় বারশত বছর। তাহলে আল্লাহর সাহয্য কোন দিকে গেল? কেনইবা এমন হলো? খোলাফায়ে রাশেদা ও উমাইয়া খেলাফত আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের প্রচলন করেনি। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবরি (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় খেলাফত ও তাদের অনুসারী হানাফীরা অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাবের প্রচলন করেছে। সালাফি মানহাজ চালু করে সৌদি আরব অমুসলিমদের তাবেদার হয়েছে। বছর। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবরি (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় খেলাফত ও তাদের অনুসারী হানাফীদের তাবেদারী করতো অমুসলিমরা। সামনে মধ্যপ্রাচ্য দখলে নিবে আমেরিকা-ইসরায়েল। গজওয়ায়ে হিন্দে হানাফী পক্ষ জয়ী হয়ে আমেরিকা-ইসরায়েলের হাত থেকে মধ্যপ্রাচ্য উদ্ধার করবে। তখন অমুসলিমরা সমঝোতার মাধ্যমে তাদের বিশ্ব নেতৃত্ব মেনে নিবে। আর তাদের নেতেৃত্বেই বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। সুতরাং হানাফীরা অতীতে আল্লাহর সাহায্য পেয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তারাই আল্লাহর সাহায্য পাবে- ইনশাআল্লাহ। তারা ছাড়া মুসলিমদের অন্য কোন দলের সঠিকতার সংগত কোন কারণ আছে কি?

সূরাঃ ৩০ রূম, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। যাদের জ্ঞান নেই আল্লাহ এভাবে তাদের হৃদয় মোহর করে দেন।

* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের যাদের জ্ঞান নেই। তাদের হৃদয় মোহর করা। তারা সঠিক ইসলাম বুঝে না। অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ হয় এবং হাদিস বাতিল হয়। যারা এটা জানে না তারা মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে অভিন্ন ফিকাহের সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়। আল্লাহ সত্যবাদীদের সাথে থাকতে বলেছেন। রাসূলের (সা.) শুধুমাত্র হযরত আবু বকরকে (রা.) সত্যবাদী খেতাব দিয়েছেন। হযরত আলীর খেতাব ছির পশু প্রধানের খেতাব। পশুপ্রধানের খেতাবধারী মানুষের প্রধান হতে পারে কি? অভিন্ন ফিকায় খলিফা হলেন হযরত আবু বকর (রা.)। অজ্ঞলোকেরা এর বিরোধীতা করলো মাওলার হাদিস দ্বারা। অথচ রাসূল (সা.) মাওলার দায়িত্ব পেয়েছেন চল্লিশ বছর বয়সে। সুতরাং তেত্রিশ বছর বয়সি হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ছিল রাসূলের (সা.) একটি ত্রুটি। ঐচ্ছিক বিষয়ে রাসূলের (সা.) এমন ত্রুটি হতো। যেমন বদর যুদ্ধের বন্দী মুক্তির বিষয়টি রাসূলের (সা.) ঐচ্ছিক ত্রুটি হিসাবে আল্লাহ ঘোষণা করেছেন। অবশ্য আল্লাহর পূর্ব বিধানে রাসূল (সা.) ক্ষমাপ্রাপ্ত ছিলেন বিধায় ত্রুটির কারণে রাসূলের (সা.) কোন পাপ ছিল না। তবে রাসূল (সা.) থেকে অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষায় শিক্ষিত নাহাবায়ে কেরাম (রা.) রাছুলের (সা.) ঐচ্ছিক কাজের ত্রুটির উপর আমল করেননি। অভিন্ন ফিকায় খলিফা হওয়া হযরত আবু বকরের (রা.) খেলাফতে সন্তুষ্ট না হওয়ায় হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতে হত্যাকান্ডের ধারা চলমাণ রয়েছে। ইদানিং তাঁর আহলে বাইত ইমাম আলী খামেনী নিহত হয়েছেন। অথচ অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাব প্রচলনকারী হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবরি (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় খলিফা ও তাদের অনুসারী হানাফীদেরকে আল্লাহ রহমত মুড়িয়ে দিলেন। তারা বিশাল মুসলিম বিশ্বের শাসক ছিল প্রায় বারশত বছর। হযরত আলীর (রা.) যেসব আহলে বাইত হানাফী হয়েছে। তারাও আল্লাহর রহমতে শামিল আছে। সুতরাং যাদের জ্ঞান নাই তারাই কেবল আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাবের বিরোধীতা করে জাহান্নামের যাত্রী হতে পারে।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৪

প্রজ্জলিত মেশকাত বলেছেন: ভাই, দয়া করে এসব কাল্ট বাদ দেন। আপনি একাই ইসলাম বুঝেন না। অন্যরাও কিছু বুঝে।

০৪ ঠা জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



কোরআন, হাদিস ও সাহাবার (রা.) আমল নয়, বরং কোন কিছু অভিন্ন ফিকায় না থাকলে বিদয়াত হয়

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ আল্লাহর দ্বীন। এর পরিবর্তে কোরআন মানসুথ ও হাদিস বাতিল। এ বিধানের সাথে যারা মতভেদে লিপ্ত হবে তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। তাদের সে মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম।কারণ এরা বিদয়াতে লিপ্ত।

# কোরআন মানসুখের নমুনা-

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।

সূরাঃ ২৪ নূর, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। ইহা একটি সূরা, ইহা আমরা নাযিল করেছি এবং আমরা ইহার বিধানকে ফরজ করেছি। আর এতে আমরা সুস্পষ্ট আয়াত সমূহ নাযিল করেছি যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।

সূরাঃ ২৪ নূর, ৩০ নং ও ৩১ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩০। মুমিনদেরকে বল, তারা যেন দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের লজ্জা স্থানের হেফাযত করে। এত তাদের জন্য উত্তম পবিত্রতা রয়েছে। তারা যা করে সে বিষয়ে আল্লাহ অবহিত।
৩১। মুমিনা বা মুমিন নারীদেরকে বল, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। তারা যেন যা সাধারণত প্রকাশমান তা’ ব্যতীত তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে। তাদের ঘাড় ও বুক যেন মাথার কাপড় দ্বারা ঢেকে রাখে। তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভাইয়ের পুত্র, বোনের পুত্র, নিজস্ব নারীগণ, মালিকানাধীন দাসী, যৌন কামনা রহিত পুরুষ এবং নারীদের গোপনাঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ বালক ব্যতিত কারো নিকট আভরণ (সাজ এবং সাজের পোশাক) প্রকাশ না করে। তারা যেন তাদের গোপন পোশাক প্রকাশের জন্য সজোরে পা না ফেলে। (এমন পা ফেলার কারণে শাড়ী, ওড়না বা চাদর খসে যেন শাড়ী, ওড়না বা চাদরের নীচের পোশাক দেখা না যায়)।হে মুমিনগণ তোমরা সবাই আল্লাহর দিকে ফিরে আস, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।

* কোন ক্ষেত্রে অসম্ভব কাজের বিধান মানসুখ হয়। মুমিন বা মুমিনা ডাক্তারের রোগীর দেহের দিকে না তাকিয়ে সার্জারী করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে দৃষ্টিকে সংযত করার ফরজ বিধান মানসুখ হবে। তবে নিজের লজ্জাস্থানের হেফাজতের ফরজ বিধান মানসুখ না হয়ে বহাল থাকবে। কারণ এ ক্ষেত্রে দৃষ্টিকে সংযত করা অসম্ভব হলেও এ ক্ষেত্রে লজ্জাস্থানের হেফাজত অসম্ভব নয়।

# হাদিস মানসুখের নমুনা

সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।

* হাদিস হলো কোরআনের হুবহু বিবরণ। সুতরাং অসম্ভব ক্ষেত্রে কোরআন মানসুখ হলে অসম্ভব ক্ষেত্রে হাদিসও মানসুখ হবে।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

* সংকলিত অভিন্ন ফিকাহ রাসূল (সা.) ও সাহাবার (রা.) আমলে নাই। এটা রাসূল (সা.) ও সাহাবার (রা.) সাথে যারা মিলিত হননি সেই তাবে তাবেঈর আমলে আল্লাহর অনুগ্রহ হিসাবে এসেছে।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

* সংকলিত অভিন্ন ফিকাহ না থাকায় রাসূল (সা.) কর্তৃক অনুচিত কার্য সংঘটিত হয়েছে এবং সাহাবায়ে কেরাম (রা.)পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হয়েছেন। হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইত হযরত আবু বকরের (রা.) খেলাফতে সন্তুষ্ট না হওয়ায় হত্যাকান্ডের আওতাভুক্ত হয়েছেন।হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতের মধ্যে এ ধারা চলমান আছে। এ ধারায় ইদানিং হযরত আলীর আহলে বাইত আলী খামেনী নিহত হয়েছেন। তবে হযরত আলীর (রা.) আহলে বাইতের যারা হযরত আবু বকরের (রা.) খেলাফতে সন্তুষ্ট তারা হত্যাকান্ডের বাইরে আছেন। তারা হত্যাকান্ডের মধ্যে পড়লে এ ক্ষেত্রে অন্য কারণ তালাম করতে হবে। আল্লাহর পূর্ব বিধান রাসূল (সা.) ও তাঁর সাহাবার (রা.) প্রতি ক্ষমার কারণে অভিন্ন ফিকাহের অমান্যতার কারণে তাঁদের দোষারোফ করা হারাম। কারণ তাঁরা মাসুম বা বেগুনাহ।যাঁরা মাসুম তাঁদের সমালোচনা মহাপাপ।

সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৩০ রূম, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। বরং সীমালংঘনকারীগণ অজ্ঞানতাবশত তাদের খেয়াল খুশীর অনুসরন করে, সুতরাং আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, কে তাকে সৎপথে পরিচালিত করবে? আর তাদের কোন সাহায্যকারী নেই।

সূরাঃ ৩০ রূম, ৩২ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। যারা নিজেদের দীনে মতভেদ সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে।প্রত্যেক দল নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে উৎফুল্ল।

* ইমাম আবু হানিফা (র.) অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করেন। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবির (সা.) আহলে বাইত ইব্রাহিম (আ.) বংয়শিয় মুসলিম বিশ্ব আমির আব্বসীয় খলিফা হারুনুর রশিদ ইমাম আবু হানিফা (র.) সংকলিত অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধন ও অনুমোদন করেন। যা পরবর্তী ছিয়াশি মুসলিম বিশ্ব আমির খলিফা ও সুলতান অনুসরন করেন। সবসময় সেই থলিফা ও সুলতানের হানাফী অনুসারী থাকে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম।সীমালংঘনকারীগণ অজ্ঞানতাবশত তাদের খেয়াল খুশীর অনুসরন করে হানাফীদের সাথে মতভেদ করায় তারা জাহান্নামের যাত্রী হয়েছে। মুসলিমদের মধ্যে এরা এক তৃতীয়াংশ। এরা সুনিশ্চিতভাবে পথভ্রষ্ট। কারণ তাদের হানাফী বিরোধীতার অনুসারি হননি কোন মুসলিম বিশ্ব আমির। অথচ রাসূলের (সা.) পর মুসলিম বিশ্ব আমিরের অনুসরন আল্লাহ ফরজ করেছেন।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

* শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার সামরিক শক্তি হানাফীদেরকে আল্লাহ পূর্বেও দিয়েছেন। এখনো তাদের পাকিস্তানের কাছে আছে শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার আনবিক শক্তি। তাদের তুর্কীরা বীর, আফগানরা অজেয় ও বাংলাদেশীরা গেরিলা যোদ্ধা। চীনকে সাথে নিয়ে এরা গযওয়ায়ে হিন্দে জয়ী হবে। আমেরিকা-ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্য দখল করলে তাদের কাছ থেকে তারা মধ্যপ্রাচ্য উদ্ধার করবে। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবির (সা.) আহলে বাইত ইব্রাহিম (আ.) বংয়শিয় মুসলিম বিশ্ব আমির আব্বসীয় খলিফাগণ ও তাঁদের অনুসারী হানাফী পূর্বে প্রায় বারশত বছর মুসলিম বিশ্ব শা্সক ছিল এবং আগামীতেও সেই পথেই তারা অগ্রসর হচ্ছে কারণ বিশ্বের একতৃতীয়াংশ জনসংখ্যা হওয়ার ক্ষেত্রে মুসলিমদের মধ্যে তারাই সবচেয়ে বেশী এগিয়ে আছে। হানাফীদের অহানাফী সকল বিরোধী পক্ষ শয়তানের অনুসারি ও জাহান্নামের যাত্রী। এরা মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির দায়ে দায়ী।

২| ০৪ ঠা জুন, ২০২৬ ভোর ৫:৩৯

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আপনি আপনার মতবাদ নিতে উৎফুল্ল থাকুন,আমি আমার মতবাদ নিয়ে উৎফুল্ল আছি,সবাই সবার মতবাদ নিয়ে উৎফুল্ল আছে।কেয়ামতের দিনেই প্রমান হবে কার মতবাদ সঠিক।এবং কে সর্বাধিক সঠিক পথে রয়েছে।দুনিয়াতে একেকজনের বুঝ একেকরকম

০৪ ঠা জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৩৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সঠিক মত মৃত্যুর পূর্বেই বুঝতে হবে। মরার পরে এটা বুঝে মূলত কোন লাভ নাই।

৩| ০৪ ঠা জুন, ২০২৬ ভোর ৫:৪৬

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আপনি হানাফি মাজহাবের কোন কোন আলেমকে এই লেখা দেখিয়েছেন।তারা কি বলেছে?

০৪ ঠা জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৩৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমি এখন নিয়মিত বড় বিশ-ত্রিশটি গ্রুপে আমার পোষ্ট করে থাকি। ২০১৬ সাল থেকে আমার তেমন বিরোধীতা দেখছি না। কতিপয় অজ্ঞ লোক আমার কিছু বিরোধীতা করলেও পরে তারা আমার কিরোধীতা পরিত্যাগ করেছে।

৪| ০৪ ঠা জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৫৬

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: সঠিক মত মৃত্যুর পূর্বেই বুঝতে হবে। মরার পরে এটা বুঝে মূলত কোন লাভ নাই

আপনি যদি সঠিক পথে থাকেন,অন্যরা ভুল পথে থাকলে সেজন্য আপনার কোনো দায় নেই।
সবাই যদি নিজ নিজ মতকে সঠিক মনে করে,তাহলে বুঝিয়ে অবশ্যই কোনো লাভ নেই।আল্লাহ তায়ালা বলেন,ওয়াল্লাযিনা যাহাদু ফি না লানাহদিয়ান্নাহুম সুবুলানা।
অর্থ, যারা সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়ার জন্য সাধনা করে আল্লাহ তাদের জন্য অগনিত পথ খুলে দেন।"এখানে কিন্তু একটা পথের কথা বলা হয়নি, অসংখ্য পথের কথা বলা হয়েছে।কিন্তু নবী রসূলদের দেখানো পথেই সাধনা করতে হবে।এর বাইরে গিয়ে সাধনা করা যাবেনা।এই সূত্র মতে সকল মাজহাবই সঠিক প্রমানিক হলো।কারন সকল মাজহাবই নবীদের দেখানো পথ অনুসরন করে।এবং এক মাজহাবের ইমাম অন্য মাজহাবকে বাতিল বলেননি।তাহলে আপনি কেন বাতিল বলছেন।ইমাম বু হানিফা,তার মত ব্যাতিত অন্য মতকে বাতিল বলেছেন এমন কোনো প্রমান আছে কি

০৪ ঠা জুন, ২০২৬ সকাল ৯:২৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সুবুলুন হলো বিভিন্ন ইবাদতের বিভিন্ন পথ এ টা এক ইবাদতের বিভিন্ন পথ নয়। কে কি বলেছে আর কে কি বলেনি সেটা বিষয় নয়। বিষয় হলো আমি কি বলেছি সেটা সঠিক বলেছি কি না। আর আমি যা বলেছি সেটা প্রমাণ সহকারেই বলেছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.