| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ২৪ নূর, ৩৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৫। আল্লাহ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর নূর। তাঁর নূরের দৃষ্টন্ত যেন একটি দীপদানি, যার মধ্যে আছে একটি প্রদীপ।প্রদীপটি একটি কাঁচের আবরণের মধ্যে স্থাপিত। কাঁচের আবরণ উজ্জ্বল নক্ষত্রের মত। এটা প্রজ্জ্বলিত হয পবিত্র যয়তুন বৃক্ষের তৈল দ্বারা।যা প্রাচ্যের নয় প্রতিচ্যেরও নয়। আগুন স্পর্শ না করলেও যেন এর তৈল আলো দেয়। নূরের উপর নূর।আল্লাহর যাকে ইচ্ছা তাঁর নূরের দিকে হেদায়াত প্রদান করেন। আল্লাহ মানুষের (বুঝার) জন্য দৃষ্টান্ত দিয়ে থাকেন। আর আল্লাহ সব কিছু জানেন।
সূরাঃ ২০ তা-হা, ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫। দয়াময় আরশের উপরে সমাসীন আছেন।
সূরাঃ ৩৯ যুমার, ৭৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৫। আর তুমি ফিরিশতাদেরকে দেখবে আরশের চার দিকে ঘিরে তাদের প্রতিপালকের প্রশংসাসহ তাসবিহ পাঠ করছে। আর তাদের বিচার করা হবে ন্যায়ের সাথে। বলা হবে সকল প্রশংসা জগৎসমূহের রব আল্লাহর।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৫। আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই।তিনি চিরঞ্জীব চির বিদ্যমাণ।তাঁকে তন্দ্রা অথবা নিদ্রা স্পর্শ করে না।আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সমস্তই তাঁর।কে সে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করবে? তাঁর সামনে পিছনে যা কিছু আছে তা’ তিনি জানেন।তাঁর ইচ্ছা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কিছুই কেউ আয়ত্ব করতে পারে না।তাঁর ‘কুরসী’ আকাশ ও পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত।এ দু’টির হেফাজত তাঁকে ক্লান্ত করে না।আর তিনি পরম উচ্চ-মহিয়ান।
সূরাঃ ৫৮ মুজাদালা, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তুমি কি লক্ষ্য কর না, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে আল্লাহ তা’ জানেন? তিন ব্যক্তির মধ্যে এমন কোন গোপন পরামর্শ হয় না যাতে চতুর্থ জন হিসেবে তিনি উপস্থিত থাকেন না এবং পাঁচ ব্যক্তির মধ্যেও হয় না যাতে ষষ্ঠ জন হিসেবে তিনি উপস্থিত থাকেন না। তারা এরচেয়ে কম হউক বা বেশী হোক তিনিতো তাদের সঙ্গেই আছেন উহারা যেখানেই থাকুক না কেন। অতঃপর তারা যা করে; তিনি কিয়ামতের দিন তা’ জানিয়ে দিবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল বিষয় জানেন।
সূরাঃ ৫০ কাফ, ১৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৬। আমিই মানুষকে সৃষ্টি করেছি এবং তার প্রবৃত্তি তাকে যে কুমন্ত্রণা দেয় আমি তা’ জানি। আমি তার ঘাড়ের শিরার থেকেও নিকটতর।
সূরাঃ ৩১ লোকমান, ২৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৭। পৃথিবীর সমস্ত বৃক্ষ যদি কলম হয় আর সমূদ্র হয় কালি এবং এর সাথে আরো সাত সমূদ্র যুক্ত হয় তবু আল্লাহর কথা শেষ হবে না। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
সূরাঃ ৩৯ যুমার, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। তারা আল্লাহর যথাযথ সম্মান করে না। কিয়ামতের দিন সমস্ত পৃথিবী থাকবে তাঁর হাতের মুঠোয় এবং আকাশ মন্ডলী থাকবে ভাঁজ করা অবস্থায় তাঁর ডান হাতে। পবিত্র ও মহান তিনি, তারা যাকে শরীক করে তিনি তার উর্ধ্বে।
সূরাঃ ৫৫ রাহমান, ২৬ নং ও ২৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। তাতে সব বিলিন হয়
২৭। আর বাকী থাকে তোমার প্রতিপালকের সত্তা, যিনি মহিমাময়, মহানুভব।
সূরাঃ ৬৮ কালাম, ৪২ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪২। যে দিন পায়ের গোছা উম্মুক্ত করা হবে, সেদিন তাদেরকে আহবান করা হবে সিজদা করার জন্য, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না।
সূরাঃ ২ বাকারা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই এবং যে দিকেই তোমরা মুখ ফিরাও না কেন সেদিকেই আল্লাহর মুখ। নিশ্চয়ই আল্লাহ ওয়াসি (সর্বব্যাপী), সর্বজ্ঞ।
* আরশের উপরে মেশকাত(প্রদীপ দানি)। মেশকাতের উপরে মিসবাহ (প্রদীপ)। তিনি আলো এবং তাঁর পোশাক আলো। তিনি আলোর উপর আলো।আরশের নীচে নভঃমন্ডল ও ভূমন্ডল জুড়ে কুরসিতে আল্লাহর নূরের পা।যা তাঁর সকল সৃষ্টির সিজদা গ্রহণ করে।তিনি আরশ থেকে বড় কারণ তিনি কুরসিতেও আছেন। তিনি কুরসি থেকেও বড় কারণ তিনি আরশেও আছেন।সেজন্য তিনি সবচেয়ে বড়।সবার সাথে আছে তাঁর নূর। সুতরাং তিনি কারো সাথে নেই এমন কেউ নেই।তিনি জীবন্ত বিধায় তিনি জড় প্রদীপ এর মত কিছু নন। তিনি নিরাকার, তবে প্রয়োজনে আকার ধারণ করেন। তাতেও তিনি সীমাবদ্ধ না হয়ে তাঁর নূরের মাধ্যমে অসীমত্বে বিরাজমাণ থাকেন।
০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: এভাবে ছবিতে ‘আল্লাহ’ লেখা প্রদর্শন করা মুহাম্মদ (সা.)-এর যুগে শিরক হিসেবে গণ্য হতো, এ তথ্য আপনি কোথায় পেলেন? আর আপনার ব্যক্তিগত মতামত ইসলাম নয়।
২|
০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:১৩
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আল্লাহ তায়ালার কোনো হাত পা নেই।এগুলো কুরআনে রুপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: এগুলো রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, এটা আপনার কেন মনে হলো?
৩|
০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪০
নতুন বলেছেন: সুতরাং তিনি কারো সাথে নেই এমন কেউ নেই
সৃস্টিকর্তার কন্সেপ্টা জটিল।
সৃস্টিকর্তা কারুর সাথে কথা বলার দরকার নাই। তিনি একা, তিনি কারুর মুখাপেক্ষী নন, তার সৃস্টি তাকে মান্য করলেও তার কিছু আসে যায় না।
একটা আইডেন্টিটি এমন অবস্থায় অনন্তকাল আছে, ছিলো এবং থাকবে, তার থেকেই বা কি লাভ?
যেমন চ্যাটবট, আপনি মানুষের মতন কথা বলতে পারবেন। কিন্তু তার ঘুমের দরকার নাই, তার দুখ: কস্ট, আবেগ নাই।
এমন একটা সত্যা জীবিত থাকলেও এক রকমের নৃজীব।
১১ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:১৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সৃষ্টিকর্তা থেকে অনেক কিছু করেছেন। সামনেও তিনি আরো অনেক কিছু করবেন।
৪|
০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:০৮
রাজীব নুর বলেছেন: আল্লাহ দেখতে শূন্যের মতোন।
৫|
০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-৩২)
সূরাঃ ৩২ সাজদা, ১৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৩। আমরা ইচ্ছা করলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে সৎপথে পরিচালিত করতাম; কিন্তু আমার এ কথা অবশ্যই সত্যঃ আমি নিশ্চয়ই জিন ও মানুষ দ্বারা জাহান্নাম পূর্ণ করব।
সূরাঃ ৩২ সাজদা, ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
২২। যে ব্যক্তি তার রবের আয়াত দ্বারা উপদেশ প্রাপ্ত হয়ে তা হতে মুখ ফিরায় তার অপেক্ষা অধিক যালেম আর কে? আমি অবশ্যই অপরাধীদিগকে শাস্তি দিয়ে থাকি।
* আল্লাহ জিন ও মানুষ দ্বারা জাহান্নাম পূর্ণ করবেন বিধায় তাঁর উপদেশ জানার পর বুঝার প্রয়োজনীয়তা রেখেছেন। তাঁর উপদেশ বুঝার বিষয়টি হলো আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ। এর পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। অহংকারী আলেম মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের সাথে মতভেদে তাদের অনুসারি সহকারে জাহান্নামী হয়। রাসূলের (সা.) অভিন্ন ফিকাহ সাহাবা প্রচার না করে হাদিস প্রচার করায় সাহাবা পরিচয়ে থাকা মোনাফেক নিজের কথাকে হাদিস হিসাবে প্রচার করে রাসূলের (সা.) অভিন্ন ফিকাহ নষ্ট করলে নষ্ট ফিকাহ এর অনুসারি হয়ে মুসলিম বহু দলে বিভক্ত হয়। অবশেষে ইমাম আবু হানিফা (র.) নষ্ট ফিকাহ মেরামত করে এটিকে অভিন্ন ফিকাহ হিসাবে সংকলন করলেন। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও রাসূলের (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় খলিফা মুসলিম বিশ্ব আমির হারুনুর রশিদ এটি পরিশোধন করে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদন করলে ছিয়াশি মুসলিম বিশ্ব আমির ও দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এ অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী হয়। এক তৃতীয়াংশ মুসলিম এর বিরোধী হলেও তাদের সাথী হয়নি কোন মুসলিম বিশ্ব আমির। রাসূলের (সা.) পর মুসলিম বিশ্ব আমিরের অনুসরনের বিষয়ে আল্লাহর স্পষ্ট উপদেশ থাকলেও আল্লাহর দ্বারা উপদেশ প্রাপ্ত হয়ে এরা তা হতে মুখ ফিরিয়ে যালেম হিসাবে অপরাধী সাব্যস্ত। মৃত্যুর সময় কালেমা নসিব না হলে এদের জান্নাত লাভের কোন সম্ভাবনা নাই।
সূরাঃ ৩২ সাজদা, ২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৪। আর আমরা তাদের মধ্য হতে ইমাম মনোনীত করেছিলাম, যারা আমাদের নির্দেশ অনুসারে পথ প্রদর্শন করতো।যেহেতু তারা ধৈর্য ধারণ করে ছিল। আর তারা ছিল আমাদের আয়াতে দৃঢ় বিশ্বাসী।
* নবুয়ত ও রেসালাতের পর আল্লাহ ইমামত চালু করেছেন।ইমামতের জন্য আল্লাহর পছন্দ হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও রাসূলের (সা.) আহলে বাইত মুসলিম বিশ্ব শাসক। তাঁরা ছিলেন আব্বাসীয় খলিফাগণ। তাঁদের শাসনে মুসলিম নিরাপত্তায় ছিল। তাঁদের পর তাঁদের অনুসারী তুর্কী হানাফী, মধ্য এশিয় হানাফী, আফগান হানাফী, মোগল হানাফী শাসনে মুসলিম নিরাপত্তায় ছিল। ভারতে হানাফী শাসনের অবশানে হিন্দু শাসনে মুসলিমদের দূরবস্থার বিষয় স্পষ্ট। মায়ানমারের রোহিঙ্গা তো দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে আসতে বাধ্য হয়েছে। অহানাফীরা হানাফী মুসলিম শাসনের বিরোধীতার মাধ্যমে মুসলিম শাসন দূর্বল করা ছাড়া ভালো কিছু করেনি। তাদের প্রতিকুলতা কাটিয়ে শক্ত মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠায় হানাফীরা এগিয়ে চলছে। তাদের তুর্কীরা বীর, আফগানরা অজেয়, পাকিস্তানীরা আনবিক শক্তির অধিকারী এবং বাংলাদেশীরা গেরিলা যোদ্ধা। বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ জনবল হয়ে বিশ্ব নিয়ন্ত্রণের দিকে হানাফীরা এগিয়ে চলছে।আল্লাহর রহমত ও বরকতে হানাফী এখন বিশ্ব বিস্তৃত। আল্লাহ জিন ও মানুষ দ্বারা জাহান্নাম পূর্ণ করবেন বিধায় এসব দেখেই মুসলিমদের সঠিক দল চিনতে হবে।
৬|
০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৩৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আল্লাহ দেখতে ঠিক ঘোড়ার ডিমের মত, আমি নিজে দেখেছি।
এই লোক গতকাল ফেরেশতার সাথে কথা বলেছে। আপনি কি কখনো ফেরেশতার সাথে কথা বলিয়াছেন?
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এভাবে ছবিতে ‘আল্লাহ’ লেখা প্রদর্শন করা মুহাম্মদ (সা.)-এর যুগে শিরক হিসেবে গণ্য হতো। এই যে মসজিদের ভেতরে ‘আল্লাহ’ এবং ‘মুহাম্মদ’ শব্দ আকারে লেখা থাকে, সেটাও সমস্যাজনক। মসজিদে কিছু লেখার প্রয়োজন নেই। এটি আমার ব্যক্তিগত মতামত।