| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
সুপার এক্সক্লুসিভঃ খালেদা জিয়াকে স্লো পয়জনিং করে মেরে ফেলেন শেখ হাসিনা – কতটুকু সত্য? খালেদা জিয়া যে মদ্যপায়ী ছিলেন এবং মদ্যপানের মাধ্যমে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি ও বৃদ্ধি ঘটিয়েছিলেন, তার প্রমাণ কী?
বেগম খালেদা জিয়ার নিম্নোক্ত রোগসমূহ ছিলঃ
০১) লিভার সিরোসিস (Liver cirrhosis)
০২) আন্ত্রিক রক্তপাত (Colonic hemorrhage)
০৩) হৃদবৈকল্য (Congestive heart failure)
০৪) রক্তশূন্যতা (Anemia)
০৫) ডায়াবেটিস (Diabetes)
০৬) ক্রনিক কিডনি রোগ (Chronic kidney disease)
০৭) আর্থরাইটিস (Osteoarthritis)
০৮) শ্বাসকষ্ট, কাশি, জ্বর ও তীব্র শারীরিক দুর্বলতা (Breathlessness, cough, fever and extreme fatigue)
সূত্রঃ
ক) http://www.bbc.com/bengali/news-59452640
খ) http://www.bbc.com/bengali/news-47944259
গ) Click This Link
প্রথমতঃ লিভার সিরোসিসের প্রধানতম কারণগুলো হলঃ
০১) দীর্ঘদিনের মদ্যপান (Chronic alcoholism) ৩০-৫০%
০২) হেপাটাইটিস বি (Hepatitis B) ২০-৩০%
০৩) হেপাটাইটিস সি (Hepatitis C) ১০-২০%
০৪) ফ্যাটি লিভার (NAFLD/MASLD) ১০-২৫%
০৫) অটোইমিউন ও কোলেস্ট্যাটিক রোগ (Autoimmune/Cholestatic disease) ৫-১০%
০৬) অন্যান্য (Drugs/toxin or vascular diseases) ৫-১০%
যেহেতু লিভার সিরোসিসের ক্ষেত্রে অ্যালকোহলিজম সবচেয়ে প্রধান কারণ তথা সকল কারণের প্রায় অর্ধেক কিংবা ৩ ভাগের ১ ভাগ অ্যালকোহলিজমের মাধ্যমে ঘটে, সেহেতু জনগণের একাংশের মধ্যে এই ধারণাটি বদ্ধমূল হয়ে পড়ে যে খালেদা জিয়া দীর্ঘকাল মদ্যপান করেছেন। ২০১০ সালে তাকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের সময় ছবি ও ভিডিওতে দেখানো হয় যে তার বাড়ি থেকে অনেক বোতল মদ পাওয়া গেছে।
অনেকে দাবি করবেন, এটি একদমই সত্য নয় বরং আওয়ামী ষড়যন্ত্র। তাহলে খালেদা জিয়ার মদ্যপানের একটি ভিডিও দেখিয়ে দেওয়া যাক।
সূত্রঃ http://www.youtube.com/watch?v=GERGJigzmKM
এবার হয়ত অনেকে দাবি করবেন, তিনি জুস পান করছেন কিংবা এটা ডিপ ফেইক কিংবা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দ্বারা বানানো হয়েছে। তাহলে আরেকটি কঠিন এভিডেন্স পেশ করি।
হুমায়ুন আজাদ ১৯৯২ সালে অর্থাৎ বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার ২য় বছরেই একটি বই লেখেন যার নাম মাতাল তরণী।
সূত্রঃ Click This Link
মাতাল তরণী গ্রন্থের একদম শেষের দিকে রয়েছে একটি অধ্যায় যার শিরোনাম
‘বাঙলাদেশি গণতন্ত্রের প্রথম ও শেষ দানঃ গরিব গ্রহের সবচেয়ে রূপসী প্রধান মন্ত্রী’
এই অধ্যায়ে একদম শুরুতেই রয়েছে খালেদা জিয়ার মদ্যপানের দাবিঃ
১১৫ নং পৃষ্ঠাঃ খালেদা জিয়াকে আমি দুবার দেখেছি, দুবারই একই জায়গায়: বাইরে-বিপ্লবী, ভেতরে-স্বৈরতন্ত্রের অনুচর একটি সাপ্তাহিকের ইংরেজি নববর্ষের পানোৎসবে। খালেদা জিয়াকে দেখার মধ্যে বিশেষ সুখ আছে। ওই উৎসবটি ছিলো সুপরিকল্পিত, তাতে জড়ো করা হতো দেশের গুরুত্বপূর্ণ দেবতা ও দানবদের; তাতে একনায়কের সারমেয় আর গণতন্ত্রের বাঘেরা পরম বান্ধবের মতো গল্প করতে করতে পান করতো। সেখানে খালেদা জিয়াও আসতো।
১১৬ নং পৃষ্ঠাঃ ওই বিপ্লবী পানোৎসবে পরের বছরও আবার দেখা যায় খালেদা ও মওদুদকে। তবে তখন অবস্থান বদলে গেছে তাদের; খালেদা একদিকে, তাকে ঘিরে কয়েকটি প্রহরী, তবে গত বছরের উত্তেজিত টেরিয়ারটি নেই। এবার সে অন্যদিকে, হাতে হুইস্কির পাত্র, এবং তাকে ঘিরে তার টেরিয়ারেরা।
হুমায়ুন আজাদ কী মিথ্যা কথা লিখলেন? আসুন যাচাই করে নেইঃ
১১৮ নং পৃষ্ঠাঃ তাদের রাজনীতিতে আসার কোনো কথা ছিলো না…হাসিনা বিদেশে স্বামীর জন্য প্রাতঃরাশ তৈরি করছিলো, আর খালেদা হয়ত ভ্রূ সরু ক’রে ক’রে সময় কাটাচ্ছিলো।
হুমায়ুন আজাদের সুতীক্ষ্ণ তথা গভীর পর্যবেক্ষণের প্রশংসা করতে হয় কেননা পরবর্তীতে, এই তো কিছুদিন আগেও দেখা গেছে, খালেদা জিয়ার ভ্রূ নেই এবং কৃত্রিমভাবে সেখানে ভ্রূ আঁকা হয়েছে।
সূত্রঃ http://www.youtube.com/watch?v=q1QstcLHiR8
খালেদা জিয়ার ভ্রু-হীনতার প্রধান কারণ লিভার সিরোসিস। মেডিক্যাল টেক্সটবুকে Stigmata of chronic liver disease দিয়ে খুঁজলে পাওয়া যাবে ক্রনিক লিভার ডিজিজ/লিভার সিরোসিসের অন্যতম প্রধান একটি চিহ্ন শরীরের বিভিন্ন স্থানের চুল পড়ে যাওয়া এবং ভ্রু এক প্রকার চুল।
ভ্রু প্লাক করার প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত কেমিক্যাল (সাধারণত অ্যামোনিয়াম থায়োগ্লাইকোলেট বা ফর্মিক অ্যাসিড) বেশ শক্তিশালী। যদি আনপ্রফেশনাল হাতে তথা ভুল পদ্ধতিতে কাজটি করা হয়, যদি ঘন ঘন করা হয় বা ভ্রূর চুলের অবস্থা না বুঝে করা হয়, তবে তা ভ্রূর চুল ভেঙে যাওয়া, অতিরিক্ত শুষ্কতা ও দুর্বলতার কারণ হতে পারে। এই ক্ষতি স্থায়ী হতে পারে।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসকদের মধ্যে ১জনও কখনো মিডিয়ার সামনে লিভার সিরোসিসের কারণ সম্পর্কে টু শব্দটি করেননি। আওয়ামী সমর্থকেরা যখন বারবার মদ্যপানের অভিযোগ তুলেছে, তখন ১ জন চিকিৎসকও জোর গলায় প্রতিবাদ করে এগিয়ে আসেননি এবং বলেননি – মদ্যপান নয়, খালেদা জিয়ার হেপাটাইটিস বি/সি কিংবা ফ্যাটি লিভার ডিজিজ রয়েছে।
খালেদা জিয়া সেকেন্ডারি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলেন কিভাবে? এর উত্তরঃ ক্রনিক অ্যালকোহলিজম। ক্রনিক অ্যালকোহলিজম থেকে প্যানক্রিয়াস নষ্ট হয়ে যায় এবং অগ্ন্যাশয়ের তীব্র প্রদাহ (Acute pancreatitis) সৃষ্টি হয়। এই অগ্ন্যাশয়েই বেটা ল্যাঙ্গারহ্যানস কোষে ইনসুলিন উৎপন্ন হয় আর ইনসুলিন উৎপন্ন না হলে কোষে বাধাহীনভাবে গ্লুকোজ বেড়ে যায় (Hyperglycemia) তথা সেকেন্ডারি ডায়াবেটিস ফর্ম করে। ফলে সব কিছু একদম সুস্পষ্টভাবে অঙ্গুলিহেলন করে যে ক্রনিক অ্যালকোহলিজম এবং তা থেকে সৃষ্ট জটিলতাসমূহের কারণেই খালেদা জিয়ার শরীর ভেঙে পড়ে।
শুধু তাই নয়, দীর্ঘকাল ধরেই খালেদা জিয়ার কানের নিচ থেকে গালের ২ পাশে ফোলা ভাব রয়েছে যা ব্যথাহীন। এটিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Bilateral painless parotid gland sialoadenosis বলা হয় যার প্রধানতম কারণ ক্রনিক অ্যালকোহলিজম এবং এটি থেকে সৃষ্ট সেকেন্ডারি ডায়াবেটিস।
ফলে উপরিউক্ত আলোচনা থেকে এটি একদম পানির মতো পরিষ্কার বা সূর্যের আলোর মতো সুস্পষ্ট যে, বেগম খালেদা জিয়া মদ্যপান করতেন। মদ্যপান থেকেই তার বাকি রোগগুলো সৃষ্টি হয় কিংবা বৃদ্ধি পায় এবং জটিলাকার ধারণ করে যার মেকানিজম নিম্নরূপঃ
আন্ত্রিক রক্তপাতঃ অ্যালকোহল সরাসরি পাকস্থলি ও অন্ত্রের মিউকোসাল লাইনিংকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং গ্যাস্ট্রাইটিস ও আলসার তৈরি করতে পারে। লিভার সিরোসিসের কারণে পোর্টাল হাইপারটেনশন সৃষ্টি হয়, যা বিপজ্জনক ভেরাইকোজ রক্তপাত (ইসোফেজিয়াল বা গ্যাস্ট্রিক ভ্যারিক্স) ও কোলোনিক রক্তপাত ঘটাতে পারে।
হৃদবৈকল্যঃ দীর্ঘমেয়াদী অ্যালকোহলিক কার্ডিওমায়োপ্যাথি তৈরি করে, যেখানে হার্টের পেশী দুর্বল ও প্রসারিত হয়ে রক্ত পাম্প করতে অক্ষম হয়, যা শেষ পর্যন্ত হার্ট ফেইলিওরের দিকে নিয়ে যায়। এটি উচ্চ রক্তচাপও বাড়ায়, যা হার্ট ফেইলিওরের আরেকটি কারণ।
রক্তশূন্যতাঃ অ্যালকোহল ফোলেট, ভিটামিন বি১২ ও আয়রনের শোষণ বাধাগ্রস্ত করার মাধ্যমে এবং অস্থিমজ্জার কর্মকাণ্ডকে সরাসরিভাবে দমন করে রক্তকণিকা তৈরিতে বাধা দেয়। এছাড়াও পেট/অন্ত্রের রক্তপাতের কারণে রক্তক্ষরণজনিত রক্তশূন্যতাও তৈরি করে।
শ্বাসকষ্ট ও কাশিঃ হার্ট ফেইলিওর (কার্ডিওজেনিক পালমোনারি ইডিমা) এবং অ্যালকোহল দুর্বল ইমিউনিটি ও অ্যাস্পিরেশন নিউমোনিয়ার (বমি ফুসফুসে ঢোকার) উচ্চ ঝুঁকি তৈরি করে।
জ্বরঃ বারবার সংক্রমণ (নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা) ও অ্যালকোহল-প্রণোদিত হেপাটাইটিসের কারণে হতে পারে।
তীব্র দুর্বলতাঃ রক্তশূন্যতা, পুষ্টির অভাব, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা ও সরাসরি পেশীর ক্ষতির (Alcoholic Myopathy) কারণে।
ডায়াবেটিসঃ অ্যালকোহল অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ (প্যানক্রিয়েটাইটিস) তৈরি করতে পারে, যা সেকেন্ডারি ডায়াবেটিস-এর কারণ। এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়ায় এবং ওজন বাড়িয়ে (ক্যালোরি থেকে) টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।
ক্রনিক কিডনি রোগঃ অ্যালকোহল সেকেন্ডারি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ডিহাইড্রেশন ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে কিডনির ওপর চাপ বাড়ায় এবং এটি জটিলাকার ধারণ করে হেপাটোরেনাল সিনড্রোমের মাধ্যমে মারাত্মক কিডনি বৈকল্য ঘটাতে পারে।
অস্টিওআর্থরাইটিসঃ ওজন বৃদ্ধি থেকে অস্টিওআর্থরাইটিস সৃষ্টি হয়। অ্যালকোহল ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায়, ফলে গেঁটে বাত সৃষ্টি হয়।
মেডিক্যাল সায়েন্স ভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে তাহলে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হচ্ছে, বেগম খালেদা জিয়ার রোগসমূহের জন্য তার মদ্যপানের বদভ্যাসই হল প্রকৃত দায়ী। কোনো পদার্থের মাধ্যমে স্লো পয়জনিং করার কোনো ভূমিকা বা সংশ্লিষ্টতা নেই এখানে। এমন হলে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকেরাই তা ডায়াগনস্টিক টেস্ট ও ইমেজিং ভিত্তিক প্রমাণ সহকারে জনসাধারণের কাছে তা তুলে ধরতেন।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসকেরা জানিয়েছেনঃ হার্টের প্রস্থেটিক ভালভে ইনফেকশন (ফাঙ্গাল প্রস্থেটিক ভালভ ইনফেকটিভ এন্ডোকার্ডাইটিস) ও সমগ্র শরীরে ছড়িয়ে পড়া (সেপসিস) থেকে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার মৃত্যু হয়েছে। ফাঙ্গাল প্রস্থেটিক ভালভ ইনফেকটিভ এন্ডো কার্ডাইটিস পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়াবহ ইনফেকশন।
সূত্রঃ http://www.youtube.com/watch?v=nxoekW2JOfg
ফলে শেখ হাসিনা দ্বারা কোনো পদার্থ কিংবা কেমিক্যাল জনিত স্লো-পয়জনিং এর মাধ্যমে মৃত্যুর কোনো প্রশ্নই নেই এখানে। একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থকেরা কতটা অশিক্ষিত ও কমনসেন্সহীন গণ্ডমূর্খ নির্বোধ প্রকৃতির হলে এমন হাস্যকর ও উদ্ভট দাবি করতে পারে – সেটা ভেবেই বিস্ময়ে হতবাক ও হতভম্ব হয়ে যেতে হয়।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪৫
ক্লোন রাফা বলেছেন: ওহে বরাহ শাবক তোমরা ভয় পেতে শুরু করেছো ।ঘোড়া এবং গাধার ব্রিডিং-এ যার জন্ম হয় তাকে আমরা খচ্চর বলি। নিশ্চয়ই তোমরা সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলে। তাই বলছো উনি জুস পান করিতেছেন। যারা উপস্থিত ছিলো তাদের কথা’তো বিশ্বাস করিতে হবে।
চৌদ্দ শিক না ২৪ শিক সেটা গণনা করার জন্য প্রস্তুত হও। সব হারিয়ে আমরা ফিরে এসেছিলাম তোমাদের পিতা,মাতা সহ সকলের বিচার করার জন্য। শেখ হাসিনা’কে সৃস্টিকর্তা বাচিয়ে রেখেছেন বড় কোনো কারণে নিশ্চয়। অচিরেই তিনি ফিরবেন ,ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে।
২|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৩৬
অগ্নিবাবা বলেছেন: আমিও নিয়মিত মদ্যপান করি, আমার অবস্থাও কি তাহার মত হবে? ডরান ক্যা মিয়া?
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪৭
ক্লোন রাফা বলেছেন: হইতেও পারে ।
কিংবা সেই স্টেজে পৌছার পূর্বেই যদি অ্ক্কা না পান।
৩|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
স্লো পয়েজনিং কি ডাক্তাররা ধরতে পারেন নাই? নাকি কেবল নেতারা ধরতে পারলেন?
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৫০
ক্লোন রাফা বলেছেন: বাংলাদেশের অধিকাংশ সর্ব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। কাজেই তারা ক বললেই কলম বুঝতে পারে‼️
৪|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩২
রাজীব নুর বলেছেন: খালেদা জিয়ার বয়স হয়েছে, মরে গেছে। সহজ হিসাব। অযথা এত প্যাচানোর কিছু নাই। ক্লিয়ার?
১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:১০
ক্লোন রাফা বলেছেন: শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসা দিয়ে । মানুষের সংক্রমন থেকে বাঁচতে সাহায্য করেছিলেন। এটা সাধারণ মানুষের জানা দরকার।
খালেদা জিয়া তাই শেখ হাসিনার আমলে নিরাপদ বোধ করছেন। তাই তিনি দেশ ছেড়ে যেতে চান নি। কিন্তু অন্য কারো আমলে শেখ হাসিনা কখনো নিরাপদ ছিলেননা।
এই পার্থক্য বোঝানোর জন্য এই পোস্ট।
৫|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আচ্ছা আপনি কখনো আওয়ামী লীগ যে ব্যাংক ডাকাতি করে সব খালি করে ফেলেছে সেটা নিয়ে লিখেন না? আপনিও তাহলে মেনে নিয়েছেন।
।
১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:১৫
ক্লোন রাফা বলেছেন: আপনি লিখেন । আমি যখন লেখার দরকার ছিলো, লিখেছি। আমার কথা মূল্যায়ন হয়নি বলেই আজকের পরিনতি।আমার মত আরো অনেকে বার বার লিখেছি, বলেছি।
৬|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১২
নতুন বলেছেন: খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিসের পেছনে মদ্যপান দায়ী এই নিয়ে এত বড় লেখা
আপনার যেই ভিডিও সেখানে উনি অনেকের সাথে একটা পানিয় পান করছেন।
বিদেশেও এমন হাই প্রফাইল অনুস্ঠানে সব সময়েই নন এলকোহলিক মকটেইল সার্ভ করা হয়। বেশির ভাগই ফ্রুটস পান্চ ( কয়েক রকমের ফলের জুস মেশানো হয় আরকি) এবং বারে এলকোহলিক ড্রিংস থাকে যদি সেটা ডিনার হয়ে থাকে। কারন বিদেশীরাও এমন অনুস্ঠানে এলকোহল খায় না, তারা ডিনারেই একটু আথটু পান করেন।
( আবার জিগাইয়েন না আমি জানলাম কিভাবে, আমি পেশাগত কাজেই এমন হাইপ্রফাইল অনেক অনুস্ঠানের আয়োজনের সাথে যুক্ত তাই)
খালেদা জিয়ার বয়স হয়েছিলো, মারা গেছেন, আমার মনে হয় না তাকে স্ল পয়জনিং করেছে আমলিগ।
কিন্তু যারা এমন লেখা লিখে তারা মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার এবং কুদসা রটাতে এতো সময় কোথায় পায় সেটা নিয়ে চিন্তা হয়। ![]()
১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:৫৯
ক্লোন রাফা বলেছেন: আপনি নিজেকে একজন বিশেষজ্ঞ ভাবতেই পারেন। এটা অধিকাংশ বাঙালির বিশেষ বৈশিষ্ট্য। মার্টিনির পাত্রে করে উনি জুস পান করছেন! কোনো কোনও পান্চ ড্রিংকসে জুস এ্যড করে থাকে , তার অর্থ এই নয় সেটা নন এলকোহল। স্টুডেন্ট থাকা কালীন অনেকেই অড জব করে টাকা ইনকাম করে কিছুটা চাপ কমাতে।
আমিও তেমনি ফাইভ স্টার, থ্রি স্টার রেস্টুরেন্টে কাজ করে কিছু কিছু বিষয় অবগত হয়েছি। কাজেই বিন্দুমাত্র হোলেও সা্ধারনের চাইতে একটু বেশি জানি। শুধু তাই না উনার সাথে পার্টিতে অংশগ্রহণকারী অনেকেই স্বীকার করেছেন।
এগুলো কোনো কুৎসা নয়। সত্য অনেক সময় অনেকের জন্য তিক্ত হয়। মনে হোচ্ছে আপনারও...‼️
৭|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০৩
লুধুয়া বলেছেন: মদখোর ঐ মহিলাকে নিয়ে বেশি না বলাই ভালো।
১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:১৯
ক্লোন রাফা বলেছেন: বাংলাদেশের মানুষের মেমোরি খুব ক্ষনস্থায়ী / তাদের বার বার মনে করিয়ে দিতে হয়।
৮|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৯
রাসেল বলেছেন: বাংলাদেশের সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তিত্ব কোন শ্রেণীর মানুষ হতে পারে? রাজনীতিবিদ নাকি রাজনীতিবিদদের দালাল।
১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৪৬
ক্লোন রাফা বলেছেন: অনেকের কাছে অনেক পেশার লোকই ঘৃণিত বিবেচিত হোতে পারে।রাজনীতিবিদ বা তাদের তাবেদার দুজনই এক পেশার । তারা একে অপরের পরিপূরক।
আমার কাছে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যাক্তি বা সংগঠন হলো ,রাজাকার, আলবদর, আলশামস, শান্তি কমিটির সদস্য এবং যুদ্ধাপরাধীদের পৃষ্ঠপোষকতা করে যারা।
৯|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: লুধুয়া@মদ খেলে কি হয়েছে ? আপনি কি তৌহিদি জনতা নাকি ? ![]()
১০|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৯
আমি নই বলেছেন: রাসেল বলেছেন: বাংলাদেশের সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তিত্ব কোন শ্রেণীর মানুষ হতে পারে? রাজনীতিবিদ নাকি রাজনীতিবিদদের দালাল।
বাংলাদেশের সবচেয়ে ঘৃণিত এবং নিকৃষ্ট ব্যক্তিত্ব হচ্ছে রাজনীতিবিদদের দালালরা। এরা নেতাদের সন্তুষ্টির জন্যে নিজেদের মায়ের নামে কুৎসা রটাতেও মনে হয় না দ্বীধা করবে। এই দালালদের জন্যেই রাজনীতিবিদরা নিজেদের মহামানব ভাবা শুরু করে। ভালো রাজনীতিবিদদের নষ্ট করার অন্যতম হচ্ছে এই সকল অন্ধ দালাল যাদের কারনে রাজনীতিবিদরা নিজেদের ভুল-ত্রুটিগুলাও বুঝতে পারেনা।
১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:০৩
ক্লোন রাফা বলেছেন: জানেনই’তো বাঁশের চাইতে কন্চি বেশি আওয়াজ করে ![]()
১১|
১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:০৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ইতিহাস সত্য কথা বলবে ।
১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৪৮
ক্লোন রাফা বলেছেন: কথা সত্য। ইতিহাসের প্রত্যক্ষকারিরা ভুমিকা রাখে সত্য উন্মোচনে।
১২|
১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:১২
আলামিন১০৪ বলেছেন: চৌ্দ্দ শিকের ভিতর পুরার সময় এয়েছে...
জুসের ছবি দেখিয়ে মদের বিজ্ঞাপন?
মদ খেতে চাইলে খালেদা জিয়া কি জনসম্মুখে খাবেন রে বাঁদর?
লীগেরগুলো এত খবিশ কেন?