| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
২০০৮-২০২৪ এই ১৬ বছরকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন "chronicle of shoddy gas exploration" - মানে গ্যাস অনুসন্ধানের ধীরগতির ইতিহাস।
২০০৮-২০২৪ এর মূল চিত্র
> Between 2008 and 2024, bureaucratic interference and poor strategic direction prevented Petrobangla from attracting meaningful IOC interest either onshore or offshore. Since 2000, Bangladesh has consumed about 14 TCF of proven gas, replacing it with less than 4 TCF of new discoveries e21d
খরচ করেছি ১৪ TCF, নতুন পেয়েছি ৪ TCF-এর কম
২০০০-২০২২ এর মধ্যে মাত্র ২৬টি অনুসন্ধান কূপ খনন - বছরে গড়ে ১টি
২০০৯-২০২৪ সরকারের দাবি: ৬টি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার, ২১টি অনুসন্ধান কূপ, ৫০টি উন্নয়ন কূপ, ৫৬টি ওয়ার্কওভার কূপ 16a4926f
জরিপ কতটুকু হয়েছে?
| জরিপের ধরন | ২০০৮ পর্যন্ত | জুন ২০২৩ পর্যন্ত | বাড়তি |
| **2D সিসমিক** | ২০,০১৭ লাইন কি.মি. | ৩২,৩১৫ লাইন কি.মি. | ১২,৩৩৪ কি.মি. |
| **3D সিসমিক** | ১,৩০০ বর্গ কি.মি. | ~৬,০০০ বর্গ কি.মি. | ৪,৭০০ বর্গ কি.মি. |
| **ভূতাত্ত্বিক জরিপ** | ৫৫৭ লাইন কি.মি. | ১৯,৮৬৮ লাইন কি.মি. | ১৯,৩১১ কি.মি. |
| **সমুদ্রে জরিপ** | 0 | ১২,৯৩২ লাইন কি.মি. গত ১৫ বছরে | ১২,৯৩২ কি.মি. |
2af6
বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য: "৫০,০০০ কি.মি. জরিপ করেও কূপ খনন না করায় মজুত বাড়েনি। পশ্চিমাঞ্চল ও পার্বত্য চট্টগ্রামে একটা কূপও খনন হয়নি"।
উৎপাদন ও মজুতের অবস্থা
মোট আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র: ২৯টি
সক্রিয়: ২০টি, ১১১টি কূপে দৈনিক ২,০৪১.৭ মিলিয়ন ঘনফুট (ফেব্রুয়ারি ২০২৪)
পিক থেকে পতন: সর্বোচ্চ ২,৮০০ থেকে জুন ২০২৫ এ ১,৮৫০ MMCFD
অবশিষ্ট মজুত (সরকারি ঘোষণা জানুয়ারি ২০২৬): মোট উত্তোলনযোগ্য ২৯.৭৪ TCF, উত্তোলন হয়েছে ২২.১১ TCF, বাকি ৭.৬৩ TCF - বর্তমান হারে ১২ বছর চলবে।
ভোলার গ্যাস আটকে আছে: ভোলা নর্থ + ইলিশা মিলে ৮০০ BCF, কিন্তু জাতীয় গ্রিডে সংযোগ নেই 1dcdca0e2af6
সরকারের পরিকল্পনা ও ব্যর্থতা
২০১৪: ১০৬ কূপ খননের পরিকল্পনা - সরকারি জটিলতায় আটকে যায়।
২০১৬: ১০৮ কূপ কর্মসূচি - "প্রায় সাথে সাথেই ব্যর্থ"। Gazprom কে দিয়ে BAPEX-এর কাজ করানো হয়, ব্যয়বহুল।
২০১৯: ৫০ কূপ কর্মসূচি ২০২৫ এর মধ্যে শেষ করার কথা।
২০২৪-২০২৮: ১০০ কূপ খনন পরিকল্পনা, ৬৫০ MMCFD যোগ করার লক্ষ্য, ৩১টি কূপ সংস্কারসহ। ৫টি BAPEX রিগ + ৩টি টার্নকি রিগ চলছে। e21d
সমুদ্রে তেল-গ্যাস: বড় ব্যর্থতা
সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তি: মিয়ানমারের সাথে ২০১২ (১৪ বছর আগে), ভারতের সাথে ২০১৪ (১০ বছর আগে)।
ফল: "During this period, Bangladesh has seen no success in oil and gas extraction in the deep sea"। ভারত ও মিয়ানমার এগিয়েছে, বাংলাদেশ পিছিয়ে।
PSC মডেল: ২০০৮ PSC, ২০১২ PSC, ২০২৩ Model PSC - গ্যাসের দাম তেলের দামের ১০% - মানে তেল ১০০ ডলার হলে গ্যাস ১০ ডলার/MCF। গভীর ও অগভীর সমুদ্রে একই দাম। 926f
কেন এই অবস্থা? বিশেষজ্ঞদের ৪টি কারণ
BAPEX কে দুর্বল করে রাখা: ১৯৯০ থেকে অনুসন্ধান গতি কমেছে। শেষ বড় আবিষ্কার ১৯৯৮ সালে বিবিয়ানা, এরপর ২০২১ সালে জকিগঞ্জ ছোট ক্ষেত্র।
LNG আমদানির দিকে ঝোঁক: ২০০৮-২০২৪ এ LNG কে "short-term fix" বানিয়ে long-term বিপদ ডেকে আনা হয়েছে। ২০২৩-২৪ এ তেল-গ্যাস-কয়লা আমদানিতে ১৩-১৫ বিলিয়ন ডলার, ২০২৪-২৫ এ ১৮ বিলিয়ন ডলার লাগবে বলে অনুমান।
পাহাড় ও পশ্চিমাঞ্চল উপেক্ষা: "No gas wells have been drilled in the mainland's western region or hilly areas" - যেখানে সম্ভাবনা বেশি বলে ভূতত্ত্ববিদ বদরুল ইমাম বলছেন।
রিগ সংকট: BAPEX শেষ বড় সরঞ্জাম কিনেছে ২০১২ সালে। ৩.৫-৪ বিলিয়ন টাকার নতুন রিগ কেনার পরিকল্পনা ঝুলে আছে।
সারকথা: ২০০৮-২০২৪ এ কাগজে-কলমে অনেক সিসমিক হয়েছে, কিন্তু কূপ খনন হয়নি। ১৪ TCF খরচ করে ৪ TCF-ও যোগ করতে পারিনি। এখন ৭.৬৩ TCF নিয়ে ১২ বছরের অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশ, আর প্রতি বছর ১৫-১৮ বিলিয়ন ডলারের LNG আমদানির ফাঁদে।
৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর অন্তর্বর্তী সরকার "কুইক এনহ্যান্সমেন্ট অব ইলেকট্রিসিটি এন্ড এনার্জি সাপ্লাই (স্পেশাল প্রভিশন) অ্যাক্ট-২০১০" বাতিল করে তার আওতায় দেওয়া LOI/চুক্তি বাতিল শুরু করে।
সংখ্যাটা নিয়ে ৩ টা হিসাব পাবেন, কারণ সরকার ধাপে ধাপে বাতিল করেছে:
সরকারি তথ্য অনুযায়ী:
প্রথম ধাক্কা - ২৭ আগস্ট ২০২৪:
> On 27 August, the Ministry cancelled the contracts of 42 power plant projects, including 37 which were renewables-based ca18
মানে ক্ষমতা নেওয়ার ১৯ দিনের মাথায় ৪২টি প্রকল্প বাতিল - তার মধ্যে ৩৭টি নবায়নযোগ্য।
সেপ্টেম্বর ২০২৪:
বিপিডিবি ৩১টি নবায়নযোগ্য প্রকল্পের LOI বাতিলের চিঠি দেয়। এই ৩১টির সম্মিলিত ক্ষমতা ছিল ৩,২৮৭ মেগাওয়াট, বিনিয়োগ ৬ বিলিয়ন ডলার। edb8
অন্য হিসাবে ৩৯টি:
আলাদা সরকারি হিসাবে - মোট ৩৯টি প্রকল্প, যার মধ্যে ৩৪টি সৌরবিদ্যুৎ ও ৫টি গ্যাসভিত্তিক ছিল। শুধু সৌর থেকেই ২,৬৭৮ মেগাওয়াট। 82a2
pv magazine এর হিসাবে ৩৪টি সৌর = ৫,৬৮১ মেগাওয়াট:
> BPDB has scrapped approvals for 34 solar power plants... combined capacity of 5,681 MW 1cc9
কেন বাতিল?
এসব প্রকল্প প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই সরাসরি দরকষাকষিতে দেওয়া হয়েছিল।
১৪ নভেম্বর ২০২৪ হাইকোর্ট আইনের ২টি ধারা বাতিল করলেও পর্যবেক্ষণে বলেন প্রকল্পগুলো "প্রভিশনালি কনডোনড" - মানে সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া কার্যক্রম বৈধ থাকবে।
কিন্তু হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই ১৮ নভেম্বর ২০২৪ বিপিডিবি সব বাতিলের চিঠি দেয়।
ফলাফল কী হলো?
বিনিয়োগকারীরা জমি কেনা সহ প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছিল, চীন, জাপান, সিঙ্গাপুর, আরব আমিরাত সহ ১৫টি দেশ জড়িত ছিল।
টিআইবি বলেছে - "negative signal" গেছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে।
২০২৬ সালের ২৭ এপ্রিল বর্তমান বিদ্যুৎ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, বাতিল হওয়া ৩১টি প্রকল্প আবার যাচাই-বাছাই করে খোলা হচ্ছে। তার ভাষায় - "বিদ্যুৎ খাত আগেই নাজুক ছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত একে আইসিইউতে পাঠিয়ে দিয়েছে"। edb8
সোজা উত্তর: সরকারি কাগজে ৪২টি (৩৭টি নবায়নযোগ্য) বাতিলের কথা বলা হলেও সবচেয়ে বেশি আলোচিত সংখ্যা ৩১টি নবায়নযোগ্য প্রকল্প (প্রায় ৩,৩০০ মেগাওয়াট)।
দেশ পরিচালনায় কতটা অযোগ্য এই অথর্ব সিলেকশনের সরকার একটু ভাবুন! কোনো বিনিয়োগকারী ১টি ডলারও ইনভেস্ট করতে রাজি নয় আন্তর্জাতিক সংস্থা। এমনকি ব্যাক্তিগতভাবেও কোনো আস্থা নেই বর্তমান সরকারের উপর।
ধন্যবাদ।
২|
২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৩৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: https://share.google/U7cGKymydjis7hlgi
সামুতে ২০১০ সালে লেখা হয়েছিলো। সে সময় কারা জানি সরকারে ছিলো ? আমাদের বাসায় ২০০৮/২০০৯ সালে রহিমাআফরোজ আইপিএস কেনা হয়েছিলো। ২০১৩ সালের পর থেকে আর তেমন লাগে নাই । মানুষ ভুলে যায় আর দলকানারা সেটার সুযোগ নেয় । ![]()
৩|
২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০
মাথা পাগলা বলেছেন: সৈয়দ কুতুব: আওয়ামী লীগ ছিল গ্রেট ক্রিমিনাল অ্যান্ড মাফিয়া সরকার। আজকে ক্ষমতায় থাকলে বিদ্যুৎ বিল ২০ টাকা ইউনিট প্রতি করে ফেলত, আর গ্যাসের দাম ১৮ টাকা ইউনিট প্রতি থেকে ২৪-২৮ টাকা করত।
-------------------------------
আপনার এসব বানী প্রমাণ করার জন্য লীগকে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে। শেখ হাসিনার অপকর্মের সমস্ত ইতিহাস জানেন কিন্তু শেখ হাসিনা পতনের পর উপঢৌকন হিসেবে হাঁসের কোম্পানি থেকে ৫০ বেশি দামে LNG কেনা হয়েছে সেটা কি জানেন নাকি জেনেও চুপ থাকেন? ![]()
![]()
৪|
২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৮
মাথা পাগলা বলেছেন: শেখ হাসিনা দেশের অর্থনীতি ধবংস করে দিয়ে গেসে অন্য দিকে বিদেশি নিউজ পেপারগুলা শেখ হাসিনা আমলে দেশের উন্নতির প্রশংসা করে। ৬০০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি চালানোর মতো হ্যাডম বিএনপি-জাশির নাই। সব দোষ হাসিনার এতো কিছু জানা থাকলে ক্যু করে এমন ভংগুর দেশের ক্ষমতা নিতে কে বলসিলো?
৫|
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: দেশের জনগণ একদিন এদের বিচার করবে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: গত ১৫ বছরে মোটে ২০ বিলিয়ন ডলার এফডিআই এসেছে। সাড়ে চার শ বিলিয়ন ডলার জিডিপির একটা দেশে যা অবিশ্বাস্য। কী সব গ্যাসের হিসাব লিখছেন, মাথা ঠিকমতো কাজ করে? ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের স্পেশাল ইকোনমিক জোনটার কস্টিং কত পড়েছে? এই প্রজেক্ট কত দিন আগের? আপনার দল তেল-গ্যাস অনুসন্ধান করে নাই কারণ হলো আমদানি করলে কমিশন পাবে, আর দেশে স্বাভাবিকভাবেই প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ কমে যাচ্ছে। আমদানি করে তাই এলএনজি আনা খারাপ কিছু না, শুধু লাগবে ডলার। বিদ্যুতে একটা প্রকল্পে কেবল সরাসরি ইউনূস আমলের দোষ দেওয়া যায়, সেটা হলো বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় ৭০০-৮০০ মেগাওয়াটের একটা প্ল্যান্ট প্রায় কাজ শেষ ছিল, কিন্তু সেটাও নাকি আটকিয়ে দিয়েছে। আসলে অন্তর্বর্তী সরকার এমন-ই হয়। এরা খরচ কমাতে সংকোচন নীতির দিকে হাটে। আওয়ামী লীগ যেটা পারত সেটা বিএনপি পারছে না—কী পারছে না? দাম বাড়ানো। আওয়ামী লীগ ছিল গ্রেট ক্রিমিনাল অ্যান্ড মাফিয়া সরকার। আজকে ক্ষমতায় থাকলে বিদ্যুৎ বিল ২০ টাকা ইউনিট প্রতি করে ফেলত, আর গ্যাসের দাম ১৮ টাকা ইউনিট প্রতি থেকে ২৪-২৮ টাকা করত। এলএনজি গ্যাস বেশি দামে কিনে সাবসিডিতে জীবনেও দিত না। সামনে উইন্টার সিজন, সবার এলএনজি লাগবে, এখন স্পট মার্কেটেও এলএনজি ক্রাইসিস। বেশি দামে কিনে কম দামে দিতে গেলে সাবসিডি লাগবে। বিএনপি সরকার গ্যাসের দাম না বাড়িয়ে লোডশেডিং দিচ্ছে। আওয়ামী লীগ হলে লোডশেডিং না দিয়ে গ্যাসের দাম বাড়াত—এটাই মূলত ডিফারেন্স।