| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে "রিকন্সিলিয়েশন" বা সমঝোতা-ভিত্তিক রাজনীতি নিয়ে বিতর্কটা অনেক পুরনো, এবং প্রশ্নটা সেই বিতর্কের মূল জায়গায়।
এটা কেন এত জটিল, সেটা দুই দিক থেকে দেখা যায়:
রিকন্সিলিয়েশন বা ক্ষমা-সমঝোতার পক্ষে যে যুক্তি দেওয়া হয়:
দেশে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিভাজন কমিয়ে স্থিতিশীলতা আনা
দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রুথ অ্যান্ড রিকন্সিলিয়েশন কমিশনের মতো মডেল - যেখানে সত্য স্বীকারের বিনিময়ে ক্ষমা
সব পক্ষকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রাখলে সহিংসতা কমে, অর্থনীতি সচল থাকে
এই মতের অনুসারীরা বলেন, বিচার ও রিকন্সিলিয়েশন একসাথে চলতে পারে
প্রথম দাবির পক্ষে যে যুক্তি দেওয়া হয়:
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে পরবর্তী সময়ে হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, সম্পদ ধ্বংস - এগুলো সাধারণ রাজনৈতিক অপরাধ নয়, এগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধ
ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার না দিয়ে সমঝোতা করলে বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি হয়
স্বাধীনতার মূলনীতি - জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা - যারা অস্বীকার করে, তাদের রাজনৈতিক বৈধতা দেওয়া সংবিধানের চেতনার পরিপন্থী
অনেকের মতে, আগে সত্য উদঘাটন, ক্ষতিপূরণ ও দায়ীদের বিচার, তার পরেই সমাজে পুনর্মিলনের প্রশ্ন আসতে পারে
বাংলাদেশের আইনগত বাস্তবতা:
সংবিধানে যুদ্ধাপরাধ ও স্বাধীনতা বিরোধিতার বিচারের বিধান আছে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার হয়েছে
রাজনৈতিক অধিকার নিষিদ্ধ করার মতো বিধান করতে হলে সেটা সংবিধান, আইন ও আদালতের পরীক্ষায় টিকতে হয় - এটা শুধু রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে হয় না
যে "মেহনতি মানুষের উপর অত্যাচারের বিচার" এর কথা বলছেন, বাংলাদেশের বিচার-আন্দোলনের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে জোরালো দাবি হিসেবে থেকেছে - বিচার ছাড়া রিকন্সিলিয়েশন টেকসই হয় না।
আপনার অবস্থান থেকে লেখাটি তৈরি করে দিলাম:
---
রিকন্সিলিয়েশন, ইন্ডেমনিটির আরেকটি রূপ মাত্র।
১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যেমন ইন্ডেমনিটি অধ্যাদেশ দিয়ে খুনিদের বিচার বন্ধ করা হয়েছিল, আজ বিচার না করে রিকন্সিলিয়েশনের নামে একই কাজ করার চেষ্টা চলছে। নাম পাল্টেছে, চেতনা একই - অপরাধীদের বাঁচাও।
আমি মনে করি, বিচার ছাড়া রিকন্সিলিয়েশন একটি প্রতারণা।
বাংলাদেশের মাটিতে যে হত্যাকাণ্ড হয়েছে, যে মা-বোন ধর্ষণের শিকার হয়েছে, যে ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করা হয়েছে, যে মেহনতি মানুষের রক্তে রাজপথ ভেসেছে - তার বিচার না করে কিসের সমঝোতা?
যারা এই বাংলার স্বাধীনতাই মানেনি, যারা পাকিস্তানের পক্ষে দালালি করেছে, যারা আজও স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করে, তাদের আবার রাজনৈতিক অধিকার কিসের? স্বাধীন দেশে স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার থাকতে পারে না। এই বিধান সংবিধানে সংযুক্ত করা অপরিহার্য এবং সময়ের দাবি।
ইন্ডেমনিটি যেমন বাঙালি মেনে নেয়নি, রিকন্সিলিয়েশনের নামে এই নতুন ইন্ডেমনিটিও বাঙালি মেনে নেবে না।
আগে বিচার, আগে সত্যের স্বীকারোক্তি, আগে ভুক্তভোগীর কাছে ক্ষমা - তারপর অন্য কথা। বিচারহীন রিকন্সিলিয়েশন মানে শহীদের রক্তের সাথে বেইমানি।
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৩৬
ক্লোন রাফা বলেছেন: ৭৯ বছর যাবত লড়াই চলছে আইন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্যে। পূর্বপুরুষদের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে প্রতিটি সংগ্রামে রক্ত দিয়ে চলেছে বাংলাদেশের নিপীড়িত মেহনতি মানুষ।সেই সংগ্রামের নিবেদিত প্রাণ ক্ষুদ্র মানুষ হিসেবে বলছি।
রিকন্সিলিয়শন নয় , ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠাই আমাদের মূল লক্ষ্য।একজন প্রধানমন্ত্রী থেকে একেবারে নিরিহ গোবেচারা মানুষটিও যেনো তার অধিকার নিশ্চিত ভাবে পায় সেটাই হোক মুল লক্ষ্য।
এবং আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি/ সফলতার কোনো বিকল্প নেই মুক্তিযুদ্ধের এই বাংলাদেশে।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু॥
২|
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: রিকন্সিলিয়েশন কি
কেন এর উদ্ভব হলো ?
কিভাবে এর সমাধান হবে ??
...............................................................................
এর সমাধানের জন্য আমাদের মন ও মানসিকতা তৈরী আছে ?
আমাদের জাতিগত মান উন্নয়ন দরকার
৫৫ বৎসরেও জাতি এক লক্ষ্যে আসতে পারে নাই ,
পৃথিবীর মাঝে আমরা একটি অভাগা জাতি, কেউ আমাদের ভাগ্য গড়ে দেবে না,
এই বিষয়টি আমরা যত দ্রুত বুঝতে পারব, ততই আমাদের জীবন সহজতর হবে ।
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৪৪
ক্লোন রাফা বলেছেন: কারন পৃথিবীর ইতিহাসে ২য় কোনো দেশ নেই যেখানে দেশের জন্মের বিরোধিতাকারি অপশক্তি সমমর্যাদা পায়‼️
বার বার একই আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছি আমরা। এটা এখন আর কোনো ভুল না। এই ছেলে ভুলানো ইতিহাসের যবনিকাপাত ঘটিয়ে । স্বাধীনতার চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেকে বাঙালি হিসেবে প্রমাণ করতে হবে।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু॥
৩|
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৭
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: ৫ ই আগস্ট ২৪ এর আগে মানুষ জানতো যে দেশে কেবল বিহারী পাকিস্তানি আছে।
৫ ই আগস্ট ২৪ এর পর মানুষ নিশ্চিত হলো যে দেশে কেবল বিহারী পাকিস্তানি আছে শুধু তাই না, বাঙ্গালী পাকিস্তানিও আছে।
এরা হলো বাঙ্গালী পাকিস্তানি। বাং/লাদেশের ব্যাপারে এদের ঈমান আকিদার ঠিক নাই।
১. এদের বাংলাদেশী নাগরিকত্ব বাতিল করা হোক।
২. এদের অবিলম্বে অ-বাংলাদেশী ঘোষণা করে এদের যাবতীয় স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি, “শত্রু সম্পত্তি” হিসেবে চিহ্নিত করা হোক।
৩. তারপর সেসব “শত্রু সম্পত্তি জব্দ” করে, এদের কৃতকর্মের কারণে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া মানুষদের মাঝে তা পুনর্বণ্টন করা হোক।
৪. আর এদেরকে “জেনেভা ক্যাম্পের” মতো অথবা “সাধারণ জনসমাজ হতে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন” কোন এক প্রান্তরে রাখার সুবন্দবস্ত করা হোক।
এটা করা বাঙ্গালী বাংলাদেশীদের জন্য ফরজ। ৫৫ বছর ধরে চলমান, আমাদের এই “বাঙ্গালী পাকিস্তানি” বিষয়ক problem এর এটাই final solution.
আমাদের এটা উপলব্ধী করতে হবে যে আমরা এমন শয়তানদের সাথে পাল্লা দিতে যাচ্ছি যারা খোদ ধর্ম নিয়ে শয়তানি করে। ধর্মটাই তাদের শয়তানি করার উপকরণ।
আইন তো সভ্য মানুষের জন্য। এরা কি সভ্য মানুষের পর্যায়ে পড়ে? এদের সাথে সভ্য আচরন করা বা সুশীলতা ফলানোর মানে, নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারার ব্যবস্থা করা। এরকম ভুল বার বার করা যায় না।
উপরোল্লিখিত ৪ টি পদক্ষেপ বাস্তবায়িত (কোন ব্যাতিক্রম ছাড়াই) করে তারপর লীগ চিন্তা করে দেখতে পারে যে রিকন্সিলিয়েশন হবে কি হবে না।
৪|
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৫
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
রিকন্সিলিয়েশন যদি সত্যকে চাপা দেওয়ার কৌশল হয়, আমি তার বিরোধিতা করব; কিন্তু যদি সত্য ও ন্যায়বিচারের ভিত্তির ওপর সামাজিক বিভাজন কমানোর প্রক্রিয়া হয়, তাহলে সেটিকে আলোচনার বাইরে রাখাও ঠিক হবে না।
৫|
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:১৬
রাজীব নুর বলেছেন: Bank Reconciliation শব্দটা শুনেছিলাম।
৬|
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সব দোষ শেখ হাসিনার । কেন ইলেকশনের পর তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন যে কোটা ফিরিয়ে আনবেন ? ২০১৮ সালে নিজেই সংসদে কোটা প্রথা বাতিল করেছিলেন । যত জন মারা গেছে সব দায় উনার সরকারের । ইলেকশন তো হয়েই গিয়েছিলো। সবাই যার যার মতো চুপ হয়ে গিয়েছিলো।
৭|
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১১
দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: মামুন্ন্যা আবাদার করেছে ৫ ই আগস্ট ২৪ আন্দোলনের সংগে যারা জড়িত তারা হলো বাঙ্গালী পাকিস্তানি। বাং/লাদেশের ব্যাপারে এদের ঈমান আকিদার ঠিক নাই।
১. এদের বাংলাদেশী নাগরিকত্ব বাতিল করা হোক।
২. এদের অবিলম্বে অ-বাংলাদেশী ঘোষণা করে এদের যাবতীয় স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি, “শত্রু সম্পত্তি” হিসেবে চিহ্নিত করা হোক।
৩. তারপর সেসব “শত্রু সম্পত্তি জব্দ” করে, এদের কৃতকর্মের কারণে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া মানুষদের মাঝে তা পুনর্বণ্টন করা হোক।
৪. আর এদেরকে “জেনেভা ক্যাম্পের” মতো অথবা “সাধারণ জনসমাজ হতে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন” কোন এক প্রান্তরে রাখার সুবন্দবস্ত করা হোক।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে দেশটা মামুন্ন্যর আব্বা মজিবরের পৈতৃক সম্পদ। পৈতৃকসূত্রে মামুন্ন্যা সেই সম্পদের একমাত্র দাবিদার তাই মামুন্ন্যা চাইছে ৫ ই আগস্ট ২৪ আন্দোলনের সংগে যারা জড়িত সবাইকে মামুন্ন্যার আরেক আব্বার দেশ ভারতে পাঠাইতে।
আহারে মামুন্ন্যা মধু খাওয়া বন্ধ হওয়াতে পাগলা কু*ত্তা*র মত ক্ষ্যাপাটে হয়ে গেছে।
৮|
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৯
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: @দেশ প্রেমিক বাঙালীঃ
তোমাদের মতো জামায়াতি লাল বদরদের/পাকিস্তানি শারমেয়দের/বরাহ শাবকদের.....
এক বছর রাখতে হবে বেলুচিস্তানে। তাহলে তাদের শৈশব থেকে ধোলাই হওয়া মগজ reset হলে হতেও পারে। reset হলে তারা আন্দাজ করতো যে টানা পাকিস্তান আমলে টানা ২৪ বছর বাঙ্গালীরা অবাঙ্গালী পাঞ্জাবী শাসক সমাজ কর্তৃক কি পর্যায়ের বৈষম্যের শিকার ছিলো।
আরও এক বছর রাখতে হবে ভারতের কেন্দ্র শাসিত কাশ্মীর রাজ্যে। তখন তারা জামায়াতিদের কথিত বিভিন্ন ঠাকুর মার ঝুলি গল্পসমূহ (যেমন বাংলাদেশ হলো ভারতের করদ রাজ্য, puppet state, bla bla bla….) বর্তমান বাংলাদেশের মধ্যকার পার্থক্য উপলব্ধি করতে পারতো।
অবশ্য জামায়াতিরা ঐতিহাসিক ভাবে ও ঐতিহ্যগত ভাবেই গণশত্রু। এরা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে ছিলো ব্রিটিশ সরকারের পক্ষে। পাকিস্তান আন্দোলনের সময় ছিলো পাকিস্তানের স্বাধীনতার বিরোধী। আর সর্বশেষ নিজেদের চোখে পাঞ্জাবী শাসকদের বৈষম্য, নিপীড়ন, লাঞ্ছনা, বঞ্চনা দেখার পরও তারা ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী পক্ষ। শুধু আদর্শিক ভাবেই নয় সশ্রস্ত্র ভাবে বিরোধিতা করেছিলো।
সুতরাং আদর্শিক, নৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক সব দিক থেকেই পরাজিত একটি দল, যে তার ৭১ এর পরাজয় আজও মেনে নেয়নি সেই মানসিকতা লালনকারী হিসেবে জামায়াত সর্বদাই চেষ্টা করে যাবে বাংলাদেশকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্র প্রমাণ করতে।
অবশ্য রাজনৈতিক ভাবে আরও আগে থেকেই জামায়াত ছিলো একটি চূড়ান্ত ব্যর্থ দল। এদের জন্মগত মোনাফেকির কারণেই সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের কাছে ন্যূনতম গ্রহণযোগ্যতা ছিলো না।
পাকিস্তান আমলের সর্বশেষ সেই ৭০ এর নির্বাচনে কয়টা আসন তারা পেয়েছিলো?
শয়তানকে ধর্ম শেখানো মানে ধর্মকে শয়তানিতে রূপান্তরিত করা। সুতরাং তোমাদের মতো জামায়াতিদের ধর্মের কথা শোনানো শয়তানকে ধর্ম শেখানোরই নামান্তর। (এরকম পাপের ভাগীদার হওয়া থেকে আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুক)। এরূপ শয়তানের সাথে মহা শয়তানি (এই যেমন: হিটলারের knight of long knives অথবা স্ট্যালিনের great purge) করেই সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হয়, যা দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আজও বাস্তবায়িত হয়নি।
এরকম আরো কাঠাল পাতা প্রস্তুত আছে? খাবে?
৯|
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৪
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: @দেশ প্রেমিক বাঙালীঃ
কিরে লাল বদর, তোরা ভারতের সাত বোন নাকি দখল করে নিবি? ভারতীয় মুরগির গলা চিবাবি? কই?
তোদের পূর্ব পুরুষ আল-বদরদেরও তো সুযোগ ছিলো। আরো ভালো মতই ছিলো তোদের কথিত ব্রাহ্মন্যবাদী ভারতীয় কাফের মালাউনদের সায়েস্তা করার....
সারা জীবন এরা ভারত বিদ্বেষী কথা বলে। কিন্তু যখন এদের সুযোগ আসে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাথে সরাসরি যুদ্ধ করার, তখন তারা কাফের মালাউন বাহিনীর সাথে যু্দ্ধ করার সাহস করে না। উল্টো নিরস্ত্র অসামরিক বাঙ্গালীদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে ফেলে রাখত সেই ৭১ এ।
আবার নাম দিয়েছে আল বদর। অথচ বদর প্রান্তরে বীর মুসলিমরা যুদ্ধ করেছিলো সশস্ত্র কাফেরদের সাথে। ইসলাম নিয়ে তামাশা করার এমন দুঃসাহস এই জামায়াতিদেরই আছে।
জামায়াতের চরিত্র বোঝার জন্য ৭১ এ আল বদর নামকরন আর সে অনুপাতে তাদের কার্যক্রম বিশ্লেষণই যথেষ্ট। মুখে যা বলে, করে তার সম্পূর্ণ বিপরীত। মুখে এক অন্তরে আরেক। ওদের নিয়ত একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারো বোঝার ক্ষমতা নেই।
এদের এ জন্যই মুনাফেক বলা হয়ে থাকে।
আরো কাঠাল পাতা লাগবে ছাগু....?
১০|
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:০৫
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: @দেশ প্রেমিক বাঙালীঃ
শোন,
৭১ এ তোদের আল বদর, শান্তি কমিটির রাজাকার বাপেরা হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে সব বাঙ্গালী নারীদেরকে তথাকথিত সাচ্চা মুসলিম অবাঙ্গালী পাঞ্জাবী সেনাদের ক্যাম্পে তাদের দৈহিক চাহিদা মেটানোর জন্য সরবরাহ করতো। টানা ৯ মাস যাবৎ করেছিলো। এরকম নারীদের মোট সংখ্যা কতো হতে পারে?
বিজয়ের পর ঐ সকল পরিত্যাক্ত সেনা ক্যাম্প হতে হাত পা বাধা সিলিংএ ঝোলানো, দাত ভেঙ্গে ফেলা (হাত বাধা নারীরা যেন কামড়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা না করতে পারে) ও সম্পূর্ন বিবস্ত্র (যেন নিজের কাপড় দিয়ে লাঞ্ছিত নারীরা আত্মাহুতি দিতে না পারে) অসংখ্য নারীদের উদ্ধার করেছিলো মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতের যৌথ বাহিনী। শিখ সেনারা সেই সকল অনাবৃত/বিবস্ত্র/উলঙ্গ নারীদের তাদের মাথার পাগরী খুলে আবৃত করতো। বিরাঙ্গনাদের সম্মান এভাবেই রক্ষা করতো। তারা কিন্তু মুসলিম ছিলো না।
ষুক্তি তর্কে আর ইতিহাসের জ্ঞানে যে অবস্থা তোদের, তাতে তোরা যা সর্বোচ্চ পারিস তা হলো গালি দেওয়া। আমাদের জন্য এসব কমপ্লিমেন্ট।
১১|
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৩৯
প্রজ্জলিত মেশকাত বলেছেন: তোমরা এতোটা আক্রমণাত্মক যে ফেলো ব্লগারদের যা ইচ্ছে তাই বলে যাচ্ছো। এতেই তোমাদের জন্ম পরিচয় বুঝা যায়। এই বাংলার মাটিতে কোনদিন তোমরা ক্ষমতায় আসতে পারবানা।
১২|
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৪১
প্রজ্জলিত মেশকাত বলেছেন: আর কিসের আল বাল ছবি শেয়ার দিছো!!! নিচেরগুলো তো ২০১৬ সালের জঙ্গি আর বাকিরা আওয়ামী হায়েনা।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১০
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
রিকন্সিলিয়েশন বা পুনর্মিলন কথাটি শুনতে যতই সুন্দর হোক, এর সাফল্য নির্ভর করে—কোন ভিত্তির ওপর এই সমঝোতা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে তার ওপর। অপরাধের সত্য উদঘাটন, দায় নির্ধারণ এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করে যদি শুধু রাজনৈতিক সুবিধার জন্য সমঝোতার কথা বলা হয়, তাহলে সেটি প্রকৃত পুনর্মিলন না হয়ে বরং বিচারহীনতারই নতুন নাম হতে পারে।
তবে একই সঙ্গে এটাও মনে রাখা প্রয়োজন, বিচার ও প্রতিশোধ এক জিনিস নয়। ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত অপরাধের দায় নির্ধারণ, সত্য প্রতিষ্ঠা এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধ করা। রাজনৈতিক মতভেদকে অপরাধের সঙ্গে একাকার না করে প্রত্যেক ব্যক্তির নির্দিষ্ট দায় ও ভূমিকা প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার করাই একটি সভ্য রাষ্ট্রের পথ।
আমার কাছে তাই প্রকৃত রিকন্সিলিয়েশনের সূত্র হতে পারে—সত্য → ন্যায়বিচার → দায় স্বীকার → ভুক্তভোগীর মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিতকরণ → তারপর জাতীয় পুনর্মিলন। সত্যকে চাপা দিয়ে যে ঐক্য তৈরি হয়, তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না; কিন্তু সত্য ও ন্যায়ের ভিত্তিতে যে ঐক্য গড়ে ওঠে, সেটিই পারে একটি জাতিকে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিতে।
লেখকের প্রশ্নটি তাই গুরুত্বপূর্ণ—“কিসের রিকন্সিলিয়েশন?” আমার সংযোজন শুধু এটুকু: রিকন্সিলিয়েশন চাই, কিন্তু সত্য ও ন্যায়ের সঙ্গে আপস করে নয়।