নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

প্রকৃত সত্যের দিকে আমাদের ছুটতে হবে..

রাশিদুল ইসলাম লাবলু

প্রকৃত সত্যকে উপলদ্ধি করতে হবে খোলা মন নিয়ে।

রাশিদুল ইসলাম লাবলু › বিস্তারিত পোস্টঃ

সায়েন্টিফিক তাফসীর – সুরা মূলক আয়াত নং ৫

২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪২



সায়েন্টিফিক তাফসীর – সুরা মূলক আয়াত নং ৫

“আমি নিকটবর্তী আকাশকে সুশোভিত করিয়াছি প্রদীপমালা দ্বারা এবং উহাদেরকে করিয়াছি শয়তানের প্রতি নিক্ষেপের উপকরণ এবং উহাদের জন্য প্রস্তুত রাখিয়াছি জ্বলন্ত অগ্নির শাস্তি”। সুরা মূলক আয়াত নং ৫

আমি লক্ষ্য করেছি অসংখ্য নাস্তিক এই আয়াতটি নিয়ে অট্টহাসে হাসতে থাকে। হাসাহাসির কারন শয়তানের দিকে নক্ষত্র নিক্ষেপ। উপহাস করে বলে শয়তানের দিকে আল্লায় নক্ষত্র ছুড়ে মারে। হা হা হা হা হা।নাস্তিকদের এহেন আচরনের কারনেই আল কোরআনে সূরা আল-ইমরান এর ৭ নম্বর আয়াতটি বলছে, আল্লাহ্তাআলা আপনার উপর কিতাব (কুরআন) নাযিল করেছেন, যার মধ্যে কিছু আয়াত সুস্পষ্ট এবং সেগুলোই কিতাবের মূল ভিত্তি, আর কিছু আয়াত রূপক।যাদের অন্তরে বক্রতা আছে, তারা ফিতনা ও অপব্যাখ্যা খোঁজার জন্য রূপক আয়াত গুলো অনুসরণ করে।”এই বক্র শ্রেণির মানুষগুলোর হাসির খোরাক জোগাতে তারা নিজেরাই যে হাসির পাত্র হযে পড়ে সেটি তারা বোঝে না। তারা হাসে শয়তানের প্রতি নক্ষত্র নিক্ষেপ করেন। কিন্তু এই নক্ষত্র শব্দটি তৎকালীন ১৪০০ বৎসর পূর্বের মানুষ কিভাবে বুঝবে?
পাঠক, লক্ষ্য করুন খুবই প্রাঞ্জল ভাষায় একটি কথা বলা আছে। যার মধ্যে লুকিয়ে আছে ব্যপক বৈজ্ঞানিক তথ্য। আল্লাহ আকাশে এমন কিছু প্রদীপমালা রেখেছেন যা শয়তানদের প্রতি নিক্ষেপ করা যায়। বলুনতো প্রিয় পাঠক আকাশে বা উপরে এমনকি কোন উপকরণ আছে যা দিয়ে শয়তানদের প্রতি নিক্ষেপ করা যায়? আপনিও যদি ঐঅসব নাস্তিকদের মতো শয়তান বলতে বিশাল একটি অলোৗকিক প্রানী ধরে নেন তাহলে ভূলটি হবে। তাহলে শয়তান কি? এই আয়াতের শয়তার বলতে মানুষের মাঝে একটি শ্রেনি যারা খারাপ তাদের বুঝোনো হয়েছে। এই শয়তান আযাযিল বা ইবলিশ নয় এই শয়তানেরা মানুষরুপী শয়তান। লক্ষ্য করুন আল কোরআনের আরেকটি আয়াত -“আর যখন তারা মুমিনদের সাথে মিলিত হয়, তখন বলে ‘আমরা ঈমান এনেছি এবং যখন তাদের শয়তানদের সাথে একান্তে মিলিত হয়, তখন বলে, ‘নিশ্চয় আমরা তোমাদের সাথে আছি। আমরা তো কেবল উপহাসকারী “। এ আয়াতে শয়তান বলতে মানুষেরই একটি শ্রেণিকে বোঝানো হয়েছে। পৃথিবীর মধ্যে অস্তিতিশীল মানুষেরই একটি বিশাল জাতিস্বত্তার কথা বোঝানো হয়েছে। শয়তানদের প্রতি নিক্ষেপের উপকরণ হিসেবে জলন্ত অগ্নির শাস্তি আকাশ থেকে প্রেরন করা হবে। ধ্বংশ করা হবে তাদের অহংকার। যারা স্রস্ঠার বিশ্বাসের প্রতি অহংকারীর মতো আচরবন করেন। এমন যুগে যুগে বা হাজার কিংবার মিলিয়ন বছরে এমনি গজব দিয়ে আল্লাহ মানবজাতির মধ্যে শয়তান শ্রেনি কে ধ্বং স করেন।

আয়াতের পরবর্তী অংশটি লক্ষ্য করুন। উহাদের জন্য প্রস্তুত রাখিয়াছি জলন্ত অগ্নির শাস্তি। সহজ প্রশ্বের সহজ উত্তর। আকাশ থেকে কোন জাতীয় জোতিস্ক পৃথিবীতে আঘাত হানে? উল্কাপিন্ড, ধুমকেতু, গ্রহানু এজাতীয় কিচু। আলোচ্য আয়াতে এস্টিরয়েড বেল্ট গ্রহানু প্রঞ্জের গ্রহানুসমূহকে বোঝানো হয়েছে । গ্রহাণু বেল্ট হল মহাকাশের একটি অঞ্চল যেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। মঙ্গল ও বৃহস্পতির কক্ষপথের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত গ্রহানু বেষ্টনী সৌরজগতের অংশবিশেষ। এরপর আরও কিছু গ্রহাণুর বেল্প রয়েছে যেগুলো কুইপার বেল্ট হিসেবে পরিচিত। মূল কথা,গ্রহাণু বেষ্টনী বা কুইপার বেল্ট নিজেদের পরিপূর্ণ রূপ নিতে পারে নি। এদের ব্যর্থ বৃহৎ গ্রহও বলা যেতে পারে। এগুলো যদি সম্পূর্ণভাবে একত্রিত হতে পারতো তবে হয়তো গ্রহে পরিণত হতো। কিন্তু তা না হয়ে এরা খন্ড খন্ড পাথরের টুকরা হয়ে একটি কক্ষপথ তৈরী করে মঙ্গলের পাশে একটি কক্ষপথে সুর্যকে কেন্দ্র করে ঘরছে। প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে, আমাদের সৌরজগৎ গঠিত হওয়ার সময়, মহাকাশে ধূলিকণা ও গ্যাসের বিশাল মেঘ ছিল, যা সৌর নীহারিকা নামে পরিচিত ছিল। এই নীহারিকার ধূলিকণা ও বরফের কণাগুলো একত্রিত হয়ে ছোট ছোট পাথুরে পিন্ড তৈরি করে, যা ভ্রূণগ্রহ (planetesimals) নামে পরিচিত।এই ভ্রূণগ্রহগুলো একত্রিত হয়ে গ্রহের আকার ধারণ করার চেষ্টা করছিল। কিন্তু বৃহস্পতি গ্রহ যখন তার বর্তমান ভরের কাছাকাছি আসে, তখন তার শক্তিশালী মহাকর্ষীয় টানে এই ভ্রূণগ্রহগুলো বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে এবং তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। মঙ্গল ও বৃহস্পতির কক্ষপথের মাঝের অঞ্চলে এই ভ্রূণগ্রহগুলো গ্রহের আকার নিতে পারেনি, বরং সংঘর্ষের ফলে ভেঙে ছোট ছোট টুকরায় পরিণত হয়, যা গ্রহাণু বেল্ট নামে পরিচিত।



প্রিয় পাঠক, এই আয়াতে শয়তানের উপর নিক্ষিপ্ত জোতিস্কসমূহ বা ‍উপকরনসমূহ বলতে গ্রহানুসমূহকেই বোঝানো হয়েছে। এবং উহাদের জন্য প্রস্তুত রাখিয়াছি জলন্ত অগ্নির শাস্তি বলতে এ্যাস্টির্য়েরড বেল্ট এলাকাকেই বোঝানো হয়েছে। আল্রাহ বলছেন তিনি গুহানুপুঞ্জ বা এস্টিরয়েড বেল্ট সৃষ্টি করেছেন পৃথিবীর বুকে মানুষ নামক শয়তানের প্রতি নিক্ষেপের উপকরন হিসেবে। সহজভাবে যদি বোঝার চেষ্টা করেন তাহলে বুঝবেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন গ্রহানুর আঘাতে পৃথিবীর মধ্যকার মানুষের একটি শ্রেনি শয়তানদের ধ্বংশস্তুপে পরিনত করার হুমকি দিচ্ছেন। পৃথিবীতে গ্রহাণুর আঘাত সত্যিই একটি বাস্তব ঝুঁকি, যা অতীতে বড় বিপর্যয় ঘটিয়েছে (যেমন ডাইনোসরের বিলুপ্তি এবং ভবিষ্যতে ঘটতে পারে, তবে NASA সহ মহাকাশ সংস্থাগুলো সম্ভাব্য বিপজ্জনক গ্রহাণু পর্যবেক্ষণ ও ট্র্যাক করছে; যদিও '2024-YR4' এর মতো কিছু গ্রহাণুর আঘাতের আশঙ্কা (২০৩২ সালে) একসময় থাকলেও, পর্যবেক্ষণের পর সেই ঝুঁকি কমে গেছে বা বাতিল হয়েছে। তবে বড় ধরনের গ্রহাণুর আঘাত বিরল হলেও তা বৈশ্বিক বিপর্যয় ঘটাতে সক্ষম।



এখন প্রশ্ন পৃথিবীর বুকে এই জাতীয় গ্রহানুর আঘাতে কি এরুপ শয়তানের সাম্রাজ্য ধ্বংশ হয়েছে? ইতিহাস কি বলে? অতীতে এমন সভ্যতা ধ্বংশ হয়েছে গ্রহানুর আঘাতে। গ্রহানুর আঘাতে ফলে ভুমিকম্প সুনামি বহু প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারনে বিলীন হয়ে গেছে মনুষ্য সভ্যতা! এস্টিরয়েডের আঘাতে ধ্বংশস্তুপে পরিনত হয়েছে, বিলীন হয়েছে। যার জলজ্যান্ত উদাহরন জর্দানের ডেড সী বা মৃত সাগরের স্থানটি। আল কোরআনে বলা আছে “সূর্যোদয়ের সময় মহানাদ তাদের আঘাত করে। অতঃপর আমি জনপদটিকে উল্টে দিলাম ও তাদের ওপর কঙ্কর বর্ষণ করলাম। নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শনাবলি রয়েছে। পথের পাশে ওই জনপদের ধ্বংসাবশেষ এখনো বিদ্যমান। (সুরা : হিজর ৭৩-৭৬) এই আয়াতটি পর্যালোচনা করলে জানা যায়-আজ থেকে ৩১০০ বছল পূর্বে বর্তমান জর্দান ও ঈসরাইলের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ডেড সী বা মৃত সাগরের স্থানটিতে ছিলো সদম ও গোমরাহ নগর। তারা উন্নতির চরম শিখরে উন্নীত হওয়ার কারণে সীমা লঙ্ঘনকারী জাতিতে পরিণত হয়েছিল। পূর্বেকার ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিগুলির ন্যায় তারা চূড়ান্ত বিলাস-ব্যসনে গা ভাসিয়ে দিয়েছিল। অন্যায়-অনাচার ও নানাবিধ দুষ্কর্ম তাদের মজ্জাগত অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। এমনকি পুংমৈথুন বা সমকামিতার মত নোংরামিতে তারা লিপ্ত হয়েছিল, যা ইতিপূর্বেকার কোন জাতি এতটা ব্যাভিচার করতো না। এক গ্রহানুর আঘাতের সঙ্গে সঙ্গে এক শক্তিশালী ভূমিকম্প পুরো নগরটি সম্পূর্ণ উল্টিয়ে ধ্বংশস্তুপে পরিনত করে দেন পাশাপাশি আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো গ্রহানু নিক্ষিপ্ত হওয়ার ফলে সমগ্র সভ্যতা বিলীন হয়ে যায় এবং সেখানে একটি মৃত সাগরে পরনিত হয়। যা আজ ডেড সী নামে পরিচিত। ফিলিস্তিন ও জর্দান নদীর মধ্যবর্তী স্থানে বিশাল অঞ্চলজুড়ে নদীর রূপ ধারণ করে আছে এটি। জায়গাটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বেশ নিচু। এর পানিতে তেলজাতীয় পদার্থ বেশি। এই পানিতে কোন কিছু ডোবে না। এতে কোনো মাছ, ব্যাঙ, এমনকি কোনো জলজ প্রাণীও বেঁচে থাকতে পারে না। এ কারণেই একে ‘মৃত সাগর’ বলা হয়। সাদুম উপসাগরবেষ্টিত এলাকায় এক ধরনের অপরিচিত উদ্ভিদের বীজ পাওয়া যায়, সেগুলো মাটির স্তরে স্তরে সমাধিস্থ হয়ে আছে। সেখানে শ্যামল উদ্ভিদ পাওয়া যায়, যার ফল কাটলে তার মধ্যে পাওয়া যায় ধুলাবালি ও ছাই। এখানকার মাটিতে প্রচুর গন্ধক পাওয়া যায়। এই গন্ধক উল্কাপতনের অকাট্য প্রমাণ। এ শাস্তি এসেছিল গ্রহানুর আঘাত, ভয়ানক ভূমিকম্প, সুনামি ও অগ্নি উদিগরণকারী বিস্ফোরণ আকারে। ভূমিকম্প সে জনপদকে ওলটপালট করে দিয়েছিল।




সুতরাং প্রিয় পাঠক মানবজাতি স্রষ্টার বিশ্বার থেকে ফিরে গিয়ে অসভ্য নোংরা সভ্যতা গড়ে তুললে আবারো তাদের উপর এরুপ ধ্বংশলীলা প্রেরণ করা হবে সেটি প্রুকাশ করা হয়েছে। ১২ নং আয়াতের পরবর্তীতে ১৩ নং আয়াতে লক্ষ করুন। বলা হচ্ছে। “এর পরেও যদি ওরা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে (ওদেরকে) বল, আমি তো তোমাদেরকে এক ধ্বংসকর শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করেছি; যেরূপ শাস্তির সম্মুখীন হয়েছিল আ’দ ও সামূদ;”। সুতরাং পৃথিবীর মধ্যে স্রষ্টা বিরোধীতা মানেই ধ্বংশলীলা। কারন আল কোরআন বলে - হে মানুষ তোমরা কি নিশ্চিত আমি তোমাদের উপর প্রস্তরখন্ড নিক্ষিপ্ত করাবো না?

মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৫৯

বাজ ৩ বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম।
লেখকের নিয়ত ও কুরআনের মর্যাদা রক্ষার আগ্রহ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। নাস্তিকদের উপহাসের জবাব দেওয়ার চেষ্টা একটি ইতিবাচক দিক। তবে বিনয়ের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরতে চাই—
কুরআনের তাফসীর একটি সংবেদনশীল ইলমি বিষয়। সুরা মুলক ৫ নং আয়াতে যে “শয়তানদের প্রতি নিক্ষেপ”-এর কথা এসেছে, তা সহিহ তাফসীরসমূহ (ইবনে কাসীর, তাবারী, কুরতুবী প্রমুখ) অনুযায়ী জিন শয়তানদের প্রসঙ্গে, মানুষের ক্ষেত্রে নয়। এছাড়া এই আয়াতে গ্রহাণু বেল্ট, কুইপার বেল্ট বা নির্দিষ্ট জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক কাঠামোর কথা নিশ্চিতভাবে বোঝানো হয়েছে—এমন ব্যাখ্যা কুরআন, সহিহ হাদিস বা সাহাবায়ে কেরামের ব্যাখ্যায় পাওয়া যায় না।
বৈজ্ঞানিক সম্ভাবনার কথা ইশারা হিসেবে বলা যেতে পারে, কিন্তু সেটিকে আয়াতের নির্দিষ্ট অর্থ হিসেবে স্থির করে দেওয়া তাফসীরের স্বীকৃত পদ্ধতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে অনিচ্ছাকৃতভাবে কুরআনের অর্থের উপর নিজস্ব ধারণা আরোপের আশঙ্কা তৈরি হয়।
আমাদের দায়িত্ব হবে—
কুরআনের স্পষ্ট অর্থকে স্পষ্ট রাখা,
রূপক আয়াতকে রূপক হিসেবেই বোঝা,
এবং আধুনিক বিজ্ঞানকে কুরআনের “ব্যাখ্যাকারী” নয়, বরং “সম্ভাব্য সামঞ্জস্য” হিসেবে উপস্থাপন করা।
আশা করি বিষয়টি ইলমি দৃষ্টিকোণ থেকে পুনর্বিবেচিত হবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে কুরআন বুঝার ক্ষেত্রে হিকমত ও ভারসাম্য দান করুন। আমিন।

২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০৬

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: ইলমি জজ্ঞান বলতে কি আপনি মাদ্রাসাতে লেখাপড়া করা বুঝোচ্ছেন। আপনি ইলমিজ্ঞান বলতে কি বোঝালেন আমি বুজি নাই। তবে আমি মাদ্রাসাতে পড়ি নাই। তেমন ইলমে জ্ঞান আমার নেই। আল কোরআনে আল্লাহ বলছেন “ আমি যাকে আল কোরআন বোঝার ক্ষমতা দিই সে বোঝে েএবং সিজদায় অবনত হয়। তাহলে আল কোরআনকে বোঝার জন্য মাদ্রাসার জ্ঝান থাকতে হবে কোনো বুঝলাম না। আমাকে ক্ষমা করবেন আমি হয়তো বুঝি নাই।

২| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৪৫

আলামিন১০৪ বলেছেন: And we used to sit therein in positions for hearing, but whoever listens now will find a burning flame lying in wait for him ৭২:৯, সুরা জিন
কাজেই এরা মনষ্য শয়তান না
And indeed, We adorned the lowest heaven with ˹stars like˺ lamps, and made them ˹as missiles˺ for stoning ˹eavesdropping˺ devils, for whom We have also prepared the torment of the Blaze ৬৭:৫

নক্ষত্রের ঝড় সম্পর্কে ধারনা আছে?

সাধারণ কোন আগুন নয়, বা নয় কোন উল্কাপিন্ড, কেননা তা বায়ুমন্ডলের সংস্পর্ষে আসার আগে জ্বলে না

৩| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৫৬

আলামিন১০৪ বলেছেন: অন্য আরেক জায়গায় আল্লাহ বলেন
“আর অবশ্যই আমরা আকাশে বুরুজসমূহ সৃষ্টি করেছি এবং দর্শকদের জন্য সেগুলোকে সুশোভিত করেছ এবং প্রত্যেক অভিশপ্ত শয়তান হতে আমরা সেগুলোকে সুরক্ষিত করেছি। কিন্তু কেউ চুরি করে শুনতে চাইলে প্রদীপ্ত শিখা (আরবী শিহাব শব্দ, উপরের প্রতি টি আয়াতে এই শব্দ আছে, এর অর্থ গ্রহাণু বা উল্কা নয়) তার পশ্চাদ্ধাবন করে।”- ১৫:১৬-১৮

২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:১৮

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: ধন্যবাদ আলামিন ১০৪, আপনি আয়াতটি সম্পূন পড়েন। আগে পিছে সকল ক্ষেত্রে। সহজ সরল আয়াতগুলোকে কোনো আপনি জটিল বলছেন। সুরাটির ১২ নং আয়াতে দেগখুন বলছেন যারা যারা অপরাধী আল কুরআন মানে না তাদের অন্তরে আল্লাহ সঞ্চ্র করেছেন। ১৩ নং আয়াতে বলছেন েএরা কুরাঅনের প্রতি ঈমান আনবেন না এরা অবিশ্বাসী। ১৪ নং আয়াতে বলছে যদি এদের আকাশের দরজা খুলে দেওয়া হয় তবু এরা বলবে জাদু। ১৫ নং আর অবশ্যই আমরা আকাশে বুরুজসমূহ সৃষ্টি করেছি এবং দর্শকদের জন্য সেগুলোকে সুশোভিত করেছি। ১৬ নং আয়াতে বলছে এবং প্রত্যেক অভিশপ্ত শয়তান হতে আমরা সেগুলোকে সুরক্ষিত করেছি। আপনি কি বুঝলেন না সহজ সরল ভাবে আল্লা বলছে ওঙাু অবিশ্বাসি মানুষগুলো বরী রাসুল মানে না। আল্লা মানে না তাদের যদি আকাশেল পানে মনোযোগ দেয় বা রকেট নিয়ে যেতে চাই তবে তাদের সেই প্রচেষ্টা ব্যাথ হবে। আল কোরআনের বলা হচ্ছে তোমরা প্রথম আসমানের সীমা অতিক্রম করতে চাও কিন্তু পারবে না অনুমতি ব্যাতিত। ভা্ইগো মহাকাশেও এমন ব্যবস্থা বিদ্যমান যদি অবিশ্বাসীরা মহাকাশে বাড়াবাড়ি করতে চাই তাদেরকে ধ্বংশ করার ব্যভস্থা রাখা আছে। গ্রহানু, ধুমকেতু, সৌরঝড় সহ বিভিন্ন প্রকার গ্রাভিটি মহাকাশ যানের জন্য বাধা। আল্লা স্পষ্ট বলছে মহাকাশেল সৌন্দর্য দেখতে চাইলে অবিশ্বাসী শ্রেনী দেখতে চাইলে তাদের বাধা গ্রস্থ করা হবে। আমরা মানুষেরা বা আমেরিকার নেতৃত্বমেনে চলা বিজ্ঞান মহাকাশেল কতদুর যেতে পেরেছে? এই প্রথম সৌরজগৎ সীমারেখারেখার বাইরে। নাসার (NASA) পাঠানো ভয়েজার ১ (Voyager 1) মহাকাশযানটি প্রথম এবং এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দূরবর্তী মানবসৃষ্ট বস্তু, যা সৌরজগতের সীমানা (হেলোপজ) পার হয়ে আন্তঃনাক্ষত্রিক বা নক্ষত্রমণ্ডলীয় স্থানে (Interstellar space) প্রবেশ করেছে। এটি ২০১২ সালের ২৫ আগস্ট সৌরজগতের বাইরে যাত্রা শুরু করে এবং এখনও তথ্য পাঠাচ্ছে। আমাদের জ্ঞঅন কিন্তু সীমীত আমরা খুব বেশি যেতে পারি নাই। আন্তঃনাক্ষত্রিক বা নক্ষত্রমণ্ডলীয় এলাকা যা সৌন্দর্যমূয় এলাকাতে পৌছলেই তো মহাকাশযান ধ্বংশ হয়ে যাচ্ছে তথ্য পাঠানো বন্দ করে দিচ্ছে কেনো? ভয়েজার ১ এখন পযর্ন্ত টিকে আছে তথ্য পাঠাচ্ছে। পৃথিবীর রাতের আকাশে যেমন দেখা যায়, ভয়েজার ১ ওফিউকাস নক্ষত্রমণ্ডলের সীমানার মধ্যে অবস্থিত, স্বর্গীয় বিষুবরেখার সামান্য উপরে; কোনও টেলিস্কোপ এটি দেখতে পারে না, তবে আশা করা হচ্ছে যে কমপক্ষে পরবর্তী দশ বছর ধরে রেডিও যোগাযোগ বজায় থাকবে। তারপর ভয়েজার ১ শেষ। আপনি সুরাঃ সাফফাত লক্ষ্য করুন- আমি তোমাদের নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজি দ্বারা সুশোভিত করেছি (৭) এবং একে প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান হতে রক্ষা করেছি (৮) ফলে ওরা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শুনতে পারে না। আর তাদের প্রতি নিক্ষিপ্ত হয় সব দিক থেকে (৯) ওদেরকে বিতাড়নের জন্য। আল কোরআনের নিকটবর্তী আসমান বা আন্তঃনাক্ষত্রিক বা নক্ষত্রমণ্ডলীয় এলাকা অনেকটা একই। আমাদের আরো গবেষনা প্রয়োজন। এই সীমারেখা পর্যন্ত অবিশ্বাসী শ্রেনি যাইতে পারবে অনুমতি আছে। কিন্তু এর পরের অংশে যেতে গেলে পৃথিবীতে বিশ্বাসের জয় জয়কার হতে হবে। স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাসী জাতি ছাড়া পরবতী সীমারেখায় যাওয়া সম্ভব নয় এটিই আল কোরআনের বক্তব্য বলে আমি মনে করি।

৪| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৩৩

আলামিন১০৪ বলেছেন: ৩৭ নং সুরাঃ সাফফাত
৬) আমি তোমাদের নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজি দ্বারা সুশোভিত করেছি (৭) এবং একে প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান হতে রক্ষা করেছি (৮) ফলে ওরা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শুনতে পারে না। আর তাদের প্রতি নিক্ষিপ্ত হয় সব দিক থেকে (৯) ওদেরকে বিতাড়নের জন্য। ...


নিজের মনমতো ব্যাখ্যা না করে বোঝার চেষ্টা করুন, এই শয়তান কি মানুষ শয়তান? যাদের হাত থেকে রক্ষা করার প্রয়োজন হয়?

২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:২৪

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: নিজের মনমতো ব্যাখ্যা না করে বোঝার চেষ্টা করুন, এই শয়তান কি মানুষ শয়তান? যাদের হাত থেকে রক্ষা করার প্রয়োজন হয়? হ্যা তারা মানুষ শয়তানই তারাই মহাকাশে ভ্রমন করবে। তাদের ব্যহত করতে বা তথ্য সংগ্রহ করতে বাধা গ্রস্থা করার আয়াত ওখানে উল্লেখিত।

৫| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:২১

রাজীব নুর বলেছেন: এটা আমার জন্য অদরকারী পোষ্ট। তাই পড়লাম না।

৬| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৩২

বাজ ৩ বলেছেন: লেখক বলেছেন :আল্লাহ বলছেন “ আমি যাকে আল কোরআন বোঝার ক্ষমতা দিই সে বোঝে েএবং সিজদায় অবনত হয়। তাহলে আল কোরআনকে বোঝার জন্য মাদ্রাসার জ্ঝান থাকতে হবে কোনো বুঝলাম না। আমাকে ক্ষমা করবেন আমি হয়তো বুঝি নাই।

ভাই@
কুরআন বুঝার ক্ষেত্রে আমি বলিনাই যে মাদ্রাসার জ্ঞান থাকতে হবে।বরং কুরআন বুঝার ক্ষেত্রে যে জ্ঞানগুলো থাকতে হবে তা হলো—

১। হাদীসের জ্ঞান
২।পূর্ববর্তী সীকৃত মুফাস্সিররা কি তাফসির করেছেন সেই জ্ঞান।
৩।আরবী ব্যাকরন, এবং ভাষা জ্ঞান।
৪।শুধু বাহ্যিক নয় আত্মিক জ্ঞান ইলমে লাদুন্নি, আল্লাহ যাকে কুরআন বুঝার ক্ষমতা দেন।এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ জ্ঞান যাকে ইলমে লাদুন্নি বলা হয়।

ভাই@ইলম শব্দের অর্থ এটা নয় যে শুধু মাদরাসায় থাকে। ইলম মাদরাসার বাহিরেও থাকতে পারে।

এখন আমি আপনার তাফসির পদ্ধতি নিয়ে কিছু কথা বলি।
আপনি সূরা মুলকের ৫ নং আয়াতে সরাসরি বলে দিয়েছেন যে আল্লাহ এখানে মানুষ শয়তানের কথা বলেছেন।অথচ আয়াতে মানুষ শয়তানের কথা স্পষ্ট বলা নেই।কারন এখানে বুঝা উচিত ছিলো জীন শয়তান ও তো হতে পারে।আর আকাশে মানুষ এই আধুনিক সময়েও যেতে পারেনা।তাহলে মানুষ শয়তানের কথা কিভাবে উক্ আয়াতে বলা হতে পারে।আর কুরআন যখন নাজীল হয়েছে,তখন মানুষ আকাশে যাবে এটা তো কল্পনারও বাইরে ছিলো

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪২

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: ভাই আমি কিন্তু বলছি না যে আমি যেটি বলছি সেটিই সত্য। আমার ভূল হতেই পারে।ভ তবে আমি একটি বিষয় বললাম নেয়া না নেয়া আপনাদের বিসয়। তবে একটু ভাবুন। আপনি বলছেন কুরআন বুঝার ক্ষেত্রে যে জ্ঞানগুলো থাকতে হবে তা হলো ১ নং হাদীসের জ্ঞান । ভাই আপনি কি বললেন এটি? যে হাদীস রাসুলের মৃত্যুর ২৫০ বৎসর পর প্রতিষ্ঠিত সেই হাদীসের সত্যতা আপনি কিভাকে মাপবেন। অথচ আল কোরআনে বলছে তোমরা সত্যের সাথে মিথ্যাকে সংমিশ্যন করো না। হাদীস নিয়ে সহী আর জাল জইফ নিয়ে সংশয় বোধ কিভাবে হাদীসের ১০০ গ্রহণযোগ্যতা দিবে? রাসুলের সময়কালে কোন হাদীস কি আছে? কোথায় সব ই তো পুড়ি যে দেওয়া হলো। আবুবক্কর আঃ এর সময় ওমর আঃ এর সময় সংগৃহিত হাদীস সবই তো কীলফাগন পুড়িযে দিয়েছে। সত্য মিথ্যা হাদীস নিয়ে কোরআনের ব্যাক্ষা করাত যাবেন না। ২য় তো বলছেন আরবী জ্ঞান থাকা লাগবে। কেনো ভাই? এই কথা বলছেন কোনো? রাসুলের জীবিত সময়ে তো আল কোরআনকে ৭টি ভাষায় অনুদিত করা হয়েছেলো। আর আপানি ব্যবকরন আর ভাষা জ্ঞানের কথঅ বলছেন। আমি বলি কি ভাই আল কোরআন পড়ুন আপনিও হয়তো অনেক বেশি জানতে পারেন যদি আপনার মধ্যে আর্লা আলকোরআন বোঝার ক্ষমতা দিয়ে থাকেন। ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৩

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: আকাশে মানুষ এই আধুনিক সময়েও যেতে পারেনা।তাহলে মানুষ শয়তানের কথা কিভাবে উক্ আয়াতে বলা হতে পারে।আর কুরআন যখন নাজীল হয়েছে,তখন মানুষ আকাশে যাবে এটা তো কল্পনারও বাইরে ছিলো বর্তমান মানুষের বর্তমান মহাকাশযান ভয়েজার ১ কিন্তু আমাদের সৌরজগৎ পার হয়েছে। আমরা মানুষেরা বা আমেরিকার নেতৃত্বমেনে চলা বিজ্ঞান মহাকাশেল কতদুর যেতে পেরেছে? এই প্রথম সৌরজগৎ সীমারেখারেখার বাইরে। নাসার (NASA) পাঠানো ভয়েজার ১ (Voyager 1) মহাকাশযানটি প্রথম এবং এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দূরবর্তী মানবসৃষ্ট বস্তু, যা সৌরজগতের সীমানা (হেলোপজ) পার হয়ে আন্তঃনাক্ষত্রিক বা নক্ষত্রমণ্ডলীয় স্থানে (Interstellar space) প্রবেশ করেছে। এটি ২০১২ সালের ২৫ আগস্ট সৌরজগতের বাইরে যাত্রা শুরু করে এবং এখনও তথ্য পাঠাচ্ছে। আমাদের জ্ঞঅন কিন্তু সীমীত আমরা খুব বেশি যেতে পারি নাই। আন্তঃনাক্ষত্রিক বা নক্ষত্রমণ্ডলীয় এলাকা যা সৌন্দর্যমূয় এলাকাতে পৌছলেই তো মহাকাশযান ধ্বংশ হয়ে যাচ্ছে তথ্য পাঠানো বন্দ করে দিচ্ছে কেনো? ভয়েজার ১ এখন পযর্ন্ত টিকে আছে তথ্য পাঠাচ্ছে। পৃথিবীর রাতের আকাশে যেমন দেখা যায়, ভয়েজার ১ ওফিউকাস নক্ষত্রমণ্ডলের সীমানার মধ্যে অবস্থিত, স্বর্গীয় বিষুবরেখার সামান্য উপরে; কোনও টেলিস্কোপ এটি দেখতে পারে না, তবে আশা করা হচ্ছে যে কমপক্ষে পরবর্তী দশ বছর ধরে রেডিও যোগাযোগ বজায় থাকবে। তারপর ভয়েজার ১ শেষ। আপনি সুরাঃ সাফফাত লক্ষ্য করুন- আমি তোমাদের নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজি দ্বারা সুশোভিত করেছি (৭) এবং একে প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান হতে রক্ষা করেছি (৮) ফলে ওরা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শুনতে পারে না। আর তাদের প্রতি নিক্ষিপ্ত হয় সব দিক থেকে (৯) ওদেরকে বিতাড়নের জন্য। আল কোরআনের নিকটবর্তী আসমান বা আন্তঃনাক্ষত্রিক বা নক্ষত্রমণ্ডলীয় এলাকা অনেকটা একই।

খাই গো আল কোরআনকে ভবিষ্যতের মানুসের কথা মাথায় রেখেি এই আয়াত নাযিল করেছেন। আল কোরআনের বহু আয়াত আছে ভবিষ্যতের মানুষতের উদ্ধেশ্যে। আপনি কোরআন পড়ুন বুঝবেন।

৭| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৪৪

বাজ ৩ বলেছেন: সায়েন্টেফিক তাফসীর নিয়ে কিছু বলতে হয়
সায়েন্টিফিক তাফসীর অবশ্যই করতে পারেন,কুরআনে অনেক সায়েন্টিফিক আয়াত আছে।সেগুলো নিয়ে সায়েন্টিফিক তাফসীর করেন।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৪

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: আল কোরআনের যে আয়াতগুলোতে আমি বিজ্ঞানের গন্ধ পাই আমি সেগুলোতেই সায়েন্টিফিক তাফসীরের বা ব্যাক্ষা প্রদান ককরি।

৮| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০৩

আলামিন১০৪ বলেছেন: শয়তানকে বিতাড়িত করার আয়াতগুলোতে দুটি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, কাওকাব আর মাসাবি আর অন্যত্র নুযুম। আরবী কাওকাব শব্দের অর্থ দেখলাম গ্রহ, আবার মাসাবি শব্দের অর্থ প্রদীপ (যেহেতু গ্রহসমূহ রাতে আলো দেয়), চ্যাট জিপিটিকে জিজ্ঞাসা করে জানলাম, রাতের আকাশে নক্ষত্রের চেয়ে গ্রহগুলো অনেক বেশী আলো দেয়, তাই রাতের প্রদীপ এখানে নক্ষত্র নয় বরং গ্রহ। আবার সূর্য ছাড়া নক্ষত্র অনেক দূরে অবস্থিত (বহু আলোক বর্ষ) যেখানে জ্বিনের যাওয়ার সম্ভাবনা নেই কারণ সুলাইমান (আঃ) এর দরবারে এক জ্বিন রাণী সেবার সিংহাসন আনতে বেশ অনেকটা সময় চেয়েছিল (মিটিং শেষ হওয়ার আগে সে এনে দিতে চেয়েছিল আর জেরুজালেম থেকে ইয়েমেনের দূরত্ব প্রায় ২৫০০ কিমি, জ্বিন নক্ষত্রে যাওয়া আসা করতে পারলে মুহুর্তকালের বেশি সময় লাগার কথা না)। তদুপরি জ্বিনেরা গ্রহ নক্ষত্রে ভ্রমণ করতে পারলে পৃথিবীতে অবস্থান করত না। আমার মনে হয় এদের দৌড়, বায়ুমন্ডলের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যেখানে এরা উল্কার দৌড়ানি খেয়ে নীচে নামে। মিটিওর বা উল্কা প্রায় সব ক্ষেত্রেই গ্রহাণু থেকে সৃষ্ট, আর গ্রহাণুগুলো গ্রহসমূহ থেকে।

আল্লাহ বলেন, “হে জ্বিন ও মানুষ সম্প্রদায়! আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সীমা তোমরা যদি অতিক্রম করতে পার, তাহলে অতিক্রম কর, কিন্তু কোন শক্তি ব্যতিরেকে তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না।” ৫৫:৩৩

মানুষ কিন্তু রকেট ইঞ্জিনের শক্তি ব্যবহার করে মহাশুণ্যে যাচ্ছে, আপনার কথা সত্য হলে মনুষ্য যান ভয়েজার--১ বর্তমানে ২৫ বিলিয়ন কিমি দূর থেকে তথ্য পাঠাচ্ছে আর আল্লাহ তা অগ্নি শিখা পাঠিয়ে ধ্বংশ করে দেন নি।

নকিব ভাই সঠিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন যা সহিহ হাদিসেও বর্ণিত আছে। আমি নিজেও প্রথমে নক্ষত্র ভেবেছিলাম।

আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুক-আমিন।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:১৫

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: আল্লাহ বলেন, “হে জ্বিন ও মানুষ সম্প্রদায়! আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সীমা তোমরা যদি অতিক্রম করতে পার, তাহলে অতিক্রম কর, কিন্তু কোন শক্তি ব্যতিরেকে তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না।” ৫৫:৩৩
মানুষ কিন্তু রকেট ইঞ্জিনের শক্তি ব্যবহার করে মহাশুণ্যে যাচ্ছে, আপনার কথা সত্য হলে মনুষ্য যান ভয়েজার--১ বর্তমানে ২৫ বিলিয়ন কিমি দূর থেকে তথ্য পাঠাচ্ছে আর আল্লাহ তা অগ্নি শিখা পাঠিয়ে ধ্বংশ করে দেন নি।

আলামিন ১০৪ ভঅই আপনি কিন্তু বোকার মতো কথা বলছেন! কারন আপনি যে আয়াতটির কথা বলছেন সেই আয়াতটির অর্থ আরো একটু গভীরে যান। আয়াতটিতে ভূমন্ডল থেকে প্রথম আসমান অতিক্রম করে যেতে বলছে। কিন্তু আমরা কি প্রথম আসমানের সীমানা অতিক্রম করতে পেরেছি< আল কোরাআন কিন্তু আপনাকে প্রথম আসমাকের সীমারেখা উল্লেখ করে দিয়েছে আল কোরআনে।

নাসার (NASA) পাঠানো ভয়েজার ১ (Voyager 1) মহাকাশযানটি প্রথম এবং এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দূরবর্তী সৌরজগতের সীমানা (হেলোপজ) পার হয়ে আন্তঃনাক্ষত্রিক বা নক্ষত্রমণ্ডলীয় স্থানে (Interstellar space) প্রবেশ করেছে। পৃথিবীর রাতের আকাশে যেমন দেখা যায়, ভয়েজার ১ ওফিউকাস নক্ষত্রমণ্ডলের সীমানার মধ্যে অবস্থিত, স্বর্গীয় বিষুবরেখার সামান্য উপরে; কোনও টেলিস্কোপ এটি দেখতে পারে না, তবে আশা করা হচ্ছে যে কমপক্ষে পরবর্তী দশ বছর ধরে রেডিও যোগাযোগ বজায় থাকবে। তারপর ভয়েজার ১ শেষ। আপনি সুরাঃ সাফফাত লক্ষ্য করুন- আমি তোমাদের নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজি দ্বারা সুশোভিত করেছি। আল কোরআনের নিকটবর্তী আসমান বা আন্তঃনাক্ষত্রিক বা নক্ষত্রমণ্ডলীয় এলাকা অনেকটা একই। আমাদের ভয়েজার তো কেবলমাত্র ভূমন্ডল পার হয়ে আন্তঃনাক্ষত্রিক বা নক্ষত্রমণ্ডলীয় স্থানে (Interstellar space) প্রবেশ করেছে। আরো যাইতে দেন ভাই। বিশ্বাসী জাতি ছাড়া প্রথম আসমানের সীমারেখা অতিক্রম করা যাবে না।

৯| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১২

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

১০| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৬

নতুন বলেছেন: আল কোরআনে বলা আছে “সূর্যোদয়ের সময় মহানাদ তাদের আঘাত করে। অতঃপর আমি জনপদটিকে উল্টে দিলাম ও তাদের ওপর কঙ্কর বর্ষণ করলাম। নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শনাবলি রয়েছে। পথের পাশে ওই জনপদের ধ্বংসাবশেষ এখনো বিদ্যমান। (সুরা : হিজর ৭৩-৭৬) এই আয়াতটি পর্যালোচনা করলে জানা যায়-আজ থেকে ৩১০০ বছল পূর্বে বর্তমান জর্দান ও ঈসরাইলের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ডেড সী বা মৃত সাগরের স্থানটিতে ছিলো সদম ও গোমরাহ নগর। তারা উন্নতির চরম শিখরে উন্নীত হওয়ার কারণে সীমা লঙ্ঘনকারী জাতিতে পরিণত হয়েছিল। পূর্বেকার ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিগুলির ন্যায় তারা চূড়ান্ত বিলাস-ব্যসনে গা ভাসিয়ে দিয়েছিল। অন্যায়-অনাচার ও নানাবিধ দুষ্কর্ম তাদের মজ্জাগত অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। এমনকি পুংমৈথুন বা সমকামিতার মত নোংরামিতে তারা লিপ্ত হয়েছিল, যা ইতিপূর্বেকার কোন জাতি এতটা ব্যাভিচার করতো না। এক গ্রহানুর আঘাতের সঙ্গে সঙ্গে এক শক্তিশালী ভূমিকম্প পুরো নগরটি সম্পূর্ণ উল্টিয়ে ধ্বংশস্তুপে পরিনত করে দেন পাশাপাশি আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো গ্রহানু নিক্ষিপ্ত হওয়ার ফলে সমগ্র সভ্যতা বিলীন হয়ে যায় এবং সেখানে একটি মৃত সাগরে পরনিত হয়। যা আজ ডেড সী নামে পরিচিত। ফিলিস্তিন ও জর্দান নদীর মধ্যবর্তী স্থানে বিশাল অঞ্চলজুড়ে নদীর রূপ ধারণ করে আছে এটি। জায়গাটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বেশ নিচু। এর পানিতে তেলজাতীয় পদার্থ বেশি। এই পানিতে কোন কিছু ডোবে না। এতে কোনো মাছ, ব্যাঙ, এমনকি কোনো জলজ প্রাণীও বেঁচে থাকতে পারে না। এ কারণেই একে ‘মৃত সাগর’ বলা হয়। সাদুম উপসাগরবেষ্টিত এলাকায় এক ধরনের অপরিচিত উদ্ভিদের বীজ পাওয়া যায়, সেগুলো মাটির স্তরে স্তরে সমাধিস্থ হয়ে আছে। সেখানে শ্যামল উদ্ভিদ পাওয়া যায়, যার ফল কাটলে তার মধ্যে পাওয়া যায় ধুলাবালি ও ছাই। এখানকার মাটিতে প্রচুর গন্ধক পাওয়া যায়। এই গন্ধক উল্কাপতনের অকাট্য প্রমাণ।

* ঐ সময়ের একটা শহরে খুব বেশি মানুষ থাকার কথা না। ২০০০-৮০০০ মানুষ।
* ঐ এলাকাতে কোন উল্কা পাতের অকাট্য প্রমান নাই। এটা দুইটা প্লেটের সরে যাওয়া থেকে সৃস্টি হয়েছে এমন মতের পক্ষে প্রমান বেশি।
* কিছু মানুষ বাইবেলের এই ঘটনাকে মেলাতে এমন প্রমানের কথা বলে মাত্র।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৫১

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: বাহ বা নতুন ভাই, আপনার বিজ্ঞান তো অন্তত একটি প্রমান খুজে পেয়েছে। এতেই আমরা সন্তুস্ট। আপনি বলছেন এটা দুইটা প্লেটের সরে যাওয়া থেকে সৃস্টি হয়েছে এমন মতের পক্ষে প্রমান বেশি। আল কোরআন কি বললো শুনলেন না? সুরা হুদে ৮২ নং আয়াতে বলা হয়েছে: “যখন আমার আযাব এসে গেল, তখন আমি শহরটিকে উল্টে দিলাম ও তাদের উপর স্তরে স্তরে প্রস্তর বর্ষণ করলাম যা আপনার প্রতিপালকের কাছে চিহ্নযুক্ত ছিল।” ভাইগো আপনি কি বুঝলেন না জনপদটিকে উল্টে দেওয়া মানে কি? দুট চেকচোনিক প্লেটের ধাক্কায় একটি পে্‌লট উপরেরটা নীচে নেমি যাওয়া বা উল্টে যাওয়া। আয়াতটির আরেকটি অর্ত জমিন উল্টে যাওয়া বলতেই প্লেটের উরল্টে যাওয়া বোঝানো হচ্ছে। পরবতীতে স্তরে স্তরে কংকর নিক্সেপ করা প্রমানও পাবেন আরো গবেষনা মানুষকে করতে দেন। মানুষতো প্রথমেই নাক সিটকে নেয়

গবেষক Alex Mvuka Npung ও Sunbury Technological Centre এর Andy Geatches এর ৬টি গন্ধক পাথর নিয়ে পরীক্ষা করে দেখেছেন যে- এদের প্রত্যেকের ভেতর রাসায়নিক উপাদানের পরিমাণ হুবহু এক! যা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে অসম্ভব, কারণ প্রাকৃতিক কোন বস্তুর ক্ষেত্রে এমনটি পূর্বে আর ঘটেনি বা কেউ শুনেওনি। এবং তারা ৯৯% বিশুদ্ধ সাধারণ গন্ধকের সাথে আমুরাহ্‌’র গন্ধক পাথরের তুলনামূলক পরীক্ষা। মহাকাশের এসব পর্দাথ বিজ্ঞানীরা ইদানিং বুঝছে এই সব ঘন্ধক জাতীয় গ্রহানু
বা উল্পকা আঘাত হানতো।

১১| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:১৪

বাজ ৩ বলেছেন: ভাই,আমি বিতর্ক নয়,আমি যা বুঝি তাই বলি।এখন আমার সাথে মতপার্থক্য কারো যদি থাকে সেটা থাকতেই পারে,অস্বাভাবিক কিছুনা।

আপনার এই কথা আমার মতে আংশিক সত্য যে,হাদিস কুরআনের তাফসীর নয়।কিন্তু পুরোপুরি আপনার কথা সত্য নয়।

হাদীস ২৫০ বছর পরে লিপিবদ্ধ হয়েছে ঠিকই,কিন্তু হাদীস কোনো সাধারন মানুষ লিখেন নি।বিশেষ যোগ্যতাসম্পন্ন স্বীকৃত মানুষেরাই হাদীস লিপিবদ্ধ করেছেন,আবার হাদীস সবার কাছ থেকে গ্রহনও করা হয়নি,বিশেষ পবিত্র তাকওয়াবান রাবীর কাছ থেকেই হাদীস গ্রহন করা হয়েছিলো।তখনকার মানুষের ধীশক্তিও প্রখর ছিলো,এবং তাদের অধীকাংশই দ্বীর্ঘ হায়াত পেত।এই বিষয়ের আলোচনা খুবই বিস্তারিত,এখন মূল কথা বলি।

হাদীসে কুরআনের সব আয়াতের তাফসীর নাই এটা সত্য।কারন,নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম নিজেও অনেক আয়াতের তাফসীর করেন নাই,হয়ত আয়াতটি ভবিষ্যতের সাথে সম্পর্কিত ছিলো। আর বৈজ্ঞানিক তাফসীর কখোনো এটা নয় যে,উক্ত তাফসীর আয়াতের স্পষ্ট অর্থকে বাতিল করে দিবে।

তাছাড়া কোনো একটি বিষয় পুরোপুরি নিশ্চিত না হয়ে,এবং আরো অনেক বিজ্ঞজনদেরকে না দেখিয়ে বর্ণনা করে দেওয়া মূলনীতি বিরোধী একটি কাজ বলে আমি মনে করি।

তাছাড়া একটি আয়াতের তাফসীর করার সময় অন্য মিল রয়েছে এমন আয়াতটাও আলোচনায় আনা উচিত।
যেমন যখন সূরা মুলক ৫ নং আয়াতের তাফসীর করা হবে, তখন সূরা হিজর ১৮ নং আয়াতও সামনে আনা উচিত ছিলো।কারন একটি আয়াতের ব্যাখা অন্য আরেকটি আয়াত দ্বারা আরো বেশি পরিষ্কার হতে পারে।তারপর সূরা জীনে এই বিষয়ের আলোচনা রয়েছে,সেগুলোও মিলিয়ে দেখার দরকার ছিলো যে,জীন শয়তানের কথা বলা হয়েছে নাকি মানুষ শয়তানের কথা বলা হয়েছে। আমি যা বুঝেছি তাই বললাম।ধন্যাবাদ

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৯

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: ধন্যবাদ বাজ ভাই, আপনার মন্তব্য ভালো লাগলো।
যেমন যখন সূরা মুলক ৫ নং আয়াতের তাফসীর করা হবে, তখন সূরা হিজর ১৮ নং আয়াতও সামনে আনা উচিত ছিলো।কারন একটি আয়াতের ব্যাখা অন্য আরেকটি আয়াত দ্বারা আরো বেশি পরিষ্কার হতে পারে।
ভাইগো সুরা হিজরের প্রতিটি আয়াত আমি সুক্ষ সুক্ষভাবে খেয়াল করেছি। আমি গবেষনা করছি প্রায় ৩০ বৎসর যাবৎ। সুরা হিজরে একই কথা বলা আছে। যার অর্থ দাড়ায় আল্রাহর অনুমতি ব্যতিত কেউ তথ্য চুরি করতে এলে তার পিছে অগ্নিশিখা পশ্চাদধাবন করে। সুরা হিজরের এই আয়াতেও মানুষের কথাই বলা হচ্ছে। কিন্তু পাথক্য বিদ্যমান। কারন মুলক এর শাস্তি প্রদীপমালাকে বুঝিয়েছে। অথার্ৎ এস্টিরয়েড বেল্ট ও কুইপার বেল্টের কথা বলা হচ্ছে। আর হিজরের শাস্তিটি কিন্তু ভিন্ন। এখানে তথ্য চুরি করতে এলে বা মহাকাশের তথ্য সংগ্রহ করতে চাইলে (যাদের মাঝে ধর্মবোধ বা স্রষ্টা প্রিতী নেই তাদের বোঝানো হয়েছে) অগিন্ শিখা তাদের দিকে ধাবিত হবে। তথ্য চুরির স্থানটি আমাদের ভূমন্ডলের সীমানা অতিক্রম করা হলে। ভূমন্ডলের সীমানা বলতে আমাদের সৌরজগতের সীমা পার হলে। অথাৎ দুই বেল্পেটর পর হেলিয়োপজ পার হয়ে ওল্ট ক্রাউড পর্যন্ত। এর পর সুর্যের চৌম্বকক্ষেত্র আর কাজ করে না। হেলিয়োস্ফিয়ার নামের একটি বিশাল বুদ্‌বুদের মতো অঞ্চল তৈরি করেছে। এটি সূর্য থেকে প্রায় ১২০ এইউ দূরে অবস্থিত। এরপর নভেমন্ডালের সীমানা শুরু। শুরু হয় আন্তঃনাক্ষত্রিক বা নক্ষত্রমণ্ডলীয় স্থান (Interstellar space)। নাসার (NASA) পাঠানো মহাকাশযান ভয়েজার ১ আন্তঃনাক্ষত্রিক বা নক্ষত্রমণ্ডলীয় স্থানে প্রবেশ করেছে। ওফিউকাস নক্ষত্রমণ্ডলের সীমানার মধ্যে অবস্থিত, স্বর্গীয় বিষুবরেখার সামান্য উপরে। অথাৎ নক্ষত্রমন্ডলীতে আমরা সবেমাত্র প্রবেশ করতে শুরু করেছি। এখানে কোন তথ্য জানতে গেলে ব্যপক বাধা। সৌর বায়ু। আন্তঃনাক্ষত্রিক নক্ষত্রগুলোতে প্রতিনিয়ত বিস্ফোরণ ঘটছে। সেই বিস্ফোরনের অগ্নিশিখা আমাদের মহাকাশযানগুলোকে ধ্বংশ করে দিতে পারে। সুরা হিজরের ১৮ নং আয়াত ! “তবে যে গোপনে শোনে, তৎক্ষণাৎ সুস্পষ্ট জ্বলন্ত অগ্নিশিখা তার পিছু নেয়।”

ভাই আমি আল কোরআন পড়ে যতটুকু বুজেছি। এগুলো মানুষের কথা বলা হয়েছে। তকে আমি তো ফেরেস্তা নয়। আমি মানুষ আমার ভূল হতে পারে।

১২| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:২৯

আলামিন১০৪ বলেছেন: নিজের মনমতো ব্যাখ্যার জন্য ৭২ঃ৯ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করলেন, যেখানে স্পষ্টতই জিনের কথা বলা আছে।

আর জনপদকে ধ্বংশের আয়াতসমূহের সাথে ফেরেস্তাদের কথোপকথোন শোনার চেষ্টার সম্পর্ক নেই।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৭

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: নিজের মনমতো ব্যাখ্যার জন্য ৭২ঃ৯ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করলেন, যেখানে স্পষ্টতই জিনের কথা বলা আছে।

ভাই আমি সুরা জ্বীন সকল আয়াত পড়েছি। আয়াতগুলো আপনি একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
আমরা যে মহাকাশযানে করে গ্রহান্তরে পাড়ি দিচ্ছি সেটিতে সবোচ্চ প্রতিঘন্টায় ৫০ হাজার মাইল বা প্রায় ৮০ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া সম্ভব। এখন পর্যন্ত মানুষের বানানো সবচেয়ে দ্রুতগতির বাহন এটি। এটি দিয়ে আমরা মহাবিশ্বের কতটুকু জায়গা যেতে পারবো বলে একটু ধারনা করুন তো। তবে মানুষের জ্ঞান ধীরে ধীরে বাড়বে।মানুষের জ্ঞান বিজ্ঞান উন্নয়নের সাথে সাথে মহাকাশযানের গতিও বাড়বে। আমি না হয় মেনেই নিলাম মার্নুষ একদিন আলোর গতিতে মহাকাশে ছুটতে পারবে। আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার বা ১.৮৬ লক্ষ মাইল। তাহলে আমাদের গ্যালাক্সির এ প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত যেতে আমাদের কত সময় লাগবে? কমপক্ষে ২০০ বিলিয়ন থেকে সর্বোচ্চ ৪০০ বিলিয়ন পর্যন্ত নক্ষত্র সমষ্টি নিয়ে আমাদের গ্যালাক্সি আকাশগঙ্গার ব্যাস আনুমানিকভাবে ১,০০,০০০ আলোকবর্ষ। মিল্কিওয়ে ছায়াপথের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যেতে আমাদের সময় লাগবে প্রায় এক লাখ বছর। প্রিয় ভিউয়ার এবার বলেন তো আমাদের মানুষের গড় আয়ু কত? ৬০/৭০ বৎসর। গ্যালাক্সির এপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যদি আমরা যেতে চাই তাহলে কত জেনারেশন লাগবে? ধরি আমরা নভোযানে যাত্রা শুরু করলোম অপর প্রান্তে যাবার জন্য তাহলে ১ লাখ বৎসরে সন্তানের পর সন্তান তারপর আবার সন্তান।আমাদের মৃত্যু সন্তানের মৃত্যু আবার সন্তান এভাবে ১ লাখ বৎসর পার করা কি আমাদের দ্বারা আদৌ সম্ভব? এগুলোকে বলে আকাশ কুসুম কল্পনা। আবার ধরুন আমাদের মিল্কিওয়ের গ্যালাক্সির সবচেয়ে কাছের গ্যালাক্সি এ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সির এর দূরত্ব প্রায় ২.৫ মিলিয়ন আলোকবর্ষ।তাহলে আমাদের পাশের গ্যালাক্সিতে যেতে আমাদের সময় লাগবে আড়াই লক্ষ বছর। মানবজাতির তুলনায় এই দূরত্ব অতিক্রম করা অকল্পনীয় তাহলে আল কোরআনে কথাই সত্যি। যেদিন খুলে দেওয়া হবে দরজা। াাল্লাহর নির্দেশে নতুন প্রযুক্তি মানুষ পাবে।

১৩| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৪০

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: বাহ বা নতুন ভাই, আপনার বিজ্ঞান তো অন্তত একটি প্রমান খুজে পেয়েছে। এতেই আমরা সন্তুস্ট। আপনি বলছেন এটা দুইটা প্লেটের সরে যাওয়া থেকে সৃস্টি হয়েছে এমন মতের পক্ষে প্রমান বেশি। আল কোরআন কি বললো শুনলেন না? সুরা হুদে ৮২ নং আয়াতে বলা হয়েছে: “যখন আমার আযাব এসে গেল, তখন আমি শহরটিকে উল্টে দিলাম ও তাদের উপর স্তরে স্তরে প্রস্তর বর্ষণ করলাম যা আপনার প্রতিপালকের কাছে চিহ্নযুক্ত ছিল।” ভাইগো আপনি কি বুঝলেন না জনপদটিকে উল্টে দেওয়া মানে কি? দুট চেকচোনিক প্লেটের ধাক্কায় একটি পে্‌লট উপরেরটা নীচে নেমি যাওয়া বা উল্টে যাওয়া। আয়াতটির আরেকটি অর্ত জমিন উল্টে যাওয়া বলতেই প্লেটের উরল্টে যাওয়া বোঝানো হচ্ছে। পরবতীতে স্তরে স্তরে কংকর নিক্সেপ করা প্রমানও পাবেন আরো গবেষনা মানুষকে করতে দেন। মানুষতো প্রথমেই নাক সিটকে নেয়

ভাই মানুষ গল্পবানাতে পছন্দ করে। আপনি সেই সব কাহিনি বিশ্বাস করতে ভালোবাসেন। তাই এমন সব মিল খুজে পান।

প্লেটের নড়াচড়ায় এমন জিনিস সৃস্টি হতে অনেক সময় লাগে।

বর্তমানে আফ্রিকায় দুই প্লেটের মাঝে দুরত্ব সৃস্টি হচ্ছে। এটা যদি বাড়তে থাকে, একসময় এটা নিয়েও কাহিনি চালু হবে।

আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ইসলামের কাহিনি গুলি ১৪০০ বছর আগে বলা হয়েছে। এখনো কোন কিছু প্রমানিত নয়। আর কিতাব নাজিলের অনেক আগেও দার্শনিকরা মহাকাল, দুনিয়ার বিষয়গুলি নিয়ে ভাবতো এবং কোরানেও অনেক কিছু আগের ভাবনার থেকে প্রভাবিত।

বিজ্ঞান প্রতিদিন এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কোন ধর্মীয় কিতাবে উল্লেখ করা জিনিসগুলির প্রমান তো তেমন দেখা যাচ্ছে না। B-))

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: প্লেটের নড়াচড়ায় এমন জিনিস সৃস্টি হতে অনেক সময় লাগে।
বর্তমানে আফ্রিকায় দুই প্লেটের মাঝে দুরত্ব সৃস্টি হচ্ছে। এটা যদি বাড়তে থাকে, একসময় এটা নিয়েও কাহিনি চালু হবে।


ভাই আপনি স্রষ্টার প্রতি অবিশ্বাসী তাই আপনি এজাতীয় মন্তব্য করলেন। আপনার ভূমীকম্প এবং সুনামির কারন সম্পর্কে একটু পড়ালেখা করা উচিত। বিজ্ঞান বলছে - টেকটোনিক প্লেটের নড়াচাই ভয়াবহ ভূমিকম্পের প্রধান কারণ, কারণ এই প্লেটগুলো যখন একে অপরের সাথে ঘষা লাগে বা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন বিপুল পরিমাণ শক্তি মুক্তি পায়, যা তীব্র কম্পন সৃষ্টি করে এবং ভয়াবহ ভূমিকম্পের কারণ হয়। এই ধীর গতিশীল প্লেটগুলির হঠাৎ ধাক্কা বা স্লিপ (slip) মারাত্মক সুনামি, ভূমিধস এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মতো বিপর্যয় ঘটাতে পারে।

টেকটোনিক প্লেট ও ভূমিকম্পের সম্পর্ক:
ধীর গতি: পৃথিবীর উপরিভাগের কঠিন স্তরটি কয়েকটি বিশাল খণ্ডে বিভক্ত, যাদের টেকটোনিক প্লেট বলা হয়। এই প্লেটগুলো বছরে কয়েক সেন্টিমিটার হারে নড়াচড়া করে।
শক্তি সঞ্চয়: প্লেটগুলো যখন একে অপরের সাথে ধাক্কা খায় বা ঘষা লাগে, তখন ঘর্ষণ বলের কারণে আটকে যায় এবং প্রচুর শক্তি জমা হতে থাকে।
হঠাৎ মুক্তি: যখন সঞ্চিত চাপ ঘর্ষণকে অতিক্রম করে, তখন প্লেটগুলো হঠাৎ সরে যায় এবং এই মুক্তি পাওয়া শক্তি ভূমিকম্পের তরঙ্গ হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে, যা আমরা অনুভব করি।
ভয়াবহতা: প্লেটগুলির বড় অংশ একসাথে সরে গেলে বা একটি প্লেট অন্যটির নিচে ঢুকে গেলে (সাবডাকশন), তখন বিশাল মাত্রার ভূমিকম্প হয়, যা অত্যন্ত বিধ্বংসী হতে পারে (যেমন, 'রিং অফ ফায়ার'-এ ঘটে)।

১৪| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১০

নতুন বলেছেন: আপনার ভূমীকম্প এবং সুনামির কারন সম্পর্কে একটু পড়ালেখা করা উচিত। বিজ্ঞান বলছে - টেকটোনিক প্লেটের নড়াচাই ভয়াবহ ভূমিকম্পের প্রধান কারণ, কারণ এই প্লেটগুলো যখন একে অপরের সাথে ঘষা লাগে বা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন বিপুল পরিমাণ শক্তি মুক্তি পায়, যা তীব্র কম্পন সৃষ্টি করে এবং ভয়াবহ ভূমিকম্পের কারণ হয়। এই ধীর গতিশীল প্লেটগুলির হঠাৎ ধাক্কা বা স্লিপ (slip) মারাত্মক সুনামি, ভূমিধস এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মতো বিপর্যয় ঘটাতে পারে।

এগুলি খুবই সাধারন তথ্য। এটা পাওয়া যায়।

কিন্তু এই টেকটোনিক প্লেট যে মানুষের সৃস্টিকর্তার প্রতি গুনার জন্য হতে পারে সেটা যৌক্তিক না।

যদি ডেড সি এলাকাতে টেকটোনিক প্লেটের ফল্টের কারনে শহরটা ধ্বংষ হয়ে থাকে সেটার সাথে মানুষের সমকামিতার কোন সম্পর্ক থাকতে পারে কি? এই প্লেটের ফল্টের ঘটনা ঘটতে অনেক সময় লাগে, শত বছর বা হাজার বছর লাগে।

হয়তো ঐ সময়ের কোন একটা বসতী ধ্বংষ হয়েছিলো সেটার কাহিনি, পরে মানুষ সমকামিতার সাথে মিলিয়ে প্রচার করেছে।

ধার্মিকেরা একটা দূর্ঘটনা বা ঐ রকমের কাহিনিকে প্রাকৃতিক ঘটনার সাথে মিলিয়ে সৃস্টিকর্তার মহিমা প্রচার করে।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৬

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: পম্পেই নগরী ধ্বংশের কথা কি ভূলে গেলেন? এখানেও সমকাম চরমভাবে জেগে উঠেছিলো। কি ভয়াবহ ধ্বংশলীলা স্তুপ হয়ে গিয়েছিলো নগরীর মানুষেরা। তো যাই হোক ভাই আমরা বিশ্বাস করি কিচু কিচু কিচু বিষয়। কিন্তু আপনি বিশ্বাসী নয়।

আমরা মনে মহাবিশ্বের প্রতিটা ঘটনা একটি পরিকল্পনায় সৃষ্টি। মহাবিশ্ব জানতো এতটা সময় পর ঠিক ঐ সময়ে এমনিটি ধ্বংশস্তুপ সৃষ্টি করা হবে। তাতে এত পরিমান মানুষ নিতহ হবে। প্রজন্ম ধ্বংশ করার জন্য এগুলো করা হতো। জেনেটিক বিলুপ্তি আবার অন্য জেনেটিক থেকে নতুন করে সৃষ্টি হয়।

১৫| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭

নতুন বলেছেন: টেকটোনিক প্লেট ও ভূমিকম্পের সম্পর্ক:
ধীর গতি: পৃথিবীর উপরিভাগের কঠিন স্তরটি কয়েকটি বিশাল খণ্ডে বিভক্ত, যাদের টেকটোনিক প্লেট বলা হয়। এই প্লেটগুলো বছরে কয়েক সেন্টিমিটার হারে নড়াচড়া করে।
শক্তি সঞ্চয়: প্লেটগুলো যখন একে অপরের সাথে ধাক্কা খায় বা ঘষা লাগে, তখন ঘর্ষণ বলের কারণে আটকে যায় এবং প্রচুর শক্তি জমা হতে থাকে।
হঠাৎ মুক্তি: যখন সঞ্চিত চাপ ঘর্ষণকে অতিক্রম করে, তখন প্লেটগুলো হঠাৎ সরে যায় এবং এই মুক্তি পাওয়া শক্তি ভূমিকম্পের তরঙ্গ হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে, যা আমরা অনুভব করি।
ভয়াবহতা: প্লেটগুলির বড় অংশ একসাথে সরে গেলে বা একটি প্লেট অন্যটির নিচে ঢুকে গেলে (সাবডাকশন), তখন বিশাল মাত্রার ভূমিকম্প হয়, যা অত্যন্ত বিধ্বংসী হতে পারে (যেমন, 'রিং অফ ফায়ার'-এ ঘটে)।


আপনি বুঝতে পারছেন যে প্লেটের গতি বছরে কয়েক সেন্টিমিটার। তাহলে একটা স্থানে রিং অফ ফায়ার হতে হলে কত বছর লাগতে পারে???? - চ্যাট জিপিটি বলছে প্রায় ৪০০ মিলিওন বছর।

এখন আপনি বলবেন যে সৃস্টিকর্তা ঐ ৪০০ মিলিওন বছর থেকেই প্লেট গুলি নাড়ানো শুরু করেছিলেন এবং ৪০০ মিলি্ন বছর পরে ডেড সি এলাকায় ৫০০-১০০০ মানুষ সমকামিতা শুরু করবে এবং তাদের ধ্বংস করবে সেটাকে মানব জাতির সামনে উদাহরন হিসেবে। B-)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.