| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
ইনস্ট্যান্ট বিচার কিম্বা মব জাস্টিস....
আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় একজন মানুষ, যার পাণ্ডিত্য, যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার কোনো খামতি নাই। তবে কিছুটা মাথা গরম! তিনি বেজায় ক্ষেপেছেন- সদ্য আলোচিত-সমালোচিত শিশু ধর্ষক হন্তারককে এখনই কেন প্রকাশ্যে ফাঁসীতে ঝুলিয়ে দেওয়া হলো না!
ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন বা নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধ জনমনে প্রচণ্ড ক্ষোভ তৈরি করে- এটাই স্বাভাবিক। তাই অনেকেই আবেগ থেকে বলেন, “এখনই প্রকাশ্যে ফাঁসি দাও”, “বিচারের দরকার কী, অপরাধী তো স্বীকার করেছে!”
কিন্তু রাষ্ট্র এবং বিচারব্যবস্থা আবেগ দিয়ে চলে না; চলে- প্রমাণ, তদন্ত এবং আইনের শাসনে।
কারণ, প্রতিটি মামলাই রামিসার ঘটনার মতো স্পষ্ট হবে না। বহু ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত শত্রুতা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, জমি-বাণিজ্য বিরোধ কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে নিরপরাধ মানুষকেও ভয়ংকর মামলায় ফাঁসানো হতে পারে। যদি “অভিযোগ উঠলেই” বা “স্বীকারোক্তি দিলেই” তাৎক্ষণিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সংস্কৃতি চালু হয়, তাহলে একসময় সেটাই নিরপরাধ মানুষের জন্য রাষ্ট্রীয় আতঙ্কে পরিণত হবে। ধরা যাক, আমরা যাদের মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলার আসামি করেছি- তাদের স্ত্রী, বোন-ভাই কেউ যদি আপনার আমার বিরুদ্ধে একটা গায়েবী ধর্ষণ মামলা (যেভাবে আমাদের বিরুদ্ধে "সরকার উৎখাত ষড়যন্ত্র, রাষ্ট্রীয় কাজে বাঁধাদান" অভিযোগে মামলা)!
আমাদের দেশে- রিমান্ডে নির্যাতন করে “স্বীকারোক্তি” আদায় করানোর ইতিহাস নতুন কিছু নয়। তাই তদন্ত, সাক্ষ্যপ্রমাণ, ডিএনএ টেস্ট, জেরা এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ছাড়া বিচার মানে ন্যায়বিচার নয়।
এর মানে এই না যে- নারায়ণগঞ্জ সেভেন মার্ডার, কক্সবাজারে ক্যাপ্টেন সিনহা হত্যা মামলার রায়ের মতো ইচ্ছাকৃত দীর্ঘসূত্রিতার জালে আটকে থাকবে। বরং প্রয়োজন- দ্রুত, স্বচ্ছ এবং নিশ্চিত ন্যায় বিচার।
বছরের পর বছর মামলা ঝুলে থাকা, ভয়ংকর অপরাধীর জামিনে বেরিয়ে যাওয়া কিংবা রায় কার্যকর না হওয়া- এসব অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে।
আমাদের প্রয়োজন শক্তিশালী বিচারব্যবস্থা, শর্টকাট বিচার না। কারণ, “তাৎক্ষণিক সমাধান” দেখাতে গিয়ে রাষ্ট্র যখন জবাবদিহিহীন ক্ষমতা তৈরি করে, তখন সেই ক্ষমতাই একসময় দানবে পরিণত হয়।
ন্যায়বিচার মানে শুধু অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করা নয়; নিরপরাধ মানুষ যেন শাস্তি না পায়, সেটাও নিশ্চিত করা। এ দুটির ভারসাম্যই গনতান্ত্রিক সভ্য রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য।
তবে, পরিস্থিতি বিবেচনায় জনরোষ সামলাতে মব জাস্টিস ওভার লুক করে- "কাম সারা" হলে পুলিশ হাজির হয়ে- চিতকার করে "আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না"- জায়েজ করলে আজ বিএনপিকে এতটা প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ হতো না।
২৪ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:৫৩
জুল ভার্ন বলেছেন: পনার মন্তব্যের সাথে একমত।
২|
২৩ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩
নতুন বলেছেন: মববাজি করে অপরাধ ঢাকতে। একা খুন করলে পুলিশে ধরবে, মব করে মেরে ফেললে কেউ কিছু বলবে না।
দেশের বিচার গতি বাড়াতে হবে, লোকবল বাড়াতে হবে, দূনিতি কমাতে হবে রায়ের সময় নিদ্ধারিত করে দিতে হবে।
ইনস্টান্ট বিচারের ফলে অনেকে বিনা দোষে ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়েও সাজা পেতে পারে।
দেশে নিজের মেয়েকে হত্যা করে প্রতিবেশীর জমিতে ফেলে তাদের ফাসানোরও নজির আছে ![]()
২৪ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:৫৪
জুল ভার্ন বলেছেন: বাস্তবতা তুলে ধরেছেন।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:১৬
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ইউনূস ও ছায়া সরকারে থাকা জাশি-এনসিপি মব সন্ত্রাস, আন্দোলন, মাজার ভাংচুরকে রাষ্ট্রীয় ভাবে প্রতিষ্ঠিত করে গেছে। এই উগ্রবাদী গোষ্ঠীর ক্ষোভ প্রশমিত করতে এখন শরিয়া আইন নিয়ে হাজির হইছে। এখানে ধর্মীয় কোন মাহাত্ম্য নেই।
জাপানে অপরাধ, খুন ধর্ষণের হার খুব কম। নারীরা মাঝরাতে ও নিরাপদে চলাচল করতে পারে। সেখানে তো শরিয়া আইন নেই। মুল সমস্যা বিচারহীনতা সংস্কৃতি......