| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের স্বাধীন নির্জোট কূটনীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভাঃ কিছু অনুভূতি....
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে পিআইবি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের স্বাধীন নির্জোট কূটনীতি’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি), তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
পিআইবির মহাপরিচালক Faruk Wasif এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
মূল বক্তা ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল এ এন এম মুনিরুজ্জামান, সভাপতি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অর্থনীতিবিদ ড. মুশতাক খান। আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডিফেন্স জার্নালের সম্পাদক আবু রুশদ এবং ব্রেইনের নির্বাহী পরিচালক ড. সফিকুর রহমান।
মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মুনিরুজ্জামান (ঝিনেদা ক্যাডেট কলেজের প্রথম ব্যাচ ক্যাডেট) স্যার তাঁর লিখিত বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি, রাষ্ট্রচিন্তা এবং জাতীয় সংস্কৃতির স্বকীয়তা প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করেন। পাশাপাশি সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তাঁর পেশাগত জীবনের কিছু স্মৃতি তুলে ধরেন, যা উপস্থিত অনেকের কাছেই ছিল অজানা ও আগ্রহোদ্দীপক।
সাবেক সেনা কর্মকর্তা, সামরিক বিশ্লেষক এবং ডিফেন্স জার্নালের সম্পাদক Abu Rushd A R M Shahidul Islam (রংপুর ক্যাডেট কলেজের প্রথম ব্যাচ ক্যাডেট) তাঁর বক্তব্যে স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের ভয়াবহ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত সংকটের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে জিয়াউর রহমান বহুমাত্রিক সংকটে জর্জরিত একটি রাষ্ট্রকে উন্নয়ন ও আত্মবিশ্বাসের পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্যে ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’-এর ধারণা, জাতীয় স্বার্থকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতি, সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে শুধু রাজনৈতিক নয়, বুদ্ধিবৃত্তিক ও গণমাধ্যমভিত্তিক কৌশলগত শক্তিও গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বিগত সময়ে জেল-জুলুম, গুম ও নির্যাতনের শিকার রাজনৈতিক কর্মীদের দুর্দশার কথাও তুলে ধরেন।
ড. Shafiqur Rahman (রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের অষ্টম ব্যাচ ক্যাডেট) তাঁর বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের শিল্পায়ন, আত্মমর্যাদাবোধ এবং স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রচিন্তার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান প্রচলিত অভিজাত গণ্ডির বাইরে থেকে মেধাবী ও যোগ্য মানুষকে রাষ্ট্রগঠনের কাজে সম্পৃক্ত করেছিলেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।
বিশেষ অতিথি ড. মুশতাক খান(মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের ১৩তম ব্যাচের ক্যাডেট) তাঁর বক্তব্যে অর্থনীতির চেয়ে সমাজতত্ত্ব, রাষ্ট্রচিন্তা এবং উপমহাদেশের ঐতিহাসিক ও জাতিগত বাস্তবতা নিয়ে বেশি আলোচনা করেন। ব্রিটিশ-পরবর্তী ভারতীয় উপমহাদেশের বিভাজন, বৈষম্য এবং আঞ্চলিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক তিনি তুলে ধরেন। পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের যৌক্তিকতা সম্পর্কেও তাঁর মতামত ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী Zahir Uddin Swapon ‘নির্জোট কূটনীতি’র ধারণা ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা নিজেই এক ধরনের ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে। চীন ও ভারতের ওপর আমদানি নির্ভরতা, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে রপ্তানি বাজার, মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক রেমিট্যান্স ও জ্বালানি সম্পর্ক এবং রাশিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক জ্বালানি সহযোগিতা- সব মিলিয়ে বাংলাদেশকে বহুমাত্রিক কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়। তিনি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত সার্ককে আরও কার্যকর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান অতিথি Mirza Fakhrul Islam Alamgir স্যার তাঁর স্বভাবসুলভ সাবলীল ও প্রাঞ্জল বক্তব্যে উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করেন। তিনি কোনো অতিরঞ্জন বা আবেগনির্ভর বক্তব্য না দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অবদান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁর ভূমিকা এবং জাতীয় স্বার্থভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। তিনি কোনো বৃহৎ শক্তির সাথে জোটবদ্ধ না হবার সুস্পষ্ট ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ ধারণাকে বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং জুলাই বিপ্লবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে এটি ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও চিন্তাশীল একটি সেমিনার। দেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, গবেষণা ও রাষ্ট্রভাবনার নানা দিক কাছ থেকে শোনার সুযোগ হয়েছে। তাদের বক্তব্যের গভীরতা ও ব্যাপ্তি পুরোপুরি ধারণ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তারপরও একজন সাধারণ শ্রোতা হিসেবে আমার উপলব্ধিগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
তবে এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল অনুষ্ঠানে একটি বিষয় অত্যন্ত বিরক্তিকর ছিল- উপস্থিত কিছু মিডিয়াকর্মী বক্তাদের বক্তব্য চলাকালে নিজেদের মধ্যে উচ্চস্বরে কথোপকথনে ব্যস্ত ছিলেন। এটি যেমন দৃষ্টিকটু ছিল, তেমনি শ্রুতিকটুও। বক্তাদের প্রতি এবং অনুষ্ঠানের প্রতি ন্যূনতম সম্মানবোধ থেকেও এমন আচরণ পরিহার করা উচিত ছিল বলে আমি মনে করি।
দিনের শেষে মনে হয়েছে, জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আলোচনা মানে কেবল একজন রাষ্ট্রপতি বা রাজনৈতিক নেতাকে স্মরণ করা নয়; বরং বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তা, জাতীয় স্বার্থ, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি এবং আত্মমর্যাদাবোধের প্রশ্নগুলোকে নতুন করে পর্যালোচনা করা।
বক্তাদের বক্তব্যে মতপার্থক্য ছিল, বিশ্লেষণের ভিন্নতা ছিল, কিন্তু একটি বিষয়ে সবাই একমত- বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে জাতীয় স্বার্থকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
‘সবার আগে বাংলাদেশ’- এই দর্শন কেবল একটি রাজনৈতিক স্লোগান নয়, বরং রাষ্ট্র পরিচালনার একটি নীতি হয়ে উঠতে পারলেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের প্রকৃত মূল্যায়ন সম্ভব হবে।
০৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:০৩
জুল ভার্ন বলেছেন: আপনি জেনে কিম্বা উদ্দেশ্য মূলক ভাবে বিএনপি সরকারের আমলে ব্যাংক বেহাল দশার কথা বলে সত্যকার ঘটনাকে আড়াল করতে চেষ্টা করেছেন। আপনার জ্ঞাতার্থে জানাই- বিএনপি সরকার তাদের আমলে ৮টি ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছিল ভালো উদ্দ্যোক্তাদের মধ্যে, যার একটাও ঋণ খেলাপী নয়। এবং আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন ২৬টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছিল। বর্তমানে দেশে তালিকাভুক্ত ও কার্যক্রম পরিচালনাকারী বেসরকারি ব্যাংকের মোট সংখ্যা ৪৩টি, যার মধ্যে ৩৩টি কনভেনশনাল এবং ১০টি ইসলামিক শরীয়াহভিত্তিক ব্যাংক। রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬টি (সোনালি, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বেসিক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। বিশেষায়িত ব্যাংক ৩টি (বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক)।
তীব্র ঋণ খেলাপি, আর্থিক অনিয়ম, তারল্য সংকট এবং লুটপাটের কারণে দেশের অন্তত ১২টি ব্যাংক চরম ঝুঁকিপূর্ণ বা 'দুর্বল' অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন তদারকি ব্যবস্থা এবং 'ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ'-এর আওতায় এসব সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচাতে একীভূতকরণ (Merger) বা বিশেষ পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন সময়ের প্রতিবেদন এবং আর্থিক সূচক (যেমন উচ্চ খেলাপি ঋণ ও মূলধন ঘাটতি) অনুযায়ী সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা ব্যাংকগুলো হলোঃ (১) তীব্র তারল্য সংকট ও অনিয়মের শিকার ইসলামী ব্যাংকসমূহবিগত বছরগুলোতে বেনামে বিপুল পরিমাণ ঋণ বিতরণ ও লুটপাটের কারণে সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছে শরীয়াহ ভিত্তিক কয়েকটি ব্যাংক। গ্রাহকদের টাকা তুলতে না পারার মতো সংকটে পড়া এই ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিশেষ একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছেঃ ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি (নজিরবিহীন লোকসান ও অনিয়মের শীর্ষে), সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি (এসআইবিএল), ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (আর্থিক অনিয়মের পর পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে)
(২) উচ্চ খেলাপি ঋণ ও মূলধন ঘাটতিতে থাকা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে সাধারণ ঋণ আদায় না হওয়া এবং নিরাপত্তা সঞ্চিতি ঘাটতি থাকার কারণে চরম ঝুঁকিতে রয়েছেঃ ন্যাশনাল ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক, যা ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের মতোই লুটপাটের শিকার হয়েছিল), স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি)- এর সবগুলোর মালিকানা আওয়ামী পরিবারের হাতে।
বিএনপি- আওয়ামী লীগ- উভয় সরকারের আমলেই রাজনৈতিক প্রভাব, ঋণ জালিয়াতি ও দুর্বল তদারকির কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। তবে আপনি শুধু বিএনপির কথাই উল্লেখ করেছে। অথচ বিএন সরকারের আমলে ঋণ খেলাপীর হার ছিলো অত্যন্ত সীমিত এবং সহনীয় মাত্রায়। পরবর্তীতে ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যবর্তী সময়ে (আওয়ামী লীগ আমলে) খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি ও অনিয়ম মারাত্মক রূপ নেয়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঝুঁকিপূর্ণ ও সংকটে পড়া ব্যাংক বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়মবহির্ভূত ও বেনামি ঋণের কারণে অনেক ব্যাংক পুরোপুরি দখল ও দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকঃ বেহাল দশার শীর্ষে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক এবং রূপালী ব্যাংক।
শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকঃ বিশেষ করে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়া আটটি ব্যাংকের সবগুলোই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ে। এর মধ্যে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক। ন্যাশনাল ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংক।
বিএনপি সরকারের আমলে (২০০১-২০০৬) রাজনৈতিক বিবেচনায় কিছু ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া এবং ঋণ বিতরণে অনিয়ম হয়। এ সময়কার বেসিক ব্যাংক ছিলো অত্যন্ত ভালো একটা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক। বিএনপি সরকারের আমলে এই ব্যাংকটির ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটে। তবে পরবর্তীতে ২০০৯ সালের পর সবচেয়ে বড় হল-মার্ক ও অন্যান্য বড় ঋণ কেলেঙ্কারিতে ব্যাংকটির আর্থিক ভিত্তি চরমভাবে দুর্বল হয়ে যায়। আইএফআইসি ব্যাংক ও অন্যান্য: তৎকালীন সময়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় ১২ টি ব্যাংক প্রায় দেউলিয়া হবার উপক্রম হয়- যার সবগুলোর মালিক আওয়ামী পরিবার।
সামু ব্লগে একটা বহুল প্রচারিত বাক্য আছে- "লেঞ্জা হাইড টু ভেরি ডিফিকাল্ট" বা "ল্যাঞ্জা ইজ ভেরি ডিফিকাল্ট টু হাইড"- আপনিও আপনার লেঞ্জা হাইড করতে পারেননি। আওয়ামী স্বৈরাচার আমলে ছাগুরা আওয়ামী লীগের লুংগির তলে গুপ্ত ছিলো, এখন ছাগুদের লুংগির তলে আওয়ামী লীগ গুপ্ত।
২|
০৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:২৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বিএনপি সরকারের আমলে (২০০১-২০০৬) রাজনৈতিক বিবেচনায় কিছু ব্যাংকের
অনুমোদন দেওয়া এবং ঋণ বিতরণে অনিয়ম হয়।
...........................................................................................................
তৎকালীন তথ্য সবার কাছে সংরক্ষন আছে ।
যখন যে দল ক্ষমতায় থাকবে তার সমালোচনাই হওয়া উচিৎ , যেন
পূর্ববর্তী ঘটনার পূনরাবৃত্তি না করে ।
ঐ সময় সোনালী ব্যাংকের সহিত সম্পৃক্ত ছিলাম । দেখেছি বিএনপি পরিবার
কিভাবে সোনালী ব্যাংকের টাকা নিয়ে উচ্চ খেলাপি ঋণ হয়েছিলো আবার রাজনৈতিক চাপ
প্রয়োগ করে সমস্ত সূদ মাফ করায়ে রিসিডউল করায়েছে ।
০৭ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:১৭
জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১০:২১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তা, জাতীয় স্বার্থ, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি এবং
আত্মমর্যাদাবোধের প্রশ্নগুলোকে নতুন করে পর্যালোচনা করা।
...................................................................................
আমাদের দেশের আমলা ও বুদ্ধীজিবীরা যখন যে ক্ষমতায় আসে
সুন্দর ভাবে তার বা তাদের বন্দনা করতে পারে ।
আমাদের বয়সের সময়টা '৬৯ এর আন্দোলন থেকে সকল শাসনামল
দেখে ও ঘটনা প্রবাহর সহিত সংপৃক্ততা ছিল । কালের পর মহাকাল এর
নিরপেক্ষ বিচার করবে । তবে বলা চলে সকল সরকারই জনগনের জন্য
কমবেশী কাজ করেছে, তবে দূর্ণীতি ও অণ্যায়কে প্রশ্রয় দিয়েছে ।
বিগত বি,এন,পি সরকারের সময় ব্যাংক গুলির খারাপ অবস্হা হয়েছিলো
তা কি করে ভূলবে জনগন ???