| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
প্রিয় সামু ব্লগারদের কাছে খোলা চিঠি.....
প্রিয় সহব্লগার,
একসময় সামু ছিল আমাদের ছোট্ট এক মহাবিশ্ব।
দৈনিক গড়ে তিন-চারশ' ব্লগার অনলাইনে থাকতেন। প্রতি মিনিটেই নতুন নতুন পোস্ট আসত। কেউ গল্প লিখছেন, কেউ কবিতা, কেউ রাজনীতি বিশ্লেষণ করছেন, কেউ সমাজের অসঙ্গতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। আর মন্তব্যের ঘরে চলত যুক্তির লড়াই, তর্কের ঝড়, কখনো রাগ, কখনো হাসি। মতের অমিল থাকত, তর্ক হতো, কিন্তু ব্যক্তিগত সম্পর্ক তেমন একটা নষ্ট হতো না।
তখন প্রায় প্রতিটি পোস্টেই গড়ে পঞ্চাশটির বেশি মন্তব্য থাকত, হিট হতো হাজারের ঘরে। নতুন পোস্ট প্রকাশের পর পাঠক ও মন্তব্যকারীদের সাড়া দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন ব্লগাররা।
আহ, কী দারুণ ছিল সেই দিনগুলো!
আজ বাস্তবতা ভিন্ন। এখন দৈনিক গড়ে অনলাইনে থাকেন ছয়-সাতজন ব্লগার। অধিকাংশ পোস্টে মন্তব্য পাঁচটির আশেপাশে, আর হিটও অনেক ক্ষেত্রে দুইশ'র মধ্যে সীমাবদ্ধ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বিষয় খুব স্পষ্ট- কেউ কারও পোস্টে মন্তব্য করলে, তারও প্রতিদানে মন্তব্য পাওয়া যায়। সৌজন্য, পারস্পরিক যোগাযোগ এবং নিয়মিত মিথস্ক্রিয়াই একটি কমিউনিটিকে সচল রাখে।
আমি নিজেও এখন ব্লগে খুব বেশি সময় দিই না। পরিচিত কয়েকজন ব্লগারের বাইরে অন্যদের লেখা পড়া হয় না, মন্তব্যও করি অত্যন্ত সীমিত। ফলে আমার লেখার পাঠকসংখ্যা এবং মন্তব্যের পরিমাণ- দুটোই স্বাভাবিকভাবেই কম। গত কয়েক বছর ধরে আমার অধিকাংশ পোস্টের হিটও দুইশ'র আশেপাশেই থেকেছে।
কিন্তু গত এক মাসে হঠাৎ লক্ষ্য করছি, আমার কয়েকটি পোস্টে অস্বাভাবিক ও ভুতুড়ে ধরনের হিট দেখা যাচ্ছে। কোনো কোনো পোস্টের হিট এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
আমার ধারণা, এর পেছনে ব্লগের একটি অসুস্থ ও অসাধু সিন্ডিকেট কাজ করছে। এই গোষ্ঠীটি দীর্ঘদিন ধরেই শুধু আমাকে নয়, সুস্থ ধারার অনেক ব্লগারকেই নানাভাবে বিরক্ত ও বিব্রত করার চেষ্টা করে আসছে।
আমার অনুরোধ, এসব বিষয়কে গুরুত্ব দেবেন না। যারা সৃজনশীল লেখালেখি করেন, তারা লেখালেখিতেই মন দিন। ব্যক্তিগত বিদ্বেষ, কৃত্রিম প্রচারণা কিংবা অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ড কোনো সুস্থ সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকল্প হতে পারে না।
তাই বলবো-
Ignore that. Ignore them. Hate the negativity. Keep blogging creatively.
ভালো থাকুন, প্রিয় সহব্লগাররা।
২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬
জুল ভার্ন বলেছেন: আপনি এখনো জুতা নষ্ট করে গু মাড়ান!
ভালো, যদি আমাকে নিয়ে ব্লগ লিখে নিজের অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারে!
২|
২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কেউ লেখা শেয়ার দেয় ।
২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭
জুল ভার্ন বলেছেন: ওয়াও!
৩|
২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২
গহীনে রক্তক্ষরণ বলেছেন: আমি এ্ চিঠি পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করছি । আমার মনে হয়, সামুর জন্মের শুরু থেকে ছিলাম নিজের নামে । নামটা কেন জানি আর ব্যবহার করতে মন চাচ্ছে না, কেননা দেখছি, গহীনে রক্তক্ষরণ বন্ধতো হলোই না, উল্টো সেই ২০০১-২০০৬ সালে ফিরিয়ে নিয়ে আমার রক্তক্ষরণ আরো বড়িয়ে দিয়েছে । তাই লাল রংটাও আর ফেসবুক থেকে সরাতে পারছি না । নিশ্চই আমরা ভুলে যাইনি তখনকার সামু কেন এত জনপ্রিয় ছিল ? আর সেই জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কারা এই ব্লগকে নাই করে দিয়েছিল ?
সামু হয়তো চেষ্টা করেছিল, কিন্তু পারেনাই বলে মনে হয় । কম্প্রোমাইজ করে টিকে থাকার প্রবণতা কি না ? মাঝে মাঝে সে প্রশ্নটা মাথায় আসছে। কিন্তু আমি মনে করি , ২০২৪ পরবর্তী পরিবর্তিত বাংলাদেশে সামুর সেই মূল জনপ্রিয়তা নিয়ে ফিরে আসা উচিৎ ছিল। মনে হচ্ছে সেখানে কোন ঘাটতি থাকতে পারে বলে অনেক লেখক, পাঠক এখানে আসতে চাচ্ছেন না ।
এখন অবশ্য বুঝতে পারছি, রাষ্ট্রের হাল যারা ধরেছেন, তারা ২০২৪ এর বিজয়কে মুছে দিয়ে পুরাতন বন্দোবস্ত বহাল রাখতে চলেছেন ।
সামুর প্রথম পেইজে যখন দেখি ভারত+শেখ পরিবারের বয়ানের সেই ’৭১ এর চেতনাকে ( যা সবাই বুঝতে পেরেই ডাষ্টবীনে ছুঁড়ে ফেলেছিল ৫ই আগষ্ট’২৪ ) নিয়ে যারা চর্বিত চর্বন করেন তারা প্রাধান্য পাচ্ছে, তখন মনে করছি সামু কম্প্রোমাইজের নীতিতে হয়তো আছেন । থাকুন । সেটা সামুর স্বাধীনতা । এ নিয়ে আমার মত নগন্য মানুষের কোন অধিকার নেই, আপনাদের উপদেশ দেবার ।
কেননা আমরা মনে করি, ১৯৭১ অবশ্যই আমাদের পূর্ব পুরুষদের সফল অর্জন । কিন্তু সেই অর্জনকে ভারত ছিনতাই করেছিল সেই ৭১ সালেই । যা এই দেশের মানুষ বুঝতে পেরেছিল বলেই ৭৫ ঘটেছিল । কিন্তু সেই ৭৫ কে ভিন্ন বয়ানে আসল ইতিহাস থেকে তরুণ প্রজন্মকে ভুলিয়ে রাখতে তার বেটি টানা ১৬ বছর চেষ্টা কি কম করেছিল ? পেরছে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করতে ? পারেনাই । কে না জানে,৭৫ পরবর্তী সরকারকে গাদ্দারদের কবলে ফেলে ১৯৮১তে জিয়াউর রহমানকে খুন করে সেই স্বাধীনতা আবার ছিনতাই হয় এরশাদের মত একটা বিশ্বাসঘাতকের হাত ধরে । ইতিহাসের এই ধারাবাহিকতা আমরা যারা ধারণ করে আসছি একমাত্র এই দেশ প্রেম থেকে , তারা কখনওই শেখের বেটির মিথ্যাচারে ভরা নাটকীয় চেত১৭ঃ৮১নার বয়ানকে পুনঃ প্রতিষ্ঠিত হতে দিতে পারিনা । তরুণ প্রজন্ম এটা ১০০% বুঝতে পেরেছিল বলেই ৫ই আগষ্ট ’২৪-এ আবার স্বাধীনতা ফিরিয়ে এনেছিল । কিন্তু মাত্র ৩ দিন পরে তা ছিনতাই করা হয়েছে । এটা যারা আমাদের বুঝতে দিতে চান না, যারা ভাবছেন তরুণরা বোকার মত জান দিয়ে বোকামী করেছে, তারা কিছুই বোঝেন নাই । আমরা তাদেরকে এই রাষ্ট্রের গাদ্দার মনে করি । সামু যদি আমার এই অধিকার হরণ না করে, তাহলে এখানে আমি স্বাধীনভাবে আগের মতই কী-বোর্ড চালিয়ে যেতে চাই । তাই পাঠক থাকুক বা না থাকুক, প্রথম পাতায় আসুক বা না আসুক, আমার ভাইরাল হওয়ার রোগ নেই । সামুকে ভালোবাসি । আমি মনে করি বুকে দেশপ্রেম , সৎসাহস থাকলে সামুর অগ্রযাত্রায় ভাটা পড়লেও জোয়ারে ভাসতে কতক্ষণ ! ”সত্য খুবই শক্তিশালী, যা উপস্থিত হলে মিথ্যা বিলুপ্ত হয়”-আল্- ক্বুর’আন ১৭ঃ৮১ ।
আমি একজন স্বাধীন কলমধারক হিসেবে মনে করি, সামু যদি তাদের সেই আগের ঐহিত্য ধরে রাখতে চায়, তাহলে ২০২৪ এর বিজয়কে প্রাধান্য দেয়া উচিৎ , প্রোমোট করা উচিৎ । ভুয়া চেতনাবাজদের কোন স্পেইস যাতে এই রাষ্ট্রের কেথাও না থাকে, তার জন্য সচেতন থাকা উচিৎ । একই সাথে দেশের স্বাধীনতা, সার্ববৌমত্বের বিরুদ্ধে যে নাটক আবার চলছে, তার বিরুদ্ধে যত কথা আসবে, সেটাকে বেশী বেশী করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেবার প্রবণতা থাকা উচিৎ তাহলেই হয়তো আগের সেই জনপ্রিয়তা ফেরৎ আসতে পারে । নয়তো কারো ভয়ে অন্যায়ের কাছে নতযানু হয়ে থাকলে সেই জনপ্রিয়তা হয়তো বা আর আসবে না ।
৪|
২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৩
এম ডি মুসা বলেছেন: ও আচ্ছা
৫|
২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৩০
এম ডি মুসা বলেছেন: আমি ফিরে এসেছি আবার অনেক দিন পরে!!
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১০:১৯
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আপনারে নিয়া তো খাইয়াম ব্লগ লিখে এখনো
আমিও সময় কম দিতেছি । কম আসা হয় এখন ব্লগে