| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
৩৬ জুলাইয়ের বিপ্লবের পর বাংলাদেশে সবচেয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তনটা বোধহয় সরকারে নয়- আমাদের আচরণে!
আমাদের মধ্যে বৃহত্তর একটা অংশের বদ্ধমূল বিশ্বাস- আইন মানতে হবে না, নিয়ম মানা বোকামি, সরকারের সবকিছুই মানুষের মৌলিক অধিকার বিরুদ্ধ, একটা রাজনৈতিক দল ও তাদের ডামি দলগুলো এবং তাদের অনুগত বুদ্ধিজীবীদের আদর্শই মনে হচ্ছে- সরকার মানেই শত্রু- এটাই যেন নতুন সামাজিক সংস্কৃতি।
শিক্ষিত মানুষকে সম্মান করা এখন অনেকের কাছে সেকেলে ব্যাপার। বয়স, অভিজ্ঞতা কিংবা জ্ঞানের মূল্য নেই; ফেসবুকের দুটো স্ট্যাটাস আর ইউটিউবের কয়েকটা ভিডিও দেখেই অনেকে নিজেকে সর্বজ্ঞানী ভাবতে শুরু করেছেন!
আর গালাগালি?
যুক্তির ঘাটতি ঢাকার সবচেয়ে সহজ অস্ত্র।
কেউ একটু ভিন্নমত করলেই শুরু- ব্যক্তিগত আক্রমণ, অশ্রাব্য ভাষা, অপমান। তরুণদের একটি অংশ আবার এটাকেই ভাবছে ‘স্মার্টনেস’!
অথচ বিপ্লবের উদ্দেশ্য তো ছিল অন্যায়, ভয় ও দাসত্বের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা- সভ্যতা, ন্যায়বিচার ও মর্যাদার সংস্কৃতি ধ্বংস করা নয়।
রাষ্ট্রে আইন থাকবে, সমাজে শৃঙ্খলা থাকবে, আর মতের অমিল থাকলে যুক্তি থাকবে- এটাই তো সভ্যতার ন্যূনতম শর্ত।
স্বৈরাচার চলে গেছে- কিন্তু যদি অসহিষ্ণুতা, আইন অমান্য করার প্রবণতা, গালাগালি করার মানসিকতা আমাদের ভেতরেই থেকে যায়, তাহলে বদলালটা কী?
একটা দেশ শুধু সরকার বদলে উন্নত হয় না।
মানুষের আচরণ বদলাতে হয়, রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলাতে হয়, সভ্যতার সংজ্ঞাটাও নতুন করে মনে করতে হয়।
০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০১
জুল ভার্ন বলেছেন: মিরপুর-১০ এলাকার ফুটপাত দখলদারদের উচ্ছেদ অভিযানকে জনগণ যেখানে স্বাগত জানিয়ে স্বতঃস্ফূর্ত অভিনন্দন জানিয়েছেন সেখানে ঐ এলাকার এমপি মহোদয় বিষোদগার করেছেন- তাকে না জানিয়ে উচ্ছেদ অভিযান করার জন্য।
স্বাধীন প্রশাসনিক এখতিয়ারঃ সিটি করপোরেশন এলাকার অভ্যন্তরে রাস্তা, ফুটপাত বা যেকোনো সরকারি জমি অবৈধ দখলমুক্ত করার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে সিটি করপোরেশনের নিজস্ব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের।
স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন একটি স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এই আইনের অধীনে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা, জনগণের নির্বিঘ্ন চলাচল বজায় রাখা এবং জনদুর্ভোগ লাঘব করতে যেকোনো সময় তাৎক্ষণিক উচ্ছেদ অভিযান চালানোর পূর্ণ আইনি ক্ষমতা ও এখতিয়ার রয়েছে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের। সিটি করপোরেশন আইনে ফুটপাত দখলকারীদের উচ্ছেদ করতে কারোর কোনো অনুমতি নিতে হবে না।
২|
০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৫০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: একটা পরিবর্তন দৃশ্যমান । বলাৎকারীরা ধরা পড়ছে । এটা পুরো সরকারের ক্রেডিট ।
০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০২
জুল ভার্ন বলেছেন: অনেক ভালো কাজ সরকার করেছে কিন্তু সেগুলোর প্রচার নাই, অথচ অপপ এর কমতি নাই।
৩|
০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:১১
নতুন বলেছেন: এমপি কে পদত্যাগ করতে বলা খুবই ভালো একটা নজির। এটা চালিয়ে যেতে হবে।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৫২
জুল ভার্ন বলেছেন: একমত।
৪|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:১৪
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আইন না মানার সংস্কৃতি চালু হয়েছে বিগত আম্লিগের ১৫/১৬ বছরে। সেই সময় আওয়ামী চামচাদের মনে এমন একটি ধারণা প্রথিত হয় যে, আইন না মানা মানেই সে বড় হ্যাডমওয়ালা তার অনেক ক্ষমতা সে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে। সেই সংস্কৃতি ধীরেধীরে জনসাধারণের মনেও দাগকেটে যায় তাই পুরো জাতিই এখন আইন না মানার সংস্কৃতিতে ডুবে গেছে এভাবে চলতে থাকলে পুরো জাতি তথা দেশ রসাতলে যাবে। অবস্থাটা এখন এমন হয়েছে যে, যারা আইন মানে তাদেরকে সবাই দূর্বল ভাবে। খুবই দুঃখজনক।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৫২
জুল ভার্ন বলেছেন: সঠিক পর্যবেক্ষণ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৩২
নতুন বলেছেন: একটা দেশ শুধু সরকার বদলে উন্নত হয় না।
মানুষের আচরণ বদলাতে হয়, রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলাতে হয়, সভ্যতার সংজ্ঞাটাও নতুন করে মনে করতে হয়।
দেশের মানুষের খাসলত না পাল্টালে সমাজ পাল্টাবেনা। রাজনিতিকরা এমনেই ধান্দাবাজ, অসত মানুষের পরিমান বেশি হলে তারা তো ধান্দা করবেই।