| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
ম্যান মেড প্রাণীজ দুগ্ধ......
বির উনি একজন গোয়ালা (গোয়ালিনী)। তাহার নিজের কোনো গরু(গাভী) নাই। তারপরও তিনি দৈনিক প্রায় একশত লিটার দুধ বিক্রি করেন। নিজের 'কয়েকজন বান্দা কাস্টমার আছে'। তাদেরকে নিজেই ডেইলি ত্রিশ (৩০) লিটার দুধ দেন। অবশিষ্ট দুধ অন্য দুই গোয়ালা/গোয়ালিনী পাইকারী দামে (৫০/-) কিনে নিয়ে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার ম্যাজিস্ট্রেট বমাল আবিষ্কার করেছেন- ছবির গোয়ালিনী ব্যাবসায়ীর স্বল্প পুঁজিতে দুধ তৈরীর ছোট্ট একটা ফ্যাক্টরির মালকিন।
দুধ তৈরীর কাচামাল/ উপাদানঃ কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রাম। এক ড্রাম ভর্তি গ্লুকোজ জেলি। এক বস্তা পাউডার (গুড়া)দুধ। এক কন্টেইনার পাম অয়েল। এক বস্তা চিনি। হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, এক বোতল গরুর দুধের আর্টিফিশিয়াল ফ্লেভার। পাশেই পুকুর ভর্তি পানি। একটা মিকচার মেশিন, অর্থাৎ বাংলা ব্লেন্ডার মেশিন। দুধের ঘনত্ব মাপার জন্য একটা ল্যাক্টোমিটারও আছে! নো মেশিনারিজ, নো কারেন্ট, নো গ্যাস।
খাটি গাভীর' দুধ প্রস্তুত প্রনালীঃ পঞ্চাশ লিটার পানিতে দুই লিটার জেল (জেল দুধে ল্যাক্টোজ প্রমাণ করে/ দুধের ঘনত্ব বাড়ায়), এক লিটার পাম অয়েল(দুধের রঙ যৎসামান্য লালচে এবং ফ্যাট প্রমাণ করে) ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রিত পদার্থের মধ্যে দুই কেজি পাউডার দুধ, তিন কেজি চিনি, অল্প পরিমাণ হাইড্রোজেন পার অক্সাইড ঢেলে আস্তে আস্তে নেড়ে মিশিয়ে নিবেন। এবার দুই আউন্স গরুর দুধের আর্টিফিশিয়াল ফ্লেভার ঢেলে মিশিয়ে নিন।
পঞ্চাশ লিটার দুধ তৈরির খরচঃ সাকুল্যে ১২০০/-, বিক্রি- প্রতি লিটার ১১০/-
পরিবেশন করুন আপনার বান্দা কাস্টমারদের। আপনি খান, আপনার সন্তানের খাওয়ান- এলাহী ভরসা।
দুধ একটি পুষ্টিকর খাদ্য।
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৪
জুল ভার্ন বলেছেন: https://www.facebook.com/share/v/19tr7d574Y/
২|
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৩২
আহমেদ রুহুল আমিন বলেছেন: বাংলাদেশের প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় এই ভেজাল মেশানোর সর্বোচ্চ শাস্তি কি ? আমার কাছে’তো মনে হয় শিশুখাদ্যসহ ম্যানমেড প্রাণিজ দুগ্ধজাত খাদ্যে ভেজাল মেশানোর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড হওয়া উচিৎ ।
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০২
জুল ভার্ন বলেছেন: বাংলাদেশের প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় খাদ্যে বা ওষুধে মারাত্মক ভেজাল মেশানোর অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তবে বিভিন্ন আইনে ভেজাল মেশানোর বিরুদ্ধে ভিন্ন ভিন্ন শাস্তির বিধান রয়েছেঃ
(১) বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪: এই আইনের ২৫(সি) ধারা অনুযায়ী, খাদ্য, পানীয়, ওষুধ বা প্রসাধন সামগ্রীতে এমনভাবে ভেজাল মেশানো যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, সেই অপরাধ প্রমাণিত হলে অপরাধীকে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।
(২) নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩: এই আইন অনুযায়ী ভেজাল খাদ্য বা খাদ্যোপকরণ উৎপাদন ও বিপণন করলে অপরাধভেদে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা (এবং অপরাধের পুনরাবৃত্তি হলে সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা জরিমানা) হতে পারে।
(৩) ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯: পণ্যে ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ উপাদান মেশানোর দায়ে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ২ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
(৪) দণ্ডবিধি, ১৮৬০: দণ্ডবিধির ২৭২ ও ২৭৩ ধারা অনুযায়ী ভেজাল খাদ্য বিক্রয় বা প্রস্তুত করার জন্য প্রাথমিক শাস্তি মাত্র ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: দুধ একটি পুষ্টিকর খাদ্য।
..............................................................
এতে যে ভেজাল করে সে
অধম কু কু র ছানা ।