| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
An Outstanding Scientific Odyssey:
আমরা যারা ল্যাবে কাজ করি, তারা খুব ভাল ভাবেই জানি একটা জীবন রক্ষাকারী ঔষুধ বা মানবজাতির জন্য উপকারী মেথড/ম্যাটেরিয়াল ডেভেলপ করতে কত বছর ধরে রিসার্চ, সাধনা, ঘাম, স্ট্রেস, রেগুলেটরি হার্ডলস এসব অতিক্রম করতে হয়...। প্রায় ১৫-২০ বছর ও লেগে যায়...কিন্তু এ আই এসেছে মাত্র ২-৩ বছর হল....সে যেভাবে কাজ করছে তার কিছু উদাহরন দেখলে মাথা খারাপ হয়ে যাবার যোগাড়....বিশ্ববিদ্যালয় পড়ালিখা মনে হয় অপশনাল হয়ে যাবে...আজই প্রিডাকশান দেখলাম যে সামনের বছর ৩০% বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ করা ছাত্র/ছাত্রী রা কোন জব পাবে না...মাইক্রোসফট গত বছর $২০৪ বিলিয়ন ডলার প্রফিট করেছে, তারপর পরেও ১৫০০০ এম্প্লয়ীকে টার্মিনেট করতেছে..কেননা এআই মানুষ এর চেয়ে বেশী ইফিশিয়েন্টলি কাজ করতে পারছে। আমেরিকাতে আপনি বাড়ী বিক্রি করতে গেলে ৬% রিয়েল এস্টেট এজেন্ট কমিশন দিতে হয়..। ৫ লাখ ডলার এর বাড়ী বিক্রি করতে এজেন্টকে ৩০,০০০ ডলার দিতে হয়। আজ দেখলাম এক লোক চ্যাট জিপিটি দিয়ে ৫ দিনে জিরো কমিশনে বাড়ী বিক্রি করে দিয়েছে (বিজ্ঞাপন থেকে বায়ার সিলেক্ট, সমস্ত দলিল/দস্তাবেজ এআই করে দিয়েছে)। এজেন্ট এর কোন দরকার হয় নাই। ছাত্র/ছাত্রীরা এআই উপর এমন ভাবে নির্ভরশীল হচ্ছে যে শিক্ষক হিসাবে পড়ানিতেও আগের মত 'থ্রিল' নাই।
যদিও বাংলাদেশের বেশীর ভাগ এআই ইউজ হচ্ছে 'ক্ষতিকর' কাজে কিন্তু যেখানে এআই ৯০% কাজই হচ্ছে সমাজ/স্বাস্হ্য/মানসিকতা ইত্যাদির উন্নয়নে, সেখানে বাংলাদেশে কাজ হচ্ছে সেই ১০% যা দ্বারা অন্যকে ছোট করা, ফলস ভিডিও, ফেইক ঘটনা ইত্যাদি কাজে..।
যাহোক এখানে পড়ুন (এ আই দ্বারা লিখানো কিন্তু আমি ব্যাপক ভাবে এডিট করেছি ভালভাবে বুঝানোর জন্য)) কিভাবে এ আই একজন নন-বিজ্ঞানীকে হেলপ করেছে ক্যান্সার এর ঔষুধ আবিস্কার করতে:
কল্পনা করুন, এমন একটা উন্নয়ন যেখানে একজন অ-জীববিজ্ঞানী, শুধুমাত্র এআই-এর শক্তি ব্যবহার করে, তার মৃত্যুপথযাত্রী কুকুরের জন্য একটা ব্যক্তিগতকৃত ক্যান্সার ভ্যাকসিন তৈরি করলেন—এবং সেটা কাজও করছে! এই অসাধারণ গল্পটা সিডনি-ভিত্তিক টেক উদ্যোক্তা পল কনিংহ্যামের। তিনি একজন ইলেকট্রিক্যাল এবং কম্পিউটিং ইঞ্জিনিয়ার, যার ১৭ বছরের অভিজ্ঞতা মেশিন লার্নিং এবং ডেটা অ্যানালাইসিসে। জীববিজ্ঞানের কোনো পটভূমি নেই তার। ২০১৯ সালে তিনি রোজি নামে একটা স্টাফি-শার পেই ক্রস রেসকিউ কুকুরকে দত্তক নেন। ২০২৪ সালে রোজির মাস্ট সেল ক্যান্সার ধরা পড়ে, যা একটা মারাত্মক রোগ। ভেটেরিনারি কেমোথেরাপি এবং সার্জারি চেষ্টা করা হয়, কিন্তু টিউমারগুলো ছোট হয়নি, শুধু বাড়তে থাকা থামে।২০২৫ সালের শেষের দিকে, পল চ্যাটজিপিটি-এর সাহায্য নেন। তিনি এআই-কে ব্যবহার করে ক্যান্সারের সম্ভাব্য চিকিত্সা নিয়ে আলোচনা করেন, রোজির ডিএনএ সিকোয়েন্সিংয়ের পরিকল্পনা করেন এবং গিগাবাইটের জেনেটিক ডেটা প্রসেস করেন। চ্যাটজিপিটি তাকে ইমিউনোথেরাপির পরামর্শ দেয়, যার ফলে তিনি ইউনিভার্সিটি অফ নিউ সাউথ ওয়েলস (UNSW)-এর রামাসিওটি সেন্টার ফর জেনোমিক্সে ডিএনএ সিকোয়েন্সিং করান (খরচ ৩০০০ ডলার)। সুস্থ এবং টিউমার ডিএনএ-র তুলনা করে মিউটেশন খুঁজে বের করেন, এবং আলফাফোল্ডের মতো টুল ব্যবহার করে তার কুকুর এর ক্যান্সার এর মাঝে যে ডিএনএ 'বিকৃত (মিউটেটেড/অস্বাভাবিক)' হয়েছে তা চিহ্নিত করেন। তার পর তিনি খুজতে থাকেন অনলাইন ডাটাবেইস যেখানে মিলিয়ন মিলিয়ন ঔষুধের আকার/আকৃতি দেওয়া আছে- তিনি এআই দিয়ে সনাক্ত করতে পারেন এর মাঝে কোন ওষুধ টা তার সনাক্ত মিউটেটেড ডিএনএ দ্বারা বানানো প্রোটিনকে 'অকেযো' করতে পারবে। কিন্তু সেই ঔষুধ এর পেটেন্ট যে কম্পানির ছিল, তারা সেই ঔষুধ শেয়ার করতে অস্বীকার করে।
তখন পল mRNA ভ্যাকসিনের দিকে যান। মনে আছে হয়ত কভিড ভ্যাকসিন টাও ছিল mRNA ভ্যাকসিনের কিন্তু সেটা ছিল পুরা কভিড ভাইরাসকে সনাক্ত করার জন্য যাতে ইমিউন সেল তাকে ধ্বংস করতে পারে/নিউট্রালাইজ করে কিন্তু এখানে উনি ডেভেলপ করেন 'neoantigens' যেটা হল ক্যান্সার সেলে পাওয়া অস্বাভাবিক প্রোটিন তৈরীর ফর্মুলা (জেনেটিক কোড), শরীর সেই ফুর্মুলা মোতাবেক প্রচুর অস্বাভাবিক প্রোটিন বানায় mRNA কোড থেকে। শরীর এর ইমিউন সিস্টেম এই প্রোটিনকে "বিদেশি" বা "অস্বাভাবিক" হিসেবে চিনে ফেলে এবং T-সেল ও অ্যান্টিবডি তৈরি করে, যা ঠিক একই mutated প্রোটিন-ধারী ক্যান্সার কোষগুলোকে খুঁজে বের করে ধ্বংস করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক এআই দ্বারা বানানো ফর্মুলা অনুসারে উনাকে mRNA ভ্যাকসিন বানিয়ে দেন।
অস্ট্রেলিয়ায় পশু ড্রাগ ট্রায়ালের এথিক্স অনুমোদন পেতে তিন মাস লাগে, যার জন্য তিনি ইউনিভার্সিটি অফ কুইন্সল্যান্ডের স্কুল অফ ভেটেরিনারি সায়েন্সের সাথে যুক্ত হন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে রোজিকে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়, কুইন্সল্যান্ডের গ্যাটনে ইঞ্জেকশন নিয়ে। জানুয়ারিতে বুস্টার দেওয়া হয়।২০২৬ সালের মার্চ নাগাদ, রোজির টেনিস বলের মতো বড় টিউমার অর্ধেক হয়ে যায়, অন্য টিউমারগুলোও ছোট হয়। তার শক্তি ফিরে আসে, কোট উজ্জ্বল হয়, এবং জীবনের মান উন্নত হয়। এটা বিশ্বের প্রথম ব্যক্তিগতকৃত ক্যান্সার ভ্যাকসিন একটা কুকুরের জন্য। পল কয়েক হাজার ডলার খরচ করেছেন এবং আরও চিকিত্সার পরিকল্পনা করছেন।বিশেষজ্ঞরা এটা নিয়ে অবাক। UNSW-এর মার্টিন স্মিথ বলেন, এটা মানুষের জন্যও প্রয়োগ করা যায়। পল থরডারসন বলেন, mRNA প্রযুক্তি ব্যক্তিগতকৃত চিকিত্সাকে সহজ করে দিয়েছে, এমনকি অ-বিশেষজ্ঞদের জন্যও। ইউনিভার্সিটি অফ কুইন্সল্যান্ডের র্যাচেল অ্যালাভেনা বলেন, এটা পোষ্যদের জন্য ব্যক্তিগতকৃত থেরাপির পথ খুলে দিয়েছে। ডেভিড থমাস বলেন, এটা সিটিজেন সায়েন্সের একটা দারুণ উদাহরণ।এই গল্পটা দেখায় যে এআই কীভাবে চিকিত্সা ক্ষেত্রকে বিপ্লবী করে তুলছে। ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতির তুলনায়, এটা দ্রুত, সস্তা এবং অ্যাক্সেসিবল। ভবিষ্যতে মানুষের ক্যান্সার চিকিত্সায়ও এর প্রভাব পড়বে। রোজির মতো অনেক প্রাণী এবং মানুষের জীবন বাঁচাতে এআই একটা শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠছে।(সূত্র: দ্য অস্ট্রেলিয়ান)
ভবিষ্যাত যে উজ্জল সেটা সেটা বলা বাহুল্য ই মাত্র
theaustralian.com.au
১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:৫৪
কলাবাগান১ বলেছেন: বাংলাদেশের মানুষ অভিভূত হয় ইমাম/মুয়াজ্জিন দের ভাতা দিলে...বিজ্ঞানীরা অপাংত্তেয়
২|
১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:১৫
মিরোরডডল বলেছেন:
৫ লাখ ডলার এর বাড়ী বিক্রি করতে এজেন্টকে ৩০,০০০ ডলার দিতে হয়। আজ দেখলাম এক লোক চ্যাট জিপিটি দিয়ে ৫ দিনে জিরো কমিশনে বাড়ী বিক্রি করে দিয়েছে (বিজ্ঞাপন থেকে বায়ার সিলেক্ট, সমস্ত দলিল/দস্তাবেজ এআই করে দিয়েছে)। এজেন্ট এর কোন দরকার হয় নাই।
এই নিউজটাও ইন্সপায়ারিং। এখানে 2.5% এজেন্ট কমিশন দিতে হয় যেটা চাইলে সেইভ করা যায়।
মানুষ অনেক সময় বিভিন্ন কাজে এজেন্টের শরণাপন্ন হয়।
আমি অবশ্য কোন কাজেই এজেন্টের ইনভল্ভমেন্ট পছন্দ করিনা।
একটু এফোর্ট দিলে নিজেই অনেক কিছু করা পসিবল এবং ইউজ্যালি করে থাকি।
AI যখন ছিলো না তখনও এজেন্ট ছাড়াই করেছি, আর এখনতো আরও ইজি হয়ে গেছে।
১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৪৩
কলাবাগান১ বলেছেন: কমিশন ভিত্তিক সকল জব আস্তে আস্তে বিলীন হয়ে যাবে...
সকল বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে এপ্লাইড ম্যাথ মেশিন লার্নিং এআই ইত্যাদি বিষয় এ ডিপার্টমেন্ট খোলা উচিত.....কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিজি ইফতারি/মাহে রমজান আলোকসজ্জা আর শিবির এর ইফতারির গরু কে নিয়ে মিছিল
৩|
১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৪২
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনার উল্লেখিত ঘটনাটা খুব উৎসাহব্যঞ্জক!
এআই সম্পর্কে যতটুকু জেনেছি, তাতে মনে হয় চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর ব্যবহার অনেক নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে। বছর খানেক আগে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এআই নিয়ে একটি প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করেছিল। এআই কীভাবে মস্তিষ্কের টিউমার শনাক্ত করতে পারে, মহাকাশ গবেষণায় কয়েক বিলিয়ন গ্রহের তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে, খুব ভঙ্গুর কয়েক হাজার বছরের পুরাতন প্যাপিরাস স্ক্রল পড়তে পারে - এমন কতগুলো ঘটনা পড়েছিলাম।
তবে এখন এআই নিয়ে আমার কিছু আশাভঙ্গ হয়েছে। বড় কারণ এর ফলে অনেক মানুষ চাকরি হারাতে পারে। যতদিন এটা মাইক্রোসফটের মতো বড় কর্পোরেশন বা ধনীদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, ততদিন এআই মানুষের কল্যাণের চেয়ে ক্ষতিই করবর বেশি-এমনটা আমার মনে হয়।
১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:১৭
কলাবাগান১ বলেছেন: কুকুর এর ক্যান্সার ভ্যাকসিন দেখে মনে হচ্ছে- সেদিন দুরে নয় যখন ১০০-২০০ ডলারে যে কোন ক্যান্সার রোগী নিজের সুস্হ কোষ এর ডিএনএ ও ক্যান্সার কোষের ডিএনএ কে সিকোয়েন্স করে, ক্যান্সার কোষের 'অস্বাভাবিক' প্রোটিন কে সনাক্ত করে পার্সোনালইজড মেডিসিন তৈরী করবে এআই দ্বারা।
আমি নিজেও কিছুটা হতাশ এআই এর প্রভাব দেখে। পরীক্ষা, প্রোপোজাল, থিসিস, পেপার লিখা যদি সব এআই নির্ভর হয়ে যায়, তাহলে বুদ্ধি-ভিত্তিক জ্ঞান তৈরী/অর্জন কিভাবে হবে...শত চেস্টা করেও ছাত্র/ছাত্রীদের এর 'অনৈতিক' ব্যবহার থেকে নিবৃত্ত করতে পারছি না (নিজের অভিজ্ঞতা)। ভাল ছাত্র/ছাত্রীরা দেখছে যে সবাই করছে, সো তারাও পিছিয়ে থাকতে চাচ্ছে না...
তবে এআই নিজে কিছু তৈরী করে না, তাকে একজিস্টিং নলেজ এর উপর ট্রেইন করানো হয়....এখন নতুন নলেজ যদি তৈরী না হয়, এআই ও আর আগাতে পারবে না...হেন্স বিজ্ঞানী, শিক্ষক এদেরকেই নতুন নতুন নলেজ তৈরী করতে হবে না হলে এআই এখন যেখানে আছে, সেখানেই স্টাক হয়ে থাকতে হবে।
৪|
১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:২৪
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আগামী দিনগুলোতে পৃথিবীতে মানুষের চাহিদা থাকবে না একেবারেই।
মানুষের কাজ থাকবে না থাকবে না আয় রোজগার ।
না খেয়ে মারা যাবে একটা বিশাল জনগোষ্ঠী ।
কেননা সব টাকার মালিক হবে কোম্পানিগুলো।
১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩
কলাবাগান১ বলেছেন: ডুমস ডে চিন্তাধারা... না খেয়ে মারা যাবে তারাই যারা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে সঠিক স্কিল ডেভেলপ না করে 'ঘত' ধরা নিয়মে আয় করতে চাইলে...তাইতো বার বার বলি যে এপ্লাইড ম্যাথ হওয়া উচিত স্কুলে স্কুলে আবশ্যক বিষয় -ঐচ্ছিক বিষয় না
ইমাম মুয়াজ্জিন পুরোহিত দের বহাতা দিয়ে সুনাম না কুড়িয়ে সরকার এর উচিত বর্তমান যুগ অনুযায়ী বিজ্ঞান শিক্ষায় এগিয়ে আসা....
শেখ হাসিনা ও ৫০০ মডেল মসজিদ বানিয়েছিল...দেশের পাচ পয়সার ও উপকার হয় নাই...।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:৫০
মিরোরডডল বলেছেন:
ভিডিও লিংকটা দিয়ে গেলাম। অভিভূত হবাত মতোই একটা নিউজ!