| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু
লেখালেখির মাধ্যমে আমি নতুন ভাবনা, নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও সৃজনশীল প্রকাশ খুঁজে পাই। আমার লেখার লক্ষ্য পাঠকদের ভাবতে উদ্বুদ্ধ করা এবং একটি অর্থবহ আলোচনা তৈরি করা।
শুরুতেই একটি বিষয় স্পষ্ট করে নেওয়া ভালো, আমি কোনো ইসলামিক স্কলার নই। ধর্মতত্ত্ব বা শরিয়তের সূক্ষ্ম ব্যাখ্যা দেওয়ার মতো গভীর জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য কোনোটিই আমার নেই। আমি এ সমাজের একজন অতি সাধারণ মানুষ। চারপাশে প্রতিনিয়ত যা দেখি, যা অনুভব করি—আজ কেবল নিজের ভেতরের সেই অবরুদ্ধ মনের কথাগুলোই আপনাদের সাথে শেয়ার করতে বসেছি।
মনে পড়ে ছোটবেলার কথা। তখন কোরবানির ঈদ মানেই ছিল অন্যরকম এক নির্মল আনন্দ। ঈদের বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই পাড়ার বিভিন্ন বাসার সামনে গরু-খাসি বাঁধা হতো। আমরা ছোটরা দল বেঁধে এক বাসা থেকে অন্য বাসায় ঘুরে ঘুরে সেই পশুগুলো দেখতাম। সেই আনন্দের মাঝে কোনো অহংকার ছিল না, ছিল না কোনো শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের লড়াই। বড় হওয়ার পর ঈদের দিন সকাল থেকেই অন্যরকম ব্যস্ততা শুরু হতো—পাড়া-প্রতিবেশী সবাই মিলে একসাথে পশু কোরবানি দেওয়া, মাংস কাটা। সবার মাঝে যে একাত্মতা ছিল, তা মনকে এক অদ্ভুত প্রশান্তি দিত।
কিন্তু আজ জীবনের এই পর্যায়ে এসে, চারপাশের পরিবেশটা যখন দেখি, তখন মনের সেই পুরনো আনন্দগুলো কেমন যেন উবে যায়। এখন কোরবানির সেই পুরোনো উৎসবমুখরতা আর আমাকে টানে না, বরং এক ধরনের গভীর বিষাদ এসে মনকে আঁকড়ে ধরে।
কারণ, আমাদের উৎসবের পরিচ্ছন্ন আনন্দকে আজ গিলে খেয়েছে ‘শো-অফ’ বা লৌকিকতার এক সর্বগ্রাসী সামাজিক ব্যাধি। এখন কোরবানি মানেই যেন একটা প্রতিযোগিতা। কে কত লাখ টাকা দিয়ে গরু কিনল, কার গরুর সাইজ কত বড়, বাজারে কারটা সবচেয়ে আকর্ষণীয় পশু—এসব নিয়ে চলছে এক অসুস্থ প্রতিযোগিতা। ঈদের দিন সকাল হতেই শুরু হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পশুর দাম আর ছবি পোস্ট করে সস্তা বাহবা বা জাহির করার লড়াই। অথচ যে ইবাদতটির মূল ভিত্তি হওয়ার কথা ছিল বিনয় এবং আত্মত্যাগ, তা আজ পরিণত হয়েছে সামাজিক প্রতিপত্তি প্রদর্শনের এক বার্ষিক উৎসবে!
আমরা যেন ভুলেই গেছি কোরবানির আসল ইতিহাস এবং এর মূল স্পিরিট। কোরবানি কোনো মাংস খাওয়ার উৎসব নয়, কোনো অর্থনৈতিক আভিজাত্য প্রদর্শনের মঞ্চও নয়। এর মূল লক্ষ্যই হচ্ছে মানুষের মনের আত্মশুদ্ধি, ভেতরের সমস্ত কলুষতা আর পশুবৃত্তিকে চিরতরে দূর করা। নিজের সবচেয়ে প্রিয় জিনিসকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য উৎসর্গ করার যে মহান শিক্ষা হযরত ইব্রাহিম (আ.) দিয়ে গেছেন, আমরা কি তার ছিটেফোঁটাও আজ ধারণ করতে পারছি?
পবিত্র কোরআন শরিফে আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে কোরবানি কবুল হওয়ার শর্ত বলে দিয়েছেন। সূরা আল-হজের ৩৭ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে:
"আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না এগুলোর গোশত এবং রক্ত, বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া (পরহেজগারি/আত্মশুদ্ধি)।"
স্রষ্টার এই বাণী কত স্পষ্ট, কত সুগভীর! স্রষ্টার আমাদের দেওয়া পশুর মাংসের প্রয়োজন নেই, পশুর পেছনে ঢালা লাখ লাখ টাকার হিসাবের কমতিও তাঁর দরবারে নেই। তিনি যা দেখেন, তা হলো আমাদের নিয়ত। আমাদের অন্তরের কতটা পরিশুদ্ধি ঘটল, পশুর গলায় ছুরি চালানোর সাথে সাথে আমরা আমাদের ভেতরের কতটুকু অহংকার, লোভ আর লৌকিকতাকে বিসর্জন দিতে পারলাম—তা-ই কেবল আল্লাহর কাছে পৌঁছায়।
দুর্ভাগ্যবশত, আজ আমরা আল্লাহর সেই সন্তুষ্টির পথকে অনেক দূরে ঠেলে দিয়েছি। আমরা মজে আছি লৌকিক আচার-আচরণে। এর একটি বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায় ঈদের দিন দুপুরের পর আমাদের চারপাশের রাস্তায়। লাখ লাখ টাকা খরচ করে যে পশুটি আমরা কিনলাম, জবাইয়ের পর তার রক্ত ও বর্জ্য নির্দ্বিধায় ফেলে রাখছি প্রকাশ্য রাস্তায়। দুর্গন্ধে প্রতিবেশীর টেকা দায় হচ্ছে, অথচ আমরা ড্রয়িংরুমে বসে মাংসের সুস্বাদু পদের হিসাব করছি। আবার যে দরিদ্র মানুষটি সারা বছর মাংসের মুখ দেখে না, আমাদের লোকদেখানোর প্রতিযোগিতায় তার প্রাপ্য অংশটুকুও দিন দিন সংকুচিত হয়ে আসছে। এই যদি হয় আমাদের তাকওয়ার অবস্থা, তবে সেই কোরবানি কতটুকু সার্থক?
আমরা আজ বাহ্যিক আড়ম্বরে এতটাই মেতে উঠেছি যে, আল্লাহর নির্দেশিত মূল পথ থেকে দিন দিন অনেক দূরে সরে যাচ্ছি। পশুর রক্ত ঝরছে ঠিকই, কিন্তু আমাদের মনের কালিমা দূর হচ্ছে না। যদি কোরবানি দেওয়ার পর আমাদের মনের অহংকার না কমে, যদি আমরা অন্যকে ছোট করে দেখার মানসিকতা থেকে বের হতে না পারি, তবে তা স্রেফ একটি পশুপালনের বাণিজ্যে বা মাংসের উৎসবে রূপ নেয়—তা আর ইবাদত থাকে না।
এখনই সময় আমাদের একটু থমকে দাঁড়ানোর। আমাদের নিজেদের ভেতরের এই মেকি খোলসটা ভেঙে ফেলা দরকার। আসুন, লৌকিকতার এই উৎসব থেকে বেরিয়ে এসে যদি আমরা কোরবানির সেই হারিয়ে যাওয়া মূল স্পিরিট বা তাকওয়াকে ফিরিয়ে আনি।
কোরবানি শুধু পশুর নয়, অহংকারেরও হওয়া উচিত। আল্লাহ আমাদের সবাইকে লৌকিকতামুক্ত, খাঁটি নিয়তে কোরবানি করার তৌফিক দান করুন।
২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:৩০
শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে
২|
২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১০
মায়াস্পর্শ বলেছেন: কুরবানীর পশুকে মানুষ এখন অহংকার প্রকাশের মাধ্যম বানিয়ে নিয়েছে।
২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৩
শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: সঠিক বলেছেন
৩|
২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
"আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না এগুলোর গোশত এবং রক্ত,
বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া (পরহেজগারি/আত্মশুদ্ধি)।"
...............................................................................................
এত কিছু জানার পরও আমাদের অহংকার কমেনা ।
( গোয়েন্দা বার্তা কোথায় ?)
২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪
শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: এবারের গোয়েন্দা বার্তাটা আপনিই বরং জানান।
৪|
২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বাংলাদেশে বড়ো গোরু কোরবানির শো অফ শুরু হয়েছে লীগের আমলে । সেই কারণে একটা বংশীয় ছাগলের দাম ১৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিলো।
২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৬
শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: সেই ছাগল কাহিনীর পর ঐলোকের সরকারী চাকুরী চলে গেছিলো যতদূর মনে পড়ে।
৫|
২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৫:১২
আলামিন১০৪ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই লিখাটার জন্য-
আপনার কি মনে হয় যে শুধু একটা পশু জবাই করলেই তাকওয়া অর্জিত হয়?
কোরবানীর বিষয়টা বুঝতে হলে আরো গভীরে যেতে হবে।
আদম (আঃ) এর দুই পুত্র পাহাড়ের উপর কোরবাণী রেখে আসলে- বিশেষ আগুন এসে একজনেরটা গ্রহণ করলে তা কবুল বলে বিবেচিত হয়।
কুরআনের আয়াত (সূরা আল-মায়িদাহ, ২৭-৩১)
"আপনি তাদেরকে আদমের দুই পুত্রের সত্য ঘটনা শোনান; যখন তারা উভয়ে কোরবানি পেশ করল, তখন একজনের কোরবানি কবুল করা হলো এবং অপরজনের কবুল করা হলো না। (অপরজন) বলল: 'আমি তোমাকে হত্যা করব।' (প্রথমজন) বলল: 'আল্লাহ তো কেবল মুত্তাকিদের কাছ থেকে কবুল করেন।'"
আর আবহমান কাল থেকে কোরবা্ণীর বিধান ছিল। আল্লাহ বলেন-
"আর প্রতিটি সম্প্রদায়ের জন্য আমি কুরবানি নির্ধারণ করেছি ..."
(সূরা আল-হজ্জ, ২২:৩৪)
কোরবাণী মূলত আল্লাহর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ-
এই কোরবাণীর প্রথা থেকেই পরবর্তীতে মনুষ্য উদ্ভাবিত দেবদেবীর উদ্দেশ্যেও বলি দান শুরু হয়
তবে অতীতে প্রথম দিকে কোরবাণীর কিছু খাওয়া যেত না, পরে তা শুধু গরীব-দুঃখীদের বিলিয়ে দেওয়ার অনুমতি দেয়া হয় (যতদূর জানি)। অর্থাৎ কোরবাণীর থেকে কোরবাণী দাতা কারও লাভ হতো না।
পরবর্তীতে নিজেদের খাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়- কিন্তু কোন কিছু বিক্রয় বৈধ নয়।
কিন্তু বর্তমানে অনেকে যারা সচ্ছল তারাও পুরোটা বা সামান্য বাদে সবটুকু নিজেরাই খায়- গরীবদের দেয় না। তার মানে এরা কোরবাণী করে নিজে খাওয়ার জন্য। আমার মনে হয় এটি কোরবাণীর শিক্ষার বিরোধী।
যে হাদিসের রেফারেন্সে পুরোটা খাওয়ার অনুমতির কথা বলা হয় তা হলো
জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন :
"আমি তোমাদের কোরবানির গোশত তিন দিনের বেশি রাখতে নিষেধ করেছিলাম, যাতে সচ্ছল ব্যক্তিরা অসমর্থদের সাহায্য করে। এখন তোমরা খাও, সংরক্ষণ কর এবং জমিয়ে রাখো।"
অন্য বর্ণনায় (সহীহ মুসলিম) আয়েশা (রা.) থেকে এসেছে:
রাসূল (সা.) বলেছেন: "খাও, সংরক্ষণ কর এবং সদকা করো।"- আমার মনে হয়- যেহেতু তাঁর বয়স কম ছিল এবং সে কারণে স্মরণ শক্তি বেশি থাকাই স্বাভাবিক- সুতরাং কোরবাণীর মাংস পুরোটা ভক্ষণ করা যায়েজ না।
আল্লাহ তাআলা কুরআনে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন:
"অতএব তোমরা তা থেকে খাও এবং ভিক্ষুক ও বঞ্চিতকে খাওয়াও।" (সূরা আল-হজ্জ, ২২:৩৬)
আমাদের কোরবাণীর আরেকটি উদ্দেশ্য আছে- ইব্রাহীম (আঃ) এর আচার আচরণের স্মৃতিচারণ- পুরো হজ্জের নানা অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যও তাই। আল্লাহতাআলার নিকট ইব্রাহীম আঃ এর কিছু বিষয় এত ভালো লেগেছিল যে তিনি তা কিয়ামত পর্যন্ত যারী করে দিয়েছেন।
জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত:
"আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এই কোরবানিগুলো কী? তিনি বললেন: এটা তোমাদের পিতা ইবরাহিমের সুন্নাত।"
(সুনানে ইবনে মাজাহ; তিরমিজি)
তাহলে কোরবাণীর দুইটি উদ্দেশ্য-প্রথমত নিস্বার্থভাবে আল্লাহর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ যা গরীবদের মাংস দান করার মাধ্যমে অর্জিত হয়- তবে আল্লাহ দয়াপরবশ হয়ে তা থেকে খাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। আর তাকওয়া না থাকলে কেউ (লোক দেখানো ব্যতীত) দান করবে না।
"আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না এগুলোর মাংস এবং না রক্ত, বরং পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া (আল্লাহভীতি)।"
আর ২য় উদ্দেশ্য- ইব্রাহীম আঃ কে স্মরণে রাখা।
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৫
শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে। বিশদভাবে এই টপিকটি বুঝিয়ে বলার জন্য।
যাহোক, কোরবানীর মূল লক্ষ বা উদ্দেশ্য যদি হয় আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের যেকোনো প্রিয় বস্তু আল্লাহর রাস্তায় ত্যাগ বা বিসর্জণ দেয়া তাহলে শুধু পশু কোরবানী কেনো মানুষের জীবনে তার প্রিয় বস্তু অনেক কিছু আছে সেসব থেকেও দেয়া যেতে পারে। যেমন ধরুন, অর্থ-সম্পদ। মানুষ প্রতি বছর কিছু পরিমানে অর্থ-সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় ত্যাগ বা বিসর্জণ করলো এরমাধ্যমে তার কোরবানী সম্পাদন করলো। এটা আমার নিজস্ব ভাবনা।
৬|
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১২
নতুন বলেছেন: বর্তমানে বিশ্বের সকল ধর্মই একটা সামাজিক আচরে পরিনত হয়ে যাচ্ছে।
দেশের কুরবানী নিয়ে ভাবলে বিষয়টা আরো পরিস্কার হবে।
বর্তমানে কুরবানী ভালো গরু খাবার একটা সামাজিক উতসবে পরিনত হয়েছে।
দেশের মানুষের বড় একটা অংশ ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেনা। কিন্তু তাদের বেশিরভাগই কিন্তু কুরবানী দেয়।
অনেকেই হিসাব করে জাকাত দেয় না। কিন্তু বড় গরু কুরবানি দেয়্
ঘুষখোর, দূনিতিবাজেরা সবাই বড় গরু কুরবানি দেয়।
ওমুক ২টা দিতে তাই আমাদের ৩টা না দিলে ভাব কমে যায়।
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪
শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: এবিষয়টিই আমার কাছে খারাপবোধ হয়।
৭|
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩০
নতুন বলেছেন: এটা সমাজের অনেক বড় একটা সমস্যার ছো্ট একটা সিম্পটম।
আমাদের সমাজে এখনো নৈতিকতা শেখানো হচ্ছে ধর্মীয় নির্দেশের আলোকে।
কিন্তু সমাজের মুরুব্বি, সমাজের নেতারাই ধর্মের উপরে ভীত না, বরং তারা ধর্মকে ব্যবহার করছে রাজনিতিক হাতিয়ার হিসেবে।
তাই সমাজের মানুষগুলি ধর্মীয় বিশ্বাসের উপরে আছে সেটা দেখায় কিন্তু নিজের জীবনের ধমীয় নৈতিকরা গুলি পালন করেনা।
এই ভন্ডামী আমাদের সমাজে খুবই গভীরে শিকড় গেড়েছে। ![]()
৮|
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৪
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: যার টাকা বেশী সে বড় গরু কোরবানী দিবে আর যার কম সে ছোট গরু কুরবানী দিবে- এটাই হচ্ছে সিস্টেম, এসব তাকওয়া ফাকওয়া নিয়ে মাথা ঘামিয়ে লাভ কি?
৯|
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২১
রাজীব নুর বলেছেন: কোরবানী সিস্টেমটাই আমার পছন্দ নয়।
১০|
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:২০
নিমো বলেছেন: হাটের নামে রাস্তা বন্ধ করে ফেলতে হবে কেন? রাস্তার উপলর পশু বে্ধে রাখা, জবাই করা এসব কাণ্ডজ্ঞানহীন কাজও বন্ধ করা দরকার।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:৩১
করুণাধারা বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন, বিশেষ করে শেষ দুই লাইন।
আমি অনেক মানুষকে দেখেছি যাকাত না দিতে, অথচ কোরবানির সময় বিশাল গরু কিনে কোরবানি দিচ্ছেন। এটা লোক দেখানো ছাড়া কিছুই না।