নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বলার মত তেমন কোনো গুন নেই এমনকি কোনো কিছুতেই সেরা নই কিন্তু সব সময় সেরাদের আশে পাশে থেকে সব সময় শিখতে চাই...\n

মাহদি (এক জন মেরুদণ্ডী প্রাণী)

মাহদি (এক জন মেরুদণ্ডী প্রাণী) › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুনাফেকনামা ১

২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪০

#মুনাফেকনামা :১

সাল:মার্চ,২০২১

নরেন্দ্র মোদীর সফরের বিরোধিতায় উত্তাল দেশ, সাধারণ মাদ্রাসা ছাত্র আর গরিব ঘরের সন্তানরা বুক পেতে দিচ্ছিল পুলিশের গুলির সামনে।

রাজপথে প্রাণ হারাল ১৭ জন মানুষ।(সরকারি হিসাব)

মব করে ব্রাহ্মনবাড়ীয়ার রেলওয়ে স্টেশন, ভূমি অফিস আর মানুষের ট্যাক্সের টাকায় গড়া সম্পদ যখন আগুনে জ্বলছিল..

মব করে বিশ্ববিখ্যাত সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর স্মৃতিবিজড়িত সংগীতাঙ্গন ও জাদুঘর পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে..

সবাইকে উত্তেজিত করে মাঠে নামিয়ে 'একজন' তখন
জিগড়ি দোস্তের বউকে নিয়ে ফুর্তি করতে রিসোর্ট এ..

এদের মোনাফেক বলা কি ভুল হবে?

মামনুল হক
ঢাকা-১৩ আসনের জামাত জোট প্রার্থী

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মুসলমানের দোষ এভাবে পাবলিক করতে হয় না।

২| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০৬

নতুন নকিব বলেছেন:



নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফর অনুষ্ঠিত হয় ২৬–২৭ মার্চ ২০২১।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে Royal Resort–এর ঘটনা ঘটে ৩ এপ্রিল ২০২১। অর্থাৎ মোদীর সফর শেষ হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পর।

এই দুইটি ঘটনার মধ্যে স্পষ্ট সময়ের ব্যবধান রয়েছে। ফলে “মোদি বিরোধী আন্দোলনের সময় মানুষ রাস্তায় মরছে আর তিনি তখন রিসোর্টে ফুর্তি করছেন” -এই বয়ানটি সময়গতভাবে আদৌ সত্য? না কি, ডাহা মিথ্যা?

‘অন্যের স্ত্রী’- অভিযোগ না গুজব?
রিসোর্টের ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট নারীকে নিয়ে ফ্যাসিবাদী সরকারের ব্যবস্থাপনায় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নানা ধরনের কুরুচিপূর্ণ প্রচারণা চালানো হয়। কিন্তু সত্য কখনো হারিয়ে যায় না। পুরো পৃথিবী জেনেছে যে, সেই নারী মাওলানা মামুনুল হকের বিবাহিত স্ত্রী ছিলেন।

মামুনুল হক আদালতেও তখন প্রকাশ্যেই জানান, তিনি ঐ নারীকে শরিয়তসম্মতভাবে বিবাহ করেছিলেন এবং তিনি তার স্ত্রী। কেউ এই বক্তব্য মানুক বা না মানুক, আইনি ও বাস্তব দৃষ্টিকোণ থেকে এটি “দোস্তের বউ” বলার মতো কোনো প্রমাণিত সত্য নয়। বরং এটি একটি স্পষ্ট চরিত্রহননের প্রচেষ্টা।

তাহলে... আসল মুনাফিক কে? অন্যকে মুনাফিক সাব্যস্ত করার আগে কিছুটা ভেবে নেওয়া উচিত নয় কি?

৩| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:২৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমরা অল্প স্মৃতি শক্তির মানুষ
এইবেলা মাফ কইরা দেন !
দেশের অনেক গুরুতর কাজে আছেন !!

৪| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৫

মাহদি (এক জন মেরুদণ্ডী প্রাণী) বলেছেন: আপনি বলছেন ২৬-২৭ মার্চ মোদী চলে গেছেন, আর ঘটনা ৩ এপ্রিলের। আচ্ছা ভাই, ২৬-২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া আর চট্টগ্রামে যে ১৭টা লাশ পড়ল, ৩ এপ্রিল কি তাদের কবরের মাটি শুকিয়েছিল

​আপনার নেতা যখন রিসোর্টে জানুর সাথে ‘মানবিক বিয়ে’র মহড়া দিচ্ছিলেন, তখন সারা দেশে শত শত কর্মী গুলি খেয়ে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে, হাজার হাজার কর্মী গ্রেপ্তার হওয়ার ভয়ে ঘরছাড়া।

​শোকাতুর কর্মীদের শান্ত না করে, তাদের আইনি সহায়তার ব্যবস্থা না করে, নেতা কোন যুক্তিতে ‘রিফ্রেশমেন্ট’ করতে রিসোর্টে গেলেন? ১৭ জন কর্মী মারা যাওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মাথায় কি একজন দায়িত্বশীল নেতার বিনোদনে যাওয়ার সময় হয়? একেই কি আপনারা ‘নেতৃত্ব’ বলেন?

​ ‘অন্যের স্ত্রী’ না কি ‘বন্ধুর বউ’?
​পুরো পৃথিবী নাকি জেনেছে তিনি তার স্ত্রী? ভাই, পুরো পৃথিবী তো এটাও শুনেছে যে মামুনুল হক নিজের আসল স্ত্রীর কাছে ফোনের ওপাশে বিড়বিড় করে বলছিলেন— "ওটা আমার বন্ধুর বউ, পরিস্থিতির কারণে আমি ওটা বলেছি।"
​নিজের স্ত্রীর কাছে কেন মিথ্যা বলতে হলো যদি বিয়েটা বৈধই হতো?

৫| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি সঠিক।

৬| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৭

নতুন নকিব বলেছেন:



ঘুনাক্ষরেও কি বলেছি যে, মামুনুল হক আমার নেতা? যতটুকু জানি, মামুনুল হক সামুতে ব্লগিং করেন না, সেই কারণেই মূলতঃ তার হয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর দেয়ার ইচ্ছে থেকেই এখানে আসা। শেখ হাসিনার প্রাপ্য কোন অধিকার নিয়ে আমি কথা বললেই তিনি আমার নেতা হয়ে যাবেন, এটা সঠিক নয়। যা হোক, আপনার প্রতিমন্তব্যের প্রেক্ষিতে আপনার সদয় জ্ঞাতার্থে আবারও কিছু কথা ব্যক্ত করছি -

১. শোকের সময় বনাম ব্যক্তিগত চলাচল

২৬–২৮ মার্চের সহিংসতা নিঃসন্দেহে মর্মান্তিক ছিল। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় নেতার ওপর এমন কোনো লিখিত বা অলিখিত বিধান নেই যে, সহিংস ঘটনার পর নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তিনি কোথাও যেতে পারবেন না। শোক প্রকাশ, বিবৃতি দেওয়া বা আন্দোলন সংক্রান্ত অবস্থান নেওয়া আর ব্যক্তিগত চলাচল এক বিষয় নয়। নৈতিক প্রশ্ন তোলা যেতে পারে, কিন্তু সেটিকে অপরাধ বা “মব নামিয়ে রেখে ফুর্তি” হিসেবে উপস্থাপন করা যুক্তিগতভাবে অসংগত। এর জন্য কাউকে মুনাফিক আখ্যা দেওয়া অতিরঞ্জন।

২. আইনি সহায়তা ও দায়িত্বের প্রশ্ন

মামুনুল হক আন্দোলনের একমাত্র সংগঠক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ছিলেন না। হেফাজতের কেন্দ্রীয় কাঠামো, আইনজীবী প্যানেল ও স্থানীয় নেতৃত্ব ছিল। কাউকে গ্রেপ্তার হওয়ার ভয়ে ঘরছাড়া হওয়া বা হাসপাতালে থাকা মানেই নেতা শূন্য হয়ে গেছে, এমন সিদ্ধান্ত তথ্যনির্ভর নয়।

৩. রিসোর্টে যাওয়া মানেই ‘বিনোদন’ নয়

রিসোর্ট শব্দটি ইচ্ছাকৃতভাবে “ফুর্তি” বা “বিনোদন” হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বাস্তবে এটি ছিল একটি ব্যক্তিগত অবস্থান, যা নৈতিকভাবে কারও পছন্দ নাও হতে পারে, কিন্তু রাজনৈতিক সহিংসতার নির্দেশনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করা যায় না।

৪. ‘অন্যের স্ত্রী’ বনাম ‘স্ত্রী’ বিতর্ক

এখানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো অডিও কথোপকথনকে চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে দাঁড় করানো। ঐ কথোপকথনের সত্যতা, পূর্ণ প্রেক্ষাপট ও আইনগত গ্রহণযোগ্যতা কখনোই আদালতে প্রমাণিত হয়নি। পরবর্তীতে প্রকাশ্যভাবে বিবাহের দাবি, কাবিননামা ও স্বীকারোক্তি দেওয়া হয়েছে। কেউ তা বিশ্বাস করবে কি না, সেটি ভিন্ন বিষয়।

৫. মূল কথা

সমালোচনা করা যেতেই পারে। কিন্তু সময়ের ব্যবধান গুলিয়ে দিয়ে, নৈতিক প্রশ্নকে অপরাধ বানিয়ে এবং অপপ্রমাণিত কথোপকথনের ওপর দাঁড়িয়ে কাউকে বিশ্বাসঘাতক বা মুনাফেক আখ্যা দেওয়া যুক্তিসঙ্গত সমালোচনা নয়, বরং রাজনৈতিক চরিত্রহনন।

ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.