নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিঃসঙ্গ পথচারী

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ

তারপরও মুষ্ঠিবদ্ধ হাতে ঘুরে দাড়াব.....।

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

কেন যে এসব লাল বদর/বাঙ্গালী পাকিস্তানি (বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে বিকলাঙ্গ) আমাদের সাথে লাগতে আসে?

০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯



১//@দেশ প্রেমিক বাঙালীঃ

তোমাদের মতো জামায়াতি লাল বদরদের/পাকিস্তানি শারমেয়দের/বরাহ শাবকদের.....

এক বছর রাখতে হবে বেলুচিস্তানে। তাহলে তাদের শৈশব থেকে ধোলাই হওয়া মগজ reset হলে হতেও পারে। reset হলে তারা আন্দাজ করতো যে পাকিস্তান আমলে টানা ২৪ বছর বাঙ্গালীরা অবাঙ্গালী পাঞ্জাবী শাসক সমাজ কর্তৃক কি পর্যায়ের বৈষম্যের শিকার ছিলো।

আরও এক বছর রাখতে হবে ভারতের কেন্দ্র শাসিত কাশ্মীর রাজ্যে। তখন তারা জামায়াতিদের কথিত বিভিন্ন ঠাকুর মার ঝুলি গল্পসমূহ (যেমন বাংলাদেশ হলো ভারতের করদ রাজ্য, puppet state, bla bla bla….) বর্তমান বাংলাদেশের মধ্যকার পার্থক্য উপলব্ধি করতে পারতো।

অবশ্য জামায়াতিরা ঐতিহাসিক ভাবে ও ঐতিহ্যগত ভাবেই গণশত্রু। এরা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে ছিলো ব্রিটিশ সরকারের পক্ষে। পাকিস্তান আন্দোলনের সময় ছিলো পাকিস্তানের স্বাধীনতার বিরোধী। আর সর্বশেষ নিজেদের চোখে পাঞ্জাবী শাসকদের বৈষম্য, নিপীড়ন, লাঞ্ছনা, বঞ্চনা দেখার পরও তারা ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী পক্ষ। ৭১ এ শুধু আদর্শিক ভাবেই নয় সশ্রস্ত্র ভাবে বিরোধিতা করেছিলো।

সুতরাং আদর্শিক, নৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক সব দিক থেকেই পরাজিত একটি দল, যে তার ৭১ এর পরাজয় আজও মেনে নেয়নি সেই মানসিকতা লালনকারী হিসেবে জামায়াত সর্বদাই চেষ্টা করে যাবে বাংলাদেশকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্র প্রমাণ করতে।

অবশ্য রাজনৈতিক ভাবে আরও আগে থেকেই জামায়াত ছিলো একটি চূড়ান্ত ব্যর্থ দল। এদের জন্মগত মোনাফেকির কারণেই সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের কাছে ন্যূনতম গ্রহণযোগ্যতা ছিলো না। পাকিস্তান আমলের সর্বশেষ সেই ৭০ এর নির্বাচনে কয়টা আসন তারা পেয়েছিলো?

শয়তানকে ধর্ম শেখানো মানে ধর্মকে শয়তানিতে রূপান্তরিত করা। সুতরাং তোমাদের মতো জামায়াতিদের ধর্মের কথা শোনানোর মানে শয়তানকে ধর্মকে শয়তানিতে রূপান্তরিত করার নামান্তর। (এরকম পাপের ভাগীদার হওয়া থেকে আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুক)। এরূপ শয়তানের সাথে মহা শয়তানি (এই যেমন: হিটলারের knight of long knives অথবা স্ট্যালিনের great purge) করেই সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হয়, যা দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আজও বাস্তবায়িত হয়নি।

এরকম আরো কাঠাল পাতা প্রস্তুত আছে? খাবে?

২//@দেশ প্রেমিক বাঙালীঃ

কিরে লাল বদর, তোরা না ভারতের সাত বোন দখল করে নিবি? ভারতীয় মুরগির গলা চিবাবি? কই?

তোদের পূর্ব পুরুষ আল-বদরদেরও তো সুযোগ ছিলো। আরো ভালো মতই ছিলো তোদের কথিত ব্রাহ্মন্যবাদী ভারতীয় কাফের মালাউন বাহিনীকে সায়েস্তা করার....

সারা জীবন এরা ভারত বিদ্বেষী কথা বলে। কিন্তু যখন এদের সুযোগ আসে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাথে সরাসরি যুদ্ধ করার, তখন তারা কাফের মালাউন বাহিনীর সাথে যু্দ্ধ করার সাহস করে না। উল্টো নিরস্ত্র অসামরিক বাঙ্গালীদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে ফেলে রাখত সেই ৭১ এ।

আবার নাম দিয়েছে আল বদর। অথচ বদর প্রান্তরে বীর মুসলিমরা যুদ্ধ করেছিলো সশস্ত্র কাফেরদের সাথে। ইসলাম নিয়ে তামাশা করার এমন দুঃসাহস এই জামায়াতিদেরই আছে।

জামায়াতের চরিত্র বোঝার জন্য ৭১ এ আল বদর নামকরন আর সে অনুপাতে তাদের কার্যক্রম বিশ্লেষণই যথেষ্ট। মুখে যা বলে, করে তার সম্পূর্ণ বিপরীত। মুখে এক অন্তরে আরেক। ওদের নিয়ত একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারো বোঝার ক্ষমতা নেই।

জামায়াতিদের এ জন্যই মুনাফেক বলা হয়ে থাকে।

আরো কাঠাল পাতা লাগবে ছাগু....?

৩//@দেশ প্রেমিক বাঙালীঃ

শোন,
৭১ এ তোদের আল বদর, শান্তি কমিটির রাজাকার বাপেরা হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে সব বাঙ্গালী নারীদেরকে তথাকথিত সাচ্চা মুসলিম অবাঙ্গালী পাঞ্জাবী সেনাদের ক্যাম্পে তাদের দৈহিক চাহিদা মেটানোর জন্য সরবরাহ করতো। গনিমতের মাল বিবেচনা করে টানা ৯ মাস যাবৎ কথিত সাচ্চা মুসলিম বীরেরা বন্দি বাঙ্গালী নারীদের ভোগ করেছিলো। এরকম নারীদের মোট সংখ্যা কতো হতে পারে?

বিজয়ের পর ঐ সকল পরিত্যাক্ত সেনা ক্যাম্প হতে হাত পা বাধা সিলিংএ ঝোলানো, দাত ভেঙ্গে ফেলা (হাত বাধা নারীরা যেন কামড়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা না করতে পারে) ও সম্পূর্ন বিবস্ত্র (যেন নিজের কাপড় দিয়ে লাঞ্ছিত নারীরা আত্মাহুতি দিতে না পারে) অসংখ্য নারীদের উদ্ধার করেছিলো মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতের যৌথ বাহিনী। শিখ সেনারা সেই সকল অনাবৃত/বিবস্ত্র/উলঙ্গ নারীদের তাদের মাথার পাগরী খুলে আবৃত করতো। বিরাঙ্গনাদের সম্মান এভাবেই রক্ষা করতো। তারা কিন্তু মুসলিম ছিলো না।

ষুক্তি তর্কে আর ইতিহাসের জ্ঞানে যে অবস্থা তোদের, তাতে তোরা যা সর্বোচ্চ পারিস তা হলো গালি দেওয়া। আমাদের জন্য অবশ্য এসব কমপ্লিমেন্ট।

কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ
কিসের রিকন্সিলিয়েশন‼️কার সাথে কে চায় এই রিকন্সিলিয়েশন⁉️

মন্তব্য ১১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:১৯

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: রাজাকারের বাচ্চাদের সাথে তর্ক করে লাভ নেই। ওদের সুবর্ণ সময় এখন। নাচতে দিন। দিন সবসময় একরকম থাকবে না।

০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৯

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: যথার্থ বলেছেন। ইসলাম নিয়েই যারা শয়তানি করে, সেই মহা শয়তানদের ধর্মের কথা শোনানো বৃথা।

স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারদের এমনই নৈতিক ও আদর্শিক দেউলিয়াপনা যে “শেখ মুজিবের বাংলায় বৈষ্যমের ঠাঁই নাই…” এই স্লোগান দিয়ে জনগণের সাথে ধাপ্পাবাজি করে আন্দোলন করতে হয়। ধাপ্পাবাজির এই অর্জন কদিন টিকবে? ৫৫ বছর?

জামায়াতি রাজাকারদের তো মৌলিকত্ব বলে কিছু নেই। তবে তাদের মৌলিকত্ব যা, তা হলো ইসলাম নিয়ে শয়তানি করা। ইসলামকেই শয়তানি করার উপকরণ বানিয়ে ফেলা।

বাংলাদেশ হয়েছে বলেই জামায়াতি রাজাকারদের অস্তিত্ব আছে। ভারত পাকিস্তান কোথাও জামায়াতিদের অস্তিত্ব নাই। এটাই বাস্তবতা।

২৪ হলো গুপ্তদের প্রকাশ্য হওয়ার সময়। এখন আর এরা গুপ্ত হতে পারবে না। গুপ্ত অবস্থায় এদের performance যত ভালো সূর্যের আলোয় প্রকাশ্য অবস্থায় এদের performance ততই খারাপ, প্রমানিত।

২৪ সুযোগ করে দিয়েছে এই সকল প্রকাশ্যদের (সাবেক গুপ্ত) হিসাব নিকাশ করার।

২| ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৩৫

প্রজ্জলিত মেশকাত বলেছেন: ঘৃণা ছড়িয়ে আর কিবোর্ডে যুদ্ধ করে লাভ হবেনা। দয়া করে ব্লগে সংযত হোন। বুঝলাম আপনি আগ্রাসী হায়েনা।

৩| ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৩৮

নাহল তরকারি বলেছেন: আসলে কি আর বলবো!! কিছু লোক ধরেই নিছে যে বাংলাদেশ কে সৈন্য দিয়ে দখল করতে চায় ভারত।

৪| ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৭

ক্লোন রাফা বলেছেন: বিহারী পট্টির বাসিন্দাদের গুরুত্ব দেয়ার কিছু নেই। ওদের কাজ হলো ঘেউ ঘেউ করা। আর কয়েকটা দিন অপেক্ষা করুন । দেখবেন সব শিয়ালের এক রা হুক্কা হুয়া শুরু হবে।

০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৭

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

এ সব ছাপড়িদের আর গুরুত্ব দিবো না।

আবারো হাতে কলমে প্রমানিত হলো যে, মূর্খদের সাথে তর্ক করতে নেই।

৫| ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: ৭১ এর পরাজিত শক্তি লাফাচ্ছে। তাদের লাফাতে সুযোগ দিয়েছে ইউনুস। সেই ধারা বিএনপি অব্যহত রেখেছে।
দিন শেষে এরা পরাজিত হবেই।

০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৮

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারদের এমনই নৈতিক ও আদর্শিক দেউলিয়াপনা যে “শেখ মুজিবের বাংলায় বৈষ্যমের ঠাঁই নাই…” এই স্লোগান দিয়ে জনগণের সাথে ধাপ্পাবাজি করে আন্দোলন করতে হয়। ধাপ্পাবাজির এই অর্জন কদিন টিকবে? ৫৫ বছর?

জামায়াতি রাজাকারদের তো মৌলিকত্ব বলে কিছু নেই। তবে তাদের মৌলিকত্ব যা, তা হলো ইসলাম নিয়ে শয়তানি করা। ইসলামকেই শয়তানি করার উপকরণ বানিয়ে ফেলা।

বাংলাদেশ হয়েছে বলেই জামায়াতি রাজাকারদের অস্তিত্ব আছে। ভারত পাকিস্তান কোথায় জামায়াতিদের অস্তিত্ব নাই।

এরা নিজেরাই নিজেদের অস্তিত্ব নিয়ে সংকটে।

না বাংলাদেশের অস্তিত্বের বাস্তবতা মেনে পারে আর না পারে বাংলাদেশের কারনেই যে জামায়াতি রাজাকারদের অস্তিত্ব-এই বাস্তবতা স্বীকার করতে।

৬| ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:২২

কিরকুট বলেছেন: আমি একটা মহৎ প্রস্তাব দিতে চাই!

যেসব বীরপুরুষ বাংলাদেশে বসে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য অস্থির হয়ে আছেন, তাদের জন্য সরকারিভাবে একটি বিশেষ “যুদ্ধ পর্যটন প্যাকেজ” চালু করা হোক।

গন্তব্য: বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত
টিকিট: ওয়ান ওয়ে
পরিবহন: ঢাকা থেকে সরাসরি সীমান্ত
লাগেজ: দেশপ্রেম, স্লোগান ও অফুরন্ত সাহস
রিটার্ন টিকিট: প্রযোজ্য নয়!

সীমান্তে পৌঁছে তাদের জিজ্ঞেস করা হবে:

ভাই, এতদিন ফেসবুকে যে যুদ্ধের ডাক দিচ্ছিলেন, আজকে মাঠে নামবেন তো?

যারা বলবেন, অবশ্যই! তাদের হাতে গজারি দিয়ে বলা হবে, ঠিক আছে, দেশ আপনার সাহসের প্রতি কৃতজ্ঞ। এবার নিজের সাহসটা দেখান । উলটা দিকে ফেরত আসলে কিন্তু গু মাখানো ছেড়া চপ্পল দিয়া পেটানো হবে । অবশ্য ফেরত আসার উপায় নাই। ছাগলের খামারের পরেই বাংলাদেশ তার সীমানা সিল গালা করে দেবে ।

ভারতের প্রতি অনুরোধ থাকবে এদের সাথে যা খুশি তাই করেন কিন্তু বাংলাদেশের যেন কোন ক্ষতি না হয় ।

তাই যুদ্ধপ্রেমীদের জন্য অনুরোধ:

কে কে যাবেন, হাত তোলেন!
ট্রাক প্রস্তুত।
ঢাকা → সীমান্ত।
ওয়ান ওয়ে। নো রিটার্ন

০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৩

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: পুরোপুরি একমত।

কিন্তু এসব লিল্লাহ খোর জামায়াতি রাজাকারদের কি সেই মেরুদন্ড আছে যে ভারতীয়দের মোকাবেলা করবে? ৭১ এ আল বদরদের কীর্তিকলাপ দেখলে বরং এটাই নিশ্চিত হওয়া যায় যে এরা কোন ব্যাতিক্রম ছাড়াই পূর্ব পুুরুষদের অনুগামী হবে। ৭১ এ যেমন আ্ল বদররা সুযোগ থাকা সত্তেও ভারতীয় সেনাদের মোকাবেলা করার সাহস পায়নি। তেমনি এদের উপযুক্ত অনুসারী এখনকার লাল বদররাও তেমনি সাহস পাবে না। তবে শারমেয়র মতো সারা বছর ভারত বিদ্বেষী ঘেউ ঘেউ শব্দে পাড়া মহল্লা অস্থির করে রাখবে।

আবার এমনটা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি যে, ভারত আক্রমনের পরিবর্তে বা গাযওয়াতুল হিন্দের পরিবর্তে, রাত-বিরেতে এই সকল লাল বদররা গ্রুপ ধরে আপনার-আমার বাসা বাড়িতে এসে দরজা খট খটাবে। বলবে, "আসেন ভাইজান একটু বিড়ি ফুকে আসি। এইতো আধা ঘন্টা বিশ মিনিটের ব্যাপারই তো"।

হার্ড টার্গেটের পরিবর্তে এদের বরাবরের মতো পছন্দ হলো আপনার আমাদের মতো সফট টার্গেট।

৭| ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫

মাথা পাগলা বলেছেন: এরা মানব সভ্যতা অগ্রগতির বিরুদ্ধে কাজ করে। এর বাইরে আর তেমন কিছু বলার নেই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.