| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কারণ একজন প্রস্তুত শিক্ষার্থী জানে, পরীক্ষা যত দ্রুত শেষ হবে, সে তত দ্রুত জীবনের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবে। অনিশ্চয়তা, বারবার সময়সূচি পরিবর্তন কিংবা দীর্ঘ অপেক্ষা—এসব কারও জন্যই কল্যাণকর নয়।
বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা বা অন্য যেকোনো বাস্তব সমস্যার কারণে কেউ যদি পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে না পারে, তার জন্য অবশ্যই মানবিক ও ন্যায্য ব্যবস্থা থাকা উচিত। কিন্তু কয়েকজনের দাবির কারণে সারা দেশের লাখো পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ আটকে রাখা সমাধান হতে পারে না।
যারা সত্যিই প্রস্তুত, তারা সাধারণত পরীক্ষা পেছানোর চেয়ে সময়মতো পরীক্ষা শেষ করে সামনে এগিয়ে যেতে চায়। জাতীয় পর্যায়ের সিদ্ধান্তও তাই হওয়া উচিত বৃহত্তর শিক্ষার্থীসমাজের স্বার্থ বিবেচনা করে, সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠ কয়েকজনের দাবি নয়।
পরীক্ষা শেষ হওয়া মানে শুধু একটি পরীক্ষা শেষ হওয়া নয়—একটি নতুন অধ্যায় শুরু হওয়া।
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১২
মুনতাসির বলেছেন: একদম ঠিক, সবাই সমান ভাবে ডিগ্রি পাবে তাও তো হবার নয়। দক্ষতা অনুযায়ি হবার কথা বৈকি!
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দুইদিন পরপর এক্সাম নিতে হবে । এবারই প্রথম ফুল সিলেবাস । সবার দক্ষতা সমান নয়।