| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নাজিব হোসেন আকাশ
শান্তিপ্রিয় মানুষ
বইঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ),
অধ্যায়ঃ ৮১/ ফিতনা,
হাদিস নম্বরঃ ৬৬০৫
মুহাম্মাদ ইবনু মূসান্না (রহঃ) হুযায়ফা ইবনু ইয়ামান (বা) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ লোকেরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে কল্যাণের বিষয়াদি জিজ্ঞাসা করত। কিন্তু আমি তাকে অকল্যাণের বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতাম এ ভয়ে যে, অকল্যাণ আমাকে পেয়ে না বসে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমরা তো জাহিলিয়্যতে ও অকল্যাণের মাঝে ছিলাম। এরপর আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এ কল্যাণের মধ্যে নিয়ে আসলেন। এ কল্যাণের পর আবারও কি অকল্যান আসবে? তিনি বললেনঃ হ্যা। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, সে অকল্যাণের পর আবার কি কোন কল্যাণ আসবে? তিনি বললেনঃ হ্যা। তবে এর মধ্যে কিছুটা ধূমরাচ্ছনতা থাকবে। আমি প্রশ্ন করলাম এর ধূমরাচ্ছনতা কিরুপ? তিনি বললেনঃ এক জামাআত আমার তরীকা ছেড়ে অন্য পথ অবলম্বন করবে। তাদের থেকে ভাল কাজও দেখবে এবং মন্দ কাজও দেখবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, সে কল্যাণের পর কি আবার অকল্যাণ আসবে? তিনি বললেনঃ হ্যা। জাহান্নামের প্রতি আহবানকারী এক সম্প্রদায় হবে। যে ব্যাক্তি তাদের আহবানে সাড়া দেবে, তাকে তারা জাহান্নামে নিক্ষেপ করে ছাড়বে। আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! তাদের কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা আমাদের বর্ণনা করুন। তিনি বললেনঃ তারা আমাদের লোকই এবং আমাদের ভাষায়ই কথা বলবে। আমি বললাম, যদি এরুপ পরিস্থিতি আমাকে পেয়ে বসে, তাহলে কি করতে নির্দেশ দেন? তিনি বললেনঃ মুসলিমদের জামাআত ও ইমামকে আকড়ে থাকবে। আমি বললাম, যদি তখন মুসলমানদের কোন (সংঘবদ্ধ) জামাআত ও ইমাম না থাকে? তিনি বললেনঃ তখন সকল দলমত পরিত্যাগ করে সম্ভব হলে কোন গাছের শিকড় কামড়িয়ে পড়ে থাকবে, যতক্ষন না সে অবস্হায় তোমার মৃত্যু উপস্থিত হয়।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
সহীহ বুখারী (ইফাঃ),
অধ্যায়ঃ ৮১/ ফিতনা, হাদিস নম্বরঃ ৬৫৯৬
উমর ইবনু হাফস (রহঃ) আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ কোন মুসলমানকে গালি দেওয়া ফাসিকী (জঘন্য পাপ) আর কোন মুসলমানকে হত্যা করা কুফরী।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
।।।।।।।।।।।।।
বইঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ),
অধ্যায়ঃ ৮১/ ফিতনা,
হাদিস নম্বরঃ ৬৫৯৭
হাজ্জাজ ইরন মিনহাল (রহঃ) ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন যে, আমার পর তোমরা পরস্পরে হানাহানি করে কুফরীর দিকে প্রত্যাবর্তন করো না।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
------------
বর্তমান বিশ্বে একমাত্র জামাত-

হযরত হুযায়ফা (রাঃ) বর্ণনা
করেছেন। হযরত নবী করীম (সাঃ)
বলেছেন,“তোমাদের মধ্যে নবুওয়ত ততক্ষণ পর্যন্ত বর্তমান থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ্ চাহেন। এরপর আল্লাহ্ তা তুলে নিবেন। এরপর নবুওয়তের পদ্ধতিতে খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হবে এবং তা ততক্ষণ বর্তমান থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ্ চাইবেন। এরপর তিনি তা তুলে নিবেন। তখন যুলুম অত্যাচার ও উৎপীড়নের রাজত্ব কায়েম হবে। তা ততক্ষণ পর্যন্ত বর্তমান থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ্ চাইবেন। এরপর আল্লাহ্ তা’ তুলে নিবেন। তখন তা’ অহংকার ও জবরদস্তিমূলক সাম্রাজ্যে পরিণত হবে এবং তা’ ততক্ষণ পর্যন্ত বর্তমান থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ্ চাইবেন। এরপর আল্লাহ্ তা’ তুলে নিবেন। তখন নবুওয়তের পদ্ধতিতে পুনরায় খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হবে।” (আহমদ, বায়হাকী)
হাদীসটিতে “খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়ত” দু’বার প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। প্রথম খিলাফত হযরত রসূলে পাক (সাঃ)-এর মৃত্যুর পর এবং দ্বিতীয় খিলাফত মুসলমানদের চরম অবনতির পর। রসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর পর প্রতিষ্ঠিত খিলাফতকে খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়ত বা নবুওয়তের পদ্ধতিতে খিলাফত বলায় প্রতীয়মান হয় উভয় খিলাফতই নবুওয়তের পর প্রতিষ্ঠিত হবে। সেটিই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে প্রতিশ্রুত মসীহ(সংস্কারক) ও মাহদী আঃ আসার পর। আপনাকে স্বাগতম।


©somewhere in net ltd.