| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |

আসসালামু আলায়কুম.......
আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন।
অনেক দিন ধরেই দক্ষিণ সুদান নিয়ে লিখার ইচ্ছে করছিল, তো লিখেই ফেলি।
কিছুদিন আগে বিবিসি-তে একটা ডোকুমেন্ট্রি দেখলাম যা ছিল দক্ষিণ সুদান নিয়ে....
সেখানে মানুষ কি কষ্টে জীবন-যাপন করছে। দেশে গৃহযুদ্ধের মতোই...অনেকটা নিজ দেশেই পরবাস।ইউ.এন এর অধিনে কিছু জায়গায় শোষিত মানুষেরা যাদের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের থাকতে দিচ্ছে। প্রতিনিয়ত এ সংখ্যা বাড়ছে....
তবে সরচেয়ে বেশি কষ্ট লাগল তাদের খাওয়া দেখে ওহ! কি কষ্ট...... রোদে মা,মেয়েরা মাঠ থেকে ঘাস তুলছে আবার একটা গাছ আছে ঐ সবের পাতা তুলছে পরে এগুলোকে রান্না করছে সুধুই পাতা, ঘাস অন্যকিছুই নেই...তবে খাওয়ার দৃশ্য দেখি নি আমাদের শরীরে ঘাস-পাতা হযম করার এনজাইম নেই আর একজন মা যিনি রান্না করছিলেন তিনি বলল এগুলো খাবার ৩০ মিনিট পরই আবার খিদে লেগে যায় আর বাচ্চাদের তো কষ্টর সিমানা নেই....মনটা খুব খারাপ হয়ে গিয়েছিল সেদিন।

হেলিক্পটার থেকে সাহায্যের খাদ্য আসে তাও লিস্ট করা লোকদের জন্য হয়ত কয়েকদিনের খাবার থাকে.... দেশের যে দুজন নেতা আছে তাদের মধ্যেকার মিল নেই।এক স্কুল ছাত্রর সাথে রিপোর্টার কথা বলতে গেল,তার বয়স ৬-৭ হবে হাতে নিজের বানানো খেলনা বন্দুক তাকে প্রশ্ন করল তুমি বড় হয়ে কি হবে অনেকক্ষণ পর সে বলল যোদ্ধা হব এবং আমাদের ঘর-বাড়ি যারা পুড়িয়ে দিয়েছে তাদের হত্যা করব ।দেখুন এই টুকুন বাচ্চা সে কি পরিমাণ দুঃখ পেলে এ কথা বলতে পারে.....একজন মহিলার সাথে রিপোর্টারর কথা বলার সময় তিনি বললেন বোন আমাদের কিছুই নেই...... যারা তাদের নির্যাতন করল তারা সবাইকেই অত্যাচার করছে এমন কি ৫০ বছরের বুড়ো মহিলারাদেরও বাদ দেয় না সবাইকে অত্যাচার করে...
**আমাদের বিশ্ব ক্রমশই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আর এ যুদ্ধে যে ব্যাপক পরিমাণ ক্ষতি হবে তা বলার বাহিরে।শুনেছি সুদানে নাকি অনেক প্রাকৃতিক সম্পদ আছে তারপরও তাদের ঘাস খেতে হয় এ কেমন বিচার? তাদের দেখে আমি নিজের দিকে তাকালাম আর দেখমান মহান আল্লাহতায়ালা আমাকে যা দিয়েছেন অনেক দিয়েছন তাই দক্ষিণ সুদানের মানুষদের জন্য দোয়া করি,সারা বিশ্বর জন্য দোয়া করি যেন তাদের অবস্থার পরিবর্তন হয় তাদের পরের সকালটি যেন অন্যদিনের তুলনায় ভাল কাটে,পৃথিবীতে যেন শান্তি বয়ে আনে এই প্রত্যাশা। আমি একা হয়ত তাদের জন্য তেমন কিছুই করতে পারব না তবে সবাই মিল অনেক কিছুই করতে পারব........
Love For All,Hatred For None.
ভালবাসা সবার তরে,ঘৃণা নয়কো কারো পরে।
- (উক্তিটি সংগ্রহীত)

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৬
নিরব শান্ত বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই আপনার মন্তব্যের জন্য।অতিত থেকেই মানুষ শিক্ষা নিবে। কিন্তু সকলে আমরা সকলের তরে প্রত্যকে আমরা পরের তরে এটাও তো সত্য তাই না? তাই আমাদের তাদের জন্য দোয়া করা উচিত তারা যাতে সঠিক পথ দেখতে পায়।
২|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:১৫
আহমেদ রশীদ বলেছেন: আল্লাহ ওদের হেফাজত করুক!!আমীন
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৮
নিরব শান্ত বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই ওদের কষ্ট বুজতে পেরেছেন। বেশি বেশি দোয়া করুন।
৩|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:২০
উচ্ছল বলেছেন: স্বাধীনতা সর্বদাই কল্যান নিয়ে আসে না।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৯
নিরব শান্ত বলেছেন: জি ভাই ঠিক বলেছেন '' স্বাধীনতে অর্জনের চেয়ে ধরে রাখা কঠিন।
৪|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:২৮
রানার ব্লগ বলেছেন: ভাইজান আপনি যে ঘাস পাতার কথা বললেন তা ওদের খাদ্য তালিকার প্রধান খাদ্য , যুগ যুগ ধরে তারা খেয়ে আসছে। এটা সত্য সাউত সুদানে দুর্ভিক্ষ চলছে। এর জন্য ওদের রাষ্ট্র নিতী দায়ী। ওখানে এক জাতীয় মানুষ বাস করে না এবং জাতিগত দন্দ মারাত্মক পর্যায় আছে।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪২
নিরব শান্ত বলেছেন: জ্বি ভাই প্রধান খাদ্য কিন্তু খাবারটা খেয়ে ৩০ মিনিট ও শেষ হয় না পুনরায় খিদে লাগে।বিষয়টি কষ্টদায়ক নয় কি?
৫|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩০
রাতুল_শাহ বলেছেন: তাদের এই অবস্থার পরিবর্তন হউক এই দোয়া করি।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৫৫
নিরব শান্ত বলেছেন: জ্বি ভাই তাদের এই অবস্থার পরিবর্তন হউক।ধন্যবাদ
৬|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৫০
ঢাকাবাসী বলেছেন: অশিক্ষা দুর্ণীতিবাজ রাজনীতিবিদ লোভ এসবই এদের দুর্দশার জন্য দায়ী। দুয়া করি ওরা ভাল থাকুক।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৫৪
নিরব শান্ত বলেছেন: জ্বি ভাই দোয়া করুন।।।।।শুধু ওরাই না সারা বিশ্বের জন্য দোয়া করুন।।।।। বিশ্বের শান্তির জন্যও মহান আল্লাহর নিকট দোয়া করুন.......
৭|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:১২
কৃষ্ণ চুড়ার ফুল বলেছেন: এই শতাব্দীতে মানবতার এই রকম পরাজয় মেনে নেওয়া কথিন।তাই নষ্ট হোক যত অশুভ দানব, জয় হোক মানবতার বেঁচে থাকুক ভালবাসা বেঁচে থাকুক মানুষ ।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৫১
নিরব শান্ত বলেছেন: সুন্দর বলেছেন, ধন্যবাদ ভাই।
৮|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪০
আখেনাটেন বলেছেন: পশ্চিমারা মানবতার কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলছে। আবার তাদেরই ভুল নীতির কারণে আফ্রিকা আর মধ্যপ্রাচ্যে মানবতা গড়াগড়ি খাচ্ছে। ডাবল স্টানডার্ড নীতি। যতদিন না ঐ সাদা চামড়াধারীদের কেউ পশ্চাৎদেশে লাথি মেরে নিজেদের দেশ থেকে বিতাড়িত করতে পারছে ততদিন পৃথিবী অশান্তই থাকবে। কিছুদিন আগে হাফিংটন পোষ্ট একটা রিপোর্ট করেছিল যে এক আমেরিকাতে ছয়মাসে যে পরিমাণ খাবার ডাষ্টবিনের ঠিকানায় যায় তা দিয়ে সমস্ত আফ্রিকা মহাদেশের সারাবছরের ক্ষুধা নিবারণ করা যায়। কী নির্মম সত্যকথন।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:০২
চাঁন মিঞা সরদার বলেছেন: এই দুর্ভাগ্যের জন্য তারা নিজেরাই দায়ী। যখন তারা আসল সুদানের সাথে ছিলো তখন তারা অনেক ভালো ছিলো। কথায় আছে সুখে থাকলে ভূতে কিলায়। এখন বুঝুক ঠেলা। ওমর আল বশির একজন মুসলিম শাসকের শাসন তাদের সহ্য হলো না। স্বাধীনতা চাইলো ব্যাপক যুদ্ধ করলো। এখন স্বাধীনতা খা।
ওগো প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমা খীষ্টান, এখন পশ্চিম থেকে খাওন যোগান দিতে পারে না? যুদ্ধের সময় তো তারা ভালোই অস্ত্রের যোগান দিছিলো।