| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শ্রাবণধারা
" আমাদের মতো প্রতিভাহীন লোক ঘরে বসিয়া নানারূপ কল্পনা করে, অবশেষে কার্যক্ষেত্রে নামিয়া ঘাড়ে লাঙল বহিয়া পশ্চাৎ হইতে ল্যাজমলা খাইয়া নতশিরে সহিষ্ণুভাবে প্রাত্যহিক মাটি-ভাঙার কাজ করিয়া সন্ধ্যাবেলায় এক-পেট জাবনা খাইতে পাইলেই সন্তুষ্ট থাকে......."
বিএনপির প্রথম কাজ হলো তারা যে “অত্যাচারী” নয়, তা মানুষের কাছে প্রমাণ করা। "ক্ষমতাশালী" মানে যে ডাকাতি, লুটপাট এবং মাস্তানির লাইসেন্স পাওয়া নয়, এটা নিশ্চিত করা। এর জন্য তাদের কিছু করার প্রয়োজন নেই। কিছু না করাটাই এখানে কাজ। তবে দলের নেতা-কর্মীদের নিষ্কর্ম রাখাটাই বারবার উপরের আদেশ বা "টোন এট দ্যা টপ" হওয়া চাই। দখলদারি ও ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে দূরে থাকুন।
দয়া করে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দলীয় কাজে ব্যবহার করবেন না। তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিন। তাদের কাজে যেসব বাধা আছে, সেগুলো অপসারণ করুন। তাদের বেতন-ভাতা এবং সুযোগ-সুবিধা খুব ভালো হওয়া চাই। কর্মক্ষেত্রে তারা যেন এমন এক সংস্কৃতি তৈরি করে, যেখানে অবৈধ উপার্জন অতিঘৃণ্য - এমন নৈতিক মানদণ্ড তৈরি হয়। এটা করতে পারলে তারা জনগণের বন্ধু হবে এবং মানুষ তার জীবন ও সহায়-সম্পদের নিরাপত্তা পাবে।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আপনারা ভয়াবহ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। এই সমস্যার একটা অংশ শুধু আমাদের দেশের সমস্যা নয়, বরং বৈশ্বিক সমস্যা। তার উপর, ইকোনমিক হিটম্যানরা কৌশলে আপনাদের ঘাড়ে কতগুলো দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির বোঝা চাপিয়ে সম্ভবত এখন কেটে পড়ার তাল করছে। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিগুলোর দিকে কড়া নজর রাখুন। বৈদেশিক মুদ্রার মজুত এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ নিশ্চিত করুন। রপ্তানি বৈচিত্র্য এবং প্রবাসী আয়ের ব্যবস্থাপনা এ কাজে জরুরি। তেল-গ্যাস-এলএনজি এবং বড় বড় চুক্তির পেমেন্ট ঠিকমতো করতে না পারলে বড় বিপদ হতে পারে। এ ধরনের কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করতে হলে আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে স্বচ্ছতার সাথে করুন। ইকোনমিক হিটম্যানদের কাজই হলো দেশের জনগণ দিনরাত পরিশ্রম করে যে ডলারগুলো উপার্জন করেছে, সেগুলো বড় দান মেরে নিয়ে যাওয়া। অতএব বিদেশি কোম্পানির সাথে চুক্তির চেয়ে স্থানীয় কোম্পানির চুক্তি এবং দেশের প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রায় ক্ষেত্রে হাজারগুণে ভালো।
অর্থনীতির সমস্যাগুলো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করেই সমাধান করতে হবে। এর সহজ রাস্তা নেই। গার্মেন্টসসহ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে সহায়তা করুন। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন খাতে যাতে বিনিয়োগ হয়, সেই পরিবেশ তৈরি করুন। কৃষক কার্ডের ধারণাটা খুব ভালো। সুবিধাগুলো যাতে প্রান্তিক কৃষকের কাছে পৌঁছায়, দলীয় ক্যাডার বাহিনীর হাতে নয়, এটা নিশ্চিত করুন।
আমাদের মতো জনবহুল দেশে অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানের বড় উপায় দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা। এটা খুব গভীর নিষ্ঠা আর বড় পরিকল্পনার কাজ। প্রযুক্তি, যোগাযোগ আর মানবসম্পদ উন্নয়নে বাইরের বিশ্বে কী ঘটছে, তার ওপর নজর দিন। শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও কর্মমুখী করে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার বড় কাজে হাত দিন। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক উন্নতির পূর্বশর্ত। আবার অর্থনৈতিক উন্নতি ছাড়া আমাদের জীবনমান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, কোনো কিছুরই উন্নতি হবে না।
আপনাদের রাজনৈতিক কুশলী বা অ্যাক্টরদের মধ্যে তেমন কিছুই পাল্টায়নি। বিগত আওয়ামী সরকারের মতোই আপনাদের রাজনীতির ক্ষমতার কেন্দ্রে বড় জালিয়াত থেকে শুরু করে লুটেরা, ভূমিদস্যু ও গ্যাংস্টাররা রয়ে গেছে। জনগণের কড়া নজর সেদিকে আছে, এটা ভুলবেন না। এসব কুশলীদের নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে অচিরেই ভরাডুবির সম্ভাবনা থাকবে। সরকারি ব্যয়ের স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিমূলক প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা না গেলে, সব সুবিধা এলিটেরাই পাবে। তখন সাধারণ মানুষের জন্য আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০৮
শ্রাবণধারা বলেছেন: ধন্যবাদ আলী ভাই। আপনার কবিতা এবং কবিতার ভাষায় মন্তব্যগুলো খুব উপভোগ্য।
২|
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৩৪
নিমো বলেছেন: জা-শির ক্ষমতায় আাসার একটা স্টপগ্যাপ হয়েছে মাত্র, এবারের নির্বাচন নামক আসন ভাগাভাগির ভোট ভোট খেলায়। সড়ক আন্দোলন, কোটা আন্দোলন হয়ে ২৪ সফল হয়েছে। আগামী ৫ বছর পর না হলেও ১০ বছর পর জা-শি ক্ষমতায় আসবে। সামু টিকে থাকলে কথা হবে।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭
শ্রাবণধারা বলেছেন: হ্যাঁ, সে ধরনের একটি সম্ভাবনা আছে বলেই মনে করি। এখন নির্বাচনের প্রধান প্রভাবক হলো মোটাদাগে টাকা, পেশিশক্তি ও পরিবারতন্ত্র। এর সঙ্গে ধর্মান্ধতা মেশালে এক ধরনের নতুন খাবার তৈরি হয়। এই খাবার "নয়া বন্দোবস্ত", "গোলামি না আজাদি" এই ধরনের সালাদের সাথে পরিবেশন করলে আরো অনেকদিন ভালো চলবে।
৩|
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: 
আপনার পর্যবেক্ষণ মিলে গেছে। ৩ নং কমেন্টস কেটে দিন।
জামায়াত ৭৭ সিট পাইসে এটা নিয়ে জামায়াত খুশি কিংবা আমরা টেনশন করলেও আশার দিক ও আছে। বিএনপি বড়ো দল হওয়ার পরও ২০০৮ সালে তাদের সিট ২৯ এ নেমে এসেছিলো। তাই ভবিষ্যতে আশা করতে করতে পারি জামায়েতের সিট আবার ৩ টায় নেমে আসবে।
।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪
শ্রাবণধারা বলেছেন: এটা অসম্ভব নয়। তবে আওয়ামী লীগের লোকজনের কথা শুনলে আমি তেমন আশা দেখি না। এরা সব বলদে পরিণত হয়েছে। মাথা ভর্তি গু আর মন ভর্তি বিষ! পুরাই হোপলেস।
৪|
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তারেক রহমান যদি গত দেড় বছরের আকাম-কুকাম করা কুশীলব এবং মব বাজদের বিচার করবেন এই কথা বলেন ভাষণে তাহলে মানুষের চোখে তারেক রহমান আলাদা সমমান পাবেন ।
।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২৬
শ্রাবণধারা বলেছেন: এটা করলে আমি খুশি হতাম। তবে এটা হয়ত বাস্তবতার কারণে সম্ভব হবে না। এটাকে না হয় বাদই দেন, তারপরও সামনের দিকে আপনি কি কোন প্রকার আশা দেখতে পান?
৫|
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১৯
রাজীব নুর বলেছেন: প্রথমেই উচিৎ সমস্ত নেতা কর্মী একসাথে শপথ করিবে, আমরা দূর্নীতি করিব না। আল্লাহর কসম।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২৮
শ্রাবণধারা বলেছেন: দূর্নীতি না করার শপথ তো সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত লোক মাত্রই করেন, এতে কিছু আসে যায়?
৬|
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০৬
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ফাইন্যান্স মিনিস্টার কে হবেন, সেটা নিয়ে অনেক চিন্তা ভাবনা করতে হবে।
তবে, এইবারে, খুব ভালো কয়েকজন এম,পি উঠে এসেছেন।
সিলেট-১ আসনের খন্দকার মুক্তাদির সাহেব খুবই বিচক্ষণ মানুষ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:১০
শ্রাবণধারা বলেছেন: সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: ফাইন্যান্স মিনিস্টার কে হবেন, সেটা নিয়ে অনেক চিন্তা ভাবনা করতে হবে।
হ্যাঁ, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ন পদ।
৭|
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪১
অল্প বিদ্যা ভয়ংকর বলেছেন: নির্বাচন প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ বা কতটা নিয়ন্ত্রিত ছিল - যতই সময় যাবে ততই পরিষ্কার হবে। আমি মনে করি এই নির্বাচন এক ধরনের আদর্শিক লড়াই ছিল—বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানি চিন্তাধারা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বনাম রাজাকার মানসিকতা, সত্য বনাম অপপ্রচার, এবং সহনশীল রাষ্ট্রচিন্তা বনাম উগ্র জঙ্গিবাদী রাজনীতি।
ভোটের ফলাফলকে সাজানো ধরলেও একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে—পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক বয়ান, স্বাধীনতাবিরোধী মনোভাব, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি, পিনাকী-ইলিয়াসের মিথ্যাচারনির্ভর প্রচার এবং ধর্মের নামে উগ্রতা—এসবের প্রতি জনসমর্থন সীমিত ছিল। ভাষা আন্দোলন দিবস, স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবস পালনে বাধা সৃষ্টি করার মতো রাজনীতি জনগণ ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।
নারী-অধিকার প্রশ্নেও দেশের সিংসভাগ মানুষ একটি বার্তা দিয়েছেন। কর্মজীবী নারীদের বেশ্যা বলে আক্রমণ, কর্মঘণ্টা কমিয়ে নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ সীমিত করার প্রস্তাব, কিংবা বহুবিবাহকে দেশের মানুষ গ্রহণযোগ্য মনে করে না।
গত ২ বছর ধরে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ রাজনৈতিক প্রভাব, বিপুল অর্থ বিনিয়োগ, এবং ধর্মীয় আবেগকে রাজনৈতিক মূলধন হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা সত্ত্বেও ১৯৭১ সালে পরাজিত আদর্শের ধারাবাহিকতা ক্ষমতার কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেনি। সেই বাস্তবতায় আগামী পাঁচ বা দশ বছরে তাদের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাও সীমিত বলেই প্রতীয়মান হয়।
অবশ্য রাজনীতি গতিশীল—চূড়ান্ত নির্ধারক সবসময়ই জনগণ। কিন্তু এই নির্বাচনের বার্তা হলো: বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তার ভিত্তি এখনো মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক ধারার ওপরই দাঁড়িয়ে আছে।
আমি মনে করি,
এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির সামনে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হবে,রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামো, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সহনশীলতা রক্ষা করা। কোনো উগ্রপন্থী, সহিংস বা অসাংবিধানিক শক্তিকে প্রশ্রয় না দিয়ে আইনের শাসন ও নাগরিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদানই তাদের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩৩
শ্রাবণধারা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনার সুলিখিত মন্তব্যের জন্য। আপনার বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত নেই। সামগ্রিক ফলাফলে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানি, মুক্তিযুদ্ধ বনাম রাজাকার এবং সহনশীলতাই নিঃসন্দেহে জিতেছে। কিন্তু কুখ্যাত যুদ্ধপরাধী অজহার সহ সাকার ছেলে হুকা এবং আরও একপাল রাজাকার-সন্তান সংসদে যাচ্ছে।
আবার যতদিন পর্যন্ত আমরা এই সাংস্কৃতিক বয়ানের যুদ্ধের মধ্যে আটকে থাকব, ততদিন সুশাসন, অর্থনীতি ও শিক্ষার প্রশ্নগুলো চাপা পড়ে থাকবে। এখানেই মুশকিলটা।
৮|
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৪
রাসেল বলেছেন: চোর বাটপারেরা তাদের স্বভাব পরিবর্তন করবে, তার কোনো কারণ বাংলাদেশে ঘটে নাই
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩৪
শ্রাবণধারা বলেছেন: একটা কারণ অবশ্য ঘটেছে সেটা জুলাই ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান। এটা খুব বড় একটা ঘটনা।
৯|
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৩৯
নিমো বলেছেন: বিএনপি কিছুই করতে পারবে না,। এখনও স্থাবীয় সরকার নির্বাচন বাকি। জামায়ত যদি যথেষ্ঠ পরিমাণ উপজেলা চেয়ারপারসন, কাউন্সিলর, মেয়র পদ পায় তাহলেই দেশ চালাবে দেইখেন। তারউপর একসময় রাজনৈতিক দলগিলো নিজেরাই আন্দোন করতো। ুখনতো মব সন্ত্রাসী, তৌহিদী জনতা, ছাত্র-জনতা, অমুক মঞ্চ, তমুক সমুক নাৃমক প্রক্সি বের হয়েছে, যারা শাউয়া, মাউয়া ছিঁড়ে ফেলে দেশ অচল করার ক্ষমতা রাখে।সামনে বাংলাদেশের কপালে অশেষ দুঃখ আছে।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩৮
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনার এই মন্তব্যটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উপজেলা নির্বাচনের ফলাফলের সামনের দিনের রাজনীতিতে বড় প্রভাব থাকবে।
জামাত খুবই শক্তিশালী অবস্থানে আছে, এতে সন্দেহ নেই। বিএনপি খুব বেশি কিছু করতে পারবে কি না, তা এখনই অনুমান না করে আমি তাদের কাজগুলো পর্যবেক্ষণের পক্ষপাতী।
১০|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০০
আমি নই বলেছেন: আমি চাই লীগের আমলে প্রকাশিত রাজাকারের লিস্ট ধরে সবাইকে শাস্তীর আওতায় আনুক। ধর্মভিত্তিক, মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সহ যেকোনো আবেগকে ব্যাবহার করে রাজনীতির উপর ব্যান হোক। যাতে কেউ কখনই মুক্তিযুদ্ধের, ধর্মের দোহাই দিয়ে বা অন্যকোন ধরনের আবেগকে ব্যাবহার করে ক্ষমতায় আসতে না পারে। রাজনীতি বা রাষ্ট্রক্ষমতা হোক যোগ্যতার ভিত্তিতে কোনো আবেগে ভিত্তিতে নয়, এটাই আমার চাওয়া, কিন্তু আমি ভালো ভাবেই জানি এগুলোর কোনোটাই হবেনা।
অফটপিকঃ বিএনপির যা করা প্রয়োজন মনে হয়েছে তা তারা ৬ আগস্ট থেকেই শুরু করেছে।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৪
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনার চাওয়াটা খুবই চমৎকার। সব আবেগগুলোকে বাদ দিয়ে রাজনীতি করার অর্থ খুবই যুক্তিশীল এবং মানবধর্মী রাজনীতি করা, যেটা সাধারনত বাম বা ডেমোক্রাট সোসালিস্টরা করে। বাংলাদেশে এটা ঘটার বাস্তবতা নেই বললেই চলে, তবে নিশ্চয়ই এটা আমরা চাইতে পারি।
বিএনপি ৬ আগস্ট থেকেই যা শুরু করেছে, সরকারে গেলে তাদের সেগুলো পাল্টাতে হবে আমার বক্তব্য মোটের উপর সেটাই। সাথে শুধুমাত্র অর্থনীতি এবং প্রশাসনে তাদের ভূমিকার বিষয়টা যুক্ত করেছি।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:০১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
এখানে এখন রাত গভীর
ঘুমে চোখের পাতা ঢুলো ঢুলু
বলতে পারছিনা ঠিক কথা গুলু
পাঠান্তে লইক দিয়ে গেলাম
পরে এসে কথা হবে .....।
শুভেচ্ছা রইল