নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

...............

শ্রাবণধারা

" আমাদের মতো প্রতিভাহীন লোক ঘরে বসিয়া নানারূপ কল্পনা করে, অবশেষে কার্যক্ষেত্রে নামিয়া ঘাড়ে লাঙল বহিয়া পশ্চাৎ হইতে ল্যাজমলা খাইয়া নতশিরে সহিষ্ণুভাবে প্রাত্যহিক মাটি-ভাঙার কাজ করিয়া সন্ধ্যাবেলায় এক-পেট জাবনা খাইতে পাইলেই সন্তুষ্ট থাকে......."

শ্রাবণধারা › বিস্তারিত পোস্টঃ

তোমরা নেহা বোরা কে বাংলাদেশের কথা বোলো না

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:০২


নেহা বোরাকে তোমরা বাংলাদেশের কথা বোলো না। বোলো না যে, তিনি যখন বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ভূয়সী প্রশংসা করছেন, তখন বাংলাদেশে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুনেরা ক্যাম্পাসে গরু জবাই করে জেয়াফত খাওয়ার আন্দোলন করছে। যে তরুণদের হওয়ার কথা সমাজের সবচেয়ে প্রগতিশীল অংশ - সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, আদিবাসী এবং ভিন্নমত ও ভিন্নপথের মানুষের অধিকার রক্ষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য শক্তি, সেই শিক্ষার্থীদের একদল সংখ্যালঘুদের অপদস্থ করতে, তাদের ধর্মীয় উৎসবকে উপহাস করতে গরু জবাইয়ের মিছিল করেছে। তারুন্যের কী সীমাহীন অপচয়!

নেহা বোরাকে বোলো না যে, যে বয়সে তরুণদের রবীন্দ্রনাথের গানের সুরে ও বাণীতে হৃদয়ের গভীর অনুভুতিগুলো সপ্তসুরে জেগে ওঠার কথা, তাঁর কবিতা পড়ে কখনো আবেগে আপ্লুত হওয়ার কথা; গোরা, ঘরে বাইরে বা চতুরঙ্গ পড়ে বন্ধুদের সাথে তর্কে মেতে ওঠার কথা, সেই বয়সে এদের কেউ কেউ শ্রেষ্ঠ সেই কবির মুখে কালি লেপে দিচ্ছে! যে বয়সে যুক্তিশীল, উদার হওয়ার কথা, গোড়ামী মুক্ত হওয়ার কথা, সেই বয়সে এমন অন্ধত্ব, এমন বিদ্বেষ!

তিনি যখন ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়নির্বিশেষে সব মানুষের অধিকারের পক্ষে পথে নেমেছেন, তখন বাংলাদেশের তৌহিদি জনতা ব্লাসফেমির অভিযোগে জলজ্যান্ত একজন মানুষকে দফায় দফায় পিটিয়ে হত্যা করেছে। সেই হত্যাকাণ্ডের পরে জঙ্গিদের সে কী উল্লাস!

হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পরে বাংলাদেশের রাজনীতি ইসলামপন্থীদের দখলে চলে গেছে। সেখানে সাধারণ মানুষের অধিকার নেই, নারী অধিকার নেই, ভিন্নমত ও ভিন্নচিন্তার স্বাধীনতা নেই, সংখ্যালঘুদের অধিকার নেই, আদিবাসীদের অধিকার নেই।

জুলাই অভ্যুত্থানের পরে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন পরিনত হয়েছে সংখ্যালঘু ও ভিন্নমতাবল্বীদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ হামলা ও হত্যার মহোঃসবে। আর এগুলো কে বলা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিশোধ ।

যে আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল সমতা ও বৈষম্যহীনতা, যে আন্দোলনের স্লোগানে ছিল বঙ্গবন্ধুর অমোঘ উচ্চারণ: "সাত কোটি মানুষকে আর দাবায়ে রাখতে পারবা না" - হাসিনার পতনের পর সেই আন্দোলন মুক্তিযুদ্ধকে তার প্রতিপক্ষ বানিয়েছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটি, মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি।

৫ আগস্টের পরপরই এক কুখ্যাত রাজাকারের সন্তান সংবাদ সম্মেলন করে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিলেন। তিনি জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের প্রশ্ন তুললেন এবং শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার দাবি জানালেন। এরপর শুরু হলো নাম ও ইতিহাস পরিবর্তন। বহু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন হয়ে গেল। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সত্যেন্দ্রনাথ বসু, জগদীশচন্দ্র বসু ও জীবনানন্দ দাশের নাম কেটে দেওয়া হল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. কুদরাত-ই-খুদা ভবনের নাম হল জাবির ইবনে হাইয়ান। সমতার আন্দোলন হয়ে গেল সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।

ইসলামপন্থিরা বরীন্দ্রনাথের নাম বিকৃত করে নাম দিলেন রঠা, বঙ্গবন্ধুর নাম বিকৃত করে করা হল বঙ্গবল্টু। প্রথম আলো পত্রিকার নাম হল পোদের আলো আর ডেইলি স্টারের নাম দিল্লি স্টার। সংবাদকর্মীদের পুড়িয়ে মারতে পত্রিকা অফিসে অগ্নিসংযোগ, হামলা ও ভাঙচুর হল। সেখানেও ইসলামপন্থিরা গরু জবাই করে জেয়াফত করলেন।

হামলা হল ছায়ানটে। ভেঙে ফেলা হল হারমোনিয়াম, তবলা, তানপুরা নানা বাদ্যযন্ত্র; পুড়িয়ে দেওয়া হল বই, গানের খাতা ও শিল্পকর্ম; তছনছ করা হল শ্রেণিকক্ষ ও গ্রন্থাগার। রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিও রেহাই পেল না। তারপর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হল উদীচীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। পুড়ে গেল সংগঠনটির পঞ্চাশ বছরের বেশি সময়ের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের স্মারক, গান, নথিপত্র ও ইতিহাস।

আমরা যে বাংলাদেশ পেলাম, সেখানে সংগীত, শিল্পকলা, সাহিত্য ও ইতিহাসই শত্রু। তাই ইসলামপন্থিরা সেগুলোকে ধ্বংস করতে চায়। এটা মনে করিয়ে দেয় আফগানিস্তানে তালেবানদের হাতে বামিয়ানের সহস্রাব্দ প্রাচীন বুদ্ধমূর্তি ধ্বংসের কথা। সভ্যতা, স্মৃতি ও সৃজনশীলতাকে ধ্বংস করার সে কী উন্মাদনা!

যে নারীরা মাত্র কিছুদিন আগেও পুরুষ সতীর্থদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মিছিল করেছেন, স্লোগান দিয়েছেন, গান গেয়েছেন এবং পুলিশের গুলির মুখে দাঁড়িয়েছেন, এক মাস পর তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য যাঁদের নিয়ে আসা হল, তাঁদেরই একজনকে দিয়ে ডয়চে ভেলের একজন সাংবাদিক আধা ঘণ্টা চেষ্টা করেও স্বীকার করাতে পারলেন না যে নারী-পুরুষ সমান, তাঁদের মাঝে ভেদাভেদ নেই। যে কথা বাংলাদেশের একজন নারী গার্মেন্টস শ্রমিক বা গৃহকর্মীও জানেন, ইসলামপন্থি রাজনীতির খপ্পরে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা একজন নারীর মাথা থেকে সেই সহজ কথা ও কাণ্ডজ্ঞানটুকুও ডিলিট হয়ে গেল।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে নারীজাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়াকে মুরতাদ ও কাফের আখ্যা দেওয়া হল। তাঁকে কুৎসিত ভাষায় গালি দেওয়া হল, তাঁর প্রতিকৃতিতে কালি মাখানো হল। আমরা এক ডিলিট এবং রিসেট বাংলাদেশে পৌঁছে গেলাম, যেখানে একের পর এক বই ডিলিট হচ্ছে, ইতিহাস পুনর্লিখিত হচ্ছে, ভাষা বদলে যাচ্ছে; মানুষের চিন্তা ও বিবেক মুছে ফেলা হচ্ছে। জর্জ অরওয়েলের ১৯৮৪ উপন্যাসের দুঃস্বপ্নের মতো - যেখানে অতীতকে নতুন করে লেখা হচ্ছে, ইতিহাস ও ভাষাকে নিয়ন্ত্রণ করে চিন্তার সীমা নির্ধারণ করা হচ্ছে - মানুষকে শেখানো হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের কথা ভুলে যেতে হবে, আর ইসলামপন্থি বিকৃত ধারণাগুলোই কেবল বিশ্বাস করতে হবে।

দীপু চন্দ্র দাস নামের একজন নিরীহ গার্মেন্টস শ্রমিককে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ সাজিয়ে প্রথমে পিটিয়ে, তারপর পুড়িয়ে হত্যা করলো তৌহিদি জনতা। সেই হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সংখ্যালঘুদের বুঝিয়ে দেওয়া হল যে, এই দেশে তাদের জীবনের মূল্য নেই, নিরাপত্তা নেই। ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগ তুলে কাউকে পিটিয়ে পুড়িয়ে মারলেও তাদের রক্ষা করার কেউ নেই। "এই দেশ তাদের নয়" - এই বার্তাটাই তাদের বুঝিয়ে দেয়া হল।

আক্রান্ত হলো সুফি মাজার। বাউল সম্প্রদায়ের লোক পেটানো হল, ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পুলিশে দেওয়া হল। আহমাদিয়া মুসলিম ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কেউই তাদের সহিংসতা থেকে রক্ষা পেল না।

হাসিনার পতনের পর আফগানিস্তান ও কাশ্মীরে পাকিস্তান যে জঙ্গিবাদী নীতি অনুসরণ করেছে, বাংলাদেশেও ইসলামপন্থিদের কাজে লাগিয়ে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা শুরু হল। সেই ধারাবাহিকতায় দেখা গেল, জেল থেকে জঙ্গিদের গণহারে মুক্তি দেওয়া হল। ইসলামপন্থি রাজনৈতিক শক্তির অভূতপূর্ব উত্থান ঘটল, জঙ্গিবাদী বইপুস্তক ছড়িয়ে পড়ল এবং উগ্রপন্থীদের সমাজে ফিরে আসার পথ তৈরি হল।

এসবই সম্ভব হলো সাম্রাজ্যবাদী শক্তি আমেরিকা ও তার আঞ্চলিক মিত্র পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী-সমর্থিত সরকারের যোগসাজশে। সাম্রাজ্যবাদের দোসর ড. ইউনূস ও তাঁর পছন্দের লোকদের ক্ষমতায় বসিয়ে আমেরিকা বাংলাদেশে তার সব স্বার্থ পূরন করে নিল। ইসলামপন্থিরা যখন বাংলাদেশকে নরক বানিয়ে ফেলেছে, সেই সুযোগে কোনো প্রকার সমালোচনার মুখোমুখি না হয়েই ইউনূস আমেরিকার সাথে দেশবিরোধী চুক্তিগুলো করে ফেললেন।

হাসিনার আমলে আমেরিকা বাংলাদেশকে যে দুটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য চাপ দিচ্ছিল, কিন্তু যেগুলো তারা স্বাক্ষর করেনি, ইউনূস সেই সামরিক সরঞ্জাম এবং সামরিক তথ্যের বিষয়গুলোকে আরও বিস্তৃত অর্থনৈতিক, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা চুক্তির আওতায় এনে, সেগুলো সম্পন্ন করে সাম্রাজ্যবাদী প্রভুদের ঋণ শোধ করলেন।

প্রগতিশীল ব্রিটিশ লেখক তারিক আলী তাঁর সাম্প্রতিক সাবস্ট্যাক পোস্টে সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের মক্কা চুক্তিকে যে "ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিরক্ষা জোট" বলে উল্লেখ করেছেন, আমেরিকার সাথে ইউনূসের করা সামরিক চুক্তিগুলো বাংলাদেশকে সেই জোটেরই ভৃত্যপ্রতিম দেশ হিসেবে যুক্ত করেছে। সাম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থ রক্ষায় পৃথিবীর নানা দেশে যুদ্ধ ও অরাজকতার মতো ঘৃণ্য কাজে অংশ নেওয়ার রাস্তা ইউনূস তৈরি করে দিলেন।

বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থান হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পেরেছে ঠিকই, কিন্তু দিনশেষে সেটা ইসলামপন্থিদের জন্য জয় আর জনগণের জন্য পরাজয় নিয়ে এসেছে; যেটা বাংলদেশকে ১০০ বছর পিছিয়ে দিয়েছে। যে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও বৈষম্যহীনতার প্রত্যাশা নিয়ে ছাত্র-জনতা হাসিনার স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল, আন্দোলনের পরিণতি তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। শ্রীলঙ্কা ও নেপালের মতো বাংলাদেশেও আন্দোলনের ছাত্ররা স্বৈরাচারীকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারলেও, সেটা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দিকে না গিয়ে বর্বর মোল্লাতন্ত্র ও মবতন্ত্রের দিকে বাংলাদেশকে ঠেলে দিয়েছে।

তবে, বিপদ এখানেই শেষ নয়। বাংলাদেশ যদি আধা পাকিস্তান এবং আধা আফগানিস্তানের হয়ে ওঠে এবং সেই সাথে সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তাহলে দেশটি দুই দিক থেকেই নিয়ন্ত্রণের শিকার হবে। দেশের ভেতরে থাকবে ইসলামপন্থি উগ্রবাদ ও অরাজকতা - যার প্রকাশ এখন আমরা প্রতিদিনই দেখছি। অন্যদিকে থাকবে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির স্বার্থ ও শোষণ।

বাংলাদেশ এমন এক "পাকিগানিস্তান" হয়ে উঠতে যাচ্ছে, যেখানে ইসলামপন্থার চাবি থাকবে সাম্রাজ্যবাদীদের হাতে। দম দেওয়া পুতুলের মতো তারা যখন চাইবে, বাংলাদেশ জঙ্গি-জিহাদের রণক্ষেত্রে হবে, অথবা অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হবে। যখন চাইবে, ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিরক্ষার অংশ বানিয়ে নিজেদের স্বার্থে যুদ্ধে নামাবে। আবার যখন প্রয়োজন ফুরোবে, তখন ইচ্ছা হলে জঙ্গিদের খেলা শেষ করবে। কখন, কীভাবে এবং কোন স্বার্থে বাংলাদেশের ভাগ্য নিয়ে এই ছিনিমিনি খেলা চলবে, তা নির্ধারণ করার ক্ষমতা থাকবে বিদেশি প্রভুদের হাতে, বাংলাদেশের জনগণের হাতে নয়।

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




আহমদিয়ারা মুসলিম নয়।
ভুল তথ্য দিচ্ছেন আপনি।

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩

শ্রাবণধারা বলেছেন: আহমাদিয়ারা মুসলিম নয়, তাহলে কী?

আপনি যদি হিযবুত তাহেরির জঙ্গি হয়েও মুসলমান থাকতে পারেন, এবং ৩০ জন অধিকারভুক্ত দাসীর (!) সাথে অপকর্ম করেও মুসলমান থাকতে পারেন, তাহলে যে শিশুটি আজকে একটা আহমদিয়া মুসলিম পরিবারে জন্ম নিল, তার চেয়ে আপনি বড় মুসলমান?

২| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭

বিষক্ষয়রিটার্নস বলেছেন: দুই পক্ষই বিএনপির সরকারকে অপ্রস্তুত এবং বিপদে ফেলতে চেষ্টা করছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পশু জবাই নিষিদ্ধ করতে হবে। অন্যদিকে পূজার পরে অনুমোদনহীন স্থাপনা উচ্ছেদ করে সেখানে পূর্বে অনুমোদিত জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত ফ্যাসিলিটি স্থাপন করা হোক। সারা ঢাকা শহরে ব্যবহারযোগ্য টয়লেটের অত্যন্ত সংকট সেখানে টয়লেটের জায়গা দখল করে তৈরি করা অনুমোদনহীন স্থাপনা উচ্ছেদ করা জরুরি

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৭

শ্রাবণধারা বলেছেন: হ্যা, তা ঠিকই। বিএনপির সরকার কে খুব বেশি তৎপর দেখা যাচ্ছে না।

পশু জবাই নিষিদ্ধ করা আর অনুমোদনহীন স্থাপনা উচ্ছেদ, দুটো আলাদা বিষয়। তারপরও এটা হয়তো বা যৌক্তিক হলেও হতে পারে। আইন সবার জন্য সমান হোক।

৩| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৪

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: দেশে যে মৌলবাদীদের উত্থান হবে, এটা মোটামুটি পরিষ্কার ছিল। আপনার মতো অনেকেই যে কেন বুঝতে পারেননি, অবিশ্বাস্য ব্যাপার। আরো ১-২ বছর দেখুন দেশের কী অবস্থা করে এরা। আমি নিজেও চাই কমপক্ষে ২০ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকুক শেখ হাসিনা। জাতির বোঝার দরকার আছে এই বিম্পি-জাশি কী রকম চরিত্রের।

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৯

শ্রাবণধারা বলেছেন: জামাত আর জঙ্গিরা কেয়ামত হাসিল করে ফেলেছে।

হাসিনা আসলে তার অপকর্মের মেয়াদ পূরণ করে ফেলেছিল বলেই জঙ্গিরা এখন কেয়ামত নামানোর সুযোগ পাচ্ছে।

৪| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নেহা বোরা কোনো ছাত্র-আন্দোলনের প্রশংসা করেনি । বাংলাদেশের একটা বাম সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছে যারা মৌলবাদীদের বিপক্ষে ক্রমাগত লড়ছে । দেশে ডানপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলো কি করছে তার জানা থাকার কথা নয় ।

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩২

শ্রাবণধারা বলেছেন: সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নেহা বোরা কোনো ছাত্র-আন্দোলনের প্রশংসা করেনি ।

ইন্ডিয়া টুডে থেকে নেওয়া নেহার কথা: "আমরা জানি যে, ভারতে বর্তমানে যে জেন-জি আন্দোলন দেখা যাচ্ছে, তার সূচনা হয়েছিল বাংলাদেশে। আমাদের পথ দেখানোর জন্য আপনাদের অভিনন্দন," বলেন বোরা।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে বোরা বলেন, বাংলাদেশের মতোই ভারতও 'গণতান্ত্রিক ও ভোটাধিকার' পুনরুদ্ধারের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, "আমরা আপনাদের প্রতি সংহতি জানাচ্ছি; আপনাদের কাছ থেকে আমরা অনুপ্রেরণা নিচ্ছি এবং আপনাদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনগুলো থেকে শিক্ষা গ্রহণ করছি।"
আইসা সভাপতি আরও বলেন, "আপনাদের দেশে (বাংলাদেশে) ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে আপনারা যে লড়াই করছেন, এ দেশের জেন-জি প্রজন্মও আজ ঠিক সেই লড়াই-ই করছে।"

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪

শ্রাবণধারা বলেছেন: তো এটা কে ছাত্র-আন্দোলনের প্রশংসা বলা যায় না কি যায় না?

৫| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সে এটা সকল ছাত্রসংগঠনকে উদ্দেশ্য করে বলে নাই । কোটা আন্দোলনে আমরা মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়েছি ? বাম সংগঠন কে উদ্দেশ্য করে বলেছে । নেহা বোরা জানে না ইসলামী আন্দোলন এবং শিবির জবিতে কি করছে । নেহা বোরা আরেকটু জেনে শুনে বলা দরকার ছিলো। আমি কোনো ডানপন্থীি সংগঠনের ছাত্রদের নেহার কথায় খুশি হতে দেখেনি। তারা বলছে নেহা যদি কোনো দিন ক্ষমতায় ও যায় তবে বাংলাদেশ ইস্যুতে তার মনোভাব থাকবে কংগ্রেস ও বিজেপির মতো।

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯

শ্রাবণধারা বলেছেন: ঠিক আছে!

আমি নেহা বোরার আন্দোলনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে তাকে বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে কিছু কথা বলেছি। এখানে আপনার উল্লেখ করা পয়েন্টগুলো গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমি নেহাকে বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে যা বলেছি, সেটার আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ।

৬| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৯

নিমো বলেছেন: বাংলাস্তানে স্বাগতম!অন্ধকারের একশ বছরের এখনও সাতানব্বই বছর বাকি।

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:১৪

শ্রাবণধারা বলেছেন: অন্ধকারে তো আর এতদিন একটা জাতি থাকতে পারে না। কী বলেন? রাস্তা দেখতে হবে, রাস্তা খুঁজতে হবে।

৭| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৫৭

কলাবাগান১ বলেছেন: অন্তত নেহা বোরার দল মেট্রোতে এখনও আগুন দেয় নাই, পুলিশ ফাড়ি আক্রমন করে পুলিশদেরকে জ্বালিয়ে পোড়ায় নাই

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:১৭

শ্রাবণধারা বলেছেন: আমি নেহা বোরাদের আন্দোলনকে সম্পুর্ণ সমর্থন করছি। তারা বিজয়ী হলে ভারতে উদারপন্থিরাই বিজয়ী হবে। বাংলাদেশের ছাত্র-আন্দোলন জঙ্গিরা জয়ী হলো - এটা খুব আশ্চর্য ঘটনা!

৮| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

নেহা বোরাকে বলবেন না- নিতম্বে দু-চারটা বাড়ি খেয়েই
তাহারা আন্দোলন প্রত্যাহার করেছিলো।

ছাত্ররা জীবন না দিলে উহারা উপদেষ্টা হইতে পারতো না,
ইউনুসের দয়ায় সংসদে যাইতে  পারতো না।
পুরাতন দখলদার নেতাদের ব্যবসা বাণিজ্য দখল করতে পারতো না; 
 ভুঁড়িটাও ১৬ ইঞ্চি মোটা হইতো নাহ।



১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:১৯

শ্রাবণধারা বলেছেন: হা হা :) অনেকদিন পরে দফাদারীয় মন্তব্য!

৯| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:১৪

হাসান রাজু বলেছেন: নোহা বোরাকে বলে দিতে হবে না। ওরা কারো বলে দেয়া কথায় কান দেয় না। ওরাও এমন হাজারো প্রপাগান্ডার ভেতর থেকেই উঠে এসেছে। আপনি যে আওয়ামি থিওরির আফগান পাকিস্তান করছেন ওসবের আতুরঘরে ওরা বেড়ে উঠেছে। ওদের এখন পাক-বাংলার এজেন্ট বলা হচ্ছে। গোসবেটিদের টুকরো গ্যাংদের দল বলা হয় । এই সব নেরেটিভে ওরা নিজেরাই আক্রান্ত।আপনি আজ যা ছড়াচ্ছেন ওগুলোর জন্মস্থানে ওদের ও জন্ম।
হা হা …… নেহাকে এটা বলবেন না, ওটা বলবেন না । কি ন্যাকামি ?

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২১

শ্রাবণধারা বলেছেন: হাসান রাজু ভাইয়ের শইলডা ভালা! :) :)

১০| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২৭

হাসান রাজু বলেছেন: খুব ভালা। এই একটা জিনিস আল্লাহ বড় ভালো রেখেছেন।

১১| ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




৩০ জন অধিকার ভুক্ত দাসী আমার সাথে সেচ্ছায় সেক্স করেছে।
আমি কারো উপরে জোর করি নাই।

আমি ৩০-জনকে টেকেল দিয়েছি বিছানায়,
আপনি একজনকে নিয়েই হাপাচ্ছেন?

১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:২৮

শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনি যে একটা জঙ্গি বর্বর এবং নোংরা বিষ্ঠার মত, আপনার এই মন্তব্যগুলো তার সাক্ষী - এগুলো থাকলো!

১২| ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:১২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:





আপনি যোগান দিলে আরো ৩০-জনকে বিছানায় নিতে পারবো।
আর, তারা দাসী নয়, সাধীন মানুষের সম্মান পাবে।


এখন আপনি যোগান দিবেন কি না ভেবে দেখতে পারেন।

১৩| ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




আপনি জিজ্ঞাসা করেছেন যে, ৩০-জন দাসীর সাথে সেক্স করেও আমি মুসলিম থাকি কেমনে?

আমি আপনাকে নিশ্চয়তা দিচ্ছি, আমি যেসব দাসীর সাথে সেক্স করেছি তারাই বলবে আমি মুসলমান।


আপনি কাউকেই মজা দিতে পারেন না, তাই আপনাকে কেউ মুসলমান বলবে না।

১৪| ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:০৪

স্বকীয়তা বলেছেন: জুলাই বিপ্লব সম্ভব হয়েছিল bdchan এর মত প্লাটফর্মগুলোর কারনেই। কিন্ত জনতর মনতর indiachan.top কাজে লাগাতে পাচ্ছে না।

১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:২৫

শ্রাবণধারা বলেছেন: এটা একটা কৌতুহলোদ্দীপক পর্যবেক্ষন। আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.