নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আপনার কি ভালো লাগে, ভূত না জ্বীন?

১৮ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



হ্যা ভূতের গল্প ভালো লাগে।
নলে অবাক হবেন, আমি নিজেও ভূতের কবলে পড়েছি অনেকবার। অথচ জ্ঞানীগুণীরা বলেন, ভূত বলতে কিছু নেই। এই আধুনিক যুগে আমি নিজেও বিশ্বাস করি ভূত বলতে কিছু নেই। কিন্তু আমার সাথে যা ঘটেছে, তখন বিশ্বাস না করে উপায় নেই যে ভূত আছে। শেক্সপিয়ার থেকে রবীন্দ্রনাথ পর্যন্ত বলেছেন, দুনিয়াতে অনেক কিছু আছে, যা খালি চোখে দেখা যায় না। কুকুর এবং বিড়াল অশরীরিদের দেখতে পায়। আমি একবার ফরিদপুর বেড়াতে গিয়ে একটা ভূত দেখেছিলাম। মেয়েটার বয়স কত আর হবে, ১৮ কিংবা একুশ। মধ্যরাতে মেয়েটাকে দেখে প্রচন্ড ভয় পেয়েছিলাম। পরে জেনেছি, মেয়েটা আত্মহত্যা করেছিল।

যদি দুই বাংলার শ্রেষ্ঠ ভূতের গল্প পড়তে চান,
তাহলে হুমায়ুন আহমেদ সম্পাদিত একটা বই আছে। "আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প"। বইয়ের প্রতিটা গল্প অসাধারণ! বারবার করে পড়লেও মন ভরে না। দুই বাংলার অনেকেই ভূতের গল্পের সংকলন করেছেন, কিন্তু আমি বলব, হুমায়ুন আহমেদের টা বেস্ট। দারুন সব গল্প। হুমায়ুন আহমেদ বেশ কিছু অসাধারণ ভূতের গল্প আছে। যেমন, ছায়াসঙ্গী। বাংলা সাহিত্যে এরকম গল্প নেই বললেই চলে। 'তন্দ্রা বিলাস: নামে চমৎকার একটা বই আছে। মিছিল আলি আছেন সেই বইতে। হুমায়ুন আহমেদের একটা বই আছে, বাচ্চাদের জন্য লেখা। নাম- বোতল ভূত। এই বইটা পড়ে আমি চরম আনন্দ পেয়েছি।

আমি মারাত্মক ভীতু মানুষ। নিজের ঘরেও আমি ভয় পাই।
মাথায় বেশ কিছু সাদা চুল উঁকি-ঝুকি দেয়, এখনো আমি ভূতের ভয়ে থাকি। আমার এমনই পোড়া কপাল, আমাকে রাতে একা ঘুমাতে হয়। আমার বিছানার পাশে কেউ একজন আসে। চুপ করে বসে থাকে। আমি তার নি:শ্বাসের শব্দ পর্যন্ত শুনতে পাই। আমি নিশ্চিত এটা একটা মেয়ে। মেয়েটা বেচে নেই। এই মেয়েটা আমাদের সাথে পড়তো। মিশু নাম। আমার সমস্যা হলো, ঘর পুরোপুরি অন্ধকার না করে ঘুমাতে পারি না। আমার স্ত্রী, কন্যা আমার সাথে ঘুমায় না। তারা এসি ছেড়ে ঘুমায়। আর এসিতে আমি ঘুমাতে পারি না। সারা রাত প্রায় আমাকে নির্ঘুম কাটাতে হয়। ফলাফল পরের দিন সারাদিন মূরগীর মতো ঝিমাই।

জ্বীন এবং ভূত কিন্তু এক জিনিস নয়।
জ্বীনকে ভূত ভাবলে গুনাহ হইবে। তবে দুষ্ট কিছু জ্বীন আছে। এরা মানুষের ক্ষতি করে। আমাদের সাথে একটা মেয়ে পড়তো লিসা নাম। সহজ সরল সুন্দর একটা মেয়ে। কিন্তু মারাত্মক সাহসী। লিসা একদিন আমাকে বলল, দোস্ত আমার একটা আবদার আছে। কি আবদার? লিসা বলল, সে সারারাত কবরস্থানে থাকবে। আমি যেন তার সাথে থাকি। আমাকে লিসার সাথে থাকতে হবে কারণ, বাংলাদেশ এখনো এত উন্নত হয়নি, যে একটা মেয়ে ঘরের বাইরে একা সময় কাটাবে। লিসার সাথে কুমিল্লা গেলাম। লিসার মামা কবরস্থানে থাকার ব্যবস্থা করতে পারেনি। ব্যবস্থা করেছে, শ্মশানে থাকার। একটা লোককে পোড়াতে নিয়ে এসেছে। দরিদ্র লোক। পরিবারের কাছে শ্মশানের খরচ দেওয়ার মতো অবস্থা নেই।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭

নতুন বলেছেন: আপনাকে সম্ভবত পরীরা নজর করে।

কিছু দুস্টু পরী আছে এরা ভালো ছেলেদের কোহকাফ শহরে নিয়ে যায়।

সাবধানে থাইকেন রানু ভাই। ;)

২| ১৮ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:১৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পড়লাম । ভুত নিয়ে ভাবতে ভাবতে আপনার চুল পেকে গেছে ।

৩| ১৮ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:২০

সপ্তম৮৪ বলেছেন: দেখা পেলে হয়তো পরী লাগতে পারে।
কিন্তু আফসোস জীন পরী কারো দেখা পাইনি

৪| ১৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:২৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: লিখা দিয়া কই চলে গেলেন ? খানাপিনা লিমিটে কইরেন ।

৫| ১৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪৫

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: আমার রহস্য গল্প ভালো লাগে।

৬| ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ২:৪৫

বাকপ্রবাস বলেছেন: ছেটবেলায় দেখেছি জ্বিনে ধরা এক ছেলের সাথে জ্বিন কন্যার বিয়ে, ছেলেটা প্রায়ই সময় দেখতাম লাল শাড়ি পরে থাকে, বিয়ের দিনে দেখলাম সামনের ঘরে খাটের উপর ফুল খানাপিনা রেখেছে, ওদিকে জ্বিন বলল সিদ্ধ ডিম আনতে, সে আবার ভেতরে খবর পাঠালো সিদ্ধ ডিম এর ব্যাবস্থা করতে............

৭| ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ২:৫৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ভুত জ্বীন সবই আমার ভাল লাগে ,তাদের
সাথে আমার অনেকবার কথা আর সাক্ষাত
হয়েছে আমাবশ্য কিংবা পুর্ণিমা নীশি রাতে
কোথায় কিভাবে ভুত দর্শন হয় বা হয়েছে
সেসব কিছু কথা সচিত্র বলে যাব এখানে
মন্তব্যের ঘরে এত বড় কবিতা দেখার পরে
ব্লগার চাঁদগাগীকে নির্ঘাত ভুতে ধরবে ।

শুনুন জ্বীন ভুত শুধু শ্মসানেই থাকেনা
যেথায় যেথায় থাকে লিখলাম কবিতায়


নিশীথের স্তব্ধতায় জেগে ওঠে অশরীরী সুর
শ্মশানের ছায়ায় কাঁপে গোপন এক অশুর
পথহারা বাতাসে ভেসে আসে কত ফুসফাঁস
কার যেন কান্না মিশে থাকে ভাঙা নিশ্বাস।

দূর বনপথে হঠাৎ কাঁপে শুকনো পাতার স্তূপ
কেউ কি হাঁটে নীরবে, নাকি মৃতেরই রূপ?
অচেনা সেই ছায়া ধীরে কাছে টানে প্রাণ
চোখে তার জ্বলজ্বলে শীতল মৃত্যুর গান।

দেউল ভাঙা ঘরে কারা ডাকে ক্ষীণ স্বরে
নেই কেউ তবু কাঁপে প্রদীপ অদৃশ্য ঝড়ে
দরজার ফাঁকে যেন দৃষ্টিহীন দুই নয়ন
চেয়ে থাকে স্থির হয়ে ভয়ানক আহ্বান।

নদীর কালো জলে ওঠে শীতল ঢেউয়ের রাগ
ডুবে যাওয়া নৌকার মাঝিদেরআত্মার ডাক
তাদের হাত বাড়িয়ে চায় জীবনের উষ্ণতা
কিন্তু ছোঁয়া মানেই শেষ নিভে যায় আত্মা।

রাত্রির বুক চিরে শোনা যায় কার অট্টহাসি
মৃত্যুরই উল্লাস যেন অদৃশ্য বিভীষিকার বাসি
ফিরে চাও যদি একবার, হারাবে পথ চিরতরে
ভূতের রাজ্যে বন্দী হবে অনন্ত অন্ধকারে।

পুর্ণিমা রাতে বাতাশে নাচে কাশবনের সাদা ফুল
হাত নেড়ে ডাকছে বলে কাছে গিয়ে করোনা ভুল
ভুত কিংবা পেত্নি দাঁড়িয়ে থাকে ছায়ার মতো চুপ
কাছে গেলেই জড়িয়ে ধরে মায়বী অশরীরী রূপ।

চাঁদের আলো মাখা পথে কে যেন হেঁটে যায়
পেছন ফিরে দেখলে তুমি শুণ্যে সে মিলায়
ঝোপের ভেতর থেকে কে যেন ফিসফিসায়
নিশির ডাকে সাড়া দিলে প্রাণটাই হারায়।

শূন্য মাঠে হঠাৎ দেখা সাদা শাড়ির ছায়া
চোখ দু’টি জ্বলছে শুধু নেই কোনো কায়া
ধীরে ধীরে কাছে এসে বাড়ায় মায়াবী হাত
ছুঁয়ে দিলে থেমে যাবে জীবনেরই গান রাত।

তাই বলি, পূর্ণিমা রাতে একা একা যেও না কভু
কাশবনের ওই ডাকে লুকিয়ে আছে ভৌতিক প্রভু
যে একবার ভুলে গিয়ে দেয় অশরীরীর সাড়া
সে আর ফিরে আসে না হারায় আঁধার ধারা।

তাই বলি, শোনো যদি নিশি রাতের ওই ডাকে
সারা দিয়ে যেও না ছুটে, চলবে আলোর বাকে
কারণ অন্ধকার জানে শুধু গ্রাস করতে প্রাণ
ভূতের ছায়ায় লুকিয়ে থাকে শুধু মৃত্যুর টান।

শুভেচ্ছা রইল

৮| ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৫৫

ইসিয়াক বলেছেন: আমি কখনও ভূত - প্রেত জ্বীন- পরি দেখিনি। তাই এসবের প্রতি ভয়ভীতি কাজ করে না। একবার তো, বাজি ধরে আমাদের গ্রামের পারিবারিক কবরখানার মধ্য দিয়ে মধ্যরাতে এপার ওপার করেছিলাম। গা ছম ছম করেছিল। কিন্তু তেমন একটা ভয় পাইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.