নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

লিমনের পৃথিবী

রেমাশ

রেমাশ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সিআরআই মহাপরিচালকের বাংলাদেশ সফরঃ প্রত্যাশা পূরনের দ্বারপ্রান্তে শ্রোতারা

০২ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:১৮

গত ৩০ মার্চ ২০১৬ বুধবার সিআরআই মহাপরিচালক ওয়াং গেং নিয়ান নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের সিআরআই প্রতিনিধিদল দু’দিনের সংক্ষিপ্ত সফরে বাংলাদেশে আসেন। এটা ছিল বাংলাদেশে সিআরআই এর সর্বোচ্চ পর্যায়ের কোন কর্মকর্তার প্রথম সফর। সফরটিকে বাংলাদেশ বেতার ও সিআরআই খুবই গুরুত্ব দিয়েছে। কারন এ সফর ভবিষ্যতে উভয় বেতারের কার্যক্রম ও পরিচালনায় অনেক সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করবে।



বুধবার বিমান বন্দরে সিআরআই মহাপরিচালকে শ্রোতা ক্লাবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। মহাপরিচালক মহোদয় বিমানবন্দরে শ্রোতাদের উপস্থিতির বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গ্রহন করে শ্রোতা ক্লাব প্রতিনিধিদেরকে ধন্যবাদ জানান। সেখানে শ্রোতাক্লাব প্রতিনিধিদের সাথে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ে বাংলাদেশে এফ এম সম্প্রচার পরিধি সম্প্রসারনের বিষয়টি উঠে আসে। এছাড়া শ্রোতাস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও আলোচিত হয়।


৩১ মার্চ সকালে শাহবাগে বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বেতার এবং সিআরআই -এর উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বাংলাদেশে সিআরআই এর সম্প্রচার পরিধি ও সময় নিয়েও আলোচনা হয়। আলোচনায় বাংলাদেশ বেতারের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন মহাপরিচালক এ কে এম নেছার উদ্দিন ভূইয়া এবং চীন আন্তর্জাতিক বেতার (সিআরআই)-এর পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন, মহাপরিচালক ওয়াং গেন নিয়েন।



আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, সিআরআই বর্তমানে ঢাকা এবং চট্টগ্রামে বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে এফএম-এ ১৮ ঘন্টা করে মোট ৩৬ ঘন্টার অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। এই ৩৬ ঘন্টার অনুষ্ঠানকে ভাগ করে অন্যান্য বিভাগীয় অঞ্চলে এফএম চালু করা যায় কিনা সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
এখানে একটি বিষয় উল্লেখ না করলে শ্রোতাদের তা অজানাই থেকে যাবে। আমরা সিআরআই এর প্রচারনায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে শ্রোতাবন্ধুদের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যে অভিযোগটি বিভিন্ন সময় পেয়েছি তা হলো- শর্টওয়েবে শ্রবন মান মোটামুটি মানের। তাই শ্রোতারা এফএম এর মাধ্যমে সিআরআই এর অনুষ্ঠান আগ্রহী। এ বিষয়টি নিয়ে সিআরআই লিসনার্স ক্লাব অব বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ আলোচনা করে একমত হন যে, ৩৬ ঘন্টার অনুষ্ঠানকে দুইটি কেন্দ্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা অন্যান্য আঞ্চলিক কেন্দ্রের মধ্যে ভাগ করে দিলে শ্রোতারা বেশী উপকৃত হবে।

আমরা সিআরআই লিসনার্স ক্লাব অব বাংলাদেশের পক্ষে সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব ও সিআরআই বাংলাদেশ মনিটর দিদারুল ইকবাল কে অনুরোধ করি বিষয়টি নিয়ে বাংলা বিভাগের পরিচালক মাদাম ইউ কূয়াং উ এর সাথে আলোচনার জন্য। মি. ইকবাল বিষয়টি মাদাম ই য়ূ’র সাথে আলোচনা করেন। আর সিআরআই মহাপরিচালকের এবারের সফরে বিষয়টি আলোচিত হওয়ায় সিআরআই লিসনার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ অত্যন্ত আনন্দিত ও নিজেদের স্বার্থক মনে করছে।
আমরা সিআরআই এর মাধ্যমে জানতে পেরেছি, বাংলাদেশ বেতার সিআরআই এর অনুষ্ঠান অন্যান্য বিভাগীয় অঞ্চলে সম্প্রচারের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে। কারন এতে বাংলাদেশ বেতারের আর্থিক কোন ক্ষতি হবে না। কিন্তু শ্রোতারা এতে লাভবান হবেন। অনেক দেরীতে হলেও শ্রোতাদের দীর্ঘ দিনের চাওয়া পূরন হবে। তাই বলা যায়, বিভাগীয় অঞ্চলে এফ এম সিআরআই অনুষ্ঠান সম্প্রচারের দাবী পূরনের দ্বারপ্রান্তে আমরা। এখন হয়তো কয়েকটি অঞ্চলে এফ এম সম্প্রচার শুরু হবে। তবে আমরা আশাবাদী অচিরেই বাংলাদেশ বেতারের ১২ টি অঞ্চলে সিআরআই বাংলা অনুষ্ঠান শুনতে পারবেন শ্রোতাবন্ধুরা।
আমাদের শ্রোতাক্লাব তথা শ্রোতা বন্ধুদের দাবী সর্বোচ্চ ফোরামের আলোচ্য সূচীতে নিয়ে আসায় আমরা কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি সিআরআই বাংলা বিভাগের পরিচালক মাদাম ইউ কূয়াং উ এবং সিআরআই লিসনার্স ক্লাব অব বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও সিআরআই বাংলাদেশ মনিটর দিদারুল ইকবাল আপনাকে ।
বাংলাদেশ বেতারের সাথে চীন বেতারের কারিগরী ও প্রশিক্ষণমূলক সহযোগিতা, কর্মকর্তা ও অনুষ্ঠান বিনিময় করতে নীতিগত ভাবে উভয়পক্ষ সন্মত হয়েছে। এতে করে উভয় বেতার উপকৃত হবে বলে আমরা মনে করি। তবে এতে করে আসলে সবচেয়ে বেশী উপকৃত হবে উভয় দেশের রেডিওর শ্রোতারা।

এছাড়া আমরা জানতে পেরেছি, বহির্বিশ্ব কার্যক্রমে ৭ম ভাষা হিসেবে চীনা ভাষার অনুষ্ঠান সম্প্রচার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ বেতার। এ ব্যাপারে চীন আন্তর্জাতিক বেতার (সিআরআই)-এর সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ বেতার। এতে বাংলাদেশ ও চীনা জনগনের বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্কের জয় হয়েছে বলে আমি মনে করি। এটাকে আমি সিআরআই বাংলা বিভাগের সাফল্য হিসাবে অভিহিত করতে চাই।
সবশেষে আমি সিআরআই এর মহাপরিচালক ওয়াং গেং নিয়ান এর বাংলাদেশ সফরের বিষয়ে অতি দ্রুত সংবাদ ও প্রতিবেদন সিআরআই বাংলা বিভাগে প্রচার ও ওয়েবসাইটে প্রকাশ এবং ফেসবুকে মহাপরিচালকের সফরে আলোচিত বিষয়গুলো সাধারন শ্রোতাবন্ধুদের অবহিত করায় সিআরআই বাংলা বিভাগের পরিচালক মাদাম ইউ কূয়াং য়ূ কে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।


বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব সৃষ্টির জন্য তার এ সফর অনেক গুরুত্বপূর্ণ।আমরা গর্বিত সিআরআই মহাপরিচালকের প্রথম বাংলাদেশ সফরে।

[ছবিঃ মুস্তাফিজুর রহমান মিন্টু, আলোকচিত্রী, বেতার বাংলা, বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা]

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৯:২৪

মিহির সাহা বলেছেন: বেতাল কে শোনে ?

০২ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:২৫

রেমাশ বলেছেন: ২৯ এপ্রিল ১৯৯১ ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় কিংবা ১৫ নভেম্বর ২০০৭ সালের সিডর এর কথা মনে করুন তো। তখন একমাত্র বেতারই দূর্যোগপ্রবন এলাকা গুলোতে ভয়াবহ দূরবস্থা কবলিত লোকজনকে আবহাওয়ার পূর্বাভাস আর সঠিক সংবাদ দিয়ে সবার আগে এগিয়ে এসেছিল। তাই এই অতি প্রয়োজনীয় যন্ত্রটিকে বেতাল বলে অবহেলা করার কোন সুযোগ নেই। ধন্যবাদ।

২| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:৪৩

বিজন রয় বলেছেন: দারুন।
+++

০২ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:২৬

রেমাশ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:৩১

রেমাশ বলেছেন: নিউজ ও অডিও লিংকঃ
http://bengali.cri.cn/1101/2016/04/02/41s163915.htm

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.