নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি কেউ না...।

রোদ্র রশিদ

নিজেকে জোকার ভাবি যেন হাজার কষ্টে হাসতে পারি, হাসাতে পারি ।

রোদ্র রশিদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

হাগুর লাইসেন্স

২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১:২২



ঢাকা থেকে আমার বাড়ি যেতে ময়মনসিংহে যাত্রাবিরতি পরে। আর যাত্রাবিরতির হোটেলের টয়লেট—উফ, আতঙ্ক!
এতটাই নোংরা থাকে যে, ভেতরে ঢোকার আগে মনে মনে দোয়া-দরুদ পড়তে হয়।
আজও আল্লাহর নাম নিয়ে সাহস করে ঢুকলাম।
কিন্তু ভেতরে ঢুকে তো আমি পুরাই হতবাক!
টয়লেট একেবারে ঝকঝকে তকতকে। মনে হলো, ভুল করে পাঁচতারা হোটেলের ওয়াশরুমে ঢুকে পড়েছি।
দুই মিনিট দাঁড়িয়ে নিশ্চিত হলাম—না, ঠিক জায়গাতেই এসেছি।
টয়লেটের দরজা লাগানোর সঙ্গে সঙ্গেই দরজায় সাঁটানো একটা নোটিশে চোখ পড়ল।
**"টয়লেট ব্যবহারের নিয়মাবলি"**
১. কমোডে বসা অবস্থায় আপনার শরীরের সঙ্গে হাঁটু ৮০–৯০ ডিগ্রি কোণে রাখতে হবে। এর কম-বেশি হওয়া যাবে না।
২. একবার টয়লেট ব্যবহারে সর্বোচ্চ তিনবার পাদ দেওয়া যাবে।
৩. প্রতি ৩০ সেকেন্ডে একবারের বেশি কাশি দেওয়া নিষেধ।
৪. হাগুর সময় মুখ গম্ভীর রাখতে হবে।
৫. অনুমতি ছাড়া দীর্ঘশ্বাস ফেলা যাবে না।
৬. কাজ শেষে ১০ সেকেন্ড নীরবতা পালন করতে হবে।
৭. বের হওয়ার আগে অবশ্যই চতুর্ভুজাকৃতির সিল যথাস্থানে মারতে হবে।
ব্লা ব্লা ব্লা।
এরপর আরও কয়েকটি পয়েন্ট ছিল।
আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই আজগুবি নিয়মগুলো পড়তে লাগলাম।
নিয়মগুলো পড়তে পড়তেই টের পেলাম—হাগুর চাপটাই উধাও!
বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই গ্রামীণ চেকের শার্ট পরা এক ভদ্রলোক হন্তদন্ত হয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়ালেন।
— "সিল মারছেন?"
আমি অবাক হয়ে বললাম,
— "কিসের সিল?"
উনি আমার চেয়েও বেশি অবাক হয়ে বললেন,
— "প্যান্ট খোলেন!"
— "মানে!?"
ভদ্রলোক পাশে দাঁড়ানো পালোয়ান-টাইপের দুজনকে ইশারা করলেন। আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা আমার প্যান্ট টেনে নামিয়ে ধপাস করে পাছায় চতুর্ভুজাকৃতির একটা সিল বসিয়ে দিল!
ঘটনার আকস্মিকতায় আমি রাগ করব, না কাঁদব—কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কোনোমতে প্যান্ট তুলে বেল্ট লাগাচ্ছি, এমন সময় দেখি সামনে কয়েকজন পুলিশ, তিন-চারজন ভদ্রলোক এবং একজন ভদ্রমহিলা।
আমি কিছু বলার আগেই পাঞ্জাবি পরা একজন ভদ্রলোক জিজ্ঞেস করলেন,
— "সিল আছে?"
যে পালোয়ান একটু আগে আমার ওপর শিল্পকর্ম করে গেছে, সে বলল,
— "আছে স্যার, দেখাচ্ছি!"
বলেই আবার আমার প্যান্ট নামিয়ে দিল!
আমি তখন সম্পূর্ণ নির্বাক।
এরা কারা? কী হচ্ছে এখানে?
আমি কিছু বলতে যাব, এমন সময় গ্রামীণ চেকের শার্ট পরা ভদ্রলোক ইশারা করে আমাকে চুপ থাকতে বললেন।
দ্বিতীয়বার কোনোমতে প্যান্ট পরে চুপচাপ ওনাদের কথাবার্তা শুনতে লাগলাম।
জানতে পারলাম, পাঞ্জাবি পরা ভদ্রলোকসহ অন্য তিনজন **হা.পা.নি.অ.**-এর সদস্য।
হা.পা.নি.অ. মানে **হাগু-পাদ নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।**
আর ভদ্রমহিলা একজন ম্যাজিস্ট্রেট।
হা.পা.নি.অ.-এর সদস্যরা তাঁকে এবং পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে এসেছেন।
বছরে একবারই তাঁরা আসেন। চেক করেন, হা.পা.নি.অ.-এর লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে কি না, কাগজপত্র ঠিক আছে কি না, নিয়মাবলি ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না।
আমি সাহস করে ম্যাজিস্ট্রেটকে জিজ্ঞেস করলাম,
— "আপা, আমাদের বাসের যাত্রাবিরতি তো বরাবরই এই হোটেলে হয়। আগে কখনো এসব নিয়ম দেখিনি। আর এমন অদ্ভুত নিয়মের আদৌ দরকার আছে কী?"
উনি বললেন,
— "সরকারি নিয়মকে আপনি অদ্ভুত বলছেন! খেয়াল করেছেন, শুধুমাত্র জনগণের কথা ভেবে আইনে সবকিছু কত ডিটেইলসে বলা আছে!"
— "এত নিয়ম কি মনিটরিং করা সম্ভব?"
একটু হেসে তিনি যোগ করলেন,
— "আপনি মনিটরিং নিয়ে ভাবছেন! এটা ভাবুন, বাস্তবে সবগুলো নিয়ম মানতে গেলে মানুষের শেষ পর্যন্ত হাগু করা সম্ভব হবে কি না।"
— "তাহলে?"
— "প্রতি বছর বিভিন্ন এলাকার জন্য হা.পা.নি.অ.-এর ওপরমহল থেকে একটি বাজেট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেওয়া থাকে। সেই বাজেট পূরণ করার জন্যই এত নিয়ম। আপনি-ই বলেন, কারও পক্ষেই কি সত্যি সত্যি লাইন বাই লাইন সব মনিটরিং করা সম্ভব?"
আমি ভ্রু কুঁচকে উনার দিকে তাকিয়ে আছি।
আমার কুঁচকানো ভ্রু দেখে উনি বললেন,
— "আচ্ছা ধরেন, আমরা যদি আজকে থেকে সত্যি সত্যিই শতভাগ মনিটরিং শুরু করি...!!!"
কথাটা শেষ করার সঙ্গে সঙ্গেই ওনার হাসিমুখ আরও চওড়া হলো।
আমি আর কথা বাড়ালাম না।
শুধু ভাবতে লাগলাম...
আচ্ছা, আজকে টয়লেটে কি আমি শেষ পর্যন্ত হাগু করেছিলাম? আর হাগু করার সময় আমার শরীরটা হাঁটুর সঙ্গে কত ডিগ্রি কোণ করে ছিল?
৮৫ ডিগ্রি? নাকি ৯২ ডিগ্রি?
**গল্পের পেছনের গল্প:**
উপরের গল্পটা কাল্পনিক।
কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে যা দেখছি, একটা সরকারি সংস্থা বিভিন্ন ফিডমিলে একই স্টাইলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।
তাদের কাজ দেখে মনে হচ্ছে, তাদের মূল লক্ষ্য পণ্যের প্রকৃত মান যাচাইয়ের চেয়ে লাইসেন্সিংয়ের দিকেই বেশি। লাইসেন্স হলেই ফি, আর ফি মানেই রাজস্ব। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ।
আইন অনুযায়ী উনারা হয়তো ঠিকই আছেন। কিন্তু যে ফিডমিলকে উনারা শুধুমাত্র লাইসেন্সের জন্য আজ নতুন করে জরিমানা করতে শুরু করেছেন, সেই একই ফিডমিলকে বহু বছর ধরে আরেকটি সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা (যারা ফিডের মান সম্পর্কে উনাদের চেয়ে সামান্য হলেও বেশি বোঝেন) নিয়মিত মান যাচাই করে সার্টিফিকেট দিয়ে আসছে।
ব্যবসায়ীরা করবে কী? একই মান যাচাইয়ের জন্য কয়টি সংস্থাকে টাকা দেবে?
একদিকে বিশ্ববাজারে কাঁচামালের দামের প্রভাবে ফিডমিল মালিকরা ফ্যাক্টরি চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। ফিডের দাম কমাতে পারছেন না। খাবারের খরচ বেশি, কিন্তু মুরগি-ডিমের দাম নেই, তাই খামারিরা লোকসানে আছেন। অন্যদিকে এভাবে রাজস্ব আদায়ের নামে ফিডমিলগুলোকে হয়রানি করা হলে ফলাফল ভালো হওয়ার কথা নয়। শেষমেশ এর প্রভাব ভোক্তা পর্যায়েই পড়বে।
ঢাকা থেকে আমার বাড়ি যেতে ময়মনসিংহে যাত্রাবিরতি পরে। আর যাত্রাবিরতির হোটেলের টয়লেট—উফ, আতঙ্ক!
এতটাই নোংরা থাকে যে, ভেতরে ঢোকার আগে মনে মনে দোয়া-দরুদ পড়তে হয়।
আজও আল্লাহর নাম নিয়ে সাহস করে ঢুকলাম।
কিন্তু ভেতরে ঢুকে তো আমি পুরাই হতবাক!
টয়লেট একেবারে ঝকঝকে তকতকে। মনে হলো, ভুল করে পাঁচতারা হোটেলের ওয়াশরুমে ঢুকে পড়েছি।
দুই মিনিট দাঁড়িয়ে নিশ্চিত হলাম—না, ঠিক জায়গাতেই এসেছি।
টয়লেটের দরজা লাগানোর সঙ্গে সঙ্গেই দরজায় সাঁটানো একটা নোটিশে চোখ পড়ল।
**"টয়লেট ব্যবহারের নিয়মাবলি"**
১. কমোডে বসা অবস্থায় আপনার শরীরের সঙ্গে হাঁটু ৮০–৯০ ডিগ্রি কোণে রাখতে হবে। এর কম-বেশি হওয়া যাবে না।
২. একবার টয়লেট ব্যবহারে সর্বোচ্চ তিনবার পাদ দেওয়া যাবে।
৩. প্রতি ৩০ সেকেন্ডে একবারের বেশি কাশি দেওয়া নিষেধ।
৪. হাগুর সময় মুখ গম্ভীর রাখতে হবে।
৫. অনুমতি ছাড়া দীর্ঘশ্বাস ফেলা যাবে না।
৬. কাজ শেষে ১০ সেকেন্ড নীরবতা পালন করতে হবে।
৭. বের হওয়ার আগে অবশ্যই চতুর্ভুজাকৃতির সিল যথাস্থানে মারতে হবে।
ব্লা ব্লা ব্লা।
এরপর আরও কয়েকটি পয়েন্ট ছিল।
আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই আজগুবি নিয়মগুলো পড়তে লাগলাম।
নিয়মগুলো পড়তে পড়তেই টের পেলাম—হাগুর চাপটাই উধাও!
বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই গ্রামীণ চেকের শার্ট পরা এক ভদ্রলোক হন্তদন্ত হয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়ালেন।
— "সিল মারছেন?"
আমি অবাক হয়ে বললাম,
— "কিসের সিল?"
উনি আমার চেয়েও বেশি অবাক হয়ে বললেন,
— "প্যান্ট খোলেন!"
— "মানে!?"
ভদ্রলোক পাশে দাঁড়ানো পালোয়ান-টাইপের দুজনকে ইশারা করলেন। আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা আমার প্যান্ট টেনে নামিয়ে ধপাস করে পাছায় চতুর্ভুজাকৃতির একটা সিল বসিয়ে দিল!
ঘটনার আকস্মিকতায় আমি রাগ করব, না কাঁদব—কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কোনোমতে প্যান্ট তুলে বেল্ট লাগাচ্ছি, এমন সময় দেখি সামনে কয়েকজন পুলিশ, তিন-চারজন ভদ্রলোক এবং একজন ভদ্রমহিলা।
আমি কিছু বলার আগেই পাঞ্জাবি পরা একজন ভদ্রলোক জিজ্ঞেস করলেন,
— "সিল আছে?"
যে পালোয়ান একটু আগে আমার ওপর শিল্পকর্ম করে গেছে, সে বলল,
— "আছে স্যার, দেখাচ্ছি!"
বলেই আবার আমার প্যান্ট নামিয়ে দিল!
আমি তখন সম্পূর্ণ নির্বাক।
এরা কারা? কী হচ্ছে এখানে?
আমি কিছু বলতে যাব, এমন সময় গ্রামীণ চেকের শার্ট পরা ভদ্রলোক ইশারা করে আমাকে চুপ থাকতে বললেন।
দ্বিতীয়বার কোনোমতে প্যান্ট পরে চুপচাপ ওনাদের কথাবার্তা শুনতে লাগলাম।
জানতে পারলাম, পাঞ্জাবি পরা ভদ্রলোকসহ অন্য তিনজন **হা.পা.নি.অ.**-এর সদস্য।
হা.পা.নি.অ. মানে **হাগু-পাদ নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।**
আর ভদ্রমহিলা একজন ম্যাজিস্ট্রেট।
হা.পা.নি.অ.-এর সদস্যরা তাঁকে এবং পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে এসেছেন।
বছরে একবারই তাঁরা আসেন। চেক করেন, হা.পা.নি.অ.-এর লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে কি না, কাগজপত্র ঠিক আছে কি না, নিয়মাবলি ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না।
আমি সাহস করে ম্যাজিস্ট্রেটকে জিজ্ঞেস করলাম,
— "আপা, আমাদের বাসের যাত্রাবিরতি তো বরাবরই এই হোটেলে হয়। আগে কখনো এসব নিয়ম দেখিনি। আর এমন অদ্ভুত নিয়মের আদৌ দরকার আছে কী?"
উনি বললেন,
— "সরকারি নিয়মকে আপনি অদ্ভুত বলছেন! খেয়াল করেছেন, শুধুমাত্র জনগণের কথা ভেবে আইনে সবকিছু কত ডিটেইলসে বলা আছে!"
— "এত নিয়ম কি মনিটরিং করা সম্ভব?"
একটু হেসে তিনি যোগ করলেন,
— "আপনি মনিটরিং নিয়ে ভাবছেন! এটা ভাবুন, বাস্তবে সবগুলো নিয়ম মানতে গেলে মানুষের শেষ পর্যন্ত হাগু করা সম্ভব হবে কি না।"
— "তাহলে?"
— "প্রতি বছর বিভিন্ন এলাকার জন্য হা.পা.নি.অ.-এর ওপরমহল থেকে একটি বাজেট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেওয়া থাকে। সেই বাজেট পূরণ করার জন্যই এত নিয়ম। আপনি-ই বলেন, কারও পক্ষেই কি সত্যি সত্যি লাইন বাই লাইন সব মনিটরিং করা সম্ভব?"
আমি ভ্রু কুঁচকে উনার দিকে তাকিয়ে আছি।
আমার কুঁচকানো ভ্রু দেখে উনি বললেন,
— "আচ্ছা ধরেন, আমরা যদি আজকে থেকে সত্যি সত্যিই শতভাগ মনিটরিং শুরু করি...!!!"
কথাটা শেষ করার সঙ্গে সঙ্গেই ওনার হাসিমুখ আরও চওড়া হলো।
আমি আর কথা বাড়ালাম না।
শুধু ভাবতে লাগলাম...
আচ্ছা, আজকে টয়লেটে কি আমি শেষ পর্যন্ত হাগু করেছিলাম? আর হাগু করার সময় আমার শরীরটা হাঁটুর সঙ্গে কত ডিগ্রি কোণ করে ছিল?
৮৫ ডিগ্রি? নাকি ৯২ ডিগ্রি?
**গল্পের পেছনের গল্প:**
উপরের গল্পটা কাল্পনিক।
কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে যা দেখছি, একটা সরকারি সংস্থা বিভিন্ন ফিডমিলে একই স্টাইলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।
তাদের কাজ দেখে মনে হচ্ছে, তাদের মূল লক্ষ্য পণ্যের প্রকৃত মান যাচাইয়ের চেয়ে লাইসেন্সিংয়ের দিকেই বেশি। লাইসেন্স হলেই ফি, আর ফি মানেই রাজস্ব। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ।
আইন অনুযায়ী উনারা হয়তো ঠিকই আছেন। কিন্তু যে ফিডমিলকে উনারা শুধুমাত্র লাইসেন্সের জন্য আজ নতুন করে জরিমানা করতে শুরু করেছেন, সেই একই ফিডমিলকে বহু বছর ধরে আরেকটি সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা (যারা ফিডের মান সম্পর্কে উনাদের চেয়ে সামান্য হলেও বেশি বোঝেন) নিয়মিত মান যাচাই করে সার্টিফিকেট দিয়ে আসছে।
ব্যবসায়ীরা করবে কী? একই মান যাচাইয়ের জন্য কয়টি সংস্থাকে টাকা দেবে?
একদিকে বিশ্ববাজারে কাঁচামালের দামের প্রভাবে ফিডমিল মালিকরা ফ্যাক্টরি চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। ফিডের দাম কমাতে পারছেন না। খাবারের খরচ বেশি, কিন্তু মুরগি-ডিমের দাম নেই, তাই খামারিরা লোকসানে আছেন। অন্যদিকে এভাবে রাজস্ব আদায়ের নামে ফিডমিলগুলোকে হয়রানি করা হলে ফলাফল ভালো হওয়ার কথা নয়। শেষমেশ এর প্রভাব ভোক্তা পর্যায়েই পড়বে।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:০৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সরকারি সংস্থা গুলোর মূল কাজ কি শুধু লাইসেন্স দেওয়া,
নাকি সেই লাইসেন্সের মানও নিশ্চিত করা?

.................................................................................
লাইসেন্সের কথা বলে অনেক কিছু আদায় করা যায় ।
কিন্ত কেউ সাহায্য করেনা , ঐ প্রতিষ্ঠান কিভাবে ভালো
উৎপাদন করে দেশের সুষম খাদ্য যোগান দিবে ???

২| ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২১

অরণি বলেছেন: আপনার কি ফিডমিল আছে?

৩| ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২২

রৌশন বলেছেন: জনগণের কল্যান সরকারের উদ্দেশ্য নয় যে। এরা চায় দেশ লুটে বিদেশে পালিয়ে যেতে। লোন ডিফল্ট ও দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে এমপি হয়ে গেছে, আর কি আশা করেন!

৪| ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: পড়লাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.