| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!
উপরে যে ছবিটি দেখছেন, তা সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দিন (রহ)-এর আমলের, প্রায় ৮০০ বছরের পুরনো। তিনি হযরত
শাহ জালাল (রহ)-এর সাথে সিলেট জয়ের সময়ে বাংলায় এসেছিলেন। তিনি যখন তাঁর বাবা'র সাথে ভারতীয় উপমহাদেশে আসেন, তখন কাগজে লেখা 'নসবনামা' বা 'বংশীয় লতিকা' দ্বারা প্রমাণ হয়েছিলো, তাঁরা নবীজির বংশধর। এই নসবনামা এখনো আমার নানু'র বাড়ি হবিগঞ্জে রক্ষিত আছে। বাংলায় আগত প্রত্যেক সৈয়দ-দের নসবনামা আছে।
আমি এই সম্পর্কে জানার পর থেকে নিজের বংশের নসবনামা অনুসন্ধান করা শুরু করি, এবং জানতে পারি, আমাদের বংশনামা মাত্র ২০০ বছর আগের। এর আগে বংশে কে ছিলেন তা জানতে পারিনি এখনো।
আমাকে আমার নানুরবাড়ির একজন সৈয়দ যিনি তাঁর বাড়ির নসবনামা সংরক্ষণ করেন, আজ বলেছেন, অনেক সৈয়দ লেখা ব্যক্তিদের নসবনামা মাত্র ২০০ বছর আগের। তাঁরা কীভাবে আরব রাজ্য থেকে এই দেশে এসেছেন, তা জানা যায় না। ২০০ বছর আগের কোন বংশ লতিকা তাঁরা কখনো দেখাতে পারেন নাই!
তাহলে?
নিচে আমি সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দিন (রহ)-এর আরেকটি বাড়ির ১৭০০ শতকের একটি নসবনামা দেখালাম।
আপনি ইচ্ছা করলে, 'family tree online' লিখে গুগলে সার্চ করলে অনেক ওয়েবসাইটের নাম পাবেন যেখানে নিজের বংশলতিকা সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন।
২|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:০৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: নিজের বংশের নসবনামা অনুসন্ধান করা শুরু করি,
...................................................................................
যাকে আমরা 'family tree' নামেই চিনি ।
তবে বাংলার যে ইতিহাস সেখানে বংশের নসবনামা অনুসন্ধান করা
বোকামি । এই সমতট ভূমি যখন সাগর থেকে ভাসমান হয়ে বসবাস
যোগ্য হচ্ছিল তখন আর্যরা এসে পত্তন শুরু করে ।
এরপর ধীরে ধীরে অনেকেই আসে । তখন সংস্কৃতভাষার প্রচলন ছিল ।
...........................................................................................
বিদেশে দেখলাম একজন নবজাতক হলে সঙ্গে সঙ্গে নিবন্ধন হয়ে যায়
এবং বংশতালিকা আপডেট করে । তাই সঠিক ও ধারাবাহিকভাবে
কোন কোন জাতি এর উপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে তা জানা আবশ্যক ।
বংশতালিকা সংরক্ষন করাটা অত্যন্ত জরুরী ও বিচক্ষনতার বিষয় ।
এই বিষয়ে আমার আরও জানার আগ্রহ আছে ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৫৩
খায়রুল আহসান বলেছেন: এখন বেশিরভাগ পরিবারের লোকজন তাদের দাদার নাম পর্যন্ত বলতে পারেন, খুব বেশি হলে আরেক ধাপ উচ্চের, অর্থাৎ দাদার বাবা পর্যন্ত নাম বলতে পারেন। এর চেয়ে বেশি বলতে পারেন কিংবা লিখিত কাগজ (বংশলতিকা) দেখাতে পারেন, এমন লোকের সংখ্যা খুবই নগণ্য।