| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!
গতকাল একটি বিশ্রী ঘটনা ঘটে গেলো। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ যতবার শুনেছি, ততবার অনুপ্রাণিত হয়েছি। এই ভাষণ বারবার শোনা দরকার বলে মনে করি। কিন্তু, মজার ব্যাপার হচ্ছে, যারা ৭ই মার্চের ভাষণ জনগণকে শোনানোর দায়িত্ব নিয়েছেন, তাঁরা খুবই সেকেলে। এখনো তাঁরা সেই পুরনো আমলের মাইকের ব্যবহার করে বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে চান। অথচ, তাঁরা যদি একটি ট্রাক ভাড়া করে, লেটেস্ট সাউন্ড সিস্টেম দিয়ে প্রজেক্টর সহকারে তা জনগণকে অনুপ্রাণিত করার উদ্দেশ্যে বাজাতেন ও দেখাতেন, জনগণ অনেক কিছু শিখতো। অথবা, যারা বিদেশে আছেন, তাঁরা যদি ভাষণটি বুস্টিং করতেন, তাহলে, অনেকের কাছে পৌঁছাতো না? তা না করে এমন স্টান্টবাজি করে পুলিশের কাছে ধরা খাওয়ার কি দরকার ছিলো!
যে ছেলেটি পুলিশের কাছে ধরা খেয়েছে, তাঁর জন্যে দুঃখ হচ্ছে। জীবনটা হেল হয়ে যাবে। মামলা হয়ে গেলে তো শেষ! আর, যারা ঐ ছেলেটির গায়ে হাত তুলেছেন, তারাও ভালো কাজ করেন নাই। একজন মানুষ ৭ই মার্চের দিন আবেগ দেখাতেই পারে, তাই বলে গায়ে হাত তোলা সভ্য মানুষের কাজের মধ্যে যায় না। তাদের এজন্যে অনুতপ্ত হওয়া উচিৎ। আর, মাইক বাজানেওয়ালা সেই তরুণের সাহসের তারিফ করে তার কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ।
একটা গল্প বলি।
ভারতে একবার একটা ইয়াং ছেলে রাজনৈতিক কারণে গান্ধীজীর একটা মূর্তি ভেঙ্গে ফেললো। পাঁশ দিয়ে এক বৃদ্ধ মানুষ যাচ্ছিলেন। তিনি সেই ছেলেটির কাছে এসে বললেন - বাবা, তুমি এইবারে ঐ যে দূরে দেখা যাচ্ছে, গান্ধীজীর ঐ মূর্তিটাও ভেঙ্গে ফেলো। তরুণ ছেলেটা বৃদ্ধ লোকটার দিকে তাকিয়ে আছে। দাদার বয়সী মানুষটা ছেলেটার হাতে একটা ইয়া বড় পাথর তুলে দিয়ে বলে চললেন - তুমি একে একে ভারতে গান্ধীজীর যত মূর্তি আছে, সবগুলো ভেঙ্গে ফেলো। সময় যেন থমকে আছে। বৃদ্ধ লোকটা কি উপহাস করছেন? ছেলেটা ভাবল। ছেলেটার মনের কথা মনে হয় সিনিয়র সিটিজেনটি বুঝতে পারলেন। মিষ্টি একটি হাসি দিয়ে এরপরে তিনি বললেন - ভয় পেও না, বন্ধু! সবগুলো মূর্তি ভেঙ্গে ফেলে, তাঁকে হৃদয়ে ঠাই দাও! তারপরে, নিজের বুকটা দেখিয় বল্লেন - এখানে গান্ধীজীর যে ছবিটা আছে, তার জন্যে কয়টা পাথর মারবে শুনি?!
বয়সের ভারে নুয়ে পড়া বৃদ্ধ লোকটা হাঁটা ধরলেন।
সেই দিকে ফেলফেল চোখে তাকিয়ে রইলো হাতে পাথর ধরে থাকা ছেলেটা। 
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:১২
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ভাষণটা ঐতিহাসিক। শোনানো প্রয়োজন।
কিন্তু, এভাবে আসলে মডার্ন আমলের ছেলেপেলেরা শুনতে চায় না।
ধন্যবাদ নিরন্তর।
২|
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬
ধুলো মেঘ বলেছেন: এই ভাষণ শুনতে শুনতে এই প্রজন্মের ছেলেপেলেরা অতিষ্ট। এই যন্ত্রণার হাত থেকে বাঁচার জন্যেই তো জুলাই বিপ্লব হয়েছিল। তারপরেও যদি সেই প্যাক প্যাক আবার শুনতে হয় - সেটা সহ্য করার ক্ষমতা কয়জনের আছে? তাই ছেলেমেয়েরা যা করেছে, ঠিকই করেছে।
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:১৩
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
প্যাক প্যাক বলা উচিৎ হলো না।
ভালো থাকুন।
৩|
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯
কলাবাগান১ বলেছেন: সপাং সপাং শব্দ কেই রাজাকার এর বংশধর রা প্যাক প্যাক মনে করে
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:১৬
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ভেজাল করে লাভ নেই।
তরুণ প্রজন্মকে মাথায় হাত দিয়ে বুঝাতে হবে।
ধন্যবাদ।
৪|
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:০৪
নতুন বলেছেন: বিএনপির উচিত এইসব বন্ধ করা।
পাকিপন্হিরা মুক্তিযুদ্ধের কথা শুনতে চায় না। তাদের বাড়াবাড়ী আয়ামীলীগের জনপ্রিয়তাই বাড়াবে মাত্র।
বঙ্গবন্ধুকে তার যথাযত সন্মান দিতে হবে। মেজর জিয়াকে তার যথাযত সন্মান দিতে হবে।
পাকিপ্রেমীদের প্রতি ও যথাযত ঘৃনা জানাতে হবে।
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:১৮
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
সব আস্তে আস্থে ঠিক হয়ে যাবে।
একটু সবুর করতে হবে।
ভালো থাকুন নিরন্তর।
৫|
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৪৫
ধুলো মেঘ বলেছেন: প্যাক প্যাক যে বলেছে, তাকে রাজাকারের বংশধর বলার আগে কলাবাগানের বাচ্চার উচিত ছিল নিজের পুচ্ছের দিকে তাকানো। কি কারণে তাতে আগুন ধরে গেল - সেটা বোঝা।
৬|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৪৬
রাজীব নুর বলেছেন: ৭ই মার্চের ভাষন আমাদের শক্তি দেয়। অনুপ্রেরনা দেয়।
এই ভাষন জামাত শিবির রাজাকাদের সহ্য হবে না।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: রমজান মাসে ভাষণ বাজানোর কি দরকার ? আর ভাষন শুনতে চাইলে ঘরে বসেও শুনতে পারেন । ডাকসুর ছেলেরা এই ভাষণ শুনে ভয় পায় । তাদের ভয় দেখানোর কোনো অধিকার নাই কারো ।